ডিবি
রংপুরে ৪ খুন: মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি, নির্যাতনের অভিযোগ
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ। তবে ডিবির বিরুদ্ধে তাদের নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) বিকেলের দিকে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, ‘হত্যার ব্যাপারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে চেয়েছে পুলিশ। আমরা যতটুকু মিডিয়ায় বলেছি, ততটুকুই পুলিশকে জানিয়েছি।’
রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিকালে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। যেহেতু পুলিশ তাদের এনেছিল ফলে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
তবে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সিদ্ধার্থের ভাই পার্থ দাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বের হচ্ছেন। তার স্বজনদের অভিযোগ, পার্থকে সুস্থ অবস্থায় ধরে নিয়ে গেল ডিবি আর এখন তিনি খুড়িয়ে খুড়িয়ে বের হয়ে এসেছেন।
নির্যাতনের ব্যাপারে ডিবির পক্ষ থেকে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।
গত শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়া পাড়ার তালাবদ্ধ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার হয়। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরের দিন রবিবার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন। এ ঘটনায় সীমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে দুইজন সাক্ষীও আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি দেন।
৬ দিন আগে
রংপুরে ৪ খুন: পুলিশের বয়ান ঘিরে নানা প্রশ্ন-আন্দোলন, মামলার তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তর
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বয়ান ঘিরে নানা প্রশ্ন ও অধিকতর তদন্তের দাবির মধ্যেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার পরিবর্তে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি)।
পুলিশ বলছে, অধিকতর স্বচ্ছ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার লক্ষ্যেই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলীর কাছে হস্তান্তর করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে বিকেলেই পুরোনো ও নতুন দুই তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে যান। সেখানে মিলন চ্যাটার্জি ঘটনাস্থলের বিভিন্ন বিষয় নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে জানান।
আগের বক্তব্যের সঙ্গে মিল তবে কিছু নতুন বিষয় যুক্তও হয়েছে
ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, গত রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসামিদের বক্তব্য পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে মিল রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা আদালত সূত্রে জানতে পেরেছি, আসামিরা হুবহু একই বক্তব্য দিয়েছে যা কমিশনার স্যার ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তথা দেশবাসীকে জানিয়েছেন। এমনকি তারা কিছু কিছু বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্যও যুক্ত করেছে, যা আগে আমাদের কাছে প্রকাশ করেনি।
সনাতন চক্রবর্তী বলেন, মামলাটি এখন ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্যই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের বয়ান ঘিরে প্রশ্ন, তদন্তভার বদল
এর আগে, গত রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এই বক্তব্যের পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের কারণ, পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত এবং ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। নিহত পরিবারের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, সচেতন নাগরিক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও অধিকতর তদন্তের দাবি ওঠে। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশও করেন তারা।
এমনকি গ্রেপ্তার দুই তরুণের পরিবারও প্রশ্ন তোলেন তারা দুজনে চারজনকে কীভাবে খুন করেন। এর পেছনে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করার দাবি তোলেন অভিযুক্তদের পরিবার। এর মধ্যেই মামলার তদন্তভার থানার কাছ থেকে ডিবিতে দেওয়া হলো।
পুলিশের ভাষ্য, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবেন।
যে রাতে নিভে যায় একটি পুরো পরিবার
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকলেও মাছুয়াপাড়া এলাকায় জমি কিনে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন তিনি। প্রায় দুই-তিন বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই বাড়ির দোতলায় বসবাস করছিলেন তিনি। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন।
গত শনিবার রাতে ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ।
পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর গত রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক জানিয়েছেন, ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে তারা গণপতির বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন। শব্দ শুনে গণপতি সেখানে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
তবে পুলিশের এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, এত দ্রুত তদন্তের একটি পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি তাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সেখানে অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। যে ভবন ব্যবহার করে গণপতির ছাদে উঠেছিল সেই ছাদে তাদের জন্য নিরাপদ ছিল ইয়াবা সেবনের, কিন্তু তারা ঝুঁকি নিয়ে কেন গণপতির ছাদে গেল? গণপতির ছাদেই যদি ইয়াবা সেবন করতে যায় তাহলে বিদ্যুৎ সংযোগ কখন, কেন বিচ্ছিন্ন করল?
ঘুমন্ত প্রিয়মকে হত্যার কারণ কী? সিদ্ধার্থের বাসা গণপতির ভবনের প্রাচীর লাগোয়া তাহলে হত্যার পর তারা নিরাপদে সেখানে যেতে পারতেন, কিন্তু কেন তারা দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করলেন? সিদ্ধার্থের বন্ধু গণপতির পাশের বাড়ি সীমান্তের বাড়িতে যদি তারা ইয়াবা সেবন করে থাকেন, তাহলে গণপতির ছাদে যেতে হলো কেন? প্রথমে ডাকাতির কথা বলা হলেও পরে মাদককে সামনে আনা হয়েছে। মাদকের কারণে নাকি পরিকল্পিত হত্যা, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
১১ দিন আগে
সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আটক ৮ যুবক
সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক দুই অভিযানে ৮ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার আলামত ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডিবি পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তীর-শিলং জুয়া খেলার সময় ৩ জনকে আটক করে।
আটকরা হলেন— সিদ্দিক মিয়া (৩০), দিরাব ওরফে সিরাজ (৫৫) ও মোস্তাফিজুর রহমান দিদার (২৪)।
এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক ৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে, ওইদিন রাত পৌনে ১১টার দিকে জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বাগবাড়ি পশ্চিম কাজলশাহ সোনারবাংলা আবাসিক এলাকায় রবিউল ইসলামের চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় আরও ৫ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটকরা হলেন— মো. আলী (৪২), মো. মাহফিজুর রহমান (৩৮), মাছুম আহমদ (৪৫), তোফায়েল আহমদ (২৯) ও রবিউল ইসলাম (৪১)।
তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের মোট পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।
১৯০ দিন আগে
সিলেটে শফি হত্যার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩
সিলেটে লন্ডন প্রবাসী বোরহান উদ্দিন শফিকে (৫৯) আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। একইসঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মামলার প্রধান আসামি জকিগঞ্জের বাসিন্দা সাব্বির আহমেদকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল (শনিবার) ২ নম্বর আসামি সৈয়দ মেহরাজ উজ সামাদ ওরফে শোভনকে (২০) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিনে অপর আসামি তাহিরুল হককে (২০) গ্রেপ্তার করা হয় তার শ্বশুরবাড়ি লালাগ্রাম থেকে। এ সময় তাহিরুলের কাছ থেকে নিহত শফির ব্যবহৃত সেই মোটরসাইকেলও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের মাসেরচক হাওর বিলপাড় থেকে বোরহান উদ্দীন শফির সম্পূর্ণ আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই বিষয়ে জকিগঞ্জ থানায় দুদিন পর মামলা করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলাটি পুলিশের জেলা গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সাব্বির ও শোভন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রথমিক তদন্তে জানা যায়, মূলত ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে শফিকে হত্যা করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আলামত জব্দ ও আসামি গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত শফি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা হলেও তিনি সিলেট নগরীর আম্বরখানা এলাকার ৩৪/৪১ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।
নিহত শফি লন্ডন প্রবাসী ছিলেন। তিনি গত ৩০ জানুয়ারি সিলেট থেকে কুলাউড়া যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় স্বজনরা সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি মাসেরচক হাওর বিলপাড় থেকে তার আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১৯৫ দিন আগে
সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ পুলিশের ১৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত
দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ ১৮ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
সোমবার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন ডিআইজি, ছয়জন অতিরিক্ত ডিআইজি, চারজন পুলিশ সুপার, চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং একজন সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা হলেন— ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও সাবেক ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সঞ্জিত কুমার রায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি রিফাত রহমান শামীম, একই কার্যালয়ের পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজিম, খুলনার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান আরাফাত, সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও স্পেশালাইজড ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, চট্টগ্রাম পার্বত্য জেলাসমূহের এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মূখার্জি এবং একই কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি (সংযুক্ত) আয়েশা সিদ্দিকা।
আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা: ৮ পুলিশ বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি
তালিকায় আরও রয়েছেন, কক্সবাজারে ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস, ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন, একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ দালাল, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক উপকমিশনার ও বর্তমানে ঢাকায় অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটে (এটিইউ) কর্মরত মো. আবু মারুফ হোসেন এবং ডিআইজি (কমান্ড্যান্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই ১৮ জন কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(গ) অনুযায়ী পলায়নের শাস্তিযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় বিধি ১২ উপবিধি (১) অনুযায়ী তাদের নামের পাশে উল্লিখিত তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
সাময়িক বরখাস্তকালীন তারা খোরপোষ ভাতা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
৩৮৩ দিন আগে
ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ঝিনাইদহ জেলা আ.লীগের সভাপতি
ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম অপুকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে শফিকুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপি অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ তিনটি মামলা রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঝিনাইদহে নেওয়া হচ্ছে।
তাকে আজ (সোমবার) সকালে আদালতে তোলা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
শফিকুল ইসলাম ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী মসিউর রহমানকে পরাজিত করেন। তবে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকীর কাছে পরাজিত হন।
আরও পড়ুন: সাভারে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে খুন, দায়ীদের গ্রেপ্তার দাবিতে সড়ক অবরোধ
এরপর ২০২৪ সালের ২৪ মার্চ ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শফিকুল ইসলামকে জেলা সভাপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মনজুর মোরশেদ জানান, শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়েছেন। ডিবি পুলিশ তাকে ঢাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে ঝিনাইদহে নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহে মামলা আছে।আজ (সোমবার) সকালে তাকে আদালতে তোলা হবে।
তিনি বলেন, ইতোমদধ্যে পুলিশের একটি দল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
৩৮৩ দিন আগে
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ও রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমদ নির্ঝর (২৮), মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক কামরুল আহসান নিশাদ (২৮), শাহবাগ থানার ২০ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল ওরফে কালু (২৫), ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল হোসেন ওরফে জীবন (৩০), মোহাম্মদপুর থানার ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওহিদ এম আর রহমান (৫০), আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শামীম শাহরিয়ার (৫৮), ডেমরা থানার পাইটি ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন (৬৪), ৩৩ নং বংশাল ইউনিট যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন মাছুম (৫৮), ঢাকা মহানগর উত্তর ২৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল হাসান রতন (৩৪) ও উত্তর বাড্ডা এলাকার ছাত্রলীগ কর্মী রবিন দেওয়ান (২৯)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টায় উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে রবিন দেওয়ানকে ও দুপুর ১টায় মিরপুর-১০ এলাকা থেকে সাব্বির আহমদ নির্ঝরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া দুপুর ১২টায় ফুলবাড়িয়ার আনন্দ বাজার থেকে ইব্রাহিম খলিল ওরফে কালুকে এবং সন্ধ্যা ৬টায় উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে কামরুল আহসান নিশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল
একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে শাকিল হোসেন ওরফে জীবনকে এবং রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ওহিদ এম আর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে বংশাল এলাকা থেকে মোহাম্মদ হোসেন মাছুমকে এবং রাত ১টায় মগবাজার এলাকা থেকে হাবিবুল হাসান রতনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, শনিবার রাত পৌনে ১২টায় মগবাজার এলাকা থেকে শামীম শাহরিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে ১১টা ৫০ মিনিটে যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ইলিয়াস কাঞ্চনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগে উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত বলে দাবি করেছে। তারা নানাভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
৫০৩ দিন আগে
মুক্তিপণ আদায়, ডিবির ৫ সদস্যকে বরখাস্ত করেছে আরএমপি
বগুড়ায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ মার্চ) বিকালে আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এ সিদ্ধান্ত নেন।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, ‘তারা কোনো অভিযানে যায়নি বা কাউকে জানিয়েও যায়নি। নিজেদের ইচ্ছায় গিয়েছে এবং সেখানে আটক হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিকালে আমি তাদের সাময়িক বরখাস্ত করেছি। এখন তদন্ত হবে, এরপর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- আরএমপির গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহিন মোহাম্মদ অনু ইসলাম, কনস্টেবল রিপন মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মাহবুব আলম ও বাশির আলী। এছাড়া, তাদের সঙ্গে থাকা মাইক্রোবাসচালক মেহেদী হাসানকেও আটক করা হয়েছে।
নগর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল বলেন, ওই পাঁচ পুলিশ সদস্য আরএমপির ডিবিতে কর্মরত। গতরাতে আমি রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে কিছু না জানিয়েই বগুড়া গেছে। কেন গিয়েছে, তা তারাই ভালো বলতে পারবে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় ২ কিশোর অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার ৬
জানা যায়, বগুড়ার কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের বীরগ্রাম এলাকা থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ও তাদের মাইক্রোবাসচালককে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও পুলিশের একটি ওয়াকিটকি জব্দ করা হয়।
বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জেদান আল মুসা জানান, অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য রবিবার ধুনট উপজেলায় গিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে দীঘরকান্দি গ্রামের রাব্বী ও জাহাঙ্গীর নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। এরপর শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর এলাকায় গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। দর-কষাকষির পর নগদ ২ লাখ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা আদায় করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে বগুড়া জেলা পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে শেরপুর ও শাজাহানপুর থানার সহযোগিতায় মাইক্রোবাসটি আটক করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় শাজাহানপুর থানার বীরগ্রাম এলাকায় গাড়িটি আটক করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তদের তথ্যদাতা হিসেবে কাজ করেছেন আরএমপির গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত আবদুল ওয়াহাব নামে এক পুলিশ সদস্য। তিনি ছুটি নিয়ে দুই দিন আগে বগুড়ার ধুনটে নিজ গ্রামে যান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই পাঁচজন সেখানে গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সাবেক স্বাস্থ্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি
৫২৯ দিন আগে
ডিবি হেফাজতে মেহের আফরোজ শাওন
অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)।
রাজধানীর ধানমণ্ডির নিজ বাসা থেকে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) তালেবুর রহমান ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মেহের আফরোজ শাওনকে তার নিজ বাসা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করার কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সম্প্রতি শাওনের রাজনৈতিক অবস্থান ও কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিল ডিবি।
৫৭৬ দিন আগে
খুলনায় ডিবি সদস্যদের উপর হামলা, আহত ৩
মাদক উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে তেরখাদা উপজেলার কোলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় জেলা ডিবির এএসআই মইনুদ্দীনকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। মারধর করা হয় কনস্টেবল তবিবুর ও শামীমকে।
খুলনা জেলা ডিবির ওসি নুরুল ইসলাম বাদল জানান, হামলায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এএসআই মইনুদ্দিনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
৬৬০ দিন আগে