সিলেট
বুধবার সিলেট নগরীর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
বৈদ্যুতিক লাইন ও ট্রান্সফরমারের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের কারণে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে পারেন সেসব এলাকার গ্রাহকরা।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিলেট বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ।
বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মু. তানভীর হায়দাদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩৩/১১ কেভি আম্বরখানা ফিডার ও লাক্কাতুড়া ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
আম্বরখানা ফিডারের আওতায় রয়েছে: আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, আম্বরখানা সরকারি কলোনি, মজুমদারী, কমলা বাগান, পূর্ব পীরমহল্লা ও হাউজিং এস্টেট ফরিদাবাদ আবাসিক এলাকা।
এছাড়া লাক্কাতুড়া ফিডারের আওতায় বাদাম বাগিচা, বড়বাজার, চৌকিদেখী, আনার মিয়ার গলি, সৈয়দ মূগনী, ইলাশকান্দি, উদয়ন, পাহাড়িকা, বড়বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দারুস সালাম মাদ্রাসা, দবির মিয়ার গলি, শেভরন এলাকা, লাক্কাতুড়া চা বাগান, বনশ্রী আবাসিক এলাকা ও আশপাশের এলাকায়ও বিদ্যুৎ থাকবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুর রাজ্জাকের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১ কেভি রায়নগর ফিডারের আওতাধীন সেনারপাড়া, মজুমদারপাড়া, দর্জিপাড়া, পূর্ব মিরাবাজার, খারপাড়া ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সেইসঙ্গে সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১১ কেভি নাইওরপুল ফিডারের আওতাধীন কাজী জালাল উদ্দিন স্কুল এলাকা, নাইওরপুল পয়েন্ট, ওসমানী জাদুঘর, ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়, অনাবিল, হোটেল অনুরাগ, ঝরণারপাড়, কুমারপাড়া পয়েন্ট, শাহী ঈদগাহসহ আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।
নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।
১৬ ঘণ্টা আগে
দুপুর থেকে গ্যাস থাকবে না সিলেটের যেসব এলাকায়
জরুরি সংস্কার কাজের কারণে আজ সোমবার সিলেট মহানগরীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল মুকিতের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাদিম ডিআরএস থেকে চামেলিবাগ, নূরপুর, মোহাম্মদপুর, পূরবী আবাসিক এলাকা, ইসলামপুর, শ্যামলি আবাসিক এলাকা, টেক্সটাইল রোড, রাজপাড়া, মেজরটিলা, টিলাগড় পয়েন্ট, লামাপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কারিগরি কারণে কাজ শেষ হওয়ার সময় কিছুটা কম বা বাড়তে পারে।
মো. আব্দুল মুকিত গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
১ দিন আগে
ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল সিলেট
সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।
মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ও ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের ধিং শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং গুয়াহাটি থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
নগরীর কুমারপাড়া, জিন্দাবাজার, উপশহর, আম্বরখানা, টিলাগড়, শাহপরান থানা এলাকা ছাড়াও দক্ষিণ সুরমা, জৈন্তাপুর ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে ভূকম্পনের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই পোস্ট দিয়ে জানান, তারা ভোরে ভূকম্পন অনুভব করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ভূকম্পনের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে কিছু জানায়নি। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সর্বশেষ গত ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই দিন দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর ২টা ২৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার কেঁপে উঠে সিলেট। দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিয়ানিবাজারে।
উল্লেখ্য, সিলেট অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। এর আগে বিভিন্ন সময়ে এখানে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।
১ দিন আগে
সিলেটে তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রিতে
সিলেটে শীত আরও বেড়েছে। কমেছে তাপমাত্রা। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সিলেটের তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রিতে নেমে গেছে।
শীতের সঙ্গে দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। আজ (বুধবার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে নগরবাসী।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের উপ-সহকারী আবহাওয়াবিদ রুদ্র তালুকদার জানান, সিলেটে আজ সকালে তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
৬ দিন আগে
সিলেট থেকে উড়াল দিয়েছে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান
সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। দুপুর পৌনে ১২টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি অবতরণ করার সময় নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে, যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে রওনা হয়ে আজ সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে কিছু সময় যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়।
তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার এই যাত্রায় তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তারেক রহমানের সঙ্গে তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও যুক্তরাজ্য থেক দেশে ফিরেছেন।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে দেশের ক্ষমতা নেওয়া সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে যৌথ বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয় এক ডজনের বেশি মামলা। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে ভর্তি করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।
১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর চিকিৎসার জন্য ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা ছাড়েন তারেক রহমান।
সে সময়ের সরকারের বিধিনিষেধ আরোপের কারণে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে তার নির্বাসন জীবন শুরু হয়। দেড় যুগের এই নির্বাসনে লন্ডন থেকে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন, দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তারেক রহমান।
সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৩টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ৭২টি মামলা হয়। এর মধ্যে অন্তত পাঁচটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় তাকে। গণমাধ্যমেও তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় আদালতের মাধ্যমে। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একে একে সব মামলা থেকে খালাস পান তারেক রহমান।
এভিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, আজ তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ১৯২ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে দেশে আসে। এর মধ্যে ৮৫ জন যাত্রীকে সিলেটে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ১০৭ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করবে।
১২ দিন আগে
১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশের মাটিতে তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।
তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। সিলেটে যাত্রাবিরতির পর ফ্লাইটটি সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-১০২ বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক ১২টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থল রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট এলাকা) সকাল থেকেই বিএনপির নেতা–কর্মীরা জড়ো হয়েছেন।
১২ দিন আগে
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কৃষক দলের এক নেতা এবং এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধা সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ইরন মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন। ওসমানীনগর থেকে মোটরসাইকেলযোগে বিশ্বনাথ ফেরার পথে একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়।
ইরন মিয়া বিশ্বনাথ উপজেলার নোয়াগাঁওয়ের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি ওসমানীনগরে একটি দলীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে মোটরসাইকেলে চড়ে বিশ্বনাথ ফেরার পথে নাজিরবাজারে একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতাল নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির বরেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা গেলেও এর চালক পালিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে, জকিগঞ্জে প্রায় একই সময়ে দ্রুতগতির ট্রলির ধাক্কায় এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন। উপজেলার আটগ্রাম স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মাওলানা বদরুল ইসলাম (৫৫) কাজলসার ইউনিয়নের কাজিরপাতন গ্রামের মৃত ইলিয়াস আলীর ছেলে। তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাওলানা বদরুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হয়ে জকিগঞ্জ–সিলেট সড়কে উঠলে দ্রুতগতির একটি ট্রলি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তিনি আর জীবিত নেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
জকিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. সুজন মিয়া জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘাতক ট্রলিটি জব্দের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের প্রক্রিয়া চলছে।
১৩ দিন আগে
সিলেটে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হাসনাজি গ্রামের পূর্বের মাঠে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ঘোড়দৌড়কে ঘিরে মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সব বয়সী হাজারো দর্শক দৌড় উপভোগ করেন। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে প্রতিটি দৌড় হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। প্রতিযোগিতায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, জামালগঞ্জ, ছাতক ও চুনারুঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্ধশতাধিক বাহারি নাম ও রঙের ঘোড়া নিয়ে সৌখিন ঘোড়ার মালিকরা অংশ নেন।
দৌড়ে প্রথম স্থান অর্জন করে ‘মাহিন রাজা’, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে যথাক্রমে ‘লাল চান’ ও ‘আর্জেন্টিনা’ নামের ঘোড়া।
দর্শকরা জানান, একসময় ঘোড়দৌড়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় উৎসব বিরাজ করত। এখন আর আগের মতো এই প্রতিযোগিতা চোখে পড়ে না। এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ‘লিভারপুল’ নামের ঘোড়ার মালিক আনোয়ার আলী বলেন, ঘোড়ার প্রতি তার ভালোবাসা দীর্ঘদিনের। শখের ঘোড়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন দৌড়ে অংশ নেন। জয়-পরাজয় যাই হোক, প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা ও সৌহার্দ্যই তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
আয়োজক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন ধন মিয়া বলেন, গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে।
১৫ দিন আগে
সিলেট সীমান্তে সবজি খেতের নিচে মিলল ভারতীয় অস্ত্র
সিলেটের সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীনস্থ পান্থুমাই বিওপির একটি বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় দলটি গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে পান্থুমাই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, কয়েকজন অস্ত্র চোরাকারবারী ভারত থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র এনে অন্য একটি চোরাকারবারী গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে স্থানীয় একটি সবজি খেতে মাটির নিচে চাপা দিয়ে রেখেছিল। পরে অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টা করলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একটি ভারতীয় অবৈধ এয়ার গান উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে একই এলাকা থেকে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২৫টি ভারতীয় অবৈধ এয়ার রাইফেলের স্প্রিং উদ্ধার করা হয়েছিল।
বিজিবির ৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এম নাজমুল হক জানান, সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে যেন কোনোভাবেই অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করা না যায়, সে বিষয়ে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
১৬ দিন আগে
আজ থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে বিপিএলের সিলেট পর্বের টিকিট
শুরু হয়ে গেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের ডামাডোল। আগামী ২৬ ডিসেম্বর পর্দা উঠবে দেশের সবচেয়ে বড় ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের। এরই মধ্যে বিপিএলের সিলেট পর্বের টিকিট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির ঘোষণা অনুযায়ী, রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে বিপিএলের সিলেট পর্বের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এবার দর্শকদের জন্য সব টিকিটই বিক্রি করা হবে অনলাইনে। মাঠ কিংবা ভেন্যুতে কোনো টিকিট কাউন্টার থাকছে না।
অনলাইনে টিকিট কিনতে দর্শকদের প্রবেশ করতে হবে বিসিবির নির্ধারিত ওয়েবসাইট www.gobcbticket.com.bd-এ।
বিসিবি জানিয়েছে, লিগ পর্বের ম্যাচে একটি টিকিটে একই দিনে দুটি ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ব্যয় করে ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকছে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শহীদ তুরাব স্ট্যান্ড ও গ্রিন গ্যালারির প্রতিটি আসনের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা।
এছাড়া শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের টিকিট মূল্য ২৫০ টাকা, ক্লাব হাউজের আপার জোনের টিকিট ৫০০ টাকা এবং ক্লাব হাউজের জিরো ওয়েস্ট জোনের টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা।
গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের আপার ওয়েস্ট, আপার ইস্ট, লোয়ার ওয়েস্ট ও লোয়ার ইস্ট—এই চারটি জোনের প্রতিটি টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা।
বিপিএলের সিলেট পর্বকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। অনলাইনে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিবি।
১৬ দিন আগে