বিদ্যুৎস্পৃষ্ট
মিরপুরে মাদ্রাসার সাইনবোর্ড টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ ৩
রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় আশরাফুল উলুম মাদ্রাসায় সাইনবোর্ড টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শিক্ষক ও ২ ছাত্র দগ্ধ হয়েছেন।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুপুরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন—মাদ্রাসার শিক্ষক মো. সালমান (২৬), শিক্ষার্থী মো. মারুফ (১২) ও খাইরুল ইসলাম (১৪)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, আজ (রবিবার) দুপুরে মারুফ শরীরে ১৮ শতাংশ দগ্ধ, সালমান শরীরে ২ শতাংশ দগ্ধ এবং খাইরুল ইসলাম শরীরে ৩ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়। দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় তাদের মধ্যে আমরা ২ জনকে জরুরি বিভাগে পর্যক্ষেণে রেখেছি। মো. মারুফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে আহত মারুফের বড় ভাই মান্নান জানান, সকালে মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক দুই ছাত্র ও একজন শিক্ষককে সাইনবোর্ড টাঙানোর দায়িত্ব দেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে তারা তিনজনই দগ্ধ হন।
পরে আমরা খবর পেয়ে দ্রুত তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসি।
৫ দিন আগে
বান্দরবান হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ নির্মাণ শ্রমিক নিহত
বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ১১টার দিকে সদর হাসপাতালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিকরা হলেন—মো.সাকিব (২০) ও কামরুল হাসান (৩৫)। তারা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করছিলেন সাকিব ও কামরুল হাসান। কাজ করার একপর্যায়ে ভবনের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক মেইন লাইনের তারের সঙ্গে একটি লোহার অ্যাঙ্গেলের সংস্পর্শ হলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
এ বিষয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি এবং বিষয়টি পরিদর্শন করছি।
৮ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই যুবক নিহত
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সকাল ও দুপুরে উপজেলার পৃথক দুটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— নাগেশ্বরী পৌর এলাকার ফকিরটারী বাগডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর আলমের ছেলে মাহবুবুল হাসান মুহিত এবং বামনাঙ্গা ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে সাবু মিয়া।
নিহতদের স্বজনরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুহিত বাড়িতে আইপিএসে ব্যাটারির সংযোগ দেওয়ার কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, দুপুর ১২টার দিকে বামনডাঙ্গা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। অনুষ্ঠানের সাউন্ড বক্সের সংযোগ দেওয়ার সময় বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে আহত হন সাবু মিয়া। পরে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিনে পৃথক দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চলছে আহাজারি।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৮ দিন আগে
ভাটারায় গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কর্মচারী নিহত
রাজধানীর ভাটারার বারিধারা এলাকায় একটি গাড়ির গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রিয়াজ (২৮) নামে এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গ্যারেজের মালিক জাকির হোসেন জানান, সকালে গ্যারেজ খোলার পর লাইট জ্বালাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে রিয়াজ অচেতন হয়ে পড়েন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
৩০ দিন আগে
ধান ওড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষক দম্পতির মৃত্যু
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ধান ওড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন মজিবর খাঁ (৬০) ও মোমেনা খাতুন (৫৫) নামে এক দম্পতি।
সোমবার (১৮ মে) সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
প্রতিবেশী খায়রুল ইসলাম জানান, ভোরে মজিবর খাঁ নিজ বাড়ির আঙিনায় বৈদ্যুতিক ফ্যান চালু করে ধান ওড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ফ্যানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার পরপরই তার পুরো শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে এবং তিনি বৈদ্যুতিক তারে আটকে যান। চোখের সামনে স্বামীকে ছটফট করতে দেখে এক মুহূর্তও ভাবেননি স্ত্রী মোমেনা খাতুন। জীবনসঙ্গীকে বাঁচানোর আকুলতা নিয়ে তিনি দ্রুত মজিবরকে টেনে ছাড়াতে যান। কিন্তু কোনো সেফটি বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকায় তিনিও মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এই দম্পতি।
খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করলেও ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়। ধানের ওপরেই পড়ে ছিল এই দম্পতির মরদেহ।
গ্রামীণ জনপদে ধান কাটার এই মৌসুমে যেখানে উৎসবের আমেজ থাকার কথা, সেখানে গাগান্না গ্রামে এখন শুধুই কান্নার রোল। প্রতিবেশীরা এই ভালোবাসার করুণ পরিণতি দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছে না।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক ফ্যানের ছেঁড়া তার থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।
৩২ দিন আগে
মৃত্যুর সঙ্গে পাঁচ দিন লড়াই করে হার মানলেন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ মনিরা
রাজবাড়ীতে ছুটি শেষে কার্যালয়ের পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হওয়া অফিস সহায়ক সেই মনিরা খাতুন (২৮) মারা গেছেন।
টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার (১৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মনিরা খাতুন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের কোলারহাট গ্রামের মেহেদী হাসানের স্ত্রী এবং একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তার স্বামী মেহেদী হাসানও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।
মেহেদী হাসান জানান, মনিরা খাতুনের শরীরের ৮০ ভাগ দগ্ধ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এই কারণে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তাদের সংসারে মাত্র ১০ মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মা ছাড়া এই শিশু নিয়ে তিনি অনেক অসহায় হয়ে পড়েছেন বলে জানান।
জানা যায়, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক-সংলগ্ন রাজবাড়ী শহরের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতাল এলাকায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রাজবাড়ী জেলা কার্যালয় অবস্থিত। গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে ছুটি শেষে কার্যালয়ে উত্তোলনকৃত জাতীয় পতাকা নামাতে যান মনিরা। কার্যালয়ে একপাশে স্থাপিত পাইপ থেকে জাতীয় পতাকা নামাতে গেলে অসাবধানতাবশত পতাকাবাহী ইস্পাতের পাইপটি বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাইভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে। এই অবস্থায় পাইপটি বিদ্যুতায়িত হলে মনিরার পরনের কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সে সময় অফিসে কেউ না থাকায় তাকে উদ্ধার করতে দেরি হয় এবং আগুন ছড়িয়ে শরীরে বেশিরভাগ অংশ দগ্ধ হয়। পথচারীরা টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, মনিরা খাতুনের শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঝলসে যায়। তাকে সদর হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে পরিবারের লোকজন ফরিদপুর না নিয়ে ওই দিন রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসিফুর রহমান জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে মনিরা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই দিন জরুরি মিটিংয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে থাকা অবস্থায় বিকেল সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত এসে তিনি শোনেন মনিরাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
গতকাল (শুক্রবার) রাতে গ্রামের বাড়িতে মনিরার মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বামী মেহেদী হাসান। তার অকাল মৃত্যুতে কর্মস্থলসহ গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
৩৪ দিন আগে
চাঁদপুরে পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় প্রসূতিসহ দুই নারীর মৃত্যু
চাঁদপুরে পৃথক বিদুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় প্রসূতিসহ দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বড়কূল পশ্চিম ইউনিয়নের কুড়ুলী মুন্সী বাড়ি এবং মতলব দক্ষিণে উপাধী উত্তর ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রামে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— সুমাইয়া আক্তার (২২) এবং ইসরাত জাহান ইমা (১৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুন্সী বাড়ির সুমাইয়া আক্তার গতকাল (শুক্রবার) দুপুরে স্বামী শরিফ হোসেনের অটোরিকশা নিজে চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতের শক লেগে মাটিতে ছিটকে পড়েন। চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
অটোরিকশাচালক শরিফ হোসেন জানান, তার স্ত্রী পাঁচ মাসের অন্ত:সত্ত্বা ছিলেন। স্ত্রীসহ অনাগত সন্তানের কথা মনে করে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন, পরিবারের অভিযোগ না থাকায় লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, ঠিক একই সময়ে চাঁদপুরের নওগাঁও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইসরাত জাহান ইমা নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিবির আহমেদ জানান, মেয়েটি তার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার মা রুমা আক্তার বিদেশে থাকেন এবং বাবা চট্টগ্রামে কাজ করেন। ইমা নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত।
তিনি আরও জানান, আজ দুপুরে নানা তাজুল ইসলামের অনুরোধে ইমা ঘরের চালের ওপর জমে থাকা পাতা পরিষ্কার করতে মই দিয়ে চালে উঠতেই হঠাৎ বিদ্যুৎতের শক খেয়ে নিচে মাটিতে পড়ে গিয়ে মারাত্মক আহত হয় । মূলত চালের উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার ছিদ্র হয়ে ঘরের চাল আগেই বিদ্যুতায়িত ছিল। এ অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মতলব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফ হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক জানান, এ ব্যাপারে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৫৫ দিন আগে
চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবক নিহত
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় নিজ বাড়িতে সিলিং ফ্যান সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোবারক হোসেন (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার উত্তর আলগী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোবারক হোসেন উত্তর আলগী গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির শুক্রর ছৈয়ালের ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, মোবারক হোসেন সম্প্রতি একটি নতুন সিলিং ফ্যান কিনেছিলেন। গতকাল (সোমবার) দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন তিনি নিজেই ফ্যানটি সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সে সময় অসাবধানতাবশত হঠাৎ বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি জ্ঞান হারান।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাইমচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সমীর দাস জানান, কারও সহযোগিতা ছাড়াই ওই যুবক নিজে ইলেকট্রিক কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের অগোচরে কাজ করতে যাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান।
৫৯ দিন আগে
রাজধানীতে তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত
রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় বৈদ্যুতিক তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার বয়স আনুমানিক ৩০ বছর।
রবিবার (২৯ মার্চ) ভোরে কলাবাগান থানাধীন ভূতের গলি এলাকার গার্ডেন হাউস নামের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল ৮টার দিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন জানান, ভোরে ওই যুবক বাসাটিতে বৈদ্যুতিক তার চুরি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বাসার মালিক জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। সেখান থেকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান যুবকটি আর বেঁচে নেই।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন এসআই ইকবাল হোসেন।
৮২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালক নিহত
কিশোরগঞ্জের ইটনায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৬ মে) উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের প্রজারকান্দা গ্ৰামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত তোফায়েল মিয়া (১৮) প্রজারকান্দা গ্ৰামের বাসিন্দা এবং পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন।
মৃগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দারুল ইসলাম বলেন, ‘আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে যান তোফায়েল। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে লাশ উদ্ধার করা হয়।
ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর ইকবাল বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের কাছে খবর এসেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বিস্তারিত জানার পর, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৩৮৯ দিন আগে