ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা অপ্রতুল, অংশগ্রহণ মাত্র ৪.০৪ শতাংশ
দেশের নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি বহুদিনের হলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্র ভিন্ন বাস্তবতাই তুলে ধরছে। ব্যালটে নারী প্রার্থীর উপস্থিতি এবারও উদ্বেগজনকভাবে কম।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। তবে জামায়াতে ইসলামীসহ ৩০টির বেশি দল কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি, যা জাতীয় রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মোট ২ হাজার ৫৬৮ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ১০৯ জন নারী, যা মোটের মাত্র ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ১ হাজার ৮৪২ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ১ হাজার ৭৭৯ জন ও নারী প্রার্থী ৬৩ জন। সে হিসাবে নারী প্রার্থী মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
পরবর্তীতে, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করার পর ৪১৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গত ২০ জানুয়ারি ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১,৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ৮০, অর্থাৎ মোট প্রার্থীর ৪ দশমিক ০৪ শতাংশ।
এদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, দলবদ্ধ প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ মাত্র ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ ১০ শতাংশ।
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মান নির্ধারণ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা যথাক্রমে ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ ও ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
জুলাই সনদ ও পূর্ববর্তী নির্বাচন
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ধারা ২২(খ)-(ঘ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এবারের সংসদীয় নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে। পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু জুলাই সনদ যেহেতু এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, তাই কার্যত সেই নিয়মও এখন অচল।
অথচ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৫টিরই কোনো নারী প্রার্থী নেই।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর এক প্রতিবেদনে ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নবম, দশম, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণের হার উল্লেখ করা হয়েছে।
তাতে দেখা গেছে, পুরুষ প্রার্থীদের তুলনায় নবম (২০০৮) নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের হার ছিল তিন দশমিক ৫১ শতাংশ বা ৫৫ জন, দশম (২০১৪) নির্বাচনে পাঁচ দশমিক ৫৫ শতাংশ বা ৩০ জন এবং একাদশ (২০১৮) নির্বাচনে নারী প্রার্থীর হার ছিল মাত্র মাত্র দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৭৩ জন।
মানবপাচার, অস্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা কমছে
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২০ জন নারী, যা মোট নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ৬.৬৭ শতাংশ। এই হার ছিল পূর্বের চারটি সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
নবম জাতীয় সংসদে নারী সদস্য ছিলেন ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, দশম জাতীয় সংসদে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ ও একাদশ জাতীয় সংসদে মাত্র ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
দলভিত্তিক পর্যালোচনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে খুব কম দলই নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সর্বোচ্চ ১৫টি আসনের জন্য নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, কিন্তু যাচাই প্রক্রিয়ার পর বৈধ নারী প্রার্থী মাত্র ১১। নাটোর-৩ থেকে ফাতেমা খানামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং খালেদা জিয়ার তিনটি মনোনয়ন যাচাই হয়নি।
অন্যান্য দল থেকে মনোনীত নারী প্রার্থীরা হলেন: বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী: ৯, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসড) ও ইনসানিয়ত বিপ্লব বাংলাদেশ: ৬, গণসম্মতি আন্দোলন ও জাতীয় পার্টি: ৫, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: স্বপ্ন নাকি অধরা বাস্তব?
বাকি দলগুলোর মধ্যে এবি পার্টি, গন ফোরাম ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, কমিউনিস্ট পার্টি অফ বাংলাদেশ (সিপিবি), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, আমজনতার দল, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ শ্রমিক পার্টি ১ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কয়েকজন নারী প্রার্থী প্রার্থিতা হারিয়েছেন। ৩৭ জন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৬ জন বৈধ মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন: সাবিনা ইয়াসমিন (নাটোর-২), ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা-৯), মেহেরজান আরা তালুকদার (জামালপুর-৪), অখতার সুলতানা (ময়মনসিংহ-৬), তাহমিনা জামান (নেত্রকোনা-৪) ও রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)।
এ দিকে জামায়াতে ইসলামী (২৭৬ প্রার্থী), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (২৬৮), জাতীয় পার্টি (২২৪), গণঅধিকার পরিষদ (১০৪), খেলাফত মজলিশ (৯৪) এবং অন্যান্য ছোট দলগুলো, যেগুলোর প্রার্থী সংখ্যা ৪০-এর কম, কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি।
এর সম্ভাব্য প্রভাব কী
আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টি দল ১ জনও নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি, এমন তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির এক রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও বাংলাদেশের ইতিহাসে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনেও নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ ছিল। তবুও দেশের নারীরা এখনও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যথাযথ অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বলে উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ।
বিশ্ব সঙ্গীতশিক্ষাকে গুরুত্ব দিলেও উল্টো পথে হাঁটছে বাংলাদেশ
নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে কাজ করা ফোরাম ফর উইমেন্স পলিটিকাল রাইটস (এফডব্লিউপিআর) বলেছে, দলগুলোকে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হবে। তাদের মতে, নারীর মনোনয়ন প্রতীকী উদ্যোগ নয়, সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘নারী প্রার্থী মনোনয়নের সংকট: রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের ব্যবধান এবং নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের নেতারা নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণের অত্যন্ত কম হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ঋতু সাত্তার বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন, কিন্তু তারা সংসদে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
সামিনা ইয়াসমিন বলেন, নারীর ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি। তিনি বলেন, ‘৫১ শতাংশ ভোটারকে বাদ দিয়ে ৪৯ শতাংশের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় যাওয়া কি সম্ভব? এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন।’
সাম্য হত্যা নিয়ে ধোঁয়াশা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার না হলেও পুরস্কৃত পুলিশ
সামিনা আরও জানান, ফোরাম নারীদের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কাজ করছে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা পর্যবেক্ষণ করছে নারীরা কোন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন, কীভাবে তা মোকাবিলা করছেন এবং ভবিষ্যতে কার্যকর সমাধানের পথ কী হতে পারে।
তিনি আরও বলেছেন, নারীর অধিকার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার পরও এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা অত্যন্ত কম রয়েছে, যা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে।
এ দিকে, নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’।
কুকি-চিনের উত্থান বনাম বান্দরবানের পর্যটন: ক্ষতির পাহাড়
সমাজে নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি যেভাবে চলমান, সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণে শঙ্কা বোধ করছেন দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি সমাজে পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চিত্রের প্রতিফলন এবং একই সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতি টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল।
নির্বাচন ও রাজনীতিতে নারীর দৃশ্যমান অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বলছে, একটি গণতান্ত্রিক, সমতাপূর্ণ সমাজ কাঠামো তৈরি করতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর সমঅংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তফসিল অনুযায়ী গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় নির্বাচনী প্রচরণা, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।
১২ দিন আগে
নির্বাচন সফল করতে মাঠ প্রশাসনকে দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ নিতে আহ্বান সিইসির
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃঢ় ও সাহসী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে সমালোচনা ও অপবাদ চলছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চায় নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, ম্যানেজড ইলেকশন হয়েছে। এই অপবাদ থেকে আমরা মুক্তি চাই। আমরা প্রমাণ করতে চাই— সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব। আর সেটি হবে আইনের শাসন কঠোরভাবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইনের শাসন মানে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। আপনারা যখন আইনের প্রয়োগে সাহসী পদক্ষেপ নেবেন, তখন নির্বাচন কমিশনও আপনার পাশে থাকবে।
প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আমরা একটা যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। দেশের অবস্থা আপনারা জানেন। আমার বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। এ ক্রান্তিলগ্নে আমাদের ওপরে যে দায়িত্ব এসে পড়েছে, যদি সঠিকভাবে সে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জবাব দিতে পারব না।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে এই সভায়। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেছেন।
এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
ডিসি ও এসপিদের পাশাপাশি সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
৪৩ দিন আগে
বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা: ইসি মাছউদ
আগামীকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় অথবা পরদিন বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি মাছউদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় ভাষণের সবকিছু চূড়ান্ত। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করা হবে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণায় রাজনৈতিক দলসহ সবার সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আগামীকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত—কোনো দলের প্রতীক থাকবে না বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
৫৭ দিন আগে
পৃথিবীর কোনো শক্তি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না: সরকার
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং পৃথিবীর কোনো শক্তি এই নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৈঠকে ১০ জন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন— স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান,পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। এ ছাড়া বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে) খোদা বকশ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম আরও বলেন, গত কিছু দিনে কিছু ঘটনা ঘটেছে, সেটির আলোকেই এই বৈঠক। যেসব ঘটনা ঘটছে, স্থানীয় প্রশাসন যেন এ ধরনের ঘটনা আরও শক্তভাবে মোকাবিলা করে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জুলাইকে সামনে রেখে যে রাজনৈতিক ঐক্য হয়েছিল, সেটাকে ধরে রাখার বিষয়েও জোর দেওয়া হয় বৈঠকে। নির্বাচন সামনে রেখে যাতে কোনো নিরাপত্তাজনিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়। এসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।
পড়ুন: শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান: সালাহউদ্দিন
প্রেস সচিব বলেন, ‘যে ঘটনাগুলো ঘটছে তা বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। সরকার মনে করে দেশের স্বার্থে জনগণসহ সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ থাকা অপরিহার্য।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেছেন যে আসন্ন দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে নানা রকম ষড়যন্ত্রমূলক প্রচেষ্টা হতে পারে। তিনি বলেন, ‘গত বছরের দুর্গাপূজা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। তাই এবছরও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আগেভাগেই সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
প্রেস সচিব বলেন, পতিত ও পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি যখন দেখছে দেশ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং জুলাইয়ের হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িতদের বিচার যত দ্রুততর হচ্ছে, তত তারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এটি কেবল আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু। তারা দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করার জন্য সকল শক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
১৫০ দিন আগে
সুষ্ঠু নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বড় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নিরাপদ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে পুলিশে ১৫ হাজার ৮৫১ জন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিজিবিতে ৪ হাজার ৪৬৯ জন, আনসারে ৫ হাজার ৫৫১ জন, কারা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৫৫৮ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে ২০৮ জন নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগের মধ্যে কিছু নতুন পদ, কিছু আবার শূন্যপদের বিপরীতে। পুলিশের ক্ষেত্রে কনস্টেবল ও উপপরিদর্শক (এসআই) পদে, আর আনসার ও বিজিবিতে সমমানের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
১৫ আগস্ট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেওয়া নির্দেশনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা ছিলো— যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা।’
পড়ুন: মব জাস্টিস কমাতে কাজ করছি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সম্প্রতি বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৮ জন কর্মকর্তার সাময়িক বরখাস্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল থেকে ৬০ দিন বা তার বেশি সময় অনুপস্থিত থাকা ডেজারশন অপরাধ। সে অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং তা অব্যাহত থাকবে।
হয়রানিমূলক মামলা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সাধারণ জনগণ বা নির্দোষ কেউ যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন। তবে যে দোষী, সে কোনো অবস্থাতেই ছাড় পাবে না। নির্দোষ কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হলে আপনারা মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ সময় তিনি সত্য ঘটনা তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সভায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা অংশ নেন।
১৭০ দিন আগে
ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল: ইসি সানাউল্লাহ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধেই ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।সানাউল্লাহ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরমধ্যে আপনাদের (গণমাধ্যমকে) জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রায় দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ধরতেই পারেন, তফসিল ডিসেম্বরের প্রথম অংশেই আসবে।
সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন, ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া, প্রবাসীদের জন্য বিদেশে ভোটদান এবং ডাকযোগে ভোটগ্রহণ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এতে সভাপতিত্ব করেন।
সানাউল্লাহ জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নির্বাচনী তফসিল নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে এ বিষয়ে খুব শিগগিরই আলাপ করা হবে।তিনি বলেন, রমজান শুরুর আগেই অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
‘আপনারা সবাই বুঝতেই পারছেন, রমজানের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন সরকার গঠনের জন্য কিছুদিন রাখতে হবে। তাই ভোট গ্রহণ কিছুটা আগেই করতে হবে। ওই সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ থেকে ৬০ দিন পেছালেই তফসিল ঘোষণার সময়কাল পেয়ে যাবেন,’ বলেন সানাউল্লাহ।
পড়ুন: উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক: স্বল্প মেয়াদে ১৬ সুপারিশ বাস্তবায়ন, বাস্তবায়নাধীন ৮৫
সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে—যাতে তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন বলে জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, বৈঠকে ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।এর আগে, গত ১৯ জুন প্রাথমিকভাবে আচরণবিধির খসড়াটি অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন এবং ২৯ জুন জনমত নেওয়ার জন্য এটি অনলাইনে প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে প্রকাশের পর যার ওপর আমরা জনমত চেয়েছিলাম, সেই প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধির খসড়া আজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
তবে আরপিও সংশোধন নিয়ে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
১৮১ দিন আগে