দুদক
দুদক চেয়ারম্যান-কমিশনার নিয়োগে সিভি আহ্বান
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আহ্বান করেছে এ বিষয়ে গঠিত বাছাই কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয়ের নির্ধারিত স্থানে জীবনবৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে যারা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিয়েছেন, তাদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।
এতে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর লক্ষ্যে গঠিত বাছাই কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী ব্যক্তিদের আইনের ধারা ৮(১) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে ধারা ৮(২)-এ উল্লিখিত অযোগ্যতার আওতাভুক্ত কোনো ব্যক্তি কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না।
জীবনবৃত্তান্তে প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, চাকরি ও অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বিবরণ (মেয়াদকালসহ), মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা উল্লেখ করে স্বাক্ষরসহ জমা দিতে হবে।
এছাড়া জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার স্বপক্ষে সব সনদপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। খামের ওপর ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান/কমিশনার পদের জন্য জীবনবৃত্তান্ত’ উল্লেখ করতে হবে।
জীবনবৃত্তান্ত সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় পত্র গ্রহণ কেন্দ্র (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, গেট নম্বর-৫) অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি নীতি শাখা, কক্ষ নম্বর-৯৩৫, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ভবন নম্বর-১ (নতুন), বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে।
জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা।
৭ দিন আগে
দুদক কমিশনার নিয়োগে বাছাই কমিটি গঠন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার নিয়োগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি গঠন করেছে সরকার। দুদক কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশে এই বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
বাছাই কমিটি দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে তিনটি শূন্য পদের প্রতিটির বিপরীতে দুই জন করে মোট ছয়জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। পরে রাষ্ট্রপতি কমিশনার নিয়োগ দেবেন। কমিটির কার্যসম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
১৭ দিন আগে
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার
সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
রবিবার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই সিটি পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে তিনি তাদের হেফাজতেই রয়েছেন। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে দুদক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের হিসাব গোপন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা হয়। এরপর তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকার একটি আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদেশ দেওয়া হয়। এরপর ওই বছরের এপ্রিলে সাবেক এই পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে ইন্টারপোল।
তার আগেই অবশ্য ২০২৪ সালের ৪ মে স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা আছে দুদকের।
বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা জমি-ফ্ল্যাটসহ অনেক স্থাপনা আদালতের আদেশে ক্রোক (জব্দ) আছে। এছাড়া তাদের বিপুল অংকের সঞ্চয়পত্র, অনেক ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২৫ দিন আগে
দুর্নীতির মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক
এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
আদালতে এ বি এম খাইরুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। এ আদেশের ফলে এ বি এম খায়রুল হকের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে, গত ৮ মার্চ জুলাই আন্দোলনে হত্যার অভিযোগ এবং রায় জালিয়াতির অভিযোগের মামলাসহ পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুদকের করা মামলাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ৫টির মধ্যে দুদকের করা মামলাটি ছাড়া অপর চার মামলায় খায়রুল হককে গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন দেন। আজ (বুধবার) দুদকের মামলায়ও জামিন দিলেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর বেআইনি রায় দেওয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে গত বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে করা একটি মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন একটি মামলা করেন। একই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় গত ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা নামের এক ব্যক্তি। এছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে গত আগস্টে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক।
১২০ দিন আগে
দুদকের মামলায়ও আনিস আলমগীরের জামিন, মুক্তি যেকোনো সময়
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আনিস আলমীগের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ হাইকোর্ট আনিস আলমগীরকে জামিন দেন। আজ (বুধবার) দুদকের মামলাতেও জামিন পেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। তিনি যেকোনো সময় মুক্তি পাবেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত ২৮ জানুয়ারি তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় আদালত।
মামলার এজাহারে বলা আছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ফলে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ হিসাবে তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া যায়, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং তা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে করা হয়।
১২০ দিন আগে
দুদক চেয়ারম্যানসহ দুই কমিশনারের পদত্যাগ
পদত্যাগ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। একইসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে দুই জন কমিশনারও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, পদত্যাগ করার কারণে আমি আমার গাড়ির ফ্ল্যাগ নামিয়ে যাচ্ছি।
আবদুল মোমেনের কাছে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে না, এটি অফিসে গিয়ে বলব।
এর আগে, সচিবালয়ে আসেন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার। দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে আসেন।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেন।
‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪’ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের আইন অনুযায়ী, কমিশন ৩ জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তাদের মধ্য থেকে একজন হন চেয়ারম্যান। কমিশনারদের থাকে মেয়াদ ৫ বছর।
১২৮ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরের বিদেশি টার্মিনাল ইজারা চুক্তিতে ‘অনিয়ম’, দুদকে অভিযোগ
চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালগুলো বিদেশি কোম্পানির কাছে কনসেশন চুক্তির আওতায় ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা তদন্তের আবেদন জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তিনটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নাগরিক সংগঠন ‘দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ’-এর মুখপাত্র মো. আল আমিন হোসেন এবং সহ-মুখ্যপাত্র মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী এই অভিযোগগুলো জমা দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, বন্দরের বেশ কিছু লাভজনক টার্মিনাল অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং ‘নন-ডিসক্লোজার’ (তথ্য প্রকাশ না করার শর্ত) চুক্তির মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছে বা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে স্বচ্ছতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কমিশনভিত্তিক লেনদেনের বিষয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং সাবেক নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালটি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে কনসেশন চুক্তির অধীনে ইজারা দিতে তড়িঘড়ি প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। সম্প্রতি সেই প্রচেষ্টা পুনরায় সচল করার জন্য তদবির শুরু হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর ডেনমার্কভিত্তিক ‘এপিএম টার্মিনালস’-এর সঙ্গে লালদিয়া টার্মিনালের জন্য ৪৮ বছরের একটি কনসেশন চুক্তি সই হয়। একই দিনে কেরানীগঞ্জের পানগাঁও টার্মিনালের জন্য সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ‘মেডলগ এসএ’-এর সঙ্গে ২২ বছরের একটি চুক্তি করা হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, এই চুক্তিগুলো অস্বাভাবিক দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং গোপনীয়তার শর্তে সাধারণের অগোচরে রাখা হয়েছে, যা জবাবদিহিতা ও জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাদের মতে, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ নির্দিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
তাদের ভাষ্যমতে, নিউমুরিং টার্মিনালের ইজারা কার্যকর হলে বিশাল অঙ্কের লেনদেন এবং ব্যাপক কমিশন প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয় অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ; তাই জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের গোপন চুক্তি বা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয় বলে তারা মন্তব্য করেন।
তারা দুদককে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও কমিশন বাণিজ্যের তদন্ত, প্রয়োজনে দেশ-বিদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন যাচাই এবং তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা বা পালানোর চেষ্টা ঠেকাতে তদন্তকালীন বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় দুদক দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ‘দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ’।
১৩৭ দিন আগে
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি মামলায় হাসিনার ১০ বছরের জেল
রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি পৃথক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে ৪ বছর এবং শেখ রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে পৃথকভাবে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে। অনাদায়ে প্রত্যেককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ-৪ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
মামলার অন্য আসামিদের ৫ বছর করে কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই রায়ে মামলার বাকি আসামিদেরও অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুদকের করা এই দুই মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে পৃথকভাবে ১০ কাঠা করে দুটি সরকারি প্লট বরাদ্দ দেন।
১৫৭ দিন আগে
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ থাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. তরিকুল ইসলাম তরিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ‘মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীন মিরপুর গাবতলী পশুর হাট ইজারা, ই-রিকশা প্রকল্প, বোরাক টাওয়ার বা হোটেল শেরাটন দখলভার, বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ, খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিং স্থানে দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দ, সিটি কর্পোরেশনের ভ্যান সার্ভিস, ফুটপাতে দোকান বরাদ্দ ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নানাবিধ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২২ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ৮ বিধিসহ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬০ ধারা মতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মোহাম্মদ এজাজকে বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ প্রসঙ্গে নোটিশ দেওয়া হলে তিনি দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হননি।’
আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমন বন্ধ করা প্রয়োজন।
১৫৮ দিন আগে
হাসিনা, টিউলিপ, ববিসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি
রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে গণঅভ্যুথ্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। শেখ হাসিনা ছাড়াও তার ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৮ জন এ মামলার আসামি।
আজ আদালতে মামলার আসামি খুরশীদ আলমের উপস্থিতিতে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। খুরশীদ আলম এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি। তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
খুরশীদ আলমের পক্ষের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম দুদক অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি বলে খালাসের দাবি করেন। বাকিদের আত্মপক্ষ উপস্থাপন বা আইনজীবী দ্বারা যুক্তি প্রদানের সুযোগ হয়নি।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, শেখ হাসিনার সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, তন্ময় দাস, সাবেক সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা ও মাজহারুল ইসলাম, সাবেক উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ।
গত বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ ববিকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নামে মামলাটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। মামলাটির বিচার চলাকালে ২৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। গত ৩১ জুলাই বিচারক অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দেন। আজ যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি পূর্বাচল প্রকল্পসংক্রান্ত আরেকটি দুর্নীতি মামলাতেও শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ১৭ জন সদস্যের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্যও ২ ফেব্রুয়ারি দিনটি ধার্য করেন আদালত। ওই মামলায় শেখ হাসিনার দুই ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রুপন্তীসহ সব আসামি পলাতক।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত জানুয়ারিতে ছয়টি মামলা করে দুদক। সেই মামলাগুলোতে শেখ হাসিনা ছাড়াও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী ও ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিকে আসামি করা হয়।
চার মামলায় শেখ হাসিনাকে ইতোমধ্যে মোট ২৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জয় ও পুতুলের পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়া শেখ রেহানার ৭ বছর এবং তার মেয়ে টিউলিপের ২ বছরের সাজা হয়েছে।
১৭২ দিন আগে