সিলেট
সিলেটে তিনজনকে গলাকেটে হত্যা: ৪ দিনের রিমান্ডে আটক বাবুল
সিলেট নগরীর রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় ৩ জনকে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিপলু চৌধুরী।
তিনি জানান, আজ (রবিবার) বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক ফারহানা সুলতানা চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা বাদী হয়ে মামলা করেন।
এ ঘটনায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা কথাকাটাকাটির জেরে বাবুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকে হত্যা করেন।
তবে, পুলিশের এ বক্তব্য নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে নিহতদের পরিবার। তাদের দাবি, আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। গৃহকর্মীর সঙ্গে বাবুলের কোনো সম্পর্ক ছিল না বলেও দাবি করেছেন তারা।
মামলার বাদী সেলিনা সুলতানা বলেন, একজনের পক্ষে একসঙ্গে তিনজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। তার অভিযোগ, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে গৃহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে। গৃহকর্মী তাহমিনার পিতাও একই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না তা নিশ্চিত করতে গভীর ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।
ঘটনার পর ১৩ আগস্ট সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া পরিকল্পিতভাবে ছুরি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে তিনজনকে হত্যা করেছে। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি খালি প্লট থেকে রক্তমাখা ব্যাগ ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসার ভেতরে বেসিনে হাত ও ছুরি ধোয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং বিভিন্ন স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল দাবি করেছে, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাহমিনার খারাপ আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে। প্রথমে তাহমিনার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে বাধা দিতে আসলে গৃহকর্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও শেষে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর ভেতর থেকে দরজা আটকে দিয়ে বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান বাবুল। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া ওই বাসার আলমারি ও ওয়ারড্রোব খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। কোনো মূল্যবান জিনিস বা গুরুত্বপূর্ণ নথি খোয়া গেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে পুরো নগরজুড়ে শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
২ দিন আগে
স্থায়ীভাবে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট কাটাতে দুই বছর লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট স্থায়ীভাবে কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের একটি হলরুমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলা পর্যায়ে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বিগত বছরের বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিষয়ক জেলা কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যাগুলো মিটিয়ে নতুন এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন, পাইপলাইন বসানোসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় দরকার।’
তিনি বলেন, গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে বড় জাহাজে করে এলএনজি এনে ছোট জাহাজে স্থানান্তর করা এবং পরে ভাসমান পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটের মাধ্যমে তা গ্যাসে রূপান্তর করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পেট্রোনাসের সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো বর্তমানে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকায় এই মুহূর্তে অতিরিক্ত জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই এ বিষয়ে কাজ করছেন।
শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট এবং বাসাবাড়িতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিগুলো সাফার করছে (ভুগছে), বাসাবাড়িতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে—এর প্রত্যেকটি কথাই সঠিক। এখানে কোনো ভুল নেই। তবে যে পরিস্থিতি আমরা পেয়েছি, সেটা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি—এ বিষয়টিও সবাইকে বুঝতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা মৌসুমভেদে বাড়ে-কমে। বর্তমানে গরমের সময় হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বেশি। শীতকালে একই চাহিদা অনেকটাই কমে যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে সংকট আরও তীব্র হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটের একটিতে গ্যাস ভরা সম্ভব হয়নি এবং অন্যটির একটি বয়লার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গত পাঁচ থেকে দশ দিনে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
তবে এরই মধ্যে একটি ইউনিটে আবার গ্যাস ভরা শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ফল আপনারা এখন পাচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, আরও উন্নতি হবে।’
অন্য ইউনিটের একটি বয়লারও ঠিক হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আরেকটি বয়লার মেরামতের কাজ চলছে। সেটিও ঠিক হয়ে গেলে দুটি ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস পাওয়া সম্ভব হবে। তখন প্রায় এক মাস আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়া যাবে এবং শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহে চলমান সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন কূপ খনন হলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাড়বে। সেক্ষেত্রে দুই বছর সময় দরকার। বর্তমানে দৈনিক জ্বালানির চাহিদা সরবরাহের চেয়ে দ্বিগুণ। পাশাপাশি বছরের এই সময়ে চাহিদা অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় বেশি থাকে। সেজন্য সংকট দৃশ্যমান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
৩ দিন আগে
সাদাপাথরে পানিতে ডুবে এক পর্যটকের মৃত্যু
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে পানিতে গোসল করতে নেমে মাইনুল ইসলাম রিফাত (২১) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
নিহত রিফাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিজয়েশ্বর গ্রামের হাতিম মিয়ার ছেলে। তিনি নবীনগর সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার বন্ধু মিলে আজ (শনিবার) ভোলাগঞ্জ সাদাপাথরে বেড়াতে যান। দুপুর ১২টার দিকে তারা পর্যটনকেন্দ্রের পানিতে গোসল করতে নামলে একপর্যায়ে রিফাত পানিতে তলিয়ে যান। তাকে আশপাশে দেখতে না পেলে বিষয়টি তার বন্ধুদের নজরে আসে। এরপর তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাদাপাথর থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে ধলাই নদীর কালিরডর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর তার বন্ধুরা নৌকা ও গাড়ি যোগে দ্রুত তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সিলেট থেকে নিহতের বন্ধু সাব্বির রহমান জানান, তারা চার বন্ধু ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিলেটের সাদাপাথর বেড়াতে আসেন। এরপর বেলা ১১টার দিকে পর্যটনকেন্দ্রে পৌঁছে তারা নদীতে গোসল করতে নামেন। কিছুক্ষণ পর রিফাতকে নদীর পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাতিকুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই রিফাতের মৃত্যু হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি জানান, সাদাপাথর বেড়াতে এসে এক পর্যটক নিহত হয়েছেন। মরদেহ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে সিলেটে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১৩৫
সিলেটে হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৬ জনে। একই সময়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৫ জন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহজনক রোগে মারা যাওয়া দুই শিশুর একজনের বয়স ৫ মাস। সে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। অপর শিশুটির বয়স ১১ মাস। সে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। প্রতিবেদনে তাদের ঠিকানা হিসেবে যথাক্রমে সিলেটের টুকেরবাজার ও জকিগঞ্জ উপজেলার ওয়াসার এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহজনক নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৬৩ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৮ জন এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে একজন ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়াও, একই সময়ে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে, বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহজনক রোগী ভর্তি আছেন ২৮৪ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১২০ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯০ জন চিকিৎসাধীন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে একজন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ছয়জন এবং বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে আরও রোগী ভর্তি রয়েছেন।
জেলা অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট জেলায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩০৫ জন। একই সময়ে হবিগঞ্জে ১৪৮, মৌলভীবাজারে ১৪৬ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জের দুজন রোগী রুবেলায় আক্রান্ত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মৃত্যুর হিসাবে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে ৪৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হবিগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হাম রোগে সেখানে কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই। মৌলভীবাজারে সন্দেহজনক হাম রোগে ১২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ৫৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৩৫ জন। এর মধ্যে ১২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে সন্দেহজনক হাম রোগে এবং ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত হাম রোগে।
৩ দিন আগে
তৃতীয় দফায় চলছে শাহজালাল মাজারের টাকা গণনা
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে স্থাপন করা নতুন দানবাক্স থেকে তৃতীয়বারের মতো টাকা গণনা চলছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে উন্মুক্তভাবে এ গণনা শুরু হয়েছে।
মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে গঠিত কমিটির সদস্য এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ (শনিবার) সকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। গণনা শেষে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ সবার জন্য প্রকাশ করা হবে।
এর আগে, গত ১২ জুন হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তার নির্দেশে ১৮ জুন ডেগ সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হলে স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপোড়ন দেখা দেয়।
বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটিকে ‘রুটিন বদলি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন দানবাক্স স্থাপনের চার দিন পর ২২ জুন প্রথম দফায় তা খুলে গণনা করা হয়। এতে নগদ ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। প্রথম গণনার ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। তখন পাওয়া যায় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এ সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।
এবার দ্বিতীয় দফা গণনার ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছে। গণনা শেষে এবার কত টাকা পাওয়া যায়, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।
৩ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১৩৩
সিলেটে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্য হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে একজনের বয়স ১৭ মাস ও একজনের ছয় মাস।
এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের মধ্যে হামের উপসর্গ ছিল।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪২ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১১৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৪৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৭ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৩ জন ও রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন ভর্তি হয়েছে। বাকিরা সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলায়। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও সিলেটে ৪৮ জন, হবিগঞ্জে ১৭ জন ও মৌলভীবাজারে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৪ দিন আগে
সিলেটে ময়লার স্তূপ থেকে মানুষের খণ্ডিত পায়ের পাতা উদ্ধার
সিলেটে ময়লার স্তূপ থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের পাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে নগরের আম্বরখানা এলাকায় আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়ক থেকে এটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকায় সড়কের পাশে ময়লার স্তূপে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পায়ের অংশটি উদ্ধার করে।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, ময়লার স্তূপে মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে এটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পায়ের অংশটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় কেটে ফেলা পায়ের অংশ কেউ ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে গেছেন। পায়ের অংশটিতে কিছুটা পচন ধরা ছিল।
৪ দিন আগে
ওসমানী হাসপাতালের ৫ তলা থেকে লাফ দিয়ে রোগীর ‘আত্মহত্যা’
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের পাঁচতলা থেকে লাফ দিয়ে আলমগীর হোসেন (২৮) নামে চিকিৎসাধীন এক রোগীর আত্মহননের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার খোয়াজ আলীর ছেলে। তিনি গত ১১ আগস্ট চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ভারপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আলমগীর হাসপাতালের নতুন ভবনের পাঁচতলার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে সিঁড়ির পাশের ফাঁকা অংশ দিয়ে তিনি নিচে লাফ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫ দিন আগে
সিলেটে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সিলেট মহানগরীর রায়নগর আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে এক দম্পতির ও তাদের গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন: রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মৃত আবরু মিয়ার ছেলে এমএ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং একই বাসার গৃহকর্মী নগরীর জল্লারপাড় এলাকার তাহমিনা (২৫)।
পুলিশ জানায়, ৪ তলা ভবনের দুতলার ফ্লাটে মালিক আব্দুস সত্তার মিয়া, তার স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাই শুধু থাকতেন। বাকি ফ্লাটগুলোতে ভাড়াটেরা থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুস সত্তার মিয়া আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ছিলেন। রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন তিনি। আজ সকালে তার বাসা থেকে চিৎকার শোনা গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এই দম্পত্তির চার সন্তানের মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন।
নিহত দম্পতির ভাগ্নে মুন্না মিয়া জানান, রায়নগরের এই বাসায় আমার মামা-মামি একাই থাকতেন। তাদের সঙ্গে থাকত এক গৃহকর্মী। তিনি বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকেও তাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তার পরে কোনো সময় তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা মুন্না মিয়ার।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. মনজুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসার ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ গৃহকর্মীকে খুন করেছে।
তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, হাজী আব্দুস সত্তার মিয়া, তার স্ত্রী ও গৃহকর্মীকে দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে খুন করেছে। আব্দুস সত্তার মিয়া ওই এলাকার প্রবীণ মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এসএমপির কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম বলেন, আজ সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় একজন আমাকে ফোন করে বলেন, মিতালী ১১১ নম্বর বাসার দোতলার ফ্ল্যাটের বন্ধ দরজার ভেতর থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের একটি দল নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। ওই বাসায় গিয়ে দরজা খুলে দেখতে পাই, বাসাটির মালিক এমএ সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ক্রাইম সিন ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছে। পিবিআই ও সিআইডির ক্রাইম সিন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তদন্তের জন্য একটা স্পেশাল টিম গঠন করা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘এই বাড়ির এক ভাড়াটিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, সকালে তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি শুনেছেন। সে হিসেবে ঘটনাটি সকালেই ঘটেছে বলে ধারণা করছি।’
তিনি বলেন, বাসাটির পরিবারের সদস্যদের ব্যবহৃত ওয়ারড্রোব ও আলমারিগুলো খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে স্বর্ণালংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিস সরানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাটি ডাকাতি, নাকি এর পেছনে পারিবারিক কোনো শত্রুতা বা পূর্ববিরোধ রয়েছে, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এখানে একটি দলিলও পাওয়া গেছে। সেটিও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’ শিগগিরই হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
খবর পেয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সকালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
৬ দিন আগে
সিলেটে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮৩৬ জন
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াসমিন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার আরও কমেছে। গেল বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
তবে পাসের হার কমলেও এবার বেড়েছে জিপিএ-৫। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। যা গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে ২২২ জন।
এ বছর সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৮৯ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে পাস করেছে ৫১ হাজার ৯৫৭ জন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ হাজার ৮৮৯ জন ছেলে ও ৩২ হাজার ৬৮ জন মেয়ে।
৮ দিন আগে