মেঘনা নদী
চাঁদপুরে মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কার্গোডুবি, ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে
চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় উত্তাল মেঘনার প্রবল ঘূর্ণিস্রোতে ৫ হাজার বস্তা ধান ও চালবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুরানবাজার ঘাট-সংলগ্ন মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তবে কার্গোতে থাকা মাঝিমাল্লাসহ পাঁচ শ্রমিক সাঁতরে অন্য নৌকার সাহায্যে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হওয়ায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
কার্গোটির চালক এরশাদ মাঝি জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) পাবনা থেকে ৩ হাজার ৫০০ বস্তা চাল এবং ১ হাজার ৫০০ বস্তা ধান নিয়ে ‘পারবো’ নামের কার্গোটি চাঁদপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। আজ (বুধবার) সকালে পুরানবাজার ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছালে তিন নদীর মোহনায় তীব্র ঝড় ও ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে। একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কার্গোটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় কার্গোতে থাকা পাঁচজন শ্রমিক অন্য নৌকার সাহায্য দ্রুত সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন পাটোয়ারী জানান, ডুবে যাওয়া ধান ও চাল পুরানবাজারের সাতজন ব্যবসায়ীর মালামাল। এ ঘটনায় তাদের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে, চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজমগীর হোসেন বলেন, কার্গোডুবির বিষয়ে এখনও আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য আসেনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আপডেট জানানো হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুর নদী বন্দরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, কিছুক্ষণ আগে ঘটনাটি জেনেছি। দুর্ঘটনার কারণ ও সার্বিক পরিস্থিতি জানতে আমাদের নৌ-নিরাপত্তা বিভাগের উপপরিচালক বাবু লাল বৈদ্যকে ঘটনাস্থলে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় ঝড় ও সৃষ্ট তীব্র ঘূর্ণিস্রোত ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে প্রায়ই নৌ-দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তাই এ নৌপথে চলাচলকারী কার্গো ও অন্যান্য নৌযানকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য কর্তৃপক্ষকে সতর্কবার্তা জারির আহ্বান জানান তারা।
১৮ দিন আগে
মেঘনা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে শিক্ষার্থী নিখোঁজ, দুই দিনেও মেলেনি সন্ধান
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
৫৩ দিন আগে
অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গিয়ে বালু ব্যবসায়ীদের ছোড়া ছররা গুলিতে চারজন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ওই গ্রামের আলিম মিয়া, নূরু মিয়া, সফর মিয়া ও নুরুল মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নবীনগরের মেঘনা নদীতে সামিউল ট্রেডার্স ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু বালু উত্তোলনকারীরা অবৈধভাবে নির্দিষ্ট সীমা ছেড়ে চরলাপাং গ্রামে এসে বালু উত্তোলন করে থাকে। এতে ওই গ্রামের কৃষি জমিসহ আশপাশের এলাকা ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে চরলাপাং গ্রামে বালু উত্তোলন করার সময় স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় পার্শ্ববর্তী রায়পুরা উপজেলার মির্জাচর এলাকা থেকে স্পিডবোট ও নৌকায় করে আসা একদল ‘বালু সন্ত্রাসী’ এলোপাতাড়ি ছররা গুলি ছোড়ে। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া গ্রামবাসীর ওপর গুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
১৫৫ দিন আগে
মেঘনার পাড় ঘেঁষে বালু উত্তোলন: হুমকিতে বাঁধ, আতঙ্কে স্থানীয়রা
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ সেচ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। ফলে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
এই বাঁধের মধ্যে মতলব দক্ষিণের একটি গ্রাম ও মতলব উত্তরের ১৪টি ইউনিয়ন অবস্থিত। সেখানকার জনসংখ্যা প্রায় ৭ লাখ।
গত কয়েকদিন উপজেলার মেঘনা নদী অববাহিকার দশানি, ষাটনল, নাছিরাকান্দি, বোরচর এলাকা ঘুরে প্রকাশ্যে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলতে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু সন্ত্রাসী কিবরিয়া মিয়াজি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরেই মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছেন। তাদের এই ধরনের কাজে জড়িত থাকায় দুপক্ষের বিরোধে গোলাগুলিতে একাধিক ব্যাক্তি মারা গেছে, আহত হয়েছে আরও অনেকে। এসব ঘটনায় এখনো মামলা চলছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। এতকিছুর পরও কীভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে?
দশানি গ্রামের মাজেদুর রহমান বলেন, ‘কী বলমু ভাই, দিন-রাইত ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলে। পাড় ধসে আমাদের ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বেড়িবাঁধ যদি ভেঙে যায়, তাহলে পুরো মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। কোটি কোটি টাকার সম্পদ শেষ হয়ে যাবে, অথচ কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।’
আরও পড়ুন: পদ্মায় বালু উত্তোলনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড, একজন মুচলেকায় মুক্ত
ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রশাসনকে বারবার জানালেও কোনো ফল পাইনি। মনে হয় বালু সিন্ডিকেটের কাছে প্রশাসনও জিম্মি। সরকার পরিবতর্ন হলেও কোনো কাম হচ্ছে না।’
৩৪০ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে মেঘনায় প্রাণ গেল তরুণের
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ঈদের ছুটিতে খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মেঘনা নদীতে ডুবে অপু মিয়া নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুরে উপজেলার মোহনপুরে মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত অপু (১৯) ঢাকার আগারগাঁও এলাকার বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি মিরপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে অপু ছিলেন সবার ছোট।
স্বজনরা জানান, ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে অপু তার বড় ভাই ও মায়ের সঙ্গে খালার বাড়ি মোহনপুরে বেড়াতে আসেন। পরে দুপুরে সে একা নদীতে গোসল করতে গিয়ে মোহনপুর ঘাটে একটি বলগেট (কার্গো নৌকা) থেকে নদীতে লাফ দেন। এ সময় প্রবল স্রোতে তিনি নিখোঁজ হন।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু
স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক ইউএনবিকে বলেন, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। লাশটি পরিবারের কাছেহন্তান্তর করা হয়েছে।
৪১১ দিন আগে
মেঘনা নদী থেকে রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বিবিরহাট এলাকায় মেঘনা নদী থেকে হাসিনা খাতুন নামে এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১ জুন) দুপুরে ভাসমান অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায়।
নিহত হাসিনা খাতুন একজন রোহিঙ্গা নারী। তার বাবার নাম আবুল হাসান, মায়ের নাম মোহাম্মদ মাহমুদা খাতুন এবং স্বামীর নাম মোহাম্মদ তারেক। তার এফসিএন নম্বর ৫০৫২৩৩ এবং ক্লাস্টার নম্বর ৬১।
আরও পড়ুন: ৬ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে মমতাজ
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, ‘বিবিরহাট এলাকায় নদীতে স্থানীয়রা এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, নিহত নারী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের। তবে কেউ এসে শনাক্ত না করা পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
৪২০ দিন আগে
চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশা কেটে গেলে চাঁদপুরের হরিণা-শরীয়তপুর আলুর বাজার ফেরি ঘাটের মধ্যে নৌচলাচল শুরু হয়েছে।
ঘন কুয়াশায় নৌদুর্ঘটনা রোধে বুধবার ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কুয়াশা কেটে গেলে সকাল ১০টায় ফের নৌচলাচল শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৬ ঘণ্টা পর আরিচা-কাজিরহাট ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
বিআইডব্লিউটিসির হরিণা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক ফয়সল আলম চৌধুরী বলেন, সকাল ১০টার দিকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কুয়াশাও কেটে গেছে। যে কারণে নৌযান চলাচল শুরু করা হয়েছে।
এরআগে ফেরিঘাটের উভয় পাশে শতাধিক পণ্যবাহী হালকা, ভারী ও মাঝারি যানবাহন আটকা পড়েছিল। ঘন কুয়াশায় চাঁদপুর শহর ও আশপাশ এলাকা ঢাকা পড়ে যায়। এ সময় শহর ও আশপাশের এলাকায় পথঘাটে যাত্রী ও রিকশা-অটোরিকশা কম দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
৫৫০ দিন আগে
মেঘনা নদী থেকে ৮ ড্রেজার জব্দ, গ্রেপ্তার ১৬
চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে আটটি ড্রেজার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ড্রেজার পরিচালনায় থাকা ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-ইমরান খানের নেতৃত্বে নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের সদস্যরা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জামাল হোসেন, মো. রাসেল গাজী, আজিজুল হাওলাদার, ইকবাল হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন, মো. মোতালেব, মো. মামুন, তোফাজ্জল, জাহিদুল ইসলাম, আবদুল হান্নান, আমির হোসেন, ইসমাইল, সাইফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও নাজমুল। এদের সবার বাড়ি চাঁদপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বলে জানা গেছে।
মো. আল-ইমরান খান বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নৌ-পুলিশের সহযোগিতা সোমবার সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনকালে আটটি ড্রেজার হাতেনাতে জব্দ করা হয় এবং ড্রেজার পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম এস ইকবাল জানান, ড্রেজার থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ১৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থপনা আইনে নিয়মিত মামলা হয়েছে। জব্দ হওয়া ড্রেজার চাঁদপুর নৌ থানা হেফাজতে রয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
৬০১ দিন আগে
মেঘনায় গোসলে নেমে স্ত্রীর সামনে ডুবে গেলেন স্বামী
চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে গোসলে নেমে স্ত্রী মনিরা বেগমের চোখের সামনে তীব্র স্রোতে ভেসে গেলেন স্বামী জহিরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে চাঁদপুর শহরের টিলাবাড়ি লঞ্চঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ জহিরুল (৩৫) বরিশালের মৃত মনসুর বেপারীর ছেলে। এই দম্পতি দুই সন্তান নিয়ে লঞ্চঘাটের পাশে টিলাবাড়ি মেঘনাপাড়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। জহিরুল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন আবার কখনো কখনো লঞ্চঘাটে হকারিও করতেন।
আরও পড়ুন: বন্যার কারণে সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
এদিকে খবর পেয়ে বিআইডাব্লিউটিএ-র লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরিদল নিখোঁজ জহিরুলের সন্ধানে অভিযান শুরু করে। কিন্তু তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ জহিরের ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে তার স্ত্রী মনিরা বেগমসহ গোসল করতে নেমে আর উঠেনি। আমরা ধারণা করছি, নদীর তীব্র স্রোতের কারণে সে ডুবে গেছে।
চাঁদপুর নৌ ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের ইনচার্জ মোসলেম মিয়াজি ইউএনবিকে জানান, দুপুর পর্যন্ত জহিরের সন্ধান করেও পাওয়া যায়নি। তবুও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। কিন্তু নদীর তীব্র স্রোতে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
চাঁদপুর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ইউএনবিকে জানান, ঘটনা জানতে পেরে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে নৌ-পুলিশও কাজ করছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা বেড়ে সোয়া ৮ লাখ
৭৬৬ দিন আগে
চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন
চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী এমভি কর্ণফুলী-৩ লঞ্চে আগুন লাগে।
শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতে একটি চরে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: মন্দিরে আগুন: ফরিদপুরে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় ২ জন নিহতের ঘটনায় বিজিবি মোতায়েন
লঞ্চে থাকা যাত্রীরা জানান, ভোলার ইলিশাঘাট থেকে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ যাত্রী নিয়ে এমভি কর্ণফুলী-৩ লঞ্চ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। দুই ঘণ্টা চলার পর হঠাৎ মধ্য মেঘনায় ইঞ্জিন রুমে আগুন ধরে ধোঁয়া বের হতে থাকে। এসময় লঞ্চ স্টাফরা নদী থেকে পানি তুলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। এসময় যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতে চালক লঞ্চটি কোনো মতে চাঁদপুর এলাকায় একটি চরের কাছে নিয়ে তাদের নামিয়ে দেন। শত শত যাত্রীকে পানিতে ভিজে রোদে পুড়ে তীব্র তাপদাহে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা পড়ে চরম বিপাকে।
কণফুলী লঞ্চের ভোলা অফিসের কর্মকর্তা লিটন বলেন, তাদের লঞ্চের আগুন এখন নিভানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চে যাত্রীদের কর্ণফুলী ৪ ও ১১ তে উদ্ধার করে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত লঞ্চের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটিকে অন্য একটি লঞ্চ টেনে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে।
আরও পড়ুন: গাংনীতে পান বরজে আগুন, ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি
ঢাকা শিশু হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট
৮২৭ দিন আগে