সাভার
নির্বাচন উপলক্ষে মহাসড়কে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে। দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গগামী দূরপাল্লার বাসে চড়ে ভোট দিতে গন্তব্যে যাওয়া মানুষের ভিড় চোখে পড়ার মতো। যাত্রীরা জানান, সাধারণত ঈদের সময় ব্যতীত এমন ভিড় মহাসড়কে দেখা যায় না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাকিজা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব সুলতান মিয়া তার দুই মেয়েকে নিয়ে দিনাজপুরের উদ্দেশে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন।
আলাপকালে তিনি জানান, তার মেয়েরা সাভারে পোশাক কারখানায় কর্মরত। ভোট দিতে তারা ঘোড়াঘাট উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। এ উপলক্ষে গতকাল (সোমবার) গ্রাম থেকে তিনি মেয়েদের নিতে এসেছিলেন। দুই ঘণ্টা ধরে তারা বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন, কিন্তু ব্যাগ-ব্যাগেজ একটু বেশি হওয়ায় কোনো বাস তাদের নিতে চাচ্ছে না। এই বৃদ্ধের অভিযোগ, বাস কর্তৃপক্ষ জনপ্রতি দুই শত টাকা বাড়তি ভাড়া চাচ্ছে।
একই স্থানে কথা হয় আরেক যুবক তানজিল ও তার স্ত্রী কুলসুম আকতারের সঙ্গে। তারা দুজনেই সাভার বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন একটি ডায়িং কারখানায় কর্মরত। তানজিল জানান, তারা রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বাসিন্দা। ভোট দিতে তারা গ্রামে যাচ্ছেন, কিন্তু বাস সংকটের কারণে এক ঘণ্টার বেশি তারা বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।
রংপুরগামী একটি বাসচালক আয়নাল হক জানান, দূরপাল্লার বাস মালিক ও চালকরা নির্বাচন উপলক্ষে এত ভিড় হবে তা আগে থেকে বুঝতে পারেননি।
সাভার বাসস্ট্যান্ডের হানিফ কাউন্টারের মালিক রমিজ উদ্দিন জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনই যাত্রীদের বেশ চাপ ছিল। সাভার বাসস্ট্যান্ড, রেডিও কলোনি, হেমায়েতপুর, বাইপাইল, ডিইপিজেড, শ্রীপুর, জিরানিসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় থেমে থেমে চলছে যানবাহন।
স্থানীয়রা জানান, সাভারে প্রায় ১৫টি বাসস্ট্যান্ডে মঙ্গলবার সকাল থেকে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) রুহুল আমিন সোহেল জানান, সড়কে সোমবার থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত যানবাহনের অত্যন্ত চাপ ছিল, যা সাধারণত রোজার ঈদ বা কুরবানির ঈদে দেখা যায়। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা মহাসড়কে যানবাহন সুন্দরভাবে চলাচলের জন্য কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
সাভারে সরঞ্জামসহ ৩ জুয়াড়ি আটক
সাভারের হেমায়েতপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অবৈধভাবে জুয়া পরিচালনা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— অলিয়ার, সাজু মিয়া ও খলিল মিয়া।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ সময় আটকদের কাছ থেকে ভুয়া পুরস্কারের বিভিন্ন সামগ্রী, জুয়ার টিকিট, জুয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত কাগজপত্র, নগদ অর্থ, একাধিক মোবাইল ফোন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনে ব্যবহৃত ধারালো ও লোহার তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় তাদের সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী জানান, আটকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
২৪ দিন আগে
‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে ইট পোড়ানো থামাবে কে?
বায়ুদূষণ চরম মাত্রায় পৌঁছানোয় রাজধানী ঢাকায় প্রবেশের প্রধান পথগুলোর অন্যতম সাভার উপজেলাকে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছিল সরকার। ওই ঘোষণার ফলে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেই আদেশ গ্রাহ্য করার কোনো লক্ষণ নেই উপজেলার ইটভাটাগুলোর।
সরকারি আদেশকে কেবল ‘কাগুজে ঘোষণা’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে ইটভাটার মালিকরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। অনেকে আবার সরকারি অভিযান ঠেকাতে আদালতের অনুমতি নিয়েছেন বলে ভাটার সামনে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন। গেল বছরের শেষ দিকে বেশ কয়েকটি ইট ভাটার চিমনি ভেঙে দেওয়া হলেও আবার তা গড়ে নিয়ে চলছে ইট তৈরির কর্মযজ্ঞ।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সাভার উপজেলায় মোট ৮৬টি ইটভাটা ছিল। এর মধ্যে বৈধ ইটভাটা ছিল ৫৯টি আর অবৈধ ইটভাটা ২৭টি। শুষ্ক মৌসুমে এসব ইটভাটার দূষিত বায়ু ঢাকা শহরে ঢুকে শহরের বায়ুদূষণের তীব্রতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। দূষিত বায়ু ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যের ওপর অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ কারণে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর ক্ষমতাবলে ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট সরকার সমগ্র সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে। পরিপত্র অনুযায়ী, ঘোষিত এলাকায় সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম বন্ধ থাকার কথা।
তবে সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারের নির্দেশনা মানার কোনো বালাই নেই ইটভাটাগুলোর। সাভারের আশুলিয়া বাজারের অদূরে তুরাগতীরে আশুলিয়া ব্রিকস ও এমসিবি ব্রিকসে ইট পোড়াতে দেখা যায়। ভাটাদুটিতে এবারের মৌসুমের শুরু থেকে ইট পোড়ানো হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
৩০ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সূর্যাস্তের আগে তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে না পারায় শহিদদের বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্মৃতিসৌধ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা সূর্যাস্তের আগেই শেষ হওয়ায় বিকাল ৫টা ৬ মিনিটে তারেক রহমানের পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
৫০ দিন আগে
চার স্তরের নিরাপত্তায় শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। পাকিস্তানের শাসন-শোষণ থেকে বাঙালির মুক্তির ৫৪তম বার্ষিকী। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাতির শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হতে প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
ইতোমধ্যে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রঙ-তুলির আঁচড়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় গ্রহণ করা হয়েছে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। এরই মধ্যে ১১ ডিসেম্বর থেকে সব দর্শনার্থীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চলছে।
নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, জেলা পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থার বড় বড় কর্তাব্যক্তিরা একাধিকবার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রাজধানী ঢাকা থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কে ১৩টি সেক্টরের মাধ্যমে ৪ হাজার পুলিশের ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর থেকে সাদা পোশাকে এবং ইউনিফর্মে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, যা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে।
এ বিষয়ে ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জনগণ যতক্ষণ থাকবে, ততক্ষণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক কোরের ডিন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নাম না জানা লাখো শহীদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হবে। পরে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
ঢাকা জেলা পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাভারের আমিনবাজার থেকে শুরু করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি পোশাকে এবং সাদা পোশাকে চার হাজারের বেশি ফোর্স মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা জনগণের জানমাল রক্ষাসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।
এদিকে, তথ্য অধিদপ্তরের এক বার্তায় বলা হয়েছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো যাবে না। ওইদিন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের আকর্ষণীয় ফুলের বাগানের কোনোরকম ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
৬১ দিন আগে
সাভারে পার্কিং করা বাসে আগুন
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার এলাকায় পার্কিং করে রাখা একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডের আরিচামুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই বাসটি থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখা যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সাভার ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ পরিদর্শক মেহেরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সাভার ফায়ার সার্ভিস ১০টার দিকে আগুনের খবর পায়। পরে ১০টা ৬ মিনিটের দিকে এক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কে বা কারা বাসে আগুন দিয়েছে, তা জানা যায়নি। এ ছাড়া কোনো হতাহতের খবর এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও নিদিষ্ট করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দিতে পারে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বাসটির মালিক আজহারুল ইসলাম এবং চালকের নাম জুলমন। আগুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৬২ দিন আগে
সাভার ও আশুলিয়ায় শিশুসহ দুজনের মরদেহ উদ্ধার
সাভার পৌর এলাকা ও আশুলিয়ার শ্রীপুর থেকে পৃথকভাবে এক অজ্ঞাত যুবক ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের একটি পরিত্যক্ত ভবনের দোতলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত যুবকের পরনে প্যান্ট ও গেঞ্জি ছিল। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
অন্যদিকে, আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় অপহরণের ১৩ দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু জোনাইদ হোসেনের হাড়গোড় উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে বিএনপি নেতা হত্যা: প্রধান আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
র্যাব-৪ এর সাভার নবীনগর ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর নাজমুল ইসলাম জানান, গত ১৬ আগস্ট আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে শিশু জোনাইদকে অপহরণ করে তার প্রতিবেশী মোরছালিন। পরে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ একটি জঙ্গলে ফেলে দেয়।
অপহরণের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে, তদন্তে নামে র্যাব-৪। পরে গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় শ্রীপুরের ফারুকনগর এলাকা থেকে অপহরণকারী মোরছালিনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর আসামির দেওয়া তথ্যে রাতেই শ্রীপুরের একটি জঙ্গল থেকে শিশু জোনাইদের হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।
১৬৮ দিন আগে
সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ছিনতাইকারীর হাতে ট্রাকচালক নিহত
সাভারের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে শামীম নামে শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানির একটি ট্রাকের চালক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৫ আগস্ট) ভোরে মহাসড়কের বিশমাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আজ (সোমবার) ভোরের দিকে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বিশমাইল এলাকায় শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানির গাড়ির চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুটে নেয়। পরে এক রিকশাচালক তাকে উদ্ধার করে সাভার থানা রোডের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
আরও পড়ুন: খুলনায় পিকআপের চাপায় ইজিবাইক-চালকসহ নিহত ৩, আহত ৫
ঘটনাস্থল আশুলিয়া থানা এলাকায় হওয়ায় ওই থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তারা।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, ‘হত্যাকারীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।’
উল্লেখ্য সম্প্রতি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, রাতের বেলায় মহাসড়কে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা।
১৭৩ দিন আগে
সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা: কঠোর বিধিনিষেধ
বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২–এর বিধি ৫ অনুযায়ী সরকার ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে রোববার (১৭ আগস্ট) এ ঘোষণা জারি করা হয়।
ঘোষণার ফলে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভারে টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া অন্য কোনো ইটভাটায় ইট পোড়ানো বা ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম চলবে না। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো, নতুন করে স্থাপিতব্য বায়ুদূষণ সৃষ্টিকারী শিল্প কারখানাকে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান এবং কর্মপরিকল্পনায় উল্লিখিত অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘মাঝারি’
পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাভারের পরিবেষ্টক বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় মানদণ্ডের প্রায় তিন গুণ ছাড়িয়েছে।
এর ফলে জনগণের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পাঁচ মাস ধরে উত্তর–পশ্চিম ও উত্তর–পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু সাভারের দূষণকে ঢাকায় নিয়ে আসে, যা রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
সরকার আশা করছে, এ ঘোষণার মাধ্যমে সাভার ও ঢাকা উভয় অঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিবর্তন আসবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে।
১৮০ দিন আগে
সাভারে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা
সাভার পৌর এলাকার রাজাশনের মন্ডল পাড়ায় হাসেম মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র আইসিইউতে ভর্তি করে।
এলাকাবাসী জানায়, ভোরে নিজ ঘরে হাশেম মিয়া নামের ওই ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় তাকে মৃত ভেবে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
প্রবাস ফেরত হাসেম মিয়াকে স্ত্রী কয়েক মাস পূর্বে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। এর পর থেকে তিনি ওই ঘরে একাই ঘুমাতেন।
সকালে ঘরের বাহিরে রক্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিয়া বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯২ দিন আগে