চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী বাবা-ছেলে নিহত
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর নতুন ব্রিজ এলাকায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে কর্ণফুলী নতুন ব্রিজের প্রথম সিঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাঈদ বাকের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক বিধান মল্লিক (৪৭) এবং তার বাবা দুর্গাপদ মল্লিক (৭৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের সিংহরা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ব্রিজ থেকে মোটরসাইকেলযোগে বিধান মল্লিক এবং তার বাবা গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুন ব্রিজের প্রথম সিঁড়ি এলাকায় পৌঁছালে একটি পিকআপ তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুর্গাপদ মল্লিক নিহত হন। পরে বিধান মল্লিককে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
এদিকে, দুঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হলেও ঘটনার পরপরই পিকআপচালক পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে কর্ণফুলী থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১০ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে আগুন, পুড়ল ৪ সেমিপাকা ঘর
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর আই-ব্লকের একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি সেমিপাকা ঘর পুড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় আধাঘণ্টার চেষ্টার পর সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা।
এই অগ্নিকাণ্ডে একাধিক কক্ষবিশিষ্ট চারটি সেমিপাকা ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। আগুনের উৎপত্তি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি তারা। দমকলকর্মীদের দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম জানান, ‘আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।’
আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
১১ ঘণ্টা আগে
সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক, তা নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কার্যকরভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস যে সমস্ত সন্ত্রাসী দেখিয়েছে, তাদের যথাযথভাবে দমন করা হবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের সর্বশেষ আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
রবিবার (৩১ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সলিমপুর, জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরসহ পার্শ্ববর্তী সমগ্র এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সেজন্য এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পরিকল্পিত সরকারি স্থাপনা ও অ্যাকাডেমি নির্মাণের লক্ষ্যে আজ সব বিভাগীয় প্রধানদের সাথে ম্যাপ পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের বর্তমান কারাগারটি বায়েজিদ লিঙ্ক রোডের পাশের ওই এলাকায় স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ শিগগিরই স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কারা অধিদপ্তর প্রথমে কারাগারের নির্ধারিত স্থানটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করবে যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি। অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য কোন স্থানে কী স্থাপনা করা হবে, তাও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
২ দিন আগে
জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার (৩১ মে) সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের ‘দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র’ গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার প্রত্যক্ষ উদাহরণ জঙ্গল সলিমপুর। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা সামনে আসে। ব্যবসায়ীদের বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে হামলা, গুলিবর্ষণ ও চাঁদাবাজির ঘটনার পর সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
তিনি বলেন, অপরাধীদের দমনে গত ৯ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ওই অভিযানের মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরা ও পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীদের গড়ে তোলা সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্য শতভাগ অর্জন সম্ভব হয়নি।
মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে র্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে দেখাল, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এর পেছনে জড়িত ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদেরও চিহ্নিত করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের সরকার। জনগণকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন কারণে যারা এখানে এসে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের কাউকেই আপাতত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।’
উচ্ছেদ নিয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান তিনি।
জঙ্গল সলিমপুরে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সলিমপুর ইউনিয়নের সঙ্গে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ ঘটিয়ে একটি আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ড্রোনচিত্র ও সড়ক মানচিত্র পর্যালোচনা করে এলাকায় পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং সেনানিবাসের সুযোগ-সুবিধা তৈরির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বায়েজিদ লিংক এলাকার খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের দীর্ঘদিনের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে। দেশে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাসের চাপায় মোটরসাইকেলআরোহী দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
শনিবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া আনসার ক্যাম্প এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ পাড়ার জাহেদুল আলমের ছেলে ওয়ালিদ আল তাসলিম (১৭) এবং একই এলাকার আকতার হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন সামি (১৬)। তাসলিম পটিয়া সদরের রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র এবং সামি উপজেলার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
আহত তানবীর ইসলাম জয়কে (১৮) প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনুর রশিদ জানান, আজ (শনিবার) সকালে তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে করে কোরবানির গরু দেখতে বের হন। দুপুরে পটিয়া আনসার ক্যাম্প এলাকায় পৌঁছালে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে পটিয়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
ওসি মো. হারুনুর রশিদ আরও জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসটি আটক করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল ও বাসটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
১০ দিন আগে
চট্টগ্রামে পৃথক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে পৃথক দুর্ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার বার আউলিয়া, বড় কুমিরা, বাড়বকুণ্ড এবং ছোট দারোগারহাট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় মহাসড়কে বালু ভর্তি একটি ট্রাকের ধাক্কায় মো হারুনুর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন।
তিনি ছোট কুমিরার হিঙ্গুরী পাড়া গ্রামের মোহরম আলির ছেলে ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা বাজার এলাকায় চট্টগ্রামমূখী গরু ভর্তি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মো. হাসান (১৪) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
নিহত হাসান মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের নদুয়ারীয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে ছিল। সে মীরসরাইয়ের মির্জা বাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হাসান সহপাঠীদের নিয়ে একটি খোলা মিনি ট্রাকে করে কুমিরাস্থ আলেকদিয়া সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যায়। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে মহাসড়কে নামার সঙ্গে সঙ্গেই চট্টগ্রামমুখী গরুবাহী একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ছোট দারোগারহাট এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মো. রোস্তম আলী (৬৯) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উত্তর পশ্চিম সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ারিশ ভূঁইয়া বাড়ির তমিজ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন।
এ দুর্ঘটনাগুলোর বিষয় নিশ্চিত করেছেন কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী ও বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি এম এ হক।
এ ছাড়াও আজ সকালে উপজেলার বাড়বকুণ্ডের মুছা কলোনী এলাকার রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত (৪৫) এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে রেল পুলিশ।
সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক দেওয়ান জানান, সকালে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ব্যক্তি চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন। মরদেহটি দুই রেললাইনের মাঝখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখনও নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তার শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে মুখে সামান্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
১২ দিন আগে
লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলা: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন (২৩) হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় খালাস দেওয়া হয়েছে পাঁচজনকে।
বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন— চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডুমখালী এলাকার মো. হেলাল উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, মোর্শেদ আলম এবং একই ইউনিয়নের রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকার নুরুল আমিন। তাদের মধ্যে মোর্শেদ আলম পলাতক।
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা এলাকার জালাল উদ্দিন, ভরামুহুরী এলাকার মো. আনোয়ার হাকিম, চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উচিতার বিলের মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার জিয়াবুল করিম, মো. ইসমাইল হোসেন, এনামুল হক, পূর্ব ডুমখালী এলাকার মোহাম্মদ এনাম, রংমহল এলাকার মো. কামাল, ছগিরশাহ কাটা এলাকার আবদুল করিম।
মামলাটিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ জনসহ ১৩ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খুরশিদ আলম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিয়ে বলেন, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি অস্ত্র মামলারও রায় দেওয়া হয়। সেই মামলায় ১৩ আসামিকে দুটি পৃথক ধারায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হত্যা মামলাটির মতো ওই মামলায়ও পাঁচ আসামি খালাস পেয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল এহেছান বলেন, সমাজে শৃঙ্খলা ফেরাতে এ রায় যুগান্তকারী হিসেবে পরিগণিত হবে। মামলার রায় ঘোষণার সময় ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফাসির দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির মধ্যে তিনজন কারাগারে। মোর্শেদ আলম নামের একজন পলাতক।
২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার। এ ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতিসহ হত্যা মামলা করেন। পরে চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে একই আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেন। দীর্ঘ ৪ মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিমের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তিনি ৮২তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে ২০২২ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে আর্মি সার্ভিস কোরে (এএসসি) কমিশন লাভ করেছিলেন।
১৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলিতে আহত রেশমী মারা গেছে
চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলিতে আহত ১১ বছর বয়সী শিশু রেশমী আক্তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।
গত ৭ মে রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ শহিদ মিনার গলিতে সশস্ত্র হামলায় রাজু নামে এক যুবক নিহত হন। ওই সময় বাসার বাইরে দোকানে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয় শিশু রেশমী। একটি গুলি তার বাঁ চোখে লাগে।
প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত শুক্রবার থেকে সে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল।
এ ঘটনায় নিহত রাজুর মা সকিনা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপকমিশনার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সৈয়দুল করিমকে কক্সবাজারের সুগন্ধা সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের বাড়ি ঝিনাইদহে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের দুই যুবক রয়েছেন।
তারা হলেন— ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁদ আলী বকসের ছেলে নাইমুর রহমান জিহাদ (২১) ও একই উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের একমাত্র ছিলে নাঈম (২২)।
তাদের নিহতের খবর নিশ্চিত করে সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, জিহাদ ও নাঈমসহ তারা ৮ জনের একটি গ্রুপ কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিল। তাদের বহন করা যাত্রীবাহী বাসটি শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে পৌঁছালে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের আরও ৪ বন্ধু গুরুতর আহত হন বলেও ইউপি চেয়ারম্যান জানান।
এদিকে, পোতাহাটী গ্রামের গিয়াস উদ্দীন সেতু জানান, নাঈম ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল এক যুবক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে, নাঈম তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন বলে জানান তিনি।
সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম জানান, যুবক নাইমুর রহমান জিহাদ বিজিবি সদস্য ছিলেন। তার চাকরির বয়সও বেশিদিন হয়নি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন কষ্ট হয়ে যাওয়ায় জিহাদ তা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে এ দুর্ঘটনায় তার প্রাণ গেল। এমন মৃত্যুতে তার পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নাইমুর রহমান জিহাদ ও নাঈম নামে দুই যুবকের মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছেন। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোতাহাটী ও বাজারগোপালপুর গ্রামে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বা চট্রগ্রাম পুলিশ থেকে বিস্তারিত কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।
২৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৪
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুর ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা বেগম ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত জিহাদ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির সদস্য বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজসহ (২৮) আরও অনেকে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে। কয়েকজনের হাত-পা ভেঙে গেছে এবং গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত ৭ জনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি বাস ফোর সিজেন এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দুর্ঘটনায় আহত আরাফাত জানান, তারা মারছা পরিবহনের একটি বাসে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে একটি বিষয় নিয়ে বাসচালক মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপরও একই চালক বাস চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে কুয়াকাটা সড়ক এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একই কোম্পানির আরেকটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তার দুই বন্ধু নিহত হন।
দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দীন চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
২৪ দিন আগে