শপিংমল
ভিড়যুক্ত শপিংমল ও গণপরিবহনে করোনা সংক্রমণ: সাবধানতায় করণীয়
জাতিসংঘের হিউম্যানিটারিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিস রিলিফওয়েব অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পুরো ঢাকা জুড়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি। এদের মধ্যে কারোরই মৃত্যু হয়নি। বরং পূর্বের ও জানুয়ারির এই রেকর্ড থেকে মোট আরোগ্য লাভের সংখ্যা দাড়িয়েছিলো ৭২-এ। মোটা দাগে সংক্রমণের এই অনুপাত নিম্নগামী, তবে এখনও তা একদম শূন্যের কোঠায় চলে যাইনি। সুতরাং করোনাকালীন সতর্কতামূলক পদক্ষেপগুলো এখনও বজায় রাখা জরুরি। বিশেষ করে শপিংমল ও গণপরিবহনের মতো ভিড়যুক্ত স্থানগুলোতে সাবধানতা অবলম্বন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ এবং তা প্রতিরোধে করণীয়গুলো জেনে নেওয়া যাক।
করোনা সংক্রমণের লক্ষণ
কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ২ থেকে ১৪ দিন পরে দৃশ্যমান হতে শুরু করে উপসর্গগুলো। প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণগুলো নিতান্তই হাল্কা ভাবে দেখা দেয়। অবশ্য কারও কারও ক্ষেত্রে শুরুতেই গুরুতর আকার ধারণ করে।
কোভিডের নতুন ভেরিয়েন্টের ক্ষেত্রে লক্ষণগুলোতে বেশ পরিবর্তন দেখা যায়। মূলত টিকা দেওয়ার অবস্থার উপর নির্ভর করে এই পরিবর্তন হয়।
আরো পড়ুন: নিরাপদ ব্রয়লার মুরগি কী, কেন খাবেন
অধিকাংশ কেসগুলোতে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়, সেগুলো হলো-
জ্বর বা ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যাথা, সর্দি, স্বাদ বা গন্ধের অনুভূতি কমে আসা, প্রচন্ড ক্লান্তি, পেশী বা শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, এবং ডায়রিয়া।
ভিড়যুক্ত শপিংমলে ও গণপরিবহনে করোনা থেকে বাঁচতে করণীয়
.
মান সম্পন্ন মাস্ক পরিধান করা
করোনা ভাইরাস প্রবেশের জন্য মানবদেহের প্রধান অঙ্গগুলো হলো মুখ ও নাক। তাই মাস্ক পরিধানের মতো পুরনো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার কোনও বিকল্প নেই। শপিংমলে কেনাকাটার সময় বিভিন্ন ধরণের মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, নানা ধরণের কাপড়-চোপড় ধরে দেখতে হয়। এমনকি এ যাবতীয় কার্যক্রম চলে অত্যন্ত ভিড়ের মধ্যে থেকে।
এছাড়া দেশের জনসাধারণের সবচেয়ে বড় অংশটিই যাতায়াতের জন্য গণপরিবহনের উপর নির্ভর করেন। ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করায় এই যানবাহনগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ভিড় একদমি নতুন নয়। শিশু থেকে শুরু করে নারী ও বৃদ্ধ সকলেই এই ভিড়ের মধ্যেই কাটিয়ে দিচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা।
আরো পড়ুন: তীব্র গরমে পানিশূন্যতা প্রতিরোধে উপকারী শাকসবজি
এই অপরিষ্কার জায়গাগুলোতে যে কোনও জীবাণু থেকে নিরাপদে থাকতে ভালো মানের মাস্ক পরা জরুরি। মুখ এবং নাক সম্পূর্ণভাবে ঢেকে রাখে এমন সার্জিক্যাল মাস্ক ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকর। একাধিকবার ব্যবহারযোগ্য মাস্ক ব্যবহার করলে তা নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সাথে মাস্ক পরে থাকার সময় এটি বারবার স্পর্শ না করা এবং প্রয়োজন ছাড়া মুখ থেকে সরানো উচিত নয়।
হাত নিয়মিত স্যানিটাইজ করা
করোনাকালীন সময়গুলোতে হাত ধোয়াটা রীতিমত অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিলো। এই অভ্যাসটিই আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে, গণপরিবহনে ওঠা-নামার পর, এবং শপিংমলে প্রবেশের পর হাত ধুয়ে নেওয়া উচিত। বাসায় সাবান-পানি ও ৬০ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করা জরুরি। আর বাইরে সার্বক্ষণিক একটি পকেট স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে হবে। বড়দের পাশাপাশি বাচ্চা ও বয়স্কদের পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর রাখা জরুরি। ঘরে ঢোকার পর, স্কুলে ও অন্যত্রে চলতে ফিরতে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে তাদেরকে সাহায্য করতে হবে।
অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা
সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য ভিড় এড়ানো অত্যাবশ্যক। ঈদের মতো বিভিন্ন উপলক্ষগুলোতে নামকড়া দোকানগুলোতে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ে। একই দৃশ্য পরিলক্ষিত হয় কাজে যেতে বা কাজ শেষে বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনে ওঠার সময়।
স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা ভেবে এই প্রবণতা থেকে সর্বদা দূরে থাকা উচিত। কেনাকাটার ক্ষেত্রে কখনোই অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়া যাবে না। যাতায়াতের জন্য একটু আগে ঘর থেকে বেরতে হবে।
আরো পড়ুন: নিরাপদে স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ১০টি উপায়
বয়স্ক ও শিশুদের নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে পারতপক্ষে বেশি ভিড়যুক্ত পরিবহন এড়িয়ে চলা উত্তম। অপেক্ষা করে তুলনামূলক ফাঁকা যানবাহনে উঠা যেতে পারে। বাসা ও কাজের জায়গা খুব বেশি দূরে না হলে পায়ে হেটে যাওয়া-আসা করা উপযুক্ত।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা
করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়েভের সময়ের মতো প্রতিটি ভবনেই সামাজিক দূরত্ব বজায়কে পুনঃবাস্তবায়ন করা দরকার। শপিংমলে কেনাকাটার বা গণপরিবহনের লাইনে সবক্ষেত্রে প্রত্যেকের মধ্যে কমপক্ষে ৩ ফুট (১ মিটার) দূরত্ব রাখা বাঞ্ছনীয়। এটি সম্ভব না হলে নিদেনপক্ষে গায়ে গা লেগে যায় এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে হবে।
বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুদের অবস্থানের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা উচিত। বড় বড় শপিংমলগুলোতে লিফ্টের পরিবর্তে উপরে উঠার জন্য সিঁড়ি বেছে নিতে হবে।
গণপরিবহনে দরজার কাছে জটলা করা যাবে না। দুই সারি সিটের মাঝের চলাচলের জায়গাটিতে এক স্থানে ভিড় না করে নির্দিষ্ট দূরত্বে দাড়ানো উচিত।
আরো পড়ুন: বাসা-বাড়ির রান্নায় সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ কমাবেন যেভাবে
ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা
রাস্তাঘাটে ও বিভিন্ন ভবনে চলাফেরার সময় সর্বাধিক ব্যবহৃত উন্মুক্ত পৃষ্ঠগুলো ভাইরাস ছড়ানোর জন্য উপযুক্ত। যেমন- প্রবেশ দরজার হাতল, চলন্ত সিঁড়ির রেলিং, লিফ্টের বোতাম, গণপরিবহনে সিলিং-এর হাতল ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহারের জন্য সাথে সার্বক্ষণিক টিস্যু রাখা যেতে পারে।
শিশুরা যেন এরকম কিছু না ধরে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বয়স্করা গ্লাভ্স বা টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন। যে জায়গাগুলোতে ঘন ঘন এরকম পৃষ্ঠের সংস্পর্শে যেতে হয়, সেখানে উৎকৃষ্ট হচ্ছে পকেট স্যানিটাইজার। এছাড়া কোনও কোনও ক্ষেত্রে (যেমন দরজা) অনেকে কনুই বা কাঁধ ব্যবহার করে থাকেন।
লেনদেনে ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা
নগদ টাকা লেনদেনে হাতের স্পর্শ থাকে বিধায় এখানে ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। নগদবিহীন বা ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো এক্ষেত্রে সেরা ও নিরাপদ বিকল্প। এখন ছোট থেকে বড় প্রায় সব ধরণের দোকানগুলো মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ড পেমেন্ট বা কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে লেনদেনের ব্যবস্থা রাখে।
যাতায়াতের ক্ষেত্রে এ ধরণের লেনদেনের জন্য রাইড শেয়ার পরিষেবাগুলোই একমাত্র অবলম্বন। কেননা দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এখনও এই সুবিধা সংযুক্ত করা হয়নি।
আরো পড়ুন: পবিত্র রমজান ২০২৫-এ ইফতারের জন্য ঢাকার সেরা ১০টি রেস্টুরেন্ট
পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল আছে এমন জায়গা বেছে নেওয়া
অতিরিক্ত লোকসমাগমের জায়গাটি যদি বদ্ধ হয় তাহলে তা এমনিতেই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। এমন পরিবেশ শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর। তাই গণপরিবহন বা শপিংমল যেখানেই থাকা হোক না কেন, যতটা সম্ভব উন্মুক্ত বায়ুপ্রবাহের দিকে সরে যাওয়া উচিত।
শপিংমলে লিফ্টে লোকসংখ্যা বেশি হয়ে গেলে বের হয়ে এসে সিঁড়ি ব্যবহার করা উত্তম। গণপরিবহনের ক্ষেত্রে জানালার দিকের সিটে বসে জানালা খুলে দেওয়া যায়।
বয়স্ক ও শিশুদের জন্য পৃথক জায়গার ব্যবস্থা রাখার ক্ষেত্রে ঠিক এমন স্থানের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বদ্ধ, গরম, ও বাতাসবিহীন স্থানে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
যথাসম্ভব ঘরের বাইরে বের হওয়ার বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা
করোনা পরবর্তী সময়ে ব্যাপকভাবে বিকাশ লাভ করেছে অনলাইন যোগাযোগ এবং রিমোট জব। এতে অধিকাংশ প্রয়োজনীয় কাজগুলো ঘরে থেকেই করে ফেলা সম্ভব হয়। তাছাড়া কেনাকাটা ও বিনোদন সবকিছুই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাথে। এই জীবনধারা যে কোনও সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুগান্তকারি এক প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
আরো পড়ুন: রেস্তোরাঁ-শপিং মলে প্রবেশের আগে যে বিষয়গুলোতে সাবধান থাকা জরুরি
তাই প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজের জন্য বাইরে না বেরিয়ে আগে ভাবা উচিত যে তা ঘরে থেকেই করা সম্ভব কিনা। গুরুত্বপূর্ণ মিটিং-এর জন্য মোবাইল থেকে শুরু করে ভিডিও কলিং-এর মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়। এগুলো এখন আর আগের মতো দুষ্প্রাপ্য নয়।
এই প্রবণতা যে শুধু ভয়াবহ সংক্রমণ থেকে দূরে রাখে তা নয়। সময় বাঁচিয়ে কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্যও এটি যথেষ্ট উপযোগী।
পরিবহন ব্যবহারে অগ্রিম বুকিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া
গণপরিবহনের জন্য দীর্ঘ লাইনে ভিড়ের মধ্যে দাড়িয়ে থাকা বিপুল সময় নষ্ট করে। একই সাথে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার জন্যও তৈরি করে সহায়ক পরিবেশ। চলন্ত বাসের সাথে দৌড়াতে দৌড়াতে লাফিয়ে পাদানি উঠে পড়া এখন হরহামেশাই দেখা যায়। কোনও রকম সামাজিক দূরত্বের কথা না ভেবে প্রতিদিনি এমন ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়ে চলেছেন হাজার হাজার যাত্রী।
কিন্তু সময় ও অর্থ সবকিছুর চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই যে কোনও মূল্যেই এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে অগ্রিম যানবাহন বুক করা দরকার। দূর পাল্লার যানবাহনগুলোতে অগ্রিম সিট বুকিং বিষয়টি স্বাভাবিক। কিন্তু শহরের ভেতরের যাতায়াতের ক্ষেত্রে এমন সুযোগ শুধু রাইড শেয়ারিং সেবাগুলোতেই রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধির দিক দিয়ে ভাবলে এই সেবাগুলো সব দিক থেকে নিরাপদ।
আরো পড়ুন: তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে: জানুন কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ
ব্যক্তিগত ব্যবহারের উপকরণগুলো সর্বদা সঙ্গে রাখা
ফুটপাত, শপিংমল, ও যানবাহনে খাবার খাওয়ার জন্য শুধুমাত্র নিজস্ব জিনিসপত্রের উপর নির্ভর করা উচিত। দোকান বা হোটেলে যে গ্লাস, প্লেট, চামচ, ছুরি দেওয়া হয় তা এড়িয়ে চলাই ভালো। পানি পানের জন্য ব্যক্তিগত বোতল বা ফ্লাস্ক অনেকেই সঙ্গে রাখেন। এর পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবহার্য ছোট-খাট সামগ্রীও বাসা থেকে ভালভাবে ধুয়ে ব্যাগে ভরে নিতে হবে। সেই সাথে ঘরের বাইরে সর্বত্রে নিজের খাবার ও এই ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের জন্য এটি অতীব জরুরি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ায় তারা যে কোনও সংক্রমণের সহজ শিকারে পরিণত হয়।
শেষাংশ
ভিড়যুক্ত শপিংমল ও গণপরিবহনে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে উপরোক্ত সাবধানতাগুলোর কোনও বিকল্প নেই। করোনাকালীন সময়গুলোর মতো মাস্ক পরিধান, হাত নিয়মিত স্যানিটাইজ, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের স্থানে থাকা, এবং যথাসম্ভব ঘরে থাকাটা এখনও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভিড় এড়িয়ে চলা, অযাচিত স্পর্শকাতর স্থানগুলো এড়িয়ে চলা, এবং ডিজিটাল লেনদেন হতে পারে সামাজিক দূরত্ব বজায়ের অনুকূল পদক্ষেপ। এগুলোর সাথে কার্যকরি সংযোজন হতে পারে অগ্রিম পরিবহন বুকিং এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র সর্বদা সাথে রাখা। সর্বসাকূল্যে, এই করণীয়গুলোর মাঝে নিহিত রয়েছে একটি সুরক্ষিত জীবনধারণে অভ্যস্ত হওয়ার রূপরেখা।
আরো পড়ুন: মরণঘাতী ড্রাগ ‘ডেভিলস ব্রেথ’ বা ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ থেকে বাঁচতে করণীয়
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রে শপিংমলে গোলাগুলিতে নিহত ৩
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে রবিবার একটি শপিংমলে গোলাগুলিতে তিনজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এসময় অভিযুক্ত হামলাকারীও প্রাণ হারিয়েছেন।
গ্রিনউড পুলিশ বিভাগের প্রধান জিম আইসন বলেন, ওই ব্যক্তি একটি বন্দুক ও বেশ কয়েকটি ম্যাগাজিন নিয়ে গ্রিনউড পার্ক মলে প্রবেশ করে এবং ফুড কোর্টে গুলি চালাতে শুরু করে।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কাছের বার্থোলোমিউ কাউন্টির একজন ২২ বছর বয়সী সশস্ত্র ব্যক্তি যিনি বৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিলেন তিনি বন্দুকধারীকে গুলি করে হত্যা করেন।
আইসন বলেন, পুলিশ ফুড কোর্টের কাছে একটি বাথরুমে থাকা একটি সন্দেহজনক ব্যাকপ্যাক জব্দ করেছে।
ইন্ডিয়ানাপোলিস মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং একাধিক সংস্থা তদন্তে সহায়তা করছে।
ইন্ডিয়ানাপোলিসের সহকারী পুলিশ প্রধান ক্রিস বেইলি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে এরকম আরেকটি ঘটনার কারণে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’
রবিবার রাতে এলাকায় কোনো হুমকি ছিল না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ইন্ডিয়ানার গ্রিনউডের মেয়র মার্ক মায়ার্স এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই ট্র্যাজেডি আমাদের সম্প্রদায়ের মূলে আঘাত করেছে।
পড়ুন: চীনে আকস্মিক বন্যায় ১২ জনের মৃত্যু
ইন্দোনেশিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১০ ব্যবসায়ীর মৃত্যু
৯৮৪ দিন আগে
সোমবার থেকে রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ থাকবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সারাদেশে দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান সোমবার রাত ৮টার পর থেকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।
রবিবার বিকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন রাত ৮টার পর দোকান বন্ধের নির্দেশনা ইতোমধ্যে দিয়েছেন। সেটা আগামীকাল সোমবার থেকে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশ
এর আগে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম আইন,২০০৬ এর ১৪৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন করে রাত ৮টার পরে দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান ও কাঁচাবাজার যাতে খোলা না থাকে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এ নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর/দক্ষিণ, এমপ্লোয়ার্স ফেডারেশন, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: আরও দুই দোকানকর্মী গ্রেপ্তার
১০১৩ দিন আগে
রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশ
বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর সারা দেশে দোকান, শপিংমল, মার্কেট, বিপণি বিতান, কাঁচা বাজার খোলা না রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকের সই করা চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিজনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী সানুগ্রহ নির্দেশনা দিয়েছেন।
১০১৪ দিন আগে
যেমন গেল লকডাউনের দ্বিতীয় দিন
কিছু বেসরকারি যানবাহন ও রিকশা চলাচলের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় দিন দেশব্যাপী আট দিনের লকডাউন চলছে।
কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে সরকারের দেয়া কঠোর লকডাউনের কারণে দোকান ও শপিংমলগুলো বন্ধ রয়েছে।
দিলু রোড, মহাখালী, বিজয় সরণি এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ রাস্তা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় রিকশা চলাচল করছে এবং লোকজন রিকশা ব্যবহার করে গন্তব্যে যাচ্ছে।
পুলিশ বাইরে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা টিকাদান, জরুরি কাজসহ নানা অজুহাত দেখায়।
আরও পড়ুন: সিলেটে কঠোর লকডাউন পালিত হচ্ছে
মহাখালী এলাকার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আসাদুজ্জামান বলেছেন, “আমরা বৈধ কারণ ব্যতীত কাউকে যাওয়ার অনুমতি দেইনি। কেউ কোনো বৈধ কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের মামলা বা জরিমানা করা হচ্ছে। তবে আমরা মানবিক ভিত্তিতে কাউকে চাপ দেইনি।”
এছাড়াও পুলিশ, র্যাব এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে যানবাহন এবং লোকজনের চলাচল পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে।
পুলিশ প্রতিটি যানবাহন চেক করায় কুড়িল বিশ্বরোডে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
তবে কাঁচাবাজারগুলি সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করতে দেখা গেছে কারণ তারা খোলা জায়গায় তাদের ব্যবসা পরিচালনা করেনি। এছাড়াও কিছু লোক স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলাচল করেছে।
কোভিড-১৯ এর বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমন রোধ করতে সরকার আট দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে
সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত অবধি লকডাউন কার্যকর থাকবে।
নতুন লকডাউনের আওতায় সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে তবে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে থাকতে হবে।
তবে বিমান, সমুদ্র এবং নদী ও স্থলবন্দরগুলির কর্মচারীরা এই লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।
আরও পড়ুন: লকডাউন: সাভারে টিলেঢালাভাবে চলছে প্রথম দিন
লকডাউন চলাকালীন রাস্তা, নদী, রেলপথ এবং বিমানসহ সকল গণপরিবহন স্থগিত থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা, পণ্য বহন, উৎপাদন পরিষেবা এই সীমাবদ্ধতার বাইরে থাকবে।
তবে পণ্য বহন, জরুরি পরিষেবা এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা কার্যকর হবে না। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও বজায় রাখার শর্তে শিল্প ও কলকারখানাগুলি খোলা থাকবে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, কৃষিজাত পণ্য (সার, বীজ, কীটনাশক, মেশিনারিস), ফসল, খাদ্যবাহী যানবাহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যকর্মী, বিদ্যুৎ ও জরুরী সেবা সরবরাহকারী সংস্থাগুলির অফিস, কর্মচারী এবং যানবাহনগুলি, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, মিডিয়া (প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া), ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা, টেলিফোন এবং ডাক পরিষেবাগুলি এই বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।
জনগণের চলাচল সীমাবদ্ধ থাকবে এবং জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কাউকেই বাইরে যেতে দেয়া হবে না (ওষুধ, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা, চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ এবং মৃতদেহের সমাধি / দাফন করা, কোভিড-১৯ এর টিকা নেয়া ইত্যাদি)।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করে সকল শিল্প ও কারখানাগুলিকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলিকে তাদের কর্মীদেরকে তাদের নিজস্ব যানবাহনে বহন করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলি কেবল রাত ১২ টা থেকে সকাল ৬ টা এবং দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত টেকওয়ে / অনলাইন পরিষেবাগুলি পরিচালনা করতে পারবে। হোটেল বা রেস্তোরাঁয় অবস্থান করে কাউকেই খাবার খেতে দেয়া হবে না।
এই সময়ের মধ্যে সকল শপিংমল এবং মার্কেট বন্ধ থাকবে।
স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে কাঁচাবাজারসহ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত খোলা জায়গায় বিক্রি ও কেনা যাবে। স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এটি নিশ্চিত করবে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এবং প্রাণহানির ঊর্ধ্বগতি উভয় ক্ষেত্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসাবে সরকার ৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন দিয়েছিল। কিন্তু সরকার লকডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মুখে ৭ এপ্রিল থেকে সিটি করপোরেশনভুক্ত এলাকায় গণপরিবহন পুনরায় চালু করার পাশাপাশি ৯ এপ্রিল থেকে পাঁচ দিনের জন্য দোকান ও শপিংমল পুনরায় চালু করার অনুমতি দেয়।
১৩ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত লকডাউনটি কার্যকর ছিল।
১৪৪২ দিন আগে
শুক্রবার থেকে দোকানপাট-শপিংমল খোলা
স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে পাঁচ দিনের জন্য দোকানপাট ও শপিংমল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্যবিধি পালন সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে।
তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।
কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় সরকার ৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহব্যাপী লকডাউন কার্যকর করতে দেশের দোকান ও শপিংমলগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
আরও পড়ুন: লকডাউনের তৃতীয় দিন: আন্তনগর বাস চলছে
এদিকে, লকডাউন চলাকালীন শপিংমল বন্ধের প্রতিবাদে সোমবার থেকে নিউমার্কেট এবং সংলগ্ন শপিংমলের দোকান মালিক ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ করছেন।
ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, নূর ম্যানশন এবং একাধিক শপিংমলের দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে তাদের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: দেশব্যাপী চলমান লকডাউনকে 'অবৈজ্ঞানিক ও আংশিক' মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা
লকডাউনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপ্রয়োজনে জনসাধারণের চলাচল এবং সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এবং এইভাবে ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করা।
মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এটি বাংলাদেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক লকডাউন।
আরও পড়ুন: জনগণের উদাসীনতার মাঝেই দেশে লকডাউনের ২য় দিন শুরু
গত কয়েকদিন সপ্তাহ ধরে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় সরকার রবিবার দেশব্যাপী এক সপ্তাহ লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছিল।
১৪৫০ দিন আগে
ঢাকায় খোলা থাকবে যেসব দোকান ও শপিংমল
ঈদ সামনে রেখে সরকার ব্যবসায়ীদেরকে দোকান ও শপিংমল খোলার অনুমতি দিলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে অনেকেই জনস্বার্থে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এর মধ্যেও ঢাকায় খোলা থাকছে বেশকিছু মার্কেট।
১৭৮৩ দিন আগে
ঈদের আগে সিলেটে শপিংমল খুলবে না
করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় ঈদের আগে সিলেটের কোনো শপিংমল ও বিপণিবিতান না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
১৭৮৪ দিন আগে
কুমিল্লায় শপিংমল, শোরুম বন্ধ থাকবে
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ঝুঁকি এড়াতে আগামী ঈদুল ফিতর পর্যন্ত কুমিল্লায় সকল শপিংমল, শোরুম, ব্যান্ডসপ, মার্কেট ও বিপনী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দোকান মালিক সমিতি। তবে ওষুধ, কাঁচামাল ও মুদি দোকান খোলা থাকবে।
১৭৮৫ দিন আগে
ঈদে নতুন পোশাক কিনতে যাচ্ছেন কী?
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে ভূতপূর্ব উদ্বেগ ও নিরানন্দের মধ্যদিয়ে।
১৭৮৭ দিন আগে