প্রাক-নিবন্ধন
হজের প্রাক-নিবন্ধনে লাগবে যেসব তথ্য
হজের প্রাক-নিবন্ধনে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে যেসব তথ্য দিতে হবে, তা জানিয়ে পত্র জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পত্র জারি করা হয়েছে।
এ পত্রে হজে গমনেচ্ছু বাংলাদেশি সকল নাগরিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে, হজে গমনের প্রথম ধাপ হলো প্রাক-নিবন্ধন। হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধনকালে জাতীয় পরিচয়পত্র বা বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর থাকতে হবে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকলেও চলবে।
এ পত্রে হজের আর্থিক লেনদেন নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীর ব্যাংক হিসাব থাকা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ইতোপূর্বে যেসকল হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধনকালে ব্যাংক হিসাবের তথ্য প্রদান করেননি তাদের নিবন্ধনের সময় ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের হজের জন্য ১ জুলাই থেকে প্রাক-নিবন্ধন শুরু হয়েছে। সৌদি সরকার ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে এ বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজ নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
১৯ দিন আগে
ঘরে বসেই হজযাত্রীরা পাবে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের টাকা
এখন ঘরে বসেই হজযাত্রীরা পাবে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন ও সেবা সহজীকরণ কার্যক্রমের আওতায় স্মার্ট করা হয়েছে হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ড প্রক্রিয়া।
আরও পড়ুন: হজযাত্রীদের জেদ্দা, মদিনা ও মক্কার বাইরে ভ্রমণ নিষিদ্ধ: সৌদি মন্ত্রণালয়
প্রাক-নিবন্ধন বাতিলের জন্য আর যেতে হবে না হজ নিবন্ধন কেন্দ্রে।
এখন ঘরে বসেই ই-হজ বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বাতিল করা যাবে প্রাক-নিবন্ধন। নতুন এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করে সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রী তার নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে পারবে। রিফান্ড আবেদন দাখিল করলে সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের দপ্তরে।
রবিবার (১২ মে) দুপুরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ই-হজ বিডি মোবাইল অ্যাপে সরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ড সেবার উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
এই অফিসের পরিচালক ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আবেদনকারীর ব্যাংক হিসাবে জমা হবে রিফান্ডের টাকা। আগে রিফান্ডের টাকা পেতে যেখানে চার কর্মদিবস সময় লাগতো এখন সেটা ১/২ কর্মদিবসে সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে হজে যাওয়ার জন্য প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্নকারী হজযাত্রী কোনো কারণে তার নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে তাকে যেতে হতো হজ নিবন্ধন কেন্দ্রে।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া। সেলক্ষ্যে হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আমরা ইতোমধ্যেই ডিজিটালাইজড করেছি। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে এবার যুক্ত হলো সরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের স্মার্ট প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ড। এই সেবা হজযাত্রীদের সময়, অর্থ ও ভ্রমণ সাশ্রয় করবে।
আরও পড়ুন: আবেদনের মেয়াদ শেষ হলেও ভিসা অনিশ্চয়তায় ১১ হাজারের বেশি হজযাত্রী
আবারও বাড়ল হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়
৮০০ দিন আগে