চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের বাড়ি ঝিনাইদহে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের দুই যুবক রয়েছেন।
তারা হলেন— ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁদ আলী বকসের ছেলে নাইমুর রহমান জিহাদ (২১) ও একই উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের একমাত্র ছিলে নাঈম (২২)।
তাদের নিহতের খবর নিশ্চিত করে সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, জিহাদ ও নাঈমসহ তারা ৮ জনের একটি গ্রুপ কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিল। তাদের বহন করা যাত্রীবাহী বাসটি শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে পৌঁছালে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের আরও ৪ বন্ধু গুরুতর আহত হন বলেও ইউপি চেয়ারম্যান জানান।
এদিকে, পোতাহাটী গ্রামের গিয়াস উদ্দীন সেতু জানান, নাঈম ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল এক যুবক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে, নাঈম তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন বলে জানান তিনি।
সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম জানান, যুবক নাইমুর রহমান জিহাদ বিজিবি সদস্য ছিলেন। তার চাকরির বয়সও বেশিদিন হয়নি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন কষ্ট হয়ে যাওয়ায় জিহাদ তা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে এ দুর্ঘটনায় তার প্রাণ গেল। এমন মৃত্যুতে তার পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নাইমুর রহমান জিহাদ ও নাঈম নামে দুই যুবকের মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছেন। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোতাহাটী ও বাজারগোপালপুর গ্রামে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বা চট্রগ্রাম পুলিশ থেকে বিস্তারিত কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।
৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৪
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুর ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা বেগম ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত জিহাদ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির সদস্য বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজসহ (২৮) আরও অনেকে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে। কয়েকজনের হাত-পা ভেঙে গেছে এবং গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত ৭ জনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি বাস ফোর সিজেন এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দুর্ঘটনায় আহত আরাফাত জানান, তারা মারছা পরিবহনের একটি বাসে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে একটি বিষয় নিয়ে বাসচালক মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপরও একই চালক বাস চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে কুয়াকাটা সড়ক এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একই কোম্পানির আরেকটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তার দুই বন্ধু নিহত হন।
দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দীন চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টিতে দেওয়াল ধসে প্রাণ গেল নারীর
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে অতিবৃষ্টির কারণে দেওয়াল ধসে দেলোয়ারা বেগম (৬০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই শিশু আহত হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শিকলবাহা মাস্টারহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল আলম আশেক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত দেলোয়ারা বেগম ওই এলাকার মৃত ফজল আহমেদের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, অতিবৃষ্টির কারণে রাস্তার পাশের একটি দেওয়াল ধসে পড়ে। এ সময় দেলোয়ারা বেগম দেওয়ালটির নিচে চাপা পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, ‘দেওয়াল ধসে একজন নারীর মৃত্যু এবং দুই শিশু আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৪ দিন আগে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আহত বা নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফিরোজ খান জানান, আজ (সোমবার) সকাল ৯টার দিকে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাইক্রোবাস সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকরা ৩ জনের মৃত্যু ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন বৌদ্ধ ভান্তে রয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
১৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন আগ্রাবাদ বি-ফোর এক্সেস রোড এলাকায় মাটি খননের সময় দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) একটি হাইড্রো কোম্পানির কাজ চলাকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাকিবের পরিচয় জানা যায়নি তবে নিহত তুষারের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়।
স্থানীয় সূত্র্রে জানা যায়, গত রাতে খননকাজের সময় হঠাৎ মাটি ধসে পড়ে চার শ্রমিক মাটির নিচে চাপা পড়েন। পরে সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চমেকের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক বলেন, আহত দুই শ্রমিক সাগর ও এরশাদকে হাসপাতালের ক্যাজুয়াল্টি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।
২০ দিন আগে
এবার বন্ধ হলো চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা
সার তৈরির কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার সংকটে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএপিএফসিএল) উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন কারখানাটির কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান (প্রশাসন) আলমগীর জলিল বলেন, কারখানার অন্যতম কাঁচামাল অ্যামোনিয়া সংকটে শনিবার রাত ৮টা থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া পেয়ে থাকি। বর্তমানে কারখানা দুটি বন্ধ রয়েছে। এ দুটি কারখানা চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ না করা পর্যন্ত ডিএপিএফসিএল বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় নেই।
এর আগে, গ্যাস সংকটে গত ৪ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)।
জানা গেছে, দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ক্রমবর্ধমান যৌগিক সারের (নাইট্রোজেন ও ফসফরাস-সংবলিত) চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন ডিএপিএফসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় দৈনিক ৮০০ টন ডিএপি সার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পৃথক ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ শেষে এ কারখানা ২০০৬ সাল থেকে ডিএপি সারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে কারখানাটিতে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে।
২৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট
চট্টগ্রাম মহানগরীর ষোলশহরের দুই নম্বর গেট এলাকার চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের নিচ তলায় আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, মার্কেটের নিচ তলায় একটি কাপড়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন এখনও পুরোপুরি নেভানো যায়নি। আগুন লাগার খবর পেয়ে নগরীর আগ্রাবাদ বাকলিয়াসহ তিনটি স্টেশন থেকে পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে কাজ করছে।
তিনি আরও বলে, ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনে সূত্রপাত হয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে ফায়ার সার্ভিস এখনও কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডের ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত করে পরে জানানো হবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
৩২ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুই গ্রুপের গোলাগুলি: শিশুসহ আহত ৪, আটক ৫
চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে ফাহিম (১২) নামে এক শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে মহানগরীর বাকলিয়া থানার মিয়াখান নগর ময়দারমিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সিএমপি বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, ময়দার মিল এলাকায় ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ফাহিমসহ কয়েকজন আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
গোলাগুলিতে আহত শিশু ফাহিম ময়দার মিল এলাকার পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা মো. কালামের ছেলে। তার মা জোসনা জানান, সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে সে গুলিবিদ্ধ হয়। বর্তমানে ফাহিম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, ফাহিমের হাঁটুর নিচে গুলির আঘাত রয়েছে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে তার প্রাণের আশঙ্কা নেই।
এ ঘটনায় ফাহিম ছাড়াও মো. হাসান, জসিম ও ইসমাইল মিয়া নামে আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়া বলেন, কয়েকদিন ধরেই ময়দার মিল এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সাধারণ মানুষ এ ধরনের সহিংসতার শিকার হচ্ছে। তার দাবি, প্রশাসন যেন দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার করে।
স্থানীয়রা জানান, গোলাগুলিতে জড়িত দুই গ্রুপই সরকার দলীয় বিএনপি-সমর্থিত সন্ত্রাসী।
পুলিশ জানায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান তারা। মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত ৩০০ সন্ত্রাসীর মধ্যে তার নাম রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মোরশেদ খান এলাকায় ফিরে আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। এলাকায় ফিরে আসার পর তার প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাকে মারধর করে এলাকাছাড়া করেন। এই ঘটনার জেরে গতকাল (শনিবার) তার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালান। হামলায় প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ মানুষ আহত হন বলে দাবি পুলিশের।
নগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া জানান, অভিযানে ফারুক হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাসা থেকে একটি শটগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
৩৮ দিন আগে
চট্টগ্রামে পানিভর্তি গর্তে পড়ে দুই শিশু নিহত
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ইটভাটার মাটি কাটার পানিভর্তি গর্তে পড়ে সাকি (৮) ও সানজিদা (১১) নামে দুই শিশু নিহত হয়েছে।
শনিবার (৫ এপ্রিল) উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাকি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কলিম বাপের বাড়ির হাবিবুর রহমানের মেয়ে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির জাকির হোসেনের মেয়ে।
এ বিষয়ে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান, বাড়ির পাশে ইটভাটার মাটি কাটার পানিভর্তি গর্তে পড়ে দুই শিশু নিহত হয়েছে। একজন পানিতে পড়ে গেলে অন্যজন তাকে বাঁচাতে গিয়ে দুজনই মারা যায়।
৩৮ দিন আগে
চট্টগ্রামের মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানায় আগুন
চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী সাগরিকা রোডস্থ মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা সি-পোর্টে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পেয়ে নগরীর বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ এনেছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিডি ফুড নামের কারখানার ৩ নম্বর সি-পোর্টের স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নির্বাপনের পর তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফয়ার সার্ভিসের উপপরিচালক জসীম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনাস্থল হিমাগার হওয়ায় ভেতরে প্রবেশ দুরূহ ছিল। তীব্র ঠান্ডা ও গ্যাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ব্যাহত হয়। তারপরও আগুন ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে হিমায়িত মাছ ছিল। ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা বিডি সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপক নেয়ামত উল্লাহ। তিনি জানান, আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আসার পর আমরা হিসাব-নিকাশ করে বলতে পারব ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কত?
৪৫ দিন আগে