সিলেট
সিলেটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
সিলেটের জৈন্তাপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট-তামাবিল সড়কের পৃথক স্থানে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা সেতুর পাশে সিলেট-তামাবিল সড়কে দুটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই গাড়ির চার যাত্রী আহত হয়।
জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে সেখান থেকে কয়েকজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তিন মাস বয়সী আয়াত গোয়াইনঘাট উপজেরার পশ্চিম মাখেরপাড়া গ্রামের হাসানুজ্জামানের ছেলে।
এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে মারজানা আক্তার (৩৫) নামের একজন পথচারীও রয়েছেন। তিনি পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জৈন্তাপুরের ফেরিঘাট কাটাগাং এলাকায় সিলেট-তামাবিল সড়কে জাফলংগামী পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে সিলেটগামী পাথরবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।
এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ও জৈন্তাপুর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তামাবিল সড়কে পর্যটকবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাসচালক ও এক নারী যাত্রী রয়েছেন। হাসপাতালে আরও পাঁচজন ভর্তি রয়েছেন। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট কোতয়ালী থানাধীন পল্লবী রোড এলাকার আলী আহমদের ছেলে কাওসার (৪৮) এবং তার মেয়ে আতিশা (১০) ও ছেলে আলিফ (১৬)।
আহতদের স্বজনরা জানান, রাজবাড়ী জেলা থেকে ছয় দিনের সফরে সিলেট ভ্রমণে এসেছিলেন একদল পর্যটক। আজ দুপুরে বাসে করে তারা জাফলংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। পথে ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের কাদায় পড়ে যায়।
১ দিন আগে
মন্ত্রীর আশ্বাসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, শিক্ষকসংকট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউসে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রীর আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা এ সিদ্ধান্ত নেন। পরে রাতে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সভায় মন্ত্রী সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষকসংকট নিরসন এবং কলেজটিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের অধীনে স্থানান্তরের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করার আশ্বাস দেন।
এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কলেজে একটি খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
এরপর সভায় বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল (রবিবার) থেকে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তারা।
সভায় শিক্ষার্থীরা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।
এ সময় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তাদের যৌক্তিক দাবিগুলোর প্রতি সরকারের ইতিবাচক মনোভাব তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদার প্রতি সবসময় সংবেদনশীল।
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবির বিষয়ে মন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে জানান, এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
তবে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও কলেজের শিক্ষার্থীদের তাদের দাবি পূরণসহ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। তারও আগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক কয়েক দফা সমঝোতা বৈঠক করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা মানেননি।
কলেজটিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতামুক্ত করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে যাওয়ার দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ভবনে ১৪ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত স্নাতক পর্যায়ের এ প্রকৌশল কলেজের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ, পুরকৌশল বিভাগ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পাঁচটি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী আছেন, যার বেশির ভাগই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
দাবি মেনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেন তারা।
এদিকে আন্দোলন চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সহযোগী অধাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এবং সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে বদলি করে। তবে এসব সিদ্ধান্তেরও বিরোধীতা করেন শিক্ষার্থীরা।
৮ দিন আগে
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া গ্রামের সুহেল আহমদ (৪৭) ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার খায়রুল ইসলাম (৪৭)।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানান, সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে সিলেটগামী একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসের এবং শেরপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়।
এতে মাইক্রোবাসের যাত্রী সুহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক খায়রুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৯ দিন আগে
সিলেটে শব্দদূষণের দায়ে ৮ ব্যক্তি ও যানবাহনকে জরিমানা
সিলেট সদর উপজেলার মুরাদপুর এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আট ব্যক্তি ও যানবাহনকে মোট সাড়ে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ ও উচ্চ শব্দযুক্ত ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তারের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, শব্দদূষণকারী ও অবৈধ উচ্চ শব্দযুক্ত হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ, পাহাড়-টিলা কর্তন, অবৈধ ইটভাটা ও নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ টেকনিশিয়ান আল মামুন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় পুলিশ সদস্য ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
১০ দিন আগে
সৌদি আরবে নিহত দুই প্রবাসীর দাফন সিলেটে সম্পন্ন
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের দুই প্রবাসী আবদুল করিম ও খালিদ আহমদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি আকুনি মাদরাসায় জানাজা শেষে নিজ গ্রামে তাদের দাফন করা হয়। দুজনেরই বাড়ি কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামার তালুক গ্রামে।
এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২৩৬ ফ্লাইটে তাদের মরদেহ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় বলে জানান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন।
তাদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে বিমানবন্দরের পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। স্বজনরা জানান, দীর্ঘ তিন বছর পর দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। অবশেষে তারা ফিরলেন, তবে নিথর দেহে ।
গত ৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের তায়েফ থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে আল-খুরমা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন এই দুই প্রতিবেশী।
১০ দিন আগে
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ১৮৫
সিলেটে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া দুই শিশুর একজনের বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাটে এবং অন্যজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। দুজনেরই বয়স এক বছরের কম।
৯ মাস বয়সী গোয়াইনঘাটের শিশুটি সিলেটের শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি ছিল। অন্যদিকে ৬ মাস বয়সী দিরাইয়ের শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২২৯ জন ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮৮ জন ভর্তি হয়েছে শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬৬, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৬, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ১২ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে সাতজন ভর্তি হয়েছে।
এছাড়া জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে চারজন ও ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন করে নতুন ভর্তি হয়েছে।
নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে ৫৫২ শিশু। তাদের মধ্যে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০৩ জন ভর্তি রয়েছে। এছাড়া শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭০ ও সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭৭ জন রয়েছে।
পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২৮, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৭, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ১০ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ জন ভর্তি আছে।
এছাড়া গোলাপগঞ্জে ৭, বিশ্বনাথে ৫, কোম্পানীগঞ্জে ৪, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৩, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ৩, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৩, ফেঞ্চুগঞ্জে ২ ও ধর্মপাশায় ২ জন চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৫ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪২২, সুনামগঞ্জে ৩৫৭, হবিগঞ্জে ১৫৮ ও মৌলভীবাজারের ১৫৮ জন। হবিগঞ্জের সংখ্যার মধ্যে দুজন রুবেলা রোগীও রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও হাম সন্দেহে মোট ১৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গে মৃত্যু ১৭৫ জনের ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।
১০ দিন আগে
সিলেটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাসেল (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাদ জুমআ সিলাম এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল সিলাম এলাকার শারুক মিয়ার ছেলে।
মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদুল হক ভূইয়া জানান, সংঘর্ষে রাসেল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এতে রাসেল গুরুতর আহত হন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত আগস্টে সিলাম চকের বাজারে মাজার ও মসজিদের ওয়াকফ এস্টেটের নিয়ন্ত্রণ এবং দানবাক্সের টাকা নিয়ে শেখ গোষ্ঠী ও শাহ গোষ্ঠীর মধ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১৬ দিন আগে
সিলেটে শব্দ ও বায়ুদূষণের দায়ে ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
সিলেটে শব্দ ও বায়ুদূষণের দায়ে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট সাড়ে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ১৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
এছাড়া পরিবেশ দূষণের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়।
জেলার মুরাদপুর বাইপাস এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করে তাদের জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তার বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬(ক) ধারা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) ধারা অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান আল মামুন আইনি প্রক্রিয়ায় মামলার ব্যবস্থা করেন।
এ সময় কার্যালয়ের অন্য সদস্য ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-৯) সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন জেলাগুলোতে শব্দদূষণকারী ও অবৈধ উচ্চ শব্দযুক্ত হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ, পাহাড়-টিলা কর্তন, অবৈধ ইটভাটা ও নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
১৭ দিন আগে
সিলেটে ৩৩ ঘন্টা পর মুক্তি পেলেন অবরুদ্ধ শিক্ষকরা, অনড় আন্দোলনকারীরা
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তবে প্রায় ৩৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন কলেজের শিক্ষকরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হন। কলেজের অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে এখনও ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি।
এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের আশ্বাস ও দফায় দফায় বৈঠক সত্ত্বেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (সোমবার) বিকেলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক। এরপর সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন তারা। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনে দুই দিন ধরে অবরুদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করে দেওয়ার অনুরোধও জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবির বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে মুক্ত করা এবং শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করার দাবিকে তারা অগ্রাধিকার দেন। তারা বলেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে কলেজকে মুক্ত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধিভুক্ত করার বিষয়ে দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনার পর জেলা প্রশাসক তাদের দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে এসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও সময়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুই প্রশাসক সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আলোচনায় কলেজকে ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, খেলার মাঠ সংস্কারসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ও উঠে আসে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আলোচনার একপর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি পূরণের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের তালা না খোলা এবং অবরুদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদেরও মুক্ত না করার কথা জানান। যদিও রাতে তারা তালা খুলে দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাবি নিয়ে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। আগের সরকার তাদের দাবির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও বেশি সময় পায়নি। তাই সরকারকে সময় দিতে হবে। জেলা প্রশাসক তার নিজস্ব চ্যানেলে মন্ত্রণালয়সহ ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো তুলে ধরবেন এবং সমস্যাগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেবেন।
তবে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই এবার লিখিত বা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ না দেখা পর্যন্ত তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন না।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক। একই ভবনে আটকা পড়েন আরও ৬ থেকে ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব এবং অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। তাদের দাবি, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান অক্ষুণ্ন রাখতে কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্ত করে শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করতে হবে।
এদিকে আন্দোলনের মধ্যে অধ্যক্ষ পদে বদলি ও নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার যে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, সেটিও প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, মূল দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নতুন দায়িত্ব পাওয়া অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না এবং বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকেও বদলি কর্মস্থলে যেতে দেওয়া হবে না।
১৯ দিন আগে
সিলেটে বিমানবন্দরে আনসারের গুলিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত
সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে পাখি তাড়ানোর উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রুবেল আহমদকে তাৎক্ষণিকভাবে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সকালে টহলরত আনসার সদস্য মোজাম্মেল পাখি তাড়াতে তার কাছে থাকা শটগান থেকে গুলি ছোড়েন। তবে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুবেলের কোমরে লাগে।
এদিকে পাখি তাড়াতে সাধারণত গাড়ি থেকে নেমে গুলি ছোড়ার নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট আনসার সদস্য গাড়িতে বসে গুলি ছোড়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। আহত কর্মীর অবস্থা গুরুতর নয়।
তবে এ ঘটনায় কোনো গাফিলতি বা নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।
২২ দিন আগে