সিলেট
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।
শনিবার (৩০ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মৃত ২ শিশুর মধ্যে হুমায়রার বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় (বয়স ৬ মাস। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এবং অপর শিশু আব্দুল্লাহ আল মাহিনের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলায় (বয়স ৮ মাস। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৩৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩৯ জন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৫ জন, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২২ জন চিকিৎসা নিচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলা ও বেসরকারি হাসপাতালেও আরও রোগী ভর্তি রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জনের শরীরে নমুনা পরীক্ষায় হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ ৮৬ জন, সিলেট জেলায় ৪২ জন, হবিগঞ্জে ২১ জন ও মৌলভীবাজারে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক
ঈদুল আজহায় সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২০ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহতরা চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের অধিকাংশই কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় অসাবধানতাবশত দা ও ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন। এছাড়া গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতেও কয়েকজন আহত হন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব দুর্ঘটনার পেছনে অদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অভাবই প্রধান কারণ। আহতদের বেশিরভাগই পেশাদার কসাই নন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জামান বলেন, কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজ করতে গিয়ে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৫০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২০ জন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
২২ ঘণ্টা আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
মৃত শিশু আরিমের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৮ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২০৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় ৮৬ জন, সিলেটে ৪২, হবিগঞ্জে ২১ ও মৌলভীবাজারের ১৬ জন রোগীর হাম শনাক্ত হয়েছে।
১ দিন আগে
সিলেটে সৎ বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ
সিলেট মহানগরীতে এবার সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহানগরীর বালুচর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আটক ওই ব্যক্তি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে ওই ব্যক্তি তার নিজের সৎ মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। এই বিষয়ে এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে বৈঠক করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জানালে তিনি তা অস্বীকার করেন। গতকাল (মঙ্গলবার) মেয়েকে ফের নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করলে তখন এলাকার লোকজন মিলে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তখন স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। তাকে শাহপরাণ (রহ.) থানায় আটক রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়ে ও তার অভিযুক্ত সৎ বাবা দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে, গত বুধবার (২০ মে) সিলেটের জৈন্তাপুরে নিজের ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুর বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
২ দিন আগে
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সিলেটের জাফলং-রাতারগুল
ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটক বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে।
জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাইসহ জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যটক কম থাকায় ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়েন। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে এখন তারা নতুন করে আশাবাদী।
পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কয়েক কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরি করবে।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ঝরনা ও নদীগুলো নতুন রূপ ধারণ করায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কিছুটা ঝুঁকিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জাফলং পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. হোসেন মিয়া বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ব্যাপক সমাগম হবে বলে তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
জাফলং পর্যটন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি বাবলু বখত জানান, ঈদের সময় প্রায় সব হোটেল আগেই বুকিং হয়ে যায় এবং পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বল্প খরচে থাকা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও রোভার স্কাউট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
ঢাকা সিলেট মহাসড়কে হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাহেব বাড়ি গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বাগবের গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে আবুল বাশার (৩৫) ও রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে আশিক আহমেদ (২৫)।
জানা যায়, দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে সিলেট ঘুরতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে উল্লিখিত স্থানে পৌঁছালে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি নিহতদের পরিবার এবং পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মারা যাওয়া শিশুটির নাম আব্দুল্লাহ আল জায়ান। ৫ মাস ৭ দিন বয়সী শিশুটি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার ওসমানীনগরের বাসিন্দা। শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬৪ জন রোগী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি, তবে একই সময়ে ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫৬ শিশুর মধ্যে ৪ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকীরা হাম উপসর্গে মারা যায়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৪ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২১ জন (যার ২ জন রুবেলায় আক্রান্ত), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৮৫ জন এবং সিলেট জেলায় ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
৩ দিন আগে
সিলেটে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হেতিমগঞ্জ পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঝুমকি দেব (২৯) ওই গ্রামের চঞ্চল দাসের স্ত্রী।
গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় নিজ শয়নকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুমকির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঝুমকির শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন। তবে তার বাবার বাড়ির স্বজনদের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৪ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে।
রবিবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জে। সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৩ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৯৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে একজনের হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে ।
৫ দিন আগে
সিলেট থেকে কেনা তিন কোরবানির গরু ছিনতাই, উদ্ধার করল বংশাল থানা পুলিশ
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শখ করে সিলেট থেকে কেনা তিনটি গরু চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন এক ক্রেতা। পরে রাজধানীর বংশাল থানা পুলিশের অভিযানে গরু তিনটি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গরুর আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন রবিবার (২৪ মে) সকালে বিষয়টি জানান।
বংশাল থানা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথ থেকে তিনটি গরু নিয়ে একটি পিকআপ চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। পরদিন বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে গাড়িটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার ধনাশী এলাকায় পৌঁছালে ৩ থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত গাড়ির গতিরোধ করে গরু তিনটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (শনিবার) রাজধানীর বংশাল থানাধীন আগা সাদেক রোডের একটি মাংসের দোকানে অভিযান চালায় বংশাল থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানে ছিনতাই হওয়া তিনটি গরু উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধার করা গরু তিনটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শখের কোরবানির গরু ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুলিশের আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন।
৬ দিন আগে