টেলিভিশন
সরকারের কাজ করতে সময় প্রয়োজন; গণমাধ্যমের উচিত দায়িত্বের সঙ্গে ভুলগুলো তুলে ধরা: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্জিত সাফল্য তুলে ধরা এবং সরকারকে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারকে সবসময় নজরদারিতে রাখতে হবে। তারা ভুল করলে তা স্পষ্টভাবে ধরিয়ে দিতে হবে। তবে একইসঙ্গে সরকারকে কাজ করার সুযোগ ও সময় দিতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের কাজ শুধু সরকারের সীমাবদ্ধতা বা ব্যর্থতা প্রকাশ করা নয়, বরং তাদের অর্জিত সাফল্যগুলোও সমানভাবে উপস্থাপন করা।
টেলিভিশন টক শো-এর কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কিছু অনুষ্ঠান ‘সরকারের চার মাসের ব্যর্থতা’ কেন্দ্র করে সাজানো হচ্ছে, যা দেশবাসীকে ভুল বার্তা দিচ্ছে। অথচ সরকার যেসব ভালো কাজ সম্পন্ন করেছে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না।
গণমাধ্যমের একপেশে মনোভাব এড়িয়ে বস্তুনিষ্ঠতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। তিনি মালিক ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও আত্মনির্ভরশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার এবং মালিক ও সাংবাদিকদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে এবং কোনো শর্ত ছাড়া কাজ করতে পারে, তবে গণতন্ত্রও আরও শক্তিশালী হবে। তবে তার জন্য শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিজেদের শক্তিশালী হতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এটি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
একটি ছোট্ট পোস্ট বা একটি ছোট রিল নিমেষেই একজন মানুষের সারাজীবনের অর্জন ধ্বংস করে দিতে পারে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলো এর ক্ষতিকারক প্রভাবের কারণে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
তিনি আরও বলেন, দেশ একটি বড় ধরনের সংকট ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই রাতারাতি সব সমস্যার সমাধানের আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সবাই ধৈর্য ধরে একযোগে কাজ করলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির কপাল খারাপ, সব সময় একটি ধ্বংসস্তূপের ওপর বিএনপি ক্ষমতায় আসে।
বিএনপি সরকারের ওপর অর্পিত অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতের সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান গ্যাস বা বিদ্যুৎ সংকট বিএনপি সৃষ্টি করেনি। বিগত সরকার নতুন কোনো গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ না নিয়ে পুরো খাতকে আমদানিনির্ভর করে গড়ে তুলেছিল। পাশাপাশি কুইক রেন্টাল প্রকল্প ও ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলা আজ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে, যা পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করছে।
১৫ দিন আগে
টেলিভিশনে নির্বাচনি প্রচারে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ ইসির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব বেসরকারি চ্যানেলের নির্বাচনি প্রচারে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিকের সই করা ওই চিঠি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে দিয়ে নির্বাচনি পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, টকশো বা নির্বাচনি সংলাপ প্রচারের সময় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও চিঠিতে বলা হয়।
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ২৫ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে নির্বাচনি সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বক্তব্য দিতে পারবে না।
চিঠিতে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশনসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে নির্বাচনি সংলাপ বা অনুষ্ঠান প্রচারের ক্ষেত্রে সকল প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পান এবং কোনো দল বা প্রার্থীকে হেয়প্রতিপন্ন করা না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
২৪৮ দিন আগে
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সেরা কাজগুলো: চলচ্চিত্র, ধারাবাহিক ও নাটক
২১ শতকে যে নির্মাতার হাত ধরে বাংলাদেশের নাট্য ও চলচ্চিত্রাঙ্গনে ভিন্ন ধারার অবতারণা হয়েছে তিনি হলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ছকে বাধা লিখিত চিত্রনাট্যের বাইরে থেকে গল্পকে নাট্যরূপ দেওয়ার ধারা শুরু হয়েছে তার মাধ্যমে। চিরাচরিত প্রথাকে পাশ কাটিয়ে জীবনের অনেক সমসাময়িক প্রেক্ষাপটকে অনবদ্যভাবে উপস্থাপন করেছেন এই শক্তিমান নির্মাতা। আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনা থাকলেও এই নতুনত্বকে সাদরে গ্রহণ করেছে সর্বস্তরের দর্শক। শুধু তাই নয়, শুরু থেকেই তার কাজগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়ে এসেছে। চলুন, মেধাবী এই পরিচালকের সেরা কিছু সিনেমা এবং নাটকের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সেরা ১০টি কাজ
.
ব্যাচেলর / ২০০৪
কমেডি ও রোমান্টিক ঘরানার এই ছবিটি নির্মাণের মধ্য দিয়ে সিনেমা পরিচালনা শুরু করেন ফারুকী। মূল কাহিনী লিখেছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক। নানা আঙ্গিকে হাস্যরসের মধ্য দিয়ে এখানে প্রকাশ পেয়েছিলো তদানীন্তন তরুণ প্রজন্মের জীবনধারণের কথা। তরুণ সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল কয়েকজন বিভিন্ন বয়সের ব্যাচেলর বন্ধুকে। এদের নিত্যদিনের জীবনাচরণ, প্রেম, ও আবেগ নিয়ে এগোতে থাকে চলচ্চিত্রের গল্প।
এখানে অভিনয় করেছিলেন হুমায়ুন ফরীদি, ফেরদৌস আহমেদ, শাবনূর, ও আহমেদ রুবেলের মতো তারকারা। ‘ব্যাচেলর’-এর মাধ্যমে ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে অপি করিম, জয়া আহসান, আরমান পারভেজ মুরাদ, সুমাইয়া শিমু, মৌটুসি বিশ্বাস, হাসান মাসুদ, এবং মারজুক রাসেলের মতো তারকাদেরও।
আরো পড়ুন: ভূতের গল্পে পর্দায় আসছেন সত্যম, সন্দীপ্তা ও সুহত্র
চলচ্চিত্রটির অর্জনের মধ্যে রয়েছে নিউ জার্সি ইন্ডিপেন্ডেন্ট সাউথ এশিয়ান সিনে ফেস্ট, মুম্বাইয়ের থার্ড আই আইএফএফ, এবং ইতালির এশিয়াটিকা ফিল্মমিডিয়ালে অফিসিয়াল সিলেকশন।
মেড ইন বাংলাদেশ / ২০০৬
ফারুকী এই রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক ছবিটি বানিয়েছিলেন আনিসুল হকের ‘জিম্মি’ উপন্যাস অবলম্বনে। পুরো ছবিটি মূলত রাষ্ট্রের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বেকার তরুণের দীর্ঘ দিনের সুপ্ত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
খোরশেদ নামের এই বেকার যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জাহিদ হাসান। তারকা নির্ভর এই সিনেমায় আরও ছিলেন শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, তারিক আনাম খান, শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি, তানিয়া আহমেদ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, হাসান মাসুদ, মারজুক রাসেল, ফজলুর রহমান বাবু এবং রেদওয়ান রনি।
ছবিটি ২০০৮ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-এর জুরি বোর্ডে স্পেশাল মেনশন পেয়েছিল।
আরো পড়ুন: সুজিত সরকারের সঙ্গে অভিষেক বচ্চনের নতুন ছবি 'আই ওয়ান্ট টু টক'
ক্যারাম- ১ ও ২ / ২০০৬
দুই পর্বের এই টেলিফিল্মটির স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন ফারুকী এবং কচি খন্দকার।
আঙ্গুলে সমস্যা থাকা শফিকুলের ক্যারাম খেলা নিয়ে বেজায় বিড়ম্বনা। এ জন্য পাড়ায় প্রায় তাকে হাসির পাত্র হতে হয়। তাকে চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় যে, সে যদি তপনকে ক্যারাম খেলায় হারাতে পারে, তাহলে তাকে নিয়ে আর কেউ হাসি-ঠাট্টা করবে না।
এমনি মজার গল্প নিয়ে ফারুকী পরিচালনা করেছিলেন টেলিফিল্মটি, আর এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম লাইমলাইটে আসেন অভিনেতা মোশাররফ করিম।
এতে তার সহ অভিনয়শিল্পীরা ছিলেন নুসরাত ইমরোজ (তিশা), রিফাত চৌধুরী, কচি খন্দকার, বাপ্পি আশরাফ, ও ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল।
আরো পড়ুন: মার্চে মুক্তি পাচ্ছে সি শঙ্করন নায়ারকে নিয়ে নির্মিত অক্ষয় ও করণ জোহরের ছবি
৪২০ / ২০০৭-২০০৮
ছোট পর্দায় ফারুকীর মাস্টারপিস হচ্ছে এই পলিটিক্যাল কমেডি সিরিজটি। ধারাবাহিক নাটকটিতে ছোট্ট পরিসরে হাস্যরসের নেপথ্যে দেখানো হয়েছে বাংলদেশের রাজনীতিবিদদের উত্থান-পতন। নাটকের গল্পে দেখা যায় চুরি করে গ্রাম থেকে পালিয়ে শহরে আসা দুই ভাই ঘটনাক্রমে জড়িয়ে পড়ে রাজনীতিতে। নানা চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে ক্রমশ তারা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হয়। কিন্তু তাদের আভিজাত্য বেশি দিন স্থায়ী হয় না।
নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে ছিলেন মোশাররফ করিম ও লুৎফর রহমান জর্জ। এছাড়াও গোটা ধারাবাহিক জুড়ে ছিলেন তিশা, সোহেল খান, মারজুক রাসেল, রিফাত চৌধুরী, কচি খন্দকার, এবং সিদ্দিকুর রহমান।
সিক্সটি নাইন / ২০০৮-২০০৯
রচয়িতা আনিসুল হক এবং নির্মাতা ফারুকীর সমন্বয়ে নির্মিত জনপ্রিয় মেগাসিরিজগুলোর একটি এই ফ্যামিলি ড্রামা। এটি বাবা-মা এবং ছয় সন্তান বিশিষ্ট এক পরিবারের গল্প। নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ে থাকার পরেও, একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর জন্য তারা কখনোই একত্রিত হতে পারে না।
এখানে শ্রেষ্ঠাংশে ছিলেন তিশা, শহীদুজ্জামান সেলিম, হাসান মাসুদ, জয়া আহসান, শ্রাবন্তী দত্ত তিন্নি, ফজলুর রহমান বাবু, আহমেদ রুবেল, মারজুক রাসেল, এবং রিফাত চৌধুরী।
আরো পড়ুন: অস্কারে যাচ্ছে লাপাতা লেডিস
৬৪৬ দিন আগে
ভালোবাসা দিবসে টেলিভিশনের পর্দায় ওসমান দম্পতি
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এটিএন বাংলায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ভালোবাসার সারাবেলা’। এতে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শামীম ওসমান ও তার সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপি।
আয়োজনটি থেকে দর্শকরা যা জানতে পারবেন- এই দম্পতি তাদের ব্যক্তি জীবনে ভালোবাসার জন্য সংগ্রাম করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের ভালোবাসার জীবন। যারা রাজনীতি করেন তাদেরও একটা ভালোবাসার হৃদয় রয়েছে। সেখানে প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে থাকে হাজারো স্বপ্ন।
সেই স্বপ্ন পূরণে থাকে নানা গল্প। সেই ভালোবাসার নানা অজানা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে আরও থাকবে অতিথি যুগলের পরিবেশনায় কবিতা আবৃত্তি ও গান।
নীল হুরের জাহানের উপস্থাপনা ও সেলিম দৌলা খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে।
আরও পড়ুন: অপূর্ব’র ওয়েব সিরিজ ‘বুকের মধ্যে আগুন’ হইচই-এ আসছে ফেব্রুয়ারিতে
চরিত্রটি আমি আড়াই বছর বহন করেছি: ‘গুটি’-তে অভিনয় প্রসঙ্গে বাঁধন
১২৯১ দিন আগে
হ্যাকারদের থেকে সময় টিভির ইউটিউব চ্যানেলের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার
হ্যাক হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভি তার ইউটিউব চ্যানেলের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।
সময় টিভির সম্প্রচার ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রধান সালাউদ্দিন সেলিম ইউএনবিকে জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তাদের ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাকারদের আক্রমণের শিকার হয়।
তিনি বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার ১০ মিনিটের মধ্যে তারা তাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে হ্যাকারদের হাত থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।
সেলিম বলেন, ‘সময় টিভি’র ইউটিউব চ্যানেল বিপদমুক্ত তবে হ্যাকারদের দেওয়া নাম ইথেরিয়াম ২.০ (Ethereum 2.0) রয়ে গেছে। কারণ ইউটিউব সাপোর্ট টিম থেকে বিস্তারিত তদন্তের জন্য চ্যানেলের কোন প্রকার পরিবর্তন না করার নির্দেশ দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে সময় টিভি’র নিউজ পোর্টাল somoynews.tv- তেও হ্যাকাররা হামলা চালিয়েছিল কিন্তু সাথে সাথে তা হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হয়।
১৪০৬ দিন আগে
মানসিক বিকাশে শিশুর সঙ্গে মা-বাবার টেলিভিশন দেখা হতে পারে উপকারী
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, টেলিভিশন বা স্মার্টফোন দেখার সময় শিশুর সঙ্গে মা-বাবা থাকলে যতক্ষণ স্ক্রিন দেখা হচ্ছে তা শিশুর মানসিক বিকাশে উপকারী হতে পারে।
ফ্রান্সের পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্যারিস নান্টেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গত দুই দশকে প্রকাশিত ৪৭৮টি গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। তাদের প্রাপ্ত ফল থেকে জানা যায়, বিশেষ করে অল্পবয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে প্রথম দিকে খেলাধুলা, ভাষার উন্নয়ন ও নির্বাহী কার্যকারিতায় টেলিভিশন ক্ষতির কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: ইডি’র মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ড. এজটার সোমোগি বলেন, ‘আমরা শুনতে অভ্যস্ত যে স্ক্রিন একটি শিশুর জন্য খারাপ এবং এক ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখলে তা তাদের বিকাশে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। যদিও এটি ক্ষতিকর হতে পারে, তবে আমাদের গবেষণা শিশু কতক্ষণ টেলিভিশন দেখছে তার ওপর নয়, বরং কি দেখছে অর্থাৎ মানের ওপর গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেয়।’
তিনি আরও বলেন, দুর্বল কাহিনী বিন্যাস, দ্রুতগতির সম্পাদনা ও জটিল উদ্দীপনা শিশুর জন্য তথ্য নেয়ার বা বুঝতে পাড়ার বিষয়কে কঠিন করতে পারে। কিন্তু স্ক্রিনের বিষয়বস্তু শিশুর বয়সের জন্য উপযুক্ত হলে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে শিশুকে মিথস্ক্রিয়ায় উৎসাহিত করে সেভাবে উপস্থাপন করলে।’
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, টেলিভিশন বা স্মার্টফোন দেখার সময় মা-বাবা বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক কেউ থাকলে তা শিশুর জন্য আরও উপকারী হতে পারে। কারণ শিশুরা মিথস্ক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে এবং প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারে।
ড. সোমোগি জানান, ‘তাদের (শিশু) মনোভাব বা আচরণে ও মিডিয়ার ব্যবহারে পরিবার যথেষ্ট পার্থক্য তৈরি করে।’
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই উল্লেখ করেছে, শিশুর জ্ঞানীয় বিকাশে টেলিভিশন বা স্মার্টফোন দেখার প্রেক্ষাপটের পার্থক্য স্ক্রিন টাইমের শক্তি ও প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষামূলক কর্মসূচীর সময় তাদের জ্ঞান অর্জনকে শক্তিশালী করা, একটি বিষয় বুঝতে সাহায্য করা এবং শিশুর মনে জাগা প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য শিশুর সাথে মা-বাবার টেলিভিশন দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের নিজস্ব ‘আইডল’ প্রচারিত হবে ডিসেম্বরে
মেরিলিন মনরোর মোহময়তায় দর্শককে ভাসাবে নেটফ্লিক্সের ‘ব্লনডি’!
১৪২৫ দিন আগে
হাজার পর্বে দীপ্ত টিভির 'মান অভিমান'
দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক নির্মাণ করা যতটা কঠিন তার চেয়েও বেশি কঠিন দর্শকপ্রিয়তা ধরে রেখে দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া। আর এই কঠিন কাজটিই সহজ করেছে দীপ্ত টিভি। টেলিভিশনটির জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক 'মান অভিমান' -এর ১০০০তম পর্ব প্রচারিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৬ জুন সন্ধ্যা ৭টায়।প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নাটকটি দীপ্ত টিভিতে নিয়মিতভাবে প্রচারিত হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতিদিনই প্রচার হওয়া বাংলাদেশের কোনো নাটক এই প্রথমবারের মতো হাজার পর্বের মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছে।বিখ্যাত লেখক জেন অস্টেনের জনপ্রিয় উপন্যাস 'প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস'-এর অনুপ্রেরণায় মান অভিমান নাটকটির চিত্রনাট্য করেছেন নাসিমুল হাসান এবং সংলাপ লিখেছেন সরোয়ার সৈকত। নাটকটি পরিচালনা করছেন আশিস রায় এবং লাইন প্রোডিউসার জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তোফা হাসান, সমাপ্তি মাশুক, ইফফাত আরা তিথি, শিবলী নওমান, শাকিলা আক্তার, কাজী রাজু, মিলি বাশার ও ইমিলা হকসহ আরও অনেকে।'মান অভিমান' মূলত মধ্যবিত্ত পরিবারের পাঁচটি মেয়েকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। শুরু থেকে ধারাবাহিকটি দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা তৈরি করেছে। যার ফল আজকে হাজার পর্ব পর্যন্ত আসা।
আরও পড়ুন: বলিউডে ‘কিং খান’ শাহরুখের ৩০ বছর
এবার উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পাবে ‘গলুই’
১৫১৯ দিন আগে
ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যা মামলা: সাংবাদিক শাকিলের অন্তবর্তীকালীন জামিন
ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের নারী উপস্থাপিকার করা মামলায় সাংবাদিক শাকিল আহমেদের অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
গত বছরের ৬ ডিসেম্বর আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন শাকিল। আদালত এ বিষয় শুনানির জন্য ১৭ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
আরও পড়ুন: ধর্ষণ মামলা: সাংবাদিক শাকিলের আগাম জামিন
গত বছরের ৮ নভেম্বর আসামি শাকিল আহমেদ হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে তাকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেন।
এরপর তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। একই সঙ্গে জামিন শুনানির জন্য ১৭ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
আরও পড়ুন: এস কে সিনহার সঙ্গে দণ্ডিত লুৎফুলকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
গত ৪ নভেম্বর রাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এক নারী উপস্থাপিকা বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ওই নারী চিকিৎসকের সঙ্গে শাকিল আহমেদের প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে ওই নারীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন তিনি। সম্পর্কের এক পর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে শাকিল কৌশলে ওই নারীর গর্ভপাত ঘটান। এরপর শাকিল তাকে আর বিয়ে করতে রাজি হননি।
১৬৭৮ দিন আগে
বিটিভির মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশের উদ্যোগ
বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের উদ্যোগ ‘বনফুল থেকে লোক লোকালয়’ অনুষ্ঠানের ৩৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে খাগড়াছড়ি জেলার সাংস্কৃতিক সংগঠক ও শিল্পীদের পক্ষ থেকে এক আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তির কেক কাটা এবং শিল্পীদের পক্ষে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনে বক্তব্য দেন লোকলোকালয় অনুষ্ঠানের সংগঠক ও উপস্থাপক চৌধুরী আতাউর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে শিক্ষাবিদ ধর্মরাজ বড়ুয়া, বিশিষ্ট শিল্পী সংগঠক প্রকৌশলী জীবন রোয়াজা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দীলিপ চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু দাউদ ও খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক সাংবাদিক আজহার হীরা।
শিল্পীদের পক্ষে স্মৃতিচারণ করেন অংচাইরী মারমা, ক্রাঞোরী মারমা। শিল্পী,সংগঠকরা অনুষ্ঠানের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: শতকণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা
১৬৮৮ দিন আগে
মার্কিন কৌতুকাভিনেত্রী বেটি হোয়াইট আর নেই
মার্কিন অভিনেত্রী ও কৌতুকাভিনেত্রী বেটি ম্যারিয়ন হোয়াইট লুডেন ৯৯ বছর বয়সে মারা গেছেন। বেটি নারী কৌতুকাভিনেত্রী হিসেবে ৬০ বছরের বেশি সময় টেলিভিশনে কাজ করেছেন।
শুক্রবার বেটির দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সহকারি জেফ উইটজাস তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
বিভিন্ন চরিত্রে তার করা অভিনয় অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দর্শকদের বুদ করে রেখেছিল। আগামী ১৭ জানুয়ারি বেটির বয়স ১০০ বছর পূর্ণ হতো।
তিনি টেলিভিশন অভিনয়শিল্পীদের অগ্রদূতদের একজন এবং প্রথম নারী হিসেবে ক্যামেরার সামনে ও পিছনে কাজ করেছেন। তিনিই প্রথম নারী যিনি সিটকম (লাইফ উইথ এলিজাবেথ) প্রযোজনা করেছেন এবং এর জন্য তিনি ১৯৫৫ সালে সম্মানসূচক মেয়র অব হলিউড উপাধি অর্জন করেন।
৮০ বছরের অধিক সময়ের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন বিভাগে আটটি এমি পুরস্কার, তিনটি আমেরিকান কমেডি পুরস্কার, তিনটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার, একটি গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করেন। টেলিভিশনে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে ‘হলিউড ওয়াক অব ফেমে’ তার নামাঙ্কিত তারকা খচিত করা হয় এবং ২০০৯ সালে ডিজনি লিজেন্ডে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন: হাজংদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে ডকুফিল্ম
২০১১ সালে ব্যাপক দর্শক চাহিদার কারণে তিনি জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন কৌতুক অনুষ্ঠান ‘স্যাটারডে নাইট লাইভ’ উপস্থাপনা করেন।
তার জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে বেটির জন্মদিনটি একটি জাতীয় দিবসে পরিণত হয়েছিল। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে এনবিসি ‘বেটি হোয়াইটের ৯০তম জন্মদিনের পার্টি’ নামের একটি প্রাইম-টাইম শো প্রচার করেছিল।
হালের ‘বোনস’ এবং ‘ফায়ারসাইড চ্যাট উইথ এস্টার’-এর মতো সিরিজগুলোতে অভিনয়ের কথা ছিল এবং ২০১৯ সালে ‘টয় স্টোরি’ এ বিটি হোয়াইট কণ্ঠ দিয়েছিলেন।
হোয়াইটের আসন্ন ১০০তম জন্মদিনে পিপল ম্যাগাজিনের কভার স্টোরিতে হোয়াইটের দীর্ঘায়ুর গোপনীয়তার কথা ছাপা হওয়ার কথা ছিল।
তার মৃত্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন শোক প্রকাশ করেছেন।
আরও পড়ুন: ইউএনডিপির শুভেচ্ছা দূত হলেন জয়া আহসান
সোহেল রানার শারীরিক অবস্থার উন্নতি
১৬৯৪ দিন আগে