স্বাধীনতা পুরস্কার
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিচলিত না হয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিচলিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাহুল্যতা বর্জন এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে অমিতব্যয়িতা পরিহার করার অনুরোধ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও আমরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্তটি নিইনি। এ খাতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার চেষ্টা করছে আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে।
তিনি বলেন, জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কারণ বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জনগণের বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে আমরা যেন সবাই রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে, এমনকি পারিবারিক পর্যায়ে অমিতব্যায়িতা পরিহার করি, তার জন্য আমি দেশের সব মানুষকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে কারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসনকাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
দেশে বর্তমানে এক বিশাল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে। কর্মক্ষম এই জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাই এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়ও বিপর্যয় নেমে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরেনি দুঃখজনকভাবে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে দেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক এবং কর্মমুখী করতেই হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করার কাজটিও আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতি খাতকে চিহ্নিত করে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।
৩ দিন আগে
খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পদক প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে সাতজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্তদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি জাইমা রহমান।
স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাকি ১৪ ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
৩ দিন আগে
খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং ৫ প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া অন্যরা হলেন— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভূমিকার জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা বা জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
পদকপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা বা জনসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
৪৫ দিন আগে
স্বাধীনতা পুরস্কার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও অসাধারণ ভূমিকা রাখায় সাত ব্যক্তিকে চলতি বছরের স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এসব ব্যক্তি ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এবারের তালিকায় সাতজনের মধ্যে ছয়জনকেই মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণা ক্যাটাগরিতে বদরুদ্দীন উমর জীবদ্দশায় এ পুরস্কার পেলেও তিনি তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যে কারণে তার পদকের রেপ্লিক জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন, প্রজ্ঞাপন জারি
‘প্রতিবাদী তারুণ্য’ নামে নতুন একটি ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর এ পুরস্কার পেয়েছেন ছাত্রলীগ কর্মীদের নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। তার পদক গ্রহণ করেন মা রোকেয়া খাতুন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম। প্রয়াত এ অধ্যাপকের পদক গ্রহণ করেন তার মেয়ে সাদাফ সাদ সিদ্দিকী।
৩৯০ দিন আগে
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন, প্রজ্ঞাপন জারি
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
এছাড়া সাংস্কৃতিতে ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ, মুক্তিযুদ্ধ ও সাংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের সিন্ধান্ত রহিত
শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্য ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, আঠারো ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
গত বছর (২০২৪) ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।
৪০৪ দিন আগে
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ জনেরও কম: আসিফ নজরুল
দল ও গোষ্ঠীগত চিন্তার ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্যদের এবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
রবিবার (২ মার্চ) জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান উপদেষ্টা। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
আগে অনেক বিতর্কিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘র্যাবের মতো প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটা আমাদের জাতীয় জীবনের সর্বোচ্চ পুরস্কার।’
তিনি বলেন, ‘এ পুরস্কারের (স্বাধীনতা পুরস্কার) মহিমা উপলব্ধি করে দল ও গোষ্ঠীগত চিন্তার ঊর্ধ্বে থেকে স্যারের (ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ) নেতৃত্বে আমরা এমন সব নাম সুপারিশ করেছি, আপনারা একুশে পদক দেখে খুশি হয়েছিলেন—এ পুরস্কার দেখে আরও খুশি হবেন। মনে হবে পুরস্কার দিতে পেরে আমরা নিজেরা ধন্য হচ্ছি।’
আরও পড়ুন: আল্লাহ কি হাসিনাকে নূন্যতম অপরাধবোধ দেননি: প্রশ্ন আসিফ নজরুলের
১০ জনের কম ব্যক্তিকে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আসিফ নজরুল।
এ সময়ে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার জন্য আমাদের সুপারিশ উপদেষ্টা পরিষদে যাবে। এরপর নাম প্রকাশ হবে।’
তিনি বলেন, ‘এবার আমরা একুশে পদক যেভাবে দিয়েছি। আমরা একবারই সম্ভবত এ পুরস্কারগুলো দিতে পারব। কিন্তু দেখেই যেন মনে হয়—এ পুরস্কারগুলো অনন্যধর্মী, অন্য বছর এ ধরনের পুরস্কার দেওয়া হয় না। পরেও দেওয়া হবে কিনা আমি জানি না।’
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার জীবনব্যাপী অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হবে। এত বছরেও তারা কিন্তু কোনো পুরস্কার পাননি। কাজেই আপনাদের অনুমান করে নিতে হবে—কি ধরনের মনোনয়ন দিয়েছি। এ তালিকা উপদেষ্টা পরিষদে গৃহীতে না-হওয়া পর্যন্ত নামগুলো প্রকাশ করা যাবে না।’
আরও পড়ুন: অক্টোবরের মধ্যে জুলাই হত্যাকাণ্ডের ৩-৪টি মামলার রায় পাওয়া যাবে: আসিফ নজরুল
গত বছর ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন।
৪১৩ দিন আগে
ব্যতিক্রমী কিছু মানুষ ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার: শিক্ষা উপদেষ্টা
চলতি বছর ব্যতিক্রমী কিছু মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তবে এ বছর কারা ও কতজন এই পুরস্কার পাচ্ছেন তা জানাননি উপদেষ্টা।
রবিবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান।
উপদেষ্টা বলেন, কমিটি কিছু নাম সুপারিশ করেছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নামের তালিকা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: রমজান উপলক্ষে জীবনের সর্বস্তরে সংযমের বার্তা প্রধান উপদেষ্টার
দেশের জন্য অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এবছর ব্যতিক্রমী কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
এ সময়ে উপস্থিত আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, এর আগে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়ার ক্ষেত্রে দলগত ও গোষ্ঠীগত সিদ্ধান্ত নেয়া হতো। র্যাবের মতো বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানকেও দেশের সর্বোচ্চ এই পুরস্কার দেয়া হয়েছিলো বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এই বছর দশজনের কম ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারের দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
৪১৩ দিন আগে
শিল্পী শাহাবুদ্দিনের বিশেষ শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের নির্বাচিত চিত্রকর্ম নিয়ে সাজানো ‘এ রেট্রোস্পেকটিভ ১৯৭৩-২০২৩’- শীর্ষক বিশেষ শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন তিনি।
জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে মাসব্যাপী একক এ শিল্প প্রদর্শনীতে শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা প্রায় ১৪০টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ফিতা কেটে রেট্রোস্পেকটিভের উদ্বোধন করেন এবং চারুকলা প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মাসব্যাপী প্রদর্শনীর সফলতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: বিএসএমএমইউয়ে শিশু নেফ্রোলজি বিভাগে আইসিইউ উদ্বোধন
তিনি বলেন, ‘শাহাবুদ্দিন একজন মুক্তিযোদ্ধা। এখনো তার শিল্পকর্মে মুক্তিযুদ্ধের চিন্তা ও চেতনা প্রতিফলিত হয়, যা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করে।’
সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘শাহাবুদ্দিন, এ রেট্রোস্পেকটিভ ১৯৭৩-২০২৩’- শিরোনামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপু, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক খলিল আহমেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।
আরও পড়ুন: সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিমানবন্দর-ফার্মগেট অংশ উদ্বোধন ২ সেপ্টেম্বর
৯৪৭ দিন আগে
‘প্রতিটি পুরস্কারই আমাকে নতুন কিছু নিয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে’
আইসিডিডিআর,বি-এর জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ডক্টর ফিরদৌসি কাদরী গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার (স্বাধীনতা পদক)-২০২৩ পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘দুটি বিশেষ কারণে আজ আমার জন্য খুব আনন্দের দিন। আর প্রথমটি হলো বাংলাদেশ সরকার আমাকে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এবং দ্বিতীয়টি হলো- আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছি। যাকে ২০১৯ সালে দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স জিএভিআই ভ্যাকসিন হিরো হিসেবে ভূষিত করেছিল।
ডা. কাদরী বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও সংস্থার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের সকলের সহযোগিতা ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করা সম্ভব হতো না।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পুরস্কারই আমাকে নতুন কিছু নিয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। তবে আজ যে সম্মানটি পেয়েছি তা অবশ্যই দেশ ও জনগণের জন্য আরও বেশি অবদান রাখার অনুপ্রেরণা।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ৯ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
ডক্টর কাদরীও এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি দেশে এবং বিদেশে তার সকল সহকর্মী, তার চার দশকের কর্মজীবনের শুভানুধ্যায়ী, আসিডিডিআর,বি এবং এর নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমীদ আহমেদকে ধন্যবাদ জানানোর সুযোগটি গ্রহণ করেন।
এই উপলক্ষে, আসিডিডিআর,বি -এর নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ ডা. কাদরীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘এটি বাংলাদেশে এবং এর বাইরে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের অগ্রগতির জন্য তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। ডক্টর কাদরীর কৃতিত্ব গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এবং আমরা তাকে আসিডিডিআর,বি -এ আমাদের দলের একজন অংশ হিসেবে পেয়ে গর্বিত।’
ডা. কাদরী বর্তমানে আসিডিডিআর,বি -এর সংক্রামক রোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করছেন। কলেরা, টাইফয়েড এবং অন্যান্য রোগের ভ্যাকসিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তার কাজ তার অসংখ্য পুরস্কার এবং স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত বিজ্ঞানীদের একজন করে তুলেছে। ২০২১ সালে, ডক্টর কাদরীকে র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত করা হয়, প্রায়ই এটিকে ‘এশিয়ার নোবেল পুরস্কার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তিনি ২০২০ লোরেল-ইউনেস্কো ফর উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ডের বিজয়ীও। ডক্টর কাদরী ২০১২ সালে ফাউন্ডেশন ক্রিস্টোফ এট রোডলফ মেরিক্সের বার্ষিক বৈজ্ঞানিক 'গ্র্যান্ড প্রাইজ'-এ ভূষিত হন।
২০০৫ সালে আইসিডিডিআর,বি মর্যাদাপূর্ণ স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিল। আইসিডিডিআর,বি ডক্টর ফিরদৌসি কাদরী এবং এই বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের সকল প্রাপকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানায়।
১৯৭৭ সালের ২৬ মার্চ পালিত স্বাধীনতা দিবসের আগে বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করে আসছে।
১১২৩ দিন আগে
বিজয়ীদের হাতে স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় উক্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) শামসুল আলম, প্রয়াত লেফটেন্যান্ট এজি মোহাম্মদ খুরশিদ (মরণোত্তর), শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া (মরনোত্তর)ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ‘স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ’ বিভাগে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) এবং আইসিডিডিআরবি'র ভারপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ পরিচালক ড. ফেরদৌসী কাদরীকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ বিভাগের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ তুলে দেয়া হলো প্রধানমন্ত্রীর হাতে
সাহিত্যে অবদানের জন্য মরহুম মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন) এই পুরস্কার লাভ করেন।
সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পবিত্র মোহন দে ও এএসএম রকিবুল হাসানকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুরস্কৃত করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগকে।
বাংলাদেশ প্রতি বছর ২৬ মার্চ উদযাপিত স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করে। ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
১১২৩ দিন আগে