জামায়াত আমির
সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করছে: জামায়াত আমির
ব্যাংক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে নিজ দলীয় লোক বসিয়ে সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের জনগণ এ একদলীয় শাসন ব্যবস্থা মেনে নেবে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলত আওয়ামী লীগ। তারা সবচেয়ে বেশি বলতো বিএনপিকে, তারপর জামায়াতে ইসলামীকে। বর্তমান সরকারও বিরোধী দলকে বিভিন্ন রকমের ট্যাগ দিয়ে কথা বলে। কিন্তু দেশের জনগণ এগুলো খায় না।
সরকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আপনারা তরুণ সমাজের ভাষা বুঝার চেষ্টা করেন। আওয়ামী লীগের পথে হাঁটবেন না।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুাষ্ঠত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
৫ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় জামায়াত আমিরের
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর জেলা শিল্পকলা অডিটরিয়ামে দলের সুধী সমাবেশে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।
জামায়াত আমির বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর যে দুটি উপনির্বাচন হয়েছে তার চিত্র দেখেই শঙ্কিত তার দল। তবে জামায়াত নির্বাচনমুখী দল, তাই তার দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে, তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় রয়েছে। এ সময় জনগণকে তাদের অধিকার আদায়ে আরেকবার সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ব্যাপারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তৎকালীন সরকার জামায়াতকে কিছু জানায়নি।
তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলকে অগ্রাহ্য করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, তা কখনোই সম্ভব নয়। তাই তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সর্বদা আন্তরিক থাকবে তার দল। এ ছাড়াও আগামী দিনগুলোতে রংপুরের উন্নয়নে সোচ্চার থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যবসায়ীদের নিয়ে সুধী সমাবেশে যোগ দেন জামায়াতে আমির।
এর আগে, সকালে রংপুর মডেল কলেজে রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা ও থানা আমিরদের নিয়ে আমির সম্মলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান।
৪০ দিন আগে
কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কূটনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে তার সরকারি বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সাক্ষাতের সময় তিনি আগত অতিথিদের সঙ্গে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশে কূটনীতিকদের সঙ্গে হাস্যরস ও খুনসুটিতেও মেতে উঠতে দেখা যায় বিরোধীদলীয় নেতাকে। পরে বাসভবন প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেন তিনি।
এর আগে, সকালে রাজধানীর মিরপুরের ৬০ ফুট সড়ক-সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাই স্কুল মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন শফিকুর রহমান।
৯৫ দিন আগে
চুক্তির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতের সঙ্গে পরামর্শ করেনি: ডা. শফিকুর রহমান
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সই করা চুক্তিগুলোর বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির তার পোস্টে বলেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনও চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনা করা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম যে, সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।’
শফিকুর রহমান তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। অতএব, এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনও ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।’
এর আগে, গত বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটি জাতীয় নির্বাচনের ঠিক কয়েকদিন আগে আকস্মিকভাবে সই হওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের সঙ্গে আগেভাগেই আলোচনা করা হয়েছিল এবং উভয় দলই চুক্তি সইয়ের বিষয়ে একমত পোষণ করেছিল।
১১০ দিন আগে
নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে আমাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়নি। এই নির্বাচনের মধ্যমে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে, এটি আমাদের কাছে পরিষ্কার।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট জেলা জামায়াত আয়োজিত ‘শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবির’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ১০ থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত ভোটের ব্যবধানে যাদের হারানো হয়েছে এটা ইচ্ছাকৃত। দুয়েক জায়গায় ঘোষণা দিয়েও তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু স্পর্শকাতর জায়গায় ইচ্ছাকৃতভাবে হারানো হয়েছে। যেখানেই যাচ্ছি লোকে আমাদের বলে, আপনারা হারেননি, আপনাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাসে সংসদীয় রাজনীতিতে এবারই সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের তিনটি লাভ হয়েছে। এক. এই প্রথম জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটা অর্থবহ ঐক্য হয়েছে। এর আগে, আমরা অন্যের নেতৃত্বে ঐক্য করেছিলাম। এবার আমাদের নেতৃত্বে হয়েছে। দুই. এই প্রথম আল্লাহ আমাদের প্রধান বিরোধী দলের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। তৃতীয় লাভ হলো এবার আমরা ৬টা শক্তির বিরুদ্ধে সমান্তরালে লড়াই করেছি। আমি তাদের নাম বলছি না, আপনারা সকলেই তা জানেন। এই ছয় শক্তির সম্মিলিত শক্তি কতটুকু তা আমরা বুঝে গেছি।’
তিনি আরও বলেন, এই ছয় শক্তি নিয়ে তারা আমাদের সাথে পারত না, যদি অন্যকিছুর আশ্রয় না নিত। এই অন্য কিছুর আশ্রয়ের কথা এখন কেবল আমরা বলছি না, টিআইবি বলেছে, সুজনও এ কথা বলছে, আরও অনেকে বলতে শুরু করেছে। এই সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের আবার লড়তে হবে। এখন থেকেই আমাদের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ঢাকার বস্তিগুলোতে গিয়ে বড় বড় ওয়াদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব বস্তিতে টাকা, ওয়াদা সন্ত্রাস কোনো কিছুই কাজ করেনি, ফলাফলে তা দেখা গেছে। এসবের মাধ্যমে বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশে, আগামীর বাংলাদেশ ইসলামীর বাংলাদেশ হবে, মুক্তি পাগল মানুষের বাংলাদেশ হবে।
তিনি বলেন, আমরা থামব না ইনশাআল্লাহ, কেউ আমাদের থামাতে পারবেও না।
দলীয় নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে এ সময় জামায়াত আমির বলেন, আমাদের প্রথম লড়াই ছিল জাতীয় নির্বাচন। আর দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই লড়াইয়ে একটি জায়গাও যেন আমাদের খালি না থাকে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যারা জীবন বাজি রেখে আমাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলো, সমাজের সে সমস্ত জায়গাগুলো থেকে ভালো লোকদের বের করে তাদের হাতে ওই জায়গাগুলোকে (স্থানীয় সরকারের) তুলে দিতে চাই। আমাদের এই জায়গায় অনেক কনসিডারেট (বিবেচনাশীল) ও সেক্রিফাইসিং (আত্মত্যাগী) হতে হবে।
১১৭ দিন আগে
সরকার গঠনে আশাবাদী জামায়াত আমির
আগামীতে এমন সরকার গঠিত হবে যারা ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। আর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সেই সরকার গঠন করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর মণিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগামীতে এমন সরকার গঠিত হোক, যে সরকার কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের হবে না; বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় যুগ দেশবাসী কোনো ভোট দিতে পারেনি, আমিও পারিনি। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাইনি। তিনটি ভোট হারানোর পর আল্লাহ আজ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।
‘আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি নই, বিশেষ করে যুবসমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারেনি, তারা আজকের এই ভোটের জন্য বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত হোক। এটি যেন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সেই দোয়া করি।’
ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—সবাই যার যার ঘর থেকে বেরিয়ে আসুন; নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হোন।’
এ সময় গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। দেশ গড়ার কাজে আমরা মিডিয়াকে পাশে চাই। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমরা আগামী দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করব।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মিডিয়ার মধ্যেও একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশিত হচ্ছে। কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, সে আমি হলেও আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু যা অপরাধ নয়, সেটাকে জোর করে অপরাধ বানানো আরও বড় অপরাধ।’
নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখে তিনি বলেন, ভোট যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়—এটাই সবার প্রত্যাশা। একই সঙ্গে ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে এই রাজনীতিক বলেন, ‘আমি কেবল কেন্দ্রে এসে ভোট দিলাম। এখন বাকি কেন্দ্রগুলো দেখব, সারা দেশের খবর নেব। ছোটোখাটো কোনো বিষয় হলে আমরা অবশ্যই ইগনোর করব, কিন্তু বড় কোনো বিষয় হলে ছাড় দেব না। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।’
ভোটের ফলাফল নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ফলাফল আসবে, সেটি সবাই মেনে নেবে। ভোট যদি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়, আমরা সেই ফল মেনে নেব; অন্যদেরও তা মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’
এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ নির্বাচনের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১৩৩ দিন আগে
নারীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যে জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে ঢাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে করা ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এই মিছিল শুরু হয়। ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
গতকাল (শনিবার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করা হয়। নারীদের নিয়ে ওই পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে নারীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় তারা ‘শফিক তুই জানিস নাকি, দেশের শক্তি অর্ধেক নারী’, ‘এমন হ্যাকার করলো হ্যাক, বেশ্যা ডেকে আইডি ব্যাক’, ‘শফিক তুই ক্ষমা চা, নারী নয় পতিতা’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
১৪৩ দিন আগে
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে দলটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এসময় হুমা খানের সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক জুনিয়র উপদেষ্টা ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম খান।
সাক্ষাতের শুরুতেই হুমা খান জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ও তার পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেন। পরবর্তীতে আন্তরিক পরিবেশে উভয়পক্ষ পারস্পরিক মতবিনিময় করেন।
চলতি বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার আয়োজিত ‘জুলাই স্মরণ সভায়’ জামায়াত আমিরের দেওয়া বক্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মিস হুমা খান।
পড়ুন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত মিলার
আলোচনায় তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান মানবাধিকার পরিস্থিতি, গুম-খুনের বিচারসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন। হুমা খান জামায়াতের প্রস্তাবিত সংস্কার কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াত আমির তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
উল্লেখ্য, এসময় ডা. শফিকুর রহমান জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলকে নিজের দলের উদ্যোগে ‘জুলাই শহীদদের’ স্মরণে প্রকাশিত ইংরেজি সংস্করণের ১২ খণ্ডের বই উপহার দেন।
দলটির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান প্রমুখ।
২৮৯ দিন আগে
জামায়াত আমির ডা. শফিকুরের হার্টে ব্লক, দেশেই করবেন বাইপাস সার্জারি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে ব্লক ধরা পড়েছে। চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির নির্দেশনা দিয়েছেন। বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে জামায়াত আমিরের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘জামায়াত আমিরের হার্টে মেজর তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আগামীকাল চিকিৎসকরা তার চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
এছাড়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ধানমন্ডি থানা জামায়াতের আমির হাফেজ রাশেদুল ইসলাম তার ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমিরের অসুস্থতার কথা জানান।
ডা. শফিকুর রহমানের পরিবার ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দেশের বাইরের হাসপাতালে বাইপাস সার্জারি করার পরমর্শ দিলে তিনি তাতে সম্মত হননি।
দেশেই তিনি সার্জারির সিন্ধান্ত নিয়েছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন রাশেদুল ইসলাম।
এর আগে গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময় ডা. শফিকুর রহমান দুবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত তিনি বসেই সমাবেশের বক্তব্য শেষ করেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তখন থেকে তার শারিরীক ধারাবাহিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলছিল।
পড়ুন: আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
৩২৯ দিন আগে
হাসপাতালে জামায়াত আমিরকে দেখতে গেলেন ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধিদল
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাত দফা দাবিতে দলের জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দল।
শনিবার(১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে তাকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
এসময় ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তারা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
ফখরুল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং তার পক্ষ থেকে তাকে দেখতে যেতে বলেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো রাজনৈতিক নেতা অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব। এজন্যই আমরা এখানে জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’
তিনি ডা. শফিকুরের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, ‘বর্তমান সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াত আমিরের দ্রুত সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সাক্ষাৎকালে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জামায়াতের একজন নেতা বিএনপির প্রতিনিধিদলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পড়ুন: দিন যত যাচ্ছে, পরিস্থিতি তত জটিল হচ্ছে: ফখরুল
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সন্ধ্যায় ডা. শফিকুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দলের প্রেস উইং জানিয়েছে, ডা. শফিকুর রহমানের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল, তার রক্তচাপ এবং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে জামায়াত।
৩৪০ দিন আগে