বিসিএস
২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন
২৭তম বিসিএস পরীক্ষায় বঞ্চিত আরও ৯৬ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশে এ প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আইনি লড়াইয়ে জিতে দুই দশক পর গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের ৬৭৩ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নিয়োগ প্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে এর মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না পেলে ওই তারিখেই তিনি যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল হয়ে যাবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে তাদের ব্যাচের নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম যে তারিখে নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, সেই তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষিকভাবে নিয়োগ আদেশ কার্যকর হবে। ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের যোগদানের তারিখ থেকে তাদের ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকবে। তবে এর ফলে তারা কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধাদি পাবেন না বলে জানানো হয়েছে।
২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি বিএনপি সরকারের আমলে ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। পরে ওই বছরের ৩০ জুন জরুরি অবস্থার সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ওই ফল বাতিল করে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত সরকার। এরপর মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন উত্তীর্ণরা। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই সরকারের ওই সিদ্ধান্ত বৈধ বলে রায় দেন হাইকোর্ট। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন রিটকারীরা।
১৪ দিন আগে
৪৪তম বিসিএসের গেজেট প্রকাশ, নিয়োগ পেলেন ১৪৯০ জন
৪৪তম বিসিএসে ১ হাজার ৪৯০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ৭ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হলো।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এটি প্রকাশ করা হয়।
এ বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে এ কর্মকর্তারা নিয়োগ পেয়েছেন।
নিয়োগ আদেশে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী কোনো নির্দেশ না পেলে ওই তারিখেই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
নিয়োগ পরবর্তী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ জুন ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছিল সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ১ হাজার ৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ হাজার ৬৯০ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল কমিশন। এদের মধ্য থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১৪৯০ জনকে নিয়োগ দিয়ে এই গেজেট প্রকাশ করা হলো।
১১০ দিন আগে
৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি
৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত তিন হাজার ২৬৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনের কপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopa.gov.bd-তে পাওয়া যাবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১২৪ দিন আগে
রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, পুলিশ রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মচারী। পুলিশ বাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসন রক্ষা অনেকটাই মাঠপর্যায়ের পুলিশের আচরণের ওপর নির্ভর করে। জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সময় শতভাগ নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং কোনো অনৈতিক সুবিধা বা আপ্যায়ন গ্রহণ করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ কোনো সাধারণ বাহিনী নয়; এটি রাষ্ট্র ও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে পুলিশের ভিত্তি হতে হবে জ্ঞান, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনবান্ধব সেবা।
দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে এবং জনগণের বিশ্বাস নষ্ট করে। কোনো পুলিশ সদস্য যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ বা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দায়িত্বচ্যুত হয়, তবে সে রাষ্ট্রের ভিত্তিকেই দুর্বল করে দেয়। অন্যায় আদেশ বা পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া যাবে না।
উপদেষ্টা বলেন, পেশাগত জীবনে নানা চাপ ও সমালোচনা আসতে পারে, তবে সততা ও দেশপ্রেম থাকলে কোনো কিছুই দায়িত্ব পালনে বাধা হতে পারে না। আপনারা শুধু আজকের পুলিশ নন, আপনারাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পুলিশ। জনগণের আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশাকে ধারণ করে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বমুক্ত একটি মানবিক, সাহসী ও গৌরবময় পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সমাপনী কুচকাওয়াজের উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গণি, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী প্রমুখ।
২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৯৬ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন। কুচকাওয়াজে ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৮৭ জন ছাড়াও ২৮তম বিসিএসের ১ জন, ৩৫তম বিসিএসের ৩ জন, ৩৬তম বিসিএসের ১ জন, ৩৭তম বিসিএসের ২ জন এবং ৪০তম বিসিএসের ২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
১২৯ দিন আগে
৪৫তম বিসিএসের সাক্ষাৎকার ৮ জুলাই শুরু
৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভাইভা শুরু হবে আগামী ৮ জুলাই থেকে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পিএসসি।
এবার চাকরি প্রত্যাশীরা তাদের আবেদনের পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন কিংবা আবেদনের ক্রমও বহাল রাখতে পারবেন সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করার আগে। তবে পছন্দক্রম পরিবর্তনের ফরমটি তাৎক্ষণিক চাকরিপ্রার্থীদের সরাসরি হাতে সরবরাহ করা হবে এবং তা পূরণ করে সাক্ষাৎকার বোর্ডে জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে চোরের ছুরিকাঘাতে এসএসসি ফল প্রত্যাশী শিক্ষার্থী নিহত
৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়কিভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে ২০৬ জন, সাধারণ ও কারিগরি /পেশাগত উভয় ক্যাডারে ১৮১ জন এবং শুধু কারিগরি/পেশাগত ক্যারের পদগুলোর ৬৫ জনসহ মোট ৪৫২ জন প্রার্থীর সাক্ষাৎকারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, যা কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
৩২৮ দিন আগে
দুই বিসিএসের লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা এবং ২৭ জুন ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ মার্চ) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ
গত বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ও ৪৭তম প্রিলিমিনারির সময়সূচি, হলভিত্তিক আসন-ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পরবর্তীতে পিএসসির ওয়েবসাইটসহ(http://www.bpsc.gov.bd/) টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট (http://www.bpsc.gov.bd/) ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪২৯ দিন আগে
৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়।
এতে বলা হয়, প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd] [www.bpsc.gov.bd] অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের [http://bpsc.teletalk.com.bd] পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।
আরও পড়ুন: ৪৩তম বিসিএস: সহকারী কমিশনার হলেন ২৬৭ কর্মকর্তা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারের পদগুলোর প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৯০০ জন রেজিস্ট্রেশন নম্বরধারী প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরকারি কর্ম কমিশনের প্রধান কার্যালয় আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১০, আনসার ক্যাডারে ১৪, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৩০, কর ক্যাডারে ১১, সমবায়ে ৮, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিকে ৭, তথ্যে ১০, ডাকে ২৩, বাণিজ্যে ৬, পরিবার পরিকল্পনায় ২৭, খাদ্যে ৩, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৫ এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৭৭৬ জন নেওয়া হবে।
৪৮৫ দিন আগে
বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কমল
সরকারি চাকরিতে নিয়োগে বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘বিসিএসে ভাইবার (মৌখিক পরীক্ষা) নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে। এটি আমাদের নতুন আইন, ২০২৪-এর আইন।’
জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, আগে মোট পরীক্ষা দিতে হতো ১১০০ নম্বরের। এখন থেকে তা হবে এক হাজার নম্বরের।’
আরও পড়ুন: ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
এর আগে, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পিএসসি মনে করছে, ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার কারণে অনেকে অনিয়মের ফাঁক-ফোকর খোঁজে। লিখিত পরীক্ষায় কম নম্বর পেয়েও অনেকে মৌখিকে বেশি পেয়ে যায়। এখানে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেই অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগটি বন্ধ করার দাবি রয়েছে। সেজন্য মৌখিক নম্বর কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে পিএসসি।
আরও পড়ুন: ২৮তম বিসিএস-প্রশাসন ফোরামের সভাপতি শবনম, সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ ভূঁইয়া
৫৩৯ দিন আগে
সর্বোচ্চ ৪ বার বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে
একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ চারবার বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর আগে সর্বোচ্চ তিনবার অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সংশোধন করে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানায় উপদেষ্টা পরিষদ।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতেই নতুন এই পদক্ষেপে এই সীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে বিসিএস নিয়োগ বিধিমালায় (২০১৪)।
বিজ্ঞপ্তিতে একজন প্রার্থী যাতে সর্বোচ্চ চারবার বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন সেজন্য বিসিএস নিয়োগ (বয়স, যোগ্যতা, সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এ একটি বিধান সংযোজন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রেস উপসচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর ও মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: ৪৩তম বিসিএসের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি
৫৭৩ দিন আগে
কোটা ছাড়াই বিসিএসে এগিয়ে যাচ্ছে নারীরা: জনপ্রশাসনমন্ত্রী
বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল সার্ভিসে নিয়োগে নারীরা পিছিয়ে নয়, বরং এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
মঙ্গলবার (২৮ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।
এ সংলাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।
সংলাপে বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ খালি: জনপ্রশাসনমন্ত্রী
‘বিসিএসে নারীরা পিছিয়ে যাচ্ছে’- বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংবাদের প্রসঙ্গে জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, 'সংবাদে এসেছে, তবে আপনারা যদি আমাদের পরিসংখ্যান দেখেন, বুঝতে পারবেন এ রকম কিছু হয়নি যে নারীরা পিছিয়ে যাচ্ছেন বরং নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন।'
তিনি আরও বলেন, '৩৫তম বিসিএসে নারী কর্মকর্তা রয়েছেন ২৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ১০০ জনের মধ্যে নারী ২৮ জনের মতো। ৩৬তম বিসিএসে আমরা দেখেছি নারী কর্মকর্তা ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ। ৩৭তম বিসিএসে দেখেছি ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ৩৮ তম বিসিএসে ২৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। ৪০তম বিসিএসে দেখেছি নারীদের হার ২৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। সর্বশেষ ৪১তম বিসিএসে ২৬ দশমিক ৭১ শতাংশ নারী প্রার্থী পদায়নের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।'
বিশেষ বিসিএসের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, '২৯তম বিশেষ বিসিএসে নারী ছিলেন ৪৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। চিকিৎসক নিয়োগে ৪২তম বিশেষ বিসিএসে নারী ছিলেন ৪৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।'
ফরহাদ হোসেন আরও বলেন,'দশ শতাংশ নারী কোটা বাতিলের পরেও নারীরা আগের মতোই নিয়োগ পাচ্ছেন। এখানে কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। ৪০তম বিসিএস থেকেই কিন্তু নারীদের কোনো কোটা নেই।'
কোটা না থাকলেও বিসিএসে নারীদের উত্তীর্ণ হওয়ার হার কমেনি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই তথ্যটা (নিয়োগ পাওয়ার হার কমেছে) আসলে সঠিক নয়। প্রত্যেকটি বিসিএস থেকে ২৬ থেকে ২৭ শতাংশ নারী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। সেটি কিন্তু তারা ধরে রেখেছেন সেখানে কোনো ব্যত্যয় নেই।'
আরও পড়ুন: গত ১০ বছরে শাস্তি পেয়েছেন ১৮১ জন সরকারি কর্মকর্তা: জনপ্রশাসনমন্ত্রী
প্রশাসনে মন্ত্রণালয়-বিভাগের ৫৮ জন সচিবের মধ্যে ১১ জন নারী সচিব- জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, 'নারীদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন ৭৫ জন, যুগ্মসচিব রয়েছেন ১৬৪ জন, উপসচিব রয়েছেন ৩৯৪ জন, সিনিয়র সহকারী সচিব রয়েছেন ৬৫৮ জন।'
তিনি আরও বলেন, '৬৪ জেলার মধ্যে নারী জেলা প্রশাসক রয়েছে ৭ জন, নারী ইউএনও ১৫১ জন, নারী বিভাগীয় কমিশনার রয়েছেন একজন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) রয়েছেন ৮৮ জন।'
জনপ্রশাসনমন্ত্রী বলেন, নারীরা কোনো ক্ষেত্রেই পিছিয়ে যাচ্ছে না বরং সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন। ক্যাডার সার্ভিস ছাড়াও সবমিলিয়ে সরকারি চাকরিতে ২৯ শতাংশ নারী রয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিএসআরএফ’র সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব, সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক
৭২৯ দিন আগে