জাতীয় প্রেস ক্লাব
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রের মূল শক্তি গণমাধ্যম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের জন্য সঠিক পথে থেকে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রেস ক্লাবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক। আমার সবচেয়ে দুঃসময়ে আপনারা আমার পাশে ছিলেন, যা আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে একটা সংস্কৃতি। একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। সেজন্য মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। পুরনো কর্তৃত্ববাদী চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে। আন্দোলন করে পরিবর্তন আনার পরও যদি পুরনো মানসিকতা থেকে যায়, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব হবে না।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার জন্য সময় দিতে হবে। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বৈশ্বিক কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের বিষয়টি যথাযথভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের কল্যাণে সার্বিক সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমার জায়গা থেকে আপনাদের জন্য যেটুকু করার আছে, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, আমি সেটুকু করার চেষ্টা করব।’
সংবাদকর্মীদের কর্মসংস্থানের সংকট নিরসনে বন্ধ হয়ে যাওয়া পত্রিকাগুলো পুনরায় চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘বন্ধ পত্রিকাগুলো, বিশেষ করে ট্রাস্টের অধীনে থাকা পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে অন্তত ১০০০ সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্য অত্যন্ত জরুরি, বিভক্তি কখনও সাফল্য এনে দিতে পারে না। আপনারা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক হতে পারলে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গেও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন।’
সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং অনিয়ম ও গণহারে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্বও আরও বেড়েছে। সরকারের ভুল-ত্রুটিগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলোও জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
দেশের গণমাধ্যমের প্রাণকেন্দ্র জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং সাংবাদিকদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সরকারের নেতৃত্বের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।
এ সময় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বখতিয়ার রাণা (কোষাধ্যক্ষ), কাজী রওনাক হোসেন, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাদের গনি চৌধুরী, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, আবদুল হাই শিকদার, মাসুমুর রহমান খলিলী, এ কে এম মহসীন ও জাহিদুল ইসলাম রনি।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ উপস্থিত অন্য সদস্যদের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্রপতিকে সুবিধাজনক সময়ে প্রেস ক্লাবে আমন্ত্রণ জানান।
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রেস ক্লাবে আপনি আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিলেন। আমরা গর্বিত ও আনন্দিত যে প্রেস ক্লাবেরই একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য সৈয়দ আবদাল আহমদ এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অতীতের স্মৃতিচারণ করেন এবং গণতন্ত্র রক্ষায় রাষ্ট্রপতির ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করেন।
প্রেস ক্লাবের সদস্য কাদের গনি চৌধুরী বিগত সময়ের অপসাংবাদিকতার কথা তুলে ধরে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ধারা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তিনি সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকার ও রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চান।
উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা প্রেস ক্লাবের অবকাঠামো সম্প্রসারণে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করলে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন মহাসড়কের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন
ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন মহাসড়ক নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বরিশাল জেলা সমিতির নেতৃত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন মহাসড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন থেকে বরিশালকে রক্ষা, ভোলায় আবিষ্কৃত গ্যাস বরিশালে সরবরাহ এবং বরিশালে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
মানববন্ধনে ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক সমিতি, বরিশাল বিভাগীয় কর আইনজীবী সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, দক্ষিণবাংলা ফোরামসহ বিভিন্ন উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বরিশাল জেলা সমিতির সভাপতি ড. এনায়েত করিম অনুষ্ঠানে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।
৭৭ দিন আগে
ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটির নীতিগত স্বীকৃতির দাবি
ইস্টার সানডেকে সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন। আয়োজকদের মতে, ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ দিনটি ছুটির আওতায় না থাকায় খ্রিষ্টানদের জন্য পূর্ণাঙ্গভাবে ধর্মীয় আচার পালনে বাস্তবিক সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সংগঠনটির নেতৃরা ছাড়াও বিভিন্ন গির্জা ও খ্রিষ্টান সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিওর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়া, ঢাকা আর্চবিশপ হাউজের পরিচালক ফাদার আলবার্ট টি রোজারিও, ঢাকা ক্রেডিটের সেক্রেটারি মঞ্জু মারীয়া পালমা এবং যুগ্ম মহাসচিব জেমস সুব্রত হাজরা প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে নির্মল রোজারিও বলেন, ‘ইস্টার সানডে খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এটি কর্মদিবস হিসেবে থেকে যাওয়ায় বহু মানুষকে ধর্মীয় কর্তব্য ও পেশাগত দায়বদ্ধতার মধ্যে বেছে নিতে হয়, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’
মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়া বলেন, ‘এটি নতুন কোনো দাবি নয়; দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে উত্থাপিত একটি বিষয়। আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টিকে নীতিগত ও প্রশাসনিক—উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করে একটি বাস্তবসম্মত সমাধানে পৌঁছাবে।’
রমনা ক্যাথেড্রাল চার্চের পাল-পুরোহিত ফাদার আলবার্ট টি রোজারিও বলেন, ‘বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ইস্টার সানডে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। বাংলাদেশেও একই ধরনের স্বীকৃতি ধর্মীয় স্বাধীনতার চর্চাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারে।’
ঢাকা ক্রেডিটের সেক্রেটারি মঞ্জু মারীয়া পালমা বলেন, ‘বিষয়টি কেবল একটি ছুটির প্রশ্ন নয়; এটি ন্যায্যতা, সমতা এবং নাগরিক অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। রাষ্ট্রীয় নীতিতে এ ধরনের স্বীকৃতি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা জোরদার করে।’
যুগ্ম মহাসচিব জেমস সুব্রত হাজরা বলেন, ‘আসন্ন ৫ এপ্রিলের ইস্টার সানডে উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে একদিনের ছুটি ঘোষণা একটি তাৎপর্যপূর্ণ সূচনা হতে পারে, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী নীতিগত অন্তর্ভুক্তির পথ তৈরি করবে।’
মানববন্ধন থেকে জানানো হয়, ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অনুরোধপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে একই দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
১৬৫ দিন আগে
শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক।
আরও পড়ুন: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল নির্বাচিত
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সেমিনার, মিট দ্য প্রেস এবং আন্তর্জাতিক লিয়াঁজো উপ-কমিটির আহ্বায়ক জুলহাস আলম।
আলোচনা অনুষ্ঠানে শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা।
বক্তারা বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
তারা বলেন, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের প্রক্রিয়া বন্ধ করা এবং সাম্প্রদায়িকতা রুখতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দেশ নির্মাণের তাগিদ আজ জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যে কোনো মূল্যে সমুন্নত রাখতে হবে। আজ কেন সাম্প্রদায়িকতা বাড়ছে, কেন রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন হচ্ছে সে প্রশ্ন করার সময় হয়েছে।
তিনি বলেন, কখনো কখনো সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ থাকার সুযোগ থাকে না, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, সার্বভৌমত্বের প্রয়োজনে, অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে পক্ষ নিতে হয়। অন্যদিকে গণতন্ত্র না থাকলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকে না। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা না থাকলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্মান জানাতে হলে আজ আমাদের সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিপক্ষে কথা বলতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়নের স্বার্থে, সুস্থ রাজনীতির স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সাবের, শহীদুল্লাহ কায়সার ও শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেনের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বেছে বেছে সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উপর গুরুত্বারোপ করেন আলোচকরা।
সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএফইউজে সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম ও বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, মো. আশরাফ আলী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, শাহনাজ সিদ্দীকি সোমা, শাহনাজ বেগম পলি।
আরও পড়ুন: মানবাধিকার দিবসে প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির মানববন্ধন
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১০০৪ দিন আগে
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় প্রেস ক্লাব ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ‘৭ মার্চ, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা’ বিষয়ক স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।
মঙ্গলবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা দেন ইতিহাসবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সব কর্মকাণ্ড ১১ দিনের জন্য স্থগিত
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান হাফিজ, যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া ও মো. আশরাফ আলী, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সেমিনার, ‘মিট দ্য প্রেস’ ও আন্তর্জাতিক লিয়াঁজো উপ-কমিটি আহ্বায়ক ও অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) ব্যুরো চীফ জুলহাস আলম।
অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় রাজনীতিতে মানুষের মুক্তির দিক নির্দেশনা প্রদান করে। তাই ১৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের এই ঐতিহাসিক বক্তৃতাটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’-এই উচ্চারণের মাধ্যমে তিনি মানুষের মুক্তির কথা বলেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে নানা বাস্তবতায় ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের প্রেরণা যোগায়। এই বক্তব্য নিয়ে আলোচনা, গবেষণা এবং এর বহুমাত্রিকতা নিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সব সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক। আলোচনা অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সিনিয়র সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
আরও পড়ুন: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য এইউ এম ফখরুদ্দিন মারা গেছেন
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর জানাজা শনিবার
১২৮৫ দিন আগে
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল নির্বাচিত
আগামী দুই বছরের জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবের (জেপিসি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদা ইয়াসমিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক ভোরের কাগজের শ্যামল দত্ত।
ফরিদা ইয়াসমিন পেয়েছেন ৫৬৭ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কামাল উদ্দিন সবুজ পেয়েছেন ৪০১ ভোট।
জেপিসি পরিচালনা কমিটির (২০২৩-২০২৪)সেশনের জন্য সাধারণ সম্পাদক পদে শ্যামল দত্ত ৪৯৬ ভোট পেয়েছিলেন এবং তার নিকটতম প্রার্থী ইলিয়াস খান পেয়েছিলেন ৪৭৪ ভোট।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের ‘মুজিব শতবর্ষ ক্রীড়া সপ্তাহ’র উদ্বোধন
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে কবি হাসান হাফিজ (৫৫৯) এবং রেজওয়ানুল হক রাজা (৫৮৩) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৭ সদস্যের জেপিসি কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য পদাধিকারীরা হলেন যুগ্ম সচিব আইয়ুব ভূঁইয়া (৫৪০) ও এম আশরাফ আলী (৪৯১) এবং কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী (৫৭৬)।
নির্বাচিত ১০ সদস্য হলেন- ইউএনবি সম্পাদক ফরিদ হোসেন (৪৯৫), কাজী রওনাক হোসেন (৪২২), শাহনাজ সিদ্দিকী শোমা, (৩৯০), কল্যাণ সাহা (৩৮২), শাহনাজ বেগম পলি (৩৬০), সৈয়দ আবদাল আহমেদ (৩৪৭), ইউএনবি’র প্রধান প্রতিবেদক জুলহাস আলম (৩৪৫), বখতিয়ার রানা (৩৩০), মোহাম্মদ মমিন হোসেন (৩৩০) ও সিমন্ত খোকন (২৮৯)।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাব নির্বাচনে কোনো বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে ১ হাজার ১০২ জন ভোটারের মধ্যে ৯৮৫ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ভোট গণনা শেষে রাত ৮টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোসাফা-ই-জামিল ফলাফল ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নাজমুল-মাসুদ
১৩৫১ দিন আগে
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর জানাজা শনিবার
প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট এবং ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ এর রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরীর নামাজে জানাজা আগামীকাল শনিবার বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মাঈনুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শনিবার গাফফার চৌধুরীর দাফন
এছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রয়াত আব্দুল গাফফার চৌধুরীর জানাজায় অংশগ্রহণ ও তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ক্লাব সদস্য, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: আবদলু গাফ্ফার চৌধুরীর মেয়ের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
১৯ মে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবীণ এই সাংবাদিক ৮৮ বছর বয়সে লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান। আগামী শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তার মরদেহ লন্ডন থেকে ঢাকা এসে পৌঁছানো কথা রয়েছে।
১৫৬৯ দিন আগে
সিনিয়র সাংবাদিক শামসুল আলম বেলাল মারা গেছেন
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক নগর সম্পাদক শামসুল আলম বেলাল মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য শামসুল আলম রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে মারা যান।
বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
শামসুল আলমের মৃত্যুতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আরও পড়ুন: বিচারপতি নাজমুল আহাসান আর নেই
‘মাসুদ রানা’র লেখক-প্রকাশক কাজী আনোয়ার হোসেন আর নেই
১৬৭৮ দিন আগে
সাংবাদিক শামীম মাশরেকী আর নেই
জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিলের সাবেক কর্মকর্তা ও ডিস্ট্রিকনিউজ২৪-এর উপদেষ্টা সম্পাদক মো. শামীম মাশরেকী আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৫ বছর।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ট্রেনযোগে ঈশ্বরগঞ্জ থেকে ঢাকা আসার পথে ট্রেনেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) পুলিশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন । তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এক বিবৃতিতে ক্লাব সদস্য মো. শামীম মাশরেকীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। নেতারা শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
আর পড়ুন: চলে গেলেন প্রবীণ সাংবাদিক রফিকুল হক ‘দাদুভাই’
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হামিদুজ্জামান রবি মারা গেছেন
১৭৫৪ দিন আগে
ইউএনবির সাবেক বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই
প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) সাবেক বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই। বুধবার ভোর ৫টার দিকে ৭৯ বছর বয়সে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর নিজ বাসভবনে তিনি মারা গেছেন।
মহিউদ্দিন আহমেদের বড় মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: মায়ের মৃত্যুর শোক না কাটতেই বাবা হারালেন সাংবাদিক রেজোয়ানুল হক
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য প্রবীণ এই সাংবাদিক ১৯৪৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। গত সেপ্টম্বর মাস থেকেই তিনি পারকিনসন রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
গুণী এই সাংবাদিক রেখে গেছেন তার স্ত্রী, দুই মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও সহকর্মী।
আরও পড়ুন: কবি, সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত আর নেই
বুধবার বাদ জোহর নামাজ-ই-জানাজা শেষে বনশ্রীর স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা যায়।
১৮৮৬ দিন আগে