চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানায় আগুন
চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী সাগরিকা রোডস্থ মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা সি-পোর্টে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পেয়ে নগরীর বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ এনেছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিডি ফুড নামের কারখানার ৩ নম্বর সি-পোর্টের স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নির্বাপনের পর তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফয়ার সার্ভিসের উপপরিচালক জসীম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনাস্থল হিমাগার হওয়ায় ভেতরে প্রবেশ দুরূহ ছিল। তীব্র ঠান্ডা ও গ্যাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ব্যাহত হয়। তারপরও আগুন ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে হিমায়িত মাছ ছিল। ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা বিডি সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপক নেয়ামত উল্লাহ। তিনি জানান, আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আসার পর আমরা হিসাব-নিকাশ করে বলতে পারব ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কত?
২ দিন আগে
চট্টগ্রামে চলন্ত ট্রেনের বগিতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে চলন্ত চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ট্রেনটির অন্তত ৩টি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগুন টের পেয়ে দ্রুত যাত্রীরা নেমে যাওয়ায় কোন প্রাণহানি ঘটেনি। এই দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রামের ট্রেন যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মিলিটারি (বিএমএ) গেটসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী ট্রেনটি ভাটিয়ারী রেল স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ ট্রেনটির বগিতে আগুনের সৃষ্টি হয়। চট্টলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও ৩টি বগিতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় ট্রেন ধীরে চলার কারণে তারা দ্রুত নেমে যান। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ৩টি বগি পুরোপুরি এবং একটি বগির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন কর্মকর্তা আহসান আলী বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার ও একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিতে আগুন লেগেছে। আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের পাওয়ার কার (বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বগি) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে পাশে এসি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে।
এই দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রামমুখী ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
৫ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ঘরে ঢুকে বিএনপি নেতাকে গুলি
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ওসমান গনিকে (৪২) তার ঘরে ঢুকে গুলি ও কুপিয়ে আহত করেছে মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা। হামলার সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বাবা-মাকেও আহত করা হয়।
রবিবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার পর সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গঞ্জম আলী সরকারের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় ওসমান গণির হাতে ও পেটে এবং তার বৃদ্ধা মা আছিয়া বেগমের পায়ে গুলি লেগেছে। এছাড়া ওসমান গনির একটি হাতে ও পিঠে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। তার বাবা রশিদ আহমদের মাথায়ও আঘাত লেগেছে বলে জানান তাদের স্বজনরা।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ওসমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার মা ও বাবাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা আশংকামুক্ত বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক।
ঘটনার খবর শুনে রাতেই উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ওসমান গণির বাড়িতে যান।
স্থানীয়রা জানান, হামলায় ওসমানের শরীরে একাধিক ছররা গুলি লেগেছে। এর মধ্যে পেটে লাগা গুলিটি গুরুতর। এছাড়া তার একটি হাত কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। চিকিৎসক বলেছেন, এটি কেটে ফেলতে হতে পারে। তবে বিএনপি নেতারা অনুরোধ করেছেন, না কেটে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া যায় কিনা। তার মেরুদণ্ডেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়েত হোসেন হামলার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুখোশ পরা চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত বিএনপি নেতা ওসমান গণির বাড়িতে হামলা করেছে। শুনেছি তিনি গুলিতে আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ ওই এলাকায় গেছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
৮ দিন আগে
ঈদের আগমূহুর্তে চট্টগ্রামে মার্কেটে আগুন: নিহত ২
চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানার টেরিবাজার এলাকায় একটি বহুতল মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে দুজন নিহত হয়েছেন। ঈদের আগমুহূর্তে সৃষ্ট ঘটা এ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে গেছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেরিবাজারের কেবি অর্কিড প্লাজা নামে ১০ থেকে ১২ তলাবিশিষ্ট ভবনের চতুর্থ তলায় একটি টেইলার্সের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
নিহত দুজন হলেন— পটিয়া উপজেলার বধুপুর এলাকার মোহাম্মদ ইউনুস (৫২) এবং বোয়ালখালী এলাকার সোলাইমান। তারা দুজনই চতুর্থ তলার একটি টেইলার্সের কর্মচারী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ১০টা ৫৩ মিনিট থেকে বেলা ১১টার মধ্যে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনে আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সদর হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মন্নান জানান, মার্কেট-কাম-রেসিডেন্স ধরনের ভবনটির চতুর্থ তলায় আগুন লাগলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে এনে ওই ফ্লোরেই সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ার কারণে ওপরের কয়েকটি তলাও আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আগুনে চতুর্থ তলার দর্জি এবং কাপড়ের দোকানসহ অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। আরও চারটি দোকানের ক্ষতি হয়েছে। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়া অন্তত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেহরির পর থেকে এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যুৎ ফিরে আসার পরপরই আগুন লাগে।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যে দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত, সেখানে কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নগদ রাখা ছিল।
কেবি অর্কিড প্লাজার নিচের পাঁচ তলায় শপিং মল এবং ওপরের তলাগুলোতে আবাসিক ফ্ল্যাট রয়েছে। ভবনটিতে জুয়েলারি দোকান, ব্যাংকের শাখা, দর্জির দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
১২ দিন আগে
বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যের দামের অযৌক্তিক ব্যবধানের কারণ অনুসন্ধানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে দ্রব্যমূল্যের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য এবং প্রয়োজন হলে অন্যান্য পেশাজীবীদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনও আমদানি নির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি বা পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেলে এর প্রভাব দেশের বাজারে পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রণজনিত কোনো কারণে যেন পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।
বিদেশি ফল আমদানির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু ফল রয়েছে যা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা প্রয়োজন, যেমন: আপেল, আঙ্গুর ও কমলা। এসব ফলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার প্রয়োজনে নীতিগত পদক্ষেপ বিবেচনা করবে। তবে অত্যধিক দামি, বিলাসী ফলের ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয়তা নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল চালিকাশক্তি ব্যবসায়ীরাই। সরকারের কাজ হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাজার যেন বাধাহীন ও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে পারে তা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে বাজার তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের যেন অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
রমজান মাস উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই মাস ত্যাগ ও সংযমের মাস। তাই ব্যবসায়ীরা যদি মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করেন, তবে তা সমাজে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি রমজান মাসে ভোজ্যতেলের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে, যা গত কয়েক দশকের তুলনায় ইতিবাচক উদাহরণ। এজন্য পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও সীমিত বিক্রির অজুহাতে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রবণতার বিষয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত শোনার জন্যই তিনি খাতুনগঞ্জে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্রগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
সভায় চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ী নেতারা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
১৬ দিন আগে
‘সন্ত্রাসের জনপথ’ জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান
চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসের জনপথ’ খ্যাত সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবির সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানান, অভিযানে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৪ হাজার সদস্য। এছাড়া সেনাবাহিনীর সাজোয়া যান, পুলিশের জলকামানসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করছে যৌথবাহিনী।
সকাল থেকে অভিযান শুরু হলে পুরো জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে রেখে ভেতরে সন্ত্রাসী, অস্ত্র এবং মাদকের সন্ধানে অভিযান চলছে। দুপুর পর্যন্ত বেশ কিছু সন্ত্রাসীকে আটক করার কথা জানালেও পুলিশ এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখ দিয়ে বেশ কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে অভিযান চালাচ্ছেন। অভিযানে ৫৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ১ হাজার ৮০০ পুলিশ সদস্য, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র্যাব, ১২০ বিজিবি, ১৫ এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড ও তিনটি হেলিকপ্টার রিজার্ভ অংশ নিয়েছে। প্রবেশ ও বাহিরের পথে বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত যৌথবাহিনীর এ অভিযান চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব-৭-এর উপ-সহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় র্যাবের মামলায় প্রধান আসামি করা হয় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে। মামলায় আসামি করা হয় আরও ২০০ জনকে। এরপর সেখানে সমন্বিত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।
গত ২ যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ এবং ২০২২ সালেও প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে চেষ্টা করে। তবে সে সময় স্থানীয় সন্ত্রাসীদের কাছে হার মেনে ব্যর্থ হয়। এবার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সন্ত্রাসের প্রতি জিরো টলারেন্স এবং কঠোর বার্তা প্রদানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথবাহিনীর সমন্বিত অভিযান চলছে।
২২ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল কর্মীকে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজানে পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলি মিয়ার হাট এলাকায় আবদুল মজিদ প্রকাশ মুজিব ভান্ডারী (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় তিনি স্থানীয় বাজারের মুদি দোকানে বসে ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
রাউজান থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত আবদুল মজিদ অলি মিয়ার হাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় সূত্র জানালেও দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) টিবলু কান্তি দে বলেন, তার চোখের ওপরে, বুকে ও কোমরে মোট তিনটি গুলি লাগে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার দিকে মজিদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর দুর্বৃত্তরা এসে বাজারের একটি মুদি দোকানে বসা অবস্থায় মজিদকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মজিদ মারা যান।
ওসি আরও জানান, নিহত মজিদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, গুলি করা দুর্বৃত্তরা ওই এলাকারই লোক। তাদের শনাক্ত ও আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।
৩৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৪
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আশুরা আক্তার পাখি (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পাখির বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার রহিমানগর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার আবুল বাশারের মেয়ে ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এছাড়া তার শ্বাসনালীতে দগ্ধজনিত ক্ষত হয়ে গিয়েছিল যা তার শারীরিক অবস্থাকে আরও জটিল করে তোলে।
এর আগে একই ঘটনায় নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন এবং দেবর সুমনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ পাখি আক্তারের মৃত্যু হলো।
এদিকে, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও ৫ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস লাইন থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন। ঘটনার পর দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
৩৪ দিন আগে
চট্টগ্রাম–কুমিল্লার বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে দুই মন্ত্রী
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের দেখতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ন্ত্রণে তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পৌঁছান তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন। পরে তিনি আহতদের বর্তমান অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীদের বিস্তারিত জানান।
এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে একই পরিবারের ৯ জন অগ্নিদগ্ধের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন, ৭ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং একজন রোগী ভেন্টিলেশনে আছেন। আমি তাদের দেখে এসেছি। ভর্তিকৃত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা থেকে সকালে একই পরিবারের ৪ জন এসেছে। তাদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা এখানে চিকিৎসকদের বলেছি তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্যাস লিকেজ থেকে সারাবছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হালিশহরে গতকাল একটি ঘটনা ঘটেছে এবং আজকে সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আরো একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় এই তিনটি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে চাই। যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব কিভাবে এই দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনা যায়।’
সাংবাদিকদের তিনি আরও জানান, ‘এই ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক শিশু বাচ্চা সহ নারীরা আহত হয়েছেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যে ধরনের সাপোর্ট লাগে আমরা সেই ধরনের সাপোর্ট দেব।’
পরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা নাসির উদ্দিন জানান, ‘আজকেও সেহরির পরে শিশু বৃদ্ধসহ বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছে। আমরা এই ধরনের ঘটনা আমরা প্রায়ই পাই। আমাদের এখানে চিকিৎসায় তাদের কোন সমস্যা হবে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা চিকিৎসার ব্যাপারে সাহায্য পাব। আমাদের চিকিৎসায় কোন সমস্যা হবে না। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা সহযোগিতা পাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চট্টগ্রাম থেকে আগেই বিষয়টি জানানো হয়। সেই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের চিকিৎসকরা বিষয়টি জানতেন এবং আমাদের অতিরিক্ত জনবল ডিপ্লয় করা ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আনার পথে একজন নারী এখানে মারা যায়। অনেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আইসিইউ ও এইচডিইউতে তাদের চিকিৎসা চলছে। ৮ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি আমাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।’
৩৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ৩
চট্টগ্রামে হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেজে বিস্ফোরণে দগ্ধ সামির আহমেদ সুমন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ জনে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সুমনের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং তার ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল।
এর আগে, নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন নামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছিল। দগ্ধ বাকি ৬ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান এ চিকিৎসক।
ডা. শাওন জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
৩৫ দিন আগে