মাহবুবা ফারজানা
জনগণকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্য সচিব
আগামী নির্বাচনে জনগণকে হ্যাঁ-না ভোটের বিষয়টি বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি বলেছেন, জনগণ এই নতুন প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত না হওয়ায় সহজ ভাষায় বিষয়টি ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্য সচিব বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছতার সঙ্গে করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য অর্জনে জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক তথ্য কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতেও তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
গত ১৫ বছরের নির্বাচনি অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণকে ভোট ও নির্বাচনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে, বিশেষ করে তরুণ, নারী ও অনগ্রসর এলাকার ভোটারদের।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়টি জনগণকে সহজভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। কারণ তারা এই পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত নন।’
গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধেও তথ্য কর্মকর্তাদের বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন মাহবুবা ফারজানা। এ ছাড়া তিনি কর্মকর্তাদের নির্বাচনি আইন ও নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে প্রচার-প্রচারণার কাজ করবে। পাশাপাশি ৩০টি জেলায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামূল কবীর।
৩০ দিন আগে
দেশের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: তথ্য সচিব
সরকারি নিয়মনীতি মেনে নবীন কর্মকর্তাদের দেশের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা। এ সময় কর্মক্ষেত্রের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কর্মক্ষেত্র সবসময় অনুকূলে নাও থাকতে পারে। নিজ নিজ কর্মদক্ষতার মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ৪৩তম বিসিএস তথ্য ক্যাডারদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন কর্মকর্তাদের জনগণের কল্যাণে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, ‘জনগণের মনের কাছে পৌঁছাতে হলে সরকারি কর্মকর্তাদের ইতিবাচক গুণাবলি অর্জন করতে হবে।’
আরও পড়ুন: গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে সহযোগিতা করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
এ সময় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান মাহবুবা ফারজানা।
পাঁচ দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতার প্রশংসা করে সচিব বলেন, ‘নবীন কর্মকর্তাদের হাত ধরেই তথ্য সার্ভিস সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতাও করা হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফারাহ শাম্মী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্সটিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ।
আরও পড়ুন: তথ্য কমিশনার পদ থেকে মাসুদা ভাট্টিকে অপসারণ
অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন তন্বী তাবাসসুম ও মো. সাইফুল ইসলাম। নবীন এই দুই কর্মকর্তা দেশের সেবায় সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।
পাঁচ দিনব্যাপী এই ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের মূল্যায়নে সহকারী বেতার প্রকৌশলী সাজিদ বিন আলমগীর প্রথম স্থান অর্জন করেন। গত ১৫ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস থেকে তথ্য সাধারণ ক্যাডারে ২১ জন ও তথ্য প্রকৌশল ক্যাডারে ১৪ জন কর্মকর্তা যোগ দেন।
৩৫৩ দিন আগে