স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সেই সঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমও নিয়মিত তদারকি করা হবে। মানসম্মত সেবা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এছাড়া উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকা সত্ত্বেও সাপের কামড়ে রোগী মারা যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, সাপ কামড়ানোর পর রোগী বিষধর সাপের দংশনে আক্রান্ত কি না, তা বোঝার জন্য কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অনেক সময় হাসপাতালে আসতে দেরি করায় রোগীর অবস্থা বেশি আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘তাই সাপ দংশনের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসুন। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।’
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র তুলে ধরলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
প্রতি উপজেলায় ১০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।’
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত রেসপিরেটরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের বড় সাফল্য স্বাস্থ্যখাতের ওপর নির্ভর করছে। তাই সরকার স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন—এমন হাসপাতালগুলোর জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৫ সালে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালটি উদ্বোধন করার ২১ বছর পর হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা সেবা সম্প্রসারণ করা হলো। নতুন স্থাপিত আইসিইউতে ৪০টি শয্যা যুক্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁইয়া সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ ও ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, এ কর্মসূচিতে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। ওই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। লক্ষ্যমাত্রার ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এরপর ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, আগের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু বাদ পড়েছে। পরে মপ-আপ ক্যাম্পেইন চালিয়ে এরই মধ্যে আরও ১৯ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে বাকি রয়েছে ২৪ লাখ শিশু। এর সঙ্গে গত তিন মাসে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ লাখ শিশু।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরও ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে মজুত ছিল ১৫ লাখ ডোজ। সব মিলিয়ে ৫৮ লাখ ডোজ টিকা রয়েছে। ১০ শতাংশ ওয়েস্টেজ বাদ দিলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা থাকবে। ফলে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত টিকা থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আগামী ২৬ তারিখ সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে ম্যাসিভ ক্যাম্পেইনে যাচ্ছি। যারা ছয় মাস বয়স অতিক্রম করেছে, তাদের থেকে শুরু করে ৫৯ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের এই টিকা দেওয়া হবে। এবার ক্যাম্পেইনে শুধু কেন্দ্রে বসে থাকব না, গ্রামের ভেতরেও লোকজনকে কাজে লাগাব, যাতে একটি শিশুও বাদ না থাকে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ক্যাম্পেইনের পরও নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা শিশুদের টিকা দিতে মপ-আপ (অতিরিক্ত টিকাদান) কার্যক্রম চালু রাখা হবে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচালক, ইউএইচএফপিও, ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে যুক্ত থাকবেন।
হামে আক্রান্ত শিশুদের বড় অংশই টিকা নেয়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমি হাসপাতাল ঘুরি, ৯৯ শতাংশ আনভ্যাক্সিনেটেড। যারা এখন হামে মারা যাচ্ছে, তারা ভ্যাকসিন পায়নি।’
ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের টিকা না দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী সাধারণত নয় মাসের আগে হামের টিকা দেওয়া হয় না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির (নাইট্যাক) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছয় মাস বয়স থেকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর কম বয়সী শিশুদের টিকা দিলে ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় ছয় মাসের নিচে টিকা দেওয়ার ঝুঁকি নেওয়া হবে না।
পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের টিকাদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী এই মুহূর্তে আমরা পাঁচ বছরের বেশি বয়সীদের কাভার করতে পারছি না।’
হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, হামের পর নিউমোনিয়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। এ ধরনের রোগীদের চিকিৎসায় সিপ্যাপসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোর মাধ্যমে হামের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
হাম ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়েও হাম ও ডেঙ্গুর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তবে অনেক রোগী সরাসরি ঢাকার তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসছেন। পরিস্থিতি খারাপ হলে জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীকে এ কাজে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েক মাস ধরে প্রতি শুক্রবার জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। পাশাপাশি মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চলছে, যা ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
হাম নিয়ন্ত্রণে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ছোঁয়াচে রোগ। প্রতিদিন নতুন শিশু ছয় মাস বয়সে প্রবেশ করায় টিকাদানের বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি হামের রোগীকে নিয়ে পরিবারের অন্য শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসার কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।
৫ দিন আগে
চীনসহ এশিয়ায় স্বাস্থ্য সহযোগিতায় চার অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারে চারটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
অগ্রাধিকারগুলো হলো: ওষুধ ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য, সুস্থ বার্ধক্য এবং টিকা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চীনের হাইকোতে অনুষ্ঠিত বিএফএ গ্লোবাল হেল্থ ফোরাম ২০২৬ হাইকু কনফারেন্সে বক্তৃতাকালে তিনি এসব অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্প শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের ওষুধ প্রায় ১৬০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের প্রবেশ সহজ করার পাশাপাশি সক্রিয় ওষুধ উপাদান (এপিআই) উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা এবং স্মার্ট স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
এআই ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিষয়ে তিনি বলেন, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও চিকিৎসা শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের পাশাপাশি অনকোলজি, প্রিসিশন মেডিসিন, রোবোটিক সার্জারি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং দূরবর্তী রোগী পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
৯ দিন আগে
হাসপাতালে বাইরে পরীক্ষা করানোর অভিযোগ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের হাসপাতালের বাইরে পাঠানোর অভিযোগে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুর সব ধরনের পরীক্ষা হাসপাতালে করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ডেঙ্গু ওয়ার্ডও পরিদর্শন করেন।
এ সময় রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালের বাইরে পাঠানোর অভিযোগ পান তিনি। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
সাখাওয়াত বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রোগীরা যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সম্প্রতি হাসপাতালের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেবাপ্রত্যাশীদের ক্ষোভের বিষয়টি নজরে আসার পর পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ আকস্মিক পরিদর্শনে যান।
১৪ দিন আগে
আত্মহত্যা শূন্যের কোটায় আনতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মহত্যাকে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যাকে ‘না’ বলতে হবে। একই সঙ্গে মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নিতে হবে। যেসব বিষয়ে মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজকে সচেতন করার ওপর জোর দিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজকে চলতে দিলে সমাজ খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। তাই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন। এছাড়া সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন।
১৫ দিন আগে
২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকায় ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে।
তিনি আরও বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি নজরে আসায় সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এছাড়া ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এ জন্য জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
১৫ দিন আগে
উপজেলা পর্যায়ে স্ট্রোক-পরবর্তী থেরাপি চালুর কথা ভাবছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্ট্রোক-পরবর্তী থেরাপি সেবা চালু করার বিষয়টি সরকারের ধাপে ধাপে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো ও সরঞ্জাম থাকা সাপেক্ষে এ সেবা চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর (চট্টগ্রাম-১৫) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টার দিকে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গু, সাপের কামড় ও অন্যান্য মৌসুমি রোগের চিকিৎসায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহ এবং মজুত ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হবে।
এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হামে সন্দেহভাজন ৮৮০ জনের মৃত্যু ও নিশ্চিতভাবে ৯৯ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত হামে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা ৮৯৭ এবং নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-তে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯৭।
১৮ দিন আগে
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০,৩১১, প্রয়োজন ৮৮,৯০৯: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনসংখ্যার ন্যূনতম অনুপাত পূরণ করতে দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সংসদে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিহার (মাদারীপুর-২) লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বেলা ৩টার দিকে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন সংসদে জানান, সরকারের অর্থায়নে ২০২৬ সালে পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসকের ন্যূনতম মান পূরণ করতে চলতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের অনুমোদিত মোট পদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে কতজন চিকিৎসক প্রয়োজন, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্যকর্মী-সংক্রান্ত মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়।
তবে দেশে চিকিৎসকের মোট সংখ্যা ও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদ পূরণ ও চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদগুলো ধীরে ধীরে পূরণ করতে সরবার চলমান নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।
১৮ দিন আগে
ক্যাম্পেইনের পরও সচেতনতার অভাবে টিকাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিয়মিত টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পরও নতুন করে টিকাদানের উপযুক্ত হওয়া এবং সচেতনতার অভাবে সময়মতো টিকা না পাওয়া শিশুদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
হামের সংক্রমণ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দীর্ঘদিন নিয়মিত হামের টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়ায় দেশে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বেড়ে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পেইনের পরও নতুন করে টিকাদানের উপযুক্ত হওয়া শিশুদের একটি অংশ এবং সচেতনতার অভাবে সময়মতো টিকা না পাওয়া শিশুরা টিকাবঞ্চিত থেকে গেছে। ফলে তাদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে।
তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন এনে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে, দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, একটি চক্র রোগীদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এই দালাল চক্রকে ধরতে ডিজিএফআই, র্যাবসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বহু হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানের ফলে আগের তুলনায় দালাল চক্রের উৎপাত কমেছে।
অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যেসব ক্লিনিকে অবৈধ চিকিৎসক এবং ভুয়া সনদধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানও সিলগালা করা হচ্ছে। তিনি নিজে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তদারকি করছেন বলেও জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত এক মাসে ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনি চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন। তাঁর পরিদর্শনের পর রোগীরাও চিকিৎসকদের আচরণ এবং হাসপাতালের খাবারের মান আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
সিলেটে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোর ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
২১ দিন আগে