চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ২
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাইয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় এক নারী শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজারের জাহেদিয়া দাখিল মাদরাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খাদিজা মাশমুম ওই মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অন্যজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
পুলিশ জানায়, সকালে মহাসড়কের জাহেদিয়া মাদরাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশার পেছনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। ধাক্কা খেয়ে অটোরিকশাটি পুকুরে পড়ে যায়। এতে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হয়। গুরুতর আহত ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মীরসরাই সার্কেল) নাদিম হায়দার বলেন, চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার বিষয়টি দেখে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশকে খবর দিয়েছি। দুজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। হাসপাতালে ৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২২ ঘণ্টা আগে
১৪ ঘণ্টায় ৬ জনসভায় সম্পন্ন তারেকের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচার
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রবিবার (২৫ জানুয়ারি) প্রায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি জনসভায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তার নির্বাচনি প্রচারণার দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন করেছেন। এসব সভায় তিনি তার দলের প্রার্থী ও জোটের শরিকদের পক্ষে ভোট চান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান গতকাল দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বালুর মাঠে তার শেষ নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এরপর রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি তার গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন। এর আগে, তিনি চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জনসভায় অংশ নেন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ডে মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর পর্যায়ক্রমে ফেনী পাইলট স্কুল মাঠ, চৌদ্দগ্রাম স্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজী মাঠ, দাউদকান্দি ঈদগাহ মাঠ এবং নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন।
প্রতিটি জনসভায় তিনি বিএনপি ও জোট প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট চান এবং ক্ষমতায় এলে দেশ পুনর্গঠনে দলের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নারীসহ হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক তার বক্তব্য শোনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যেদিন ভোট, সেদিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে যে যার ভোটকেন্দ্রের সামনে যাবেন। ওখানে গিয়ে সবাই মিলে ফজরের নামাজ পড়বেন। ফজরের নামাজ জামাতে পড়ে একদম ভোটকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে যাবেন।’
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে শনিবার রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান তারেক রহমান এবং সেখানে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করেন। রবিবার দিনের শুরুতে তিনি একটি ইয়ুথ পলিসি ডায়ালগে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছিল। প্রথম ধাপে তারেক রহমান সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জে মোট ৭টি জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন।
এদিকে, আজ (সোমবার) বিকেল ৪টায় তিনি ভার্চুয়ালি নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের। সেখানে তিনি নোয়াখালী-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমান শামীমের পক্ষে ভোট চাইবেন।
৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তার দল ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে এবং জননিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে দুর্নীতি একটি অপরাধ। যে-ই দুর্নীতি করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইনশাআল্লাহ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জনগণের প্রতি তাদের প্রধান অঙ্গীকার বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এমনকি দলের নিজস্ব নেতা-কর্মীরা অন্যায় করলেও তাদের রেহাই দেওয়া হয়নি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলের কেউ সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানকার মানুষসহ সারা দেশের জনগণ একটি নিরাপদ পরিবেশ চায়, যেখানে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা চায় তাদের সন্তানরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করুক।’
তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি ছিল চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। বিএনপি সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করলেও সময়ের অভাবে তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। গত ১৫ বছরে এই উদ্যোগ নিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে বেগম খালেদা জিয়ার নেওয়া বাণিজ্যিক রাজধানীর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।’
তারেক রহমান জানান, ‘চট্টগ্রামে অবস্থিত ইপিজেডগুলো বিএনপির শাসনামলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে আরও নতুন ইপিজেড গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে—পাহাড় বা সমতল, মুসলিম বা অন্য ধর্মাবলম্বী—একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।’
বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ ওয়াসিমসহ জুলাই শহিদ এবং সব শহিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের দিনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সমর্থকদের পরামর্শ দেন যেন তারা তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোর হওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে গিয়ে দাঁড়ান।
এর আগে, তারেক রহমান তার বক্তব্যে শুরুতে বলেন, ‘আজ আমরা সবাই একত্র হয়েছি একটা লক্ষ্য সামনে রেখে। অর্থাৎ, একটি পরিবর্তন সামনে রেখে আমরা একত্র হয়েছি। এই সেই চট্টগ্রাম, এই সেই পুণ্যভূমি, যেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হয়েছিলেন।’
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পোলোগ্রাউন্ড মঞ্চে উপস্থিত হন এবং দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি আরেকটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী, দাউদকান্দি ও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সমাবেশে অংশ নেবেন।
৩ দিন আগে
চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ চলছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এই জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিকে ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
জনসভা শুরুর আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভোর থেকেই চট্টগ্রাম নগরী ছাড়াও জেলার ১৬ উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা পলোগ্রাউন্ড ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন। এতে পুরো এলাকা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর চট্টগ্রামে কোনো জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।
মঞ্চে উপস্থিত আছেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। নেতা-কর্মীরা অধীর আগ্রহে তাদের নেতার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
এর আগে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
চট্টগ্রামের জনসভা শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।
৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
চট্টগ্রামের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন থেকে ভিসা কার্যক্রম অনির্দষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) হাইকমিশনের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের (আইভ্যাক) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি এএইচসিআই চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া নিরাপত্তাজনিত ঘটনার কারণে আইভ্যাক চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম রবিবার (২১ ডিসেম্বর) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পর ভিসা কেন্দ্র পুনরায় চালু করার বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে নগরীর খুলশী থানার কাছে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করে শতাধিক ছাত্রজনতা। এ সময় তারা ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অফিস লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সে সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক করে। এরপর থেকে সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
৩৮ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে পিকআপ উল্টে দুই ব্যবসায়ী নিহত
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পানবোঝাই পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে দুই পান ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যবসায়ীরা হলেন: পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও এলাকার রমনি মোহন চৌধুরীর ছেলে কমল চৌধুরী ও হাটহাজারী থানার পশ্চিম দেওয়াননগর এলাকার মৃত ননী চৌধুরীর ছেলে সমীর চৌধুরী।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমেন জানান, পটিয়ার হাইদগাঁও ব্রাহ্মণঘাটা থেকে পানবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে পান ব্যবসায়ী কমল, সমীর ও উজ্জল চৌধুরী মিরসরাইয়ের মিঠাচরা বাজারে পান বিক্রি করার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পিকআপটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে কমল চৌধুরী ও সমীর চৌধুরী গুরুতর আহত হন। তবে উজ্জল চৌধুরী সামান্য আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কমল ও সমীর চৌধুরীকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
৪৫ দিন আগে
মীরসরাইয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদলকর্মী নিহত
চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাটে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গাজী তাহমিদ খান (২৫) নামের এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এদিন সন্ধ্যায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ছুরিকাঘাতে আহত হন তাহমিদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাহমিদ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাবেক সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জোরারগঞ্জ থানার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি নিজ এলাকায় ছাত্রদলে যোগদান করেন।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট পৌর সদরের ট্রাফিক মোড়ে পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজির অনুসারী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে তাহমিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত একজন হাসপাতালে নেওয়ার পরে মারা গেছে বলে শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। তবে এখনো তার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা করেনি।
৪৮ দিন আগে
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেন করার দাবিতে অবরোধ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন করার দাবিতে সাতকানিয়ার কেরানীর হাট, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এই অবরোধ কর্মসূচি চলার পর বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষোভকারীরা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এসব এলাকায় স্থানীয়রা বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সড়কে জড়ো হন। এরপর তারা মহাসড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হঠাৎ সড়ক অবরোধে বিপাকে পড়ে হাজারো যাত্রী।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কটি এখন ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে সড়ক প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাতকানিয়ার মানুষের যাতায়াতই নয়, দেশের অর্থনীতি, পর্যটন এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা পৌঁছানো—সবকিছুর জন্যই এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লাখো মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। অথচ বহু অংশ এখনো অত্যন্ত সরু, কোথাও কোথাও পাড়ার গলির চেয়েও কম প্রশস্ত। জাঙ্গালিয়ার অংশটি ঢালু ও আঁকাবাঁকা হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়ে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, রাতে লবণবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়। এতে দুর্ঘটনা আরও বেড়ে যায়। এরপরও দফায় দফায় আশ্বাস মিললেও দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি।
এর আগে, গত ৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে স্মারকলিপি দেন বিক্ষোভকারীরা। ১১ এপ্রিল সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় স্থানীয়রা আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।
সকালের অবরোধে মহাসড়কের দুই দিকে শতাধিক যানবাহন আটকে পড়ে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়। পরে বেলার ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী জানান, অবরোধের খবর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
৫৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের চরপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাহবুবুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর গ্যাসের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল আনলোড করার সময় এক শ্রমিকের সিগারেটের আগুন থেকে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরের কাঁচাবাজারে ভয়াবহ আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
আহতরা হলেন— দোকান মালিক মাহবুবুর রহমান (৪৫), শ্রমিক মো. সৌরভ রহমান (২৫), মোহাম্মদ কফিল (২২), মোহাম্মদ রিয়াজ (১৭), মোহাম্মদ ইউনুস (২৬), মোহাম্মদ আকিব (১৭), মো. হারুন (২৯), মোহাম্মদ ইদ্রিস (৩০), মোহাম্মদ লিটন (২৮) ও মোহাম্মদ ছালে (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস চন্দনাইশ স্টেশনের কর্মকর্তা সাবের হোসেন জানান, আগুন নির্বাপণ করা হয়েছে। তারা অগ্নিদগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এর আগে, এলাকাবাসী আরও কয়েকজনকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানানো হবে।
চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিদগ্ধ কয়েকজনকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর ৫ থেকে ৬ জনকে ঢাকায় পাঠানো হবে।
১৩৩ দিন আগে
‘আপত্তিকর’ ফেসবুক পোস্ট নিয়ে হাটহাজারীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ‘আপত্তিকর’ পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এ ছাড়া পোস্ট করা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আরিয়ান ইব্রাহিম নামে এক যুবক চট্টগ্রামের আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসার সামনে দিয়ে মিছিল চলাকালে অবমাননাকর অঙ্গভঙ্গি করে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও কওমি লোকজন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
আরও পড়ুন: ফেনীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫
পরে এক ভিডিওবার্তায় ইব্রাহীম নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ মাদরাসা শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম–খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেন এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এ সময় মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার ও সড়ক ছেড়ে মাদরাসায় ঢুকে যাওয়ার আহ্বান জানায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। এরপরও কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার পর মাদরাসা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে সরে যান শিক্ষার্থীরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মুমিন ইউএনবিকে জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরেরহাট থেকে এগারোমাইল সাবস্টেশন পর্যন্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, যা রবিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
ইউএনও আরও বলেন, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে রবিবার বিকেল পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকায় যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল বা বিক্ষোভ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১৪৪ দিন আগে