এনসিপি
গাজীপুরে এনসিপিকর্মীকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই
গাজীপুরে এনসিপির কর্মী হাবিব চৌধুরীকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
গাজীপুর মহানগর এনসিপি নেতা ইব্রাহিম মুসা জানান, মোটরসাইকেল কেনার বাহানা ধরে হাবিবকে হত্যার উদ্দেশ্যে নগরের মোগর খাল এলাকায় এসে দুই যুবক কথা বলতে থাকেন তার সঙ্গে। একপর্যায়ে তাদের একজন মোটরসাইকেলে চড়ে বসেন এবং অপরজন মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখার ভান ধরে হাবিবকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছোড়েন।
তিনি আরও জানান, হাবিবের কানের কাছ দিয়ে গুলি চলে গেলে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। আত্মরক্ষার্থে কিছুটা দূরে সরে গেলে আরও এক রাউন্ড গুলি করা হয় তাকে।
ইব্রাহিম মুসা জানান, হাবিব কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগবিরোধী মিছিল করায় তিনি নানা ধরনের হুমকির মুখে ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় গুলি ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণার কথা জানান তিনি।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, মোটরসাইকেলটি বিক্রি করার জন্য বিক্রয় ডটকমে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন হাবিব। সেটি কেনার জন্য এসে দুই যুবক যখন মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাচ্ছিল, তখন হাবিব চৌধুরী বাধা দিলে তার দিকে গুলি ছোড়েন তারা। ঘটনাস্থল থেকে গুলির একটি খোসা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
১ দিন আগে
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটে যোগ দিল এনসিপি
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ৮ দলের ডাকা এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলার আবদুস সালাম হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে এতদিন ধরে আটটি দল একসঙ্গে কাজ করে আসছিল। আজ আরও দুটি দল আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে, কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রমের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও এনসিপি।’
তিনি বলেন, একটু আগে আমাদের সঙ্গে এনসিপির বৈঠক সমাপ্ত হয়েছে। তারা বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি। এনসিপির নাহিদ ইসলাম আমাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন এবং তাদের সিদ্ধান্ত আমাদের অবহিত করেছেন। তারা আলাদা একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত ও আমাদের ঐক্যের ভিত্তি আপনাদের জানিয়ে দেবেন।
তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের একটি মজবুত নির্বাচনী সমঝোতা। সারা বাংলাদেশের ৩০০ আসনে আমরা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আসন বণ্টন নির্ধারণ করেছি। যেহেতু দুটি দল একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তাই কিছু বিষয় এখনো চূড়ান্ত করা বাকি রয়েছে।
তিনি জানান, আরও কয়েকটি দল এই জোটে যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে এই মুহূর্তে তাদের সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
জামায়াত আমীর বলেন, আমাদের আসন সমঝোতা প্রায় সম্পন্ন। যেসব বিষয় সামান্য বাকি রয়েছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের পর আলোচনার মাধ্যমে সেগুলোও সুন্দরভাবে সমাধান করা হবে বলে আমরা আশা করছি।
উল্লেখ্য, জামায়াতসহ আটটি দল বিভিন্ন দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় ছিল। জামায়াতে ইসলামী ছাড়া জোটের অন্যান্য দলগুলো হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
১২ দিন আগে
এবার এনসিপি ছাড়লেন তাজনূভা জাবীন
এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন। পদত্যাগের পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। ঢাকা-১৭ আসন থেকে এনসিপির হয়ে নির্বাচন করার কথা ছিল তার।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এই ঘোষণা দেন তিনি।
দীর্ঘ পোস্টের একাংশে পদত্যাগের বিষয়ে তিনি লিখেছেন, আমি আজকে পদত্যাগ করেছি এনসিপি থেকে। অত্যন্ত ভাঙা মন নিয়ে জানাচ্ছি আমি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছি না।
তিনি লিখেছেন, এই দল ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার সামনে আর কোনো সম্মানজনক অপশন নাই। দলের খারাপ সময়ে দল ছেড়ে দিয়ে অরাজনৈতিক, অপরিপক্কতার পরিচয় ইত্যাদি বয়ান দেবে অনেকে। জাস্ট বুলশিট। শুধু এটুকু বলি, আমি বহিরাগত ওখানে, আমাকে প্রতারিত করলে মেইক সেন্স; কিন্তু এক শীর্ষ নেতা আরেক শীর্ষ নেতার সঙ্গে যে মাইনাসের রাজনীতি করে ওখানে, সেটা ভয়ঙ্কর। এরা নিজেদের মধ্যে রাজনীতি করতে এত ব্যস্ত যে এরা কখনো দেশের জন্য নতুন একটা মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করতে পারবে না।
তাজনূভা জাবীন বলেন, পুরোনো ফাঁকা বুলির রাজনীতি করতে হলে পুরোনো দলই করতাম, নতুন কেন? এবার আবারও আসি জামায়াতের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে, এনসিপি স্বতন্ত্র স্বকীয়তা নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলে যে কারো সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে অসুবিধা ছিল না। সেটা ৫ বছর পরে হতো, ঠিক প্রথম নির্বাচনেই কেন? কিন্তু আর সব অপশনকে ধীরে ধীরে রাজনীতি করে বাদ দেওয়া হয়েছে যাতে জামায়াতের সঙ্গে জোট ছাড়া কোনো উপায় না থাকে। সুনিপুণভাবে এখানে এনে অনেককে জিম্মি করা হয়েছে। যাই হোক, এটা কোনো রাজনৈতিক কৌশল না, এটাই পরিকল্পনা।
তিনি বলেন, নিজেরও ভালো লাগছে না এভাবে ছেড়ে যেতে, কিন্ত যারা এই দেশ, এই সংসদই চায় নাই, তাদের সমঝোতায় একদম শুরুতেই এমপি হতে চাওয়া, বা যারা এদের কল্যাণে এমপি হওয়ার জন্য হাভাইত্তার মতো করছে, তাদের নেতৃত্ব মানা আমার পক্ষে ঠিক গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর অসম্ভব। এই জিনিস হজম করে মরতেও পারব না আমি। আমার নেতা হবে মাজাওয়ালা, জুলাই রাজনীতির ধারক। কিন্তু পুরো জুলাইকে নিয়ে রাজনৈতিক কৌশলের নাম করে তুলে দিচ্ছে জামায়াতের হাতে।…যেখানে এনসিপিকে বলাই হয় জামায়াতের আরেকটা দোকান, তাহলে কেন এনসিপি আগে নিজের স্বকীয়তা, নিজের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতকে বেছে নিতে মরিয়া হয়ে যাচ্ছে? তিনজন মন্ত্রী ছিল না ক্ষমতায়? পারে নাই তো।
তিনি আরও বলেন, যাই হোক, আমি আজকে পদত্যাগ করেছি এনসিপি থেকে। অত্যন্ত ভাঙা মন নিয়ে জানাচ্ছি, আমি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছি না। সবচেয়ে কষ্ট লাগছে আজকেই আম্মু চট্টগ্রাম থেকে আসছে আমার নির্বাচন করা উপলক্ষ্যে, আর আজকেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। আমি জানি অনেকে ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন আমার এই সিদ্ধান্তে। কিন্তু এটাই আমার জন্য সঠিক।
পাঠানো ডোনেশন ফেরত দেবেন জানিয়ে তাজনুভা বলেন, আমি আপনাদের পাঠানো ডোনেশন ফেরত দেব এক এক করে। আমাকে একটু সময় দেবেন। সেটার জন্য বিস্তারিত লিখে আপডেট দেব কিভাবে ধীরে ধীরে ফেরত দেব। প্রত্যেকটা পয়সা ফেরত দেব। আপনাদের সমর্থন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
শেষে তিনি বলেছেন, আমি আগে কখনো রাজনীতি করি নাই। জুলাই এ আমার রাজপথে নামা, পরিবর্তনের লক্ষ্যে নতুন কিছুর জন্য। আমি মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেই চেষ্টা করতে থাকব। আমার আওয়াজ, দেশের গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য কাজ আরো জোরালোভাবে জারি থাকবে। মধ্যপন্থার বাংলাদেশপন্থী নয়া বন্দোবস্তের রাজনীতির জায়গাটা খালিই পড়ে থাকল। আমি ওই জায়গা পূরণ করার চেষ্টায় থাকব। সময় বলে দেবে বাকিটা।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাও পদত্যাগ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান,আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে লড়বেন। তার আগে গত বৃহস্পতিবার দলটি থেকে পদত্যাগ করেন এনসিপিতে জামায়াতবিরোধী অংশের নেতা হিসেবে পরিচিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক।
১২ দিন আগে
খুলনায় এনসিপি নেতাকে গুলির পর সীমান্তে বিজিবির তৎপরতা জোরদার
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিভাগীয় এনসিপি নেতা গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার জেরে যশোরের সীমান্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি এবং টহল তৎপরতা জোরদার করেছে বিজিবি।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সামনে দিয়ে যাওয়ার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক উইংয় জাতীয় শ্রমিক শক্তির খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক ও এনসিপির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো. মোতালেব সিকদার (৪২) গুলিবিদ্ধ হন।
প্রকাশ্যে ওই নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)। এই ঘটনায় জড়িতরা যেন সীমান্ত পার হয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে ব্যাপক নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। একইসঙ্গে সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও যে সকল সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই সেসব জায়গা সিলগালা করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে
খুলনায় এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের বিভাগীয় প্রধানকে গুলি
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মোতালেব শিকদার (৪২) নামের ওই ব্যক্তির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
মোতালেব শিকদার জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও খুলনা বিভাগীয় প্রধান। খুলনা মহানগরীর শেখ পাড়া এলাকার মুসলিম শিকদারের ছেলে তিনি।
আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুমেক হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে তার মাথার সিটি স্ক্যান করার জন্য সেখান থেকে শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে থানার কোন এলাকায় তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। গুলিবিদ্ধ মোতালেবের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১৮ দিন আগে
হাজারীবাগের হোস্টেলে এনসিপি নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকার একটি হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওই নেত্রীর নাম জান্নাতারা রুমী (৩০)। তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমণ্ডি শাখার সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে জিগাতলার পুরাতন কাঁচাবাজার সড়কে অবস্থিত জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
জান্নাতারা রুমী নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুরের মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, পাঁচতলা ওই হোস্টেলের একটি কক্ষে রুমী একাই থাকতেন। ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই।
ওসি জানান, তিনি ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২২ দিন আগে
গণঅভ্যুত্থান নস্যাতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অবহিত করে রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান নস্যাৎ করার সকল প্রচেষ্টা রুখে দিতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির নেতারা।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা পূর্বপরিকল্পিত ও গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এর পেছনে বিরাট শক্তি কাজ করছে।
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনটি না হতে দেওয়া। এই আক্রমণটি খুবই সিম্বলিক (প্রতীকী)। এর মাধ্যমে তারা (ষড়যন্ত্রকারীরা) তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে চায়, নির্বাচনের সব আয়োজন ভেস্তে দিতে চায়। এগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষ্যে, ‘এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে মনে হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে। তারা প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে মাঠে নেমেছে।’
বৈঠকে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে ওসমান হাদির ওপর ন্যক্কারজনক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বদলীয় প্রতিবাদ সভার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্যে যাতে ফাটল না ধরে সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিএনপি, জামায়াত ইসলামী ও এনসিপি নেতারা। এ ব্যাপারে দলগুলো সুদৃঢ় অবস্থান নেবে বলে জানান তারা। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে কঠোরভাবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দেন তারা।
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পরস্পরকে দোষারোপ থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুলতে হবে। কোনো ধরনের অপশক্তিকে আমরা বরদাস্ত করব না।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে যতই রাজনৈতিক বক্তব্যের বিরোধিতা থাকুক না কেন, জাতির স্বার্থে এবং জুলাইয়ের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতেই হবে। সেই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার পরামর্শ দেন তিনি।
২৭ দিন আগে
গোপালগঞ্জে সহিংসতা: তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। কমিশনের মেয়াদ ও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময়সীমা ৩৪ দিন বাড়িয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট ১৯৫৬–এর সেকশন ৩–এর দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ড. মো. আবু তারিককে সভাপতি করে গত ২৪ জুলাই ছয় সদস্যের এই তদন্ত কমিশন গঠন করে।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে সহিংসতা: আরেক মামলায় আসামি সাড়ে ৫ হাজার
প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে সুস্পষ্ট মতামত ও সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল। গত ১৩ আগস্ট সেই মেয়াদ শেষ হয়। এরপর কমিশন ও প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১৪ দিন বাড়ানো হয়। সেই সময়ও শেষ হয় গত ২৭ আগস্ট।
তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর নতুন আদেশ গত ২৮ আগস্ট থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুল ইসলাম, ২১ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহীদুর রহমান ওসমানী, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক সরদার নূরুল আমিন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী।
কমিশনকে উদ্ভুত ঘটনার অন্তর্নিহিত কারণ উদঘাটন, রাজনৈতিক জনসভায় আক্রমণের জন্য দায়ী ব্যক্তি/সংগঠনকে চিহ্নিতকরণ, উল্লিখিত ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি/সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ প্রদান, উক্ত ঘটনাকালীন জেলা কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা ও নাগরিক নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার বিষয়সহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য ঘটনা বিশ্লেষণপূর্বক মতামত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তদন্ত কমিশনকে সাচিবিক সহায়তাসহ সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।
১২৬ দিন আগে
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এনসিপির শুভেচ্ছা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। এ সময় এনসিপি নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব প্রমুখ।
বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ফুল গ্রহণ করেন।
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে এনসিপি নেতা শামান্তা শারমিন বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের একটি নাম হচ্ছে বিএনপি। তাদেরকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বাগত জানাতে এসেছি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন আলাপ করছিলাম সেই আলাপের মধ্যে উঠে এসেছে গত ১৭ বছরে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপরে যে হামলা-নির্যাতন-মামলা নেমে এসেছিল শেখ হাসিনার আমলে।
তার পরবর্তীতে আমরা যখন দেখেছি যে এই মামলাগুলো তুলে নেওয়া এবং তাদেরকে জেল-জরিমানা পোহাতে হচ্ছে, তারা পারিবারিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের সকল রাজনৈতিক দলের উদ্বেগ রয়েছে।আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপি প্রতিষ্ঠার ৪৭তম বার্ষিকী পালন করছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
এইদিন সকালে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় পতাকা উত্তোলন, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
ভোর ৬টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে বিএনপির সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করেন।
এ ছাড়া দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল ইনস্টিটিউশনে (আইইবি) এক আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি গঠন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে দলটি একাধিক মেয়াদে দেশ শাসন করেছে।
১৩০ দিন আগে
সংস্কার না হলে আমাদের পরিণতিও ভিপি নূরের মতো হবে: হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, নুরুল হক নুরের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, সেটি একটি ম্যাসেজ (বার্তা)। যদি আমরা এই নিয়ম পরিবর্তন করতে না পারি, তাহলে আমাদের জন্যও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ছতরপুর স্কুল মাঠে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে আয়োজিত ‘উঠানে নতুন সংবিধান’ শীর্ষক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণপরিষদ নির্বাচন, নতুন সংবিধান, বিচার ও সংস্কারের দাবিতে এনসিপির বিজয়নগর উপজেলা কমিটি এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে।
বৈঠকে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘নুরুল হক নুরের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, সেটি একটি ম্যাসেজ (বার্তা)। তারেক জিয়াকে আমরা দেখেছি মুচলেকা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে। উনাকে নৃশংসভাবে মেরে মাজা (কোমর) ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। খালেদা জিয়ার যে পরিণতি হয়েছিল আমাদের জন্যও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে, যদি আমরা এই নিয়ম পরিবর্তন করতে না পারি।’
‘নিয়ম পরিবর্তনের জন্য যেটার নাম আমরা দিয়েছি সংস্কার। এটার জন্য সবাইকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর বিএনপি, জামায়াতসহ যারাই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ন্যূনতম কথা বলেছে, তাদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে সেফ হাউজ নামে কারাগারে রেখেছে। এই ধরনের নির্মম কর্মকাণ্ডের পরিবর্তন দেশের মানুষ এখনো দেখে নাই। এ অবস্থায় কোন বিশ্বাস ও ভরসায় দানবীয় ব্যবস্থার কাছে সবকিছু ছেড়ে দেওয়া হবে?’
জামায়াতে ইসলামকে সবচেয়ে ভুক্তভোগী উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‘১৯৭১-পূর্ববর্তী সময়ের জন্য জামায়াতে ইসলামের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে যে জুলুম হয়েছে তারও জবাবদিহি করতে হবে। তাই তাদের বলতে চাই, ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারো আগের অস্ত্র দিয়ে তাদের দমন-নিপীড়নের শিকার হতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘২৪-পরবর্তী সময়ে আমরা আর কোনো সহিংসতার দিকে ফিরে যেতে চাই না। কারণ সহিংসতা হচ্ছে গণতন্ত্রের শত্রু। তাই আওয়ামী তরিকার রাজনীতি বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের এখন বলা হয় নির্বাচনবিরোধী। বিএনপি নির্বাচনের জন্য কথা বলছে। আমরা নির্বাচনসহ আরও দুটি বিষয়ের জন্য কথা বলছি। আমরা বলছি, আমাদের নির্বাচনও লাগবে, আবার বিচার ও সংস্কারও লাগবে।’
প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এই যে পুলিশ আমাদের বিনা বিচারে, বিনা মামলায় ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাবে না— এটার ফয়সালা কি হয়েছে? নেওয়ার পরে যে আমাদের পরিবারকে অবগত করবে— এটার ফয়সালা কি হয়েছে? হয়নি তো!’
‘আমরা দেখি একজন মাইক দিয়ে বলে, যদি ধানের শীষ না থাকে প্রয়োজনে আমরা নিজেরাই ব্যালট পেপার ছাপাব। আমি বলছি না যে এটা একটা রাজনৈতিক দলের অবস্থান। আমি বলছি অনেক রাজনৈতিক দলের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টা হচ্ছে এমন। এটা সবাই যে ধারণ করে, তা আমরা বিশ্বাস করতে চাই না।’
এ ছাড়া এনসিপি যেন সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হয়ে সরকার গঠন করতে পারে, সেজন্য সকলের কাছে দোয়া চান তিনি।
উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ ও ডা. মাহমুদা মিতা, দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ এবং বিজয়নগর উপজেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
১৩১ দিন আগে