জেলা প্রশাসক
ডিসি সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল
আগামীকাল রবিবার শুরু হচ্ছে চলতি বছরের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন শেষ হবে বুধবার (৬ মে)। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব এবার সম্মেলনে উঠছে।
শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠন করা বিএনপি সরকারের এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, এবারের ডিসি সম্মেলন উপলক্ষে আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি প্রস্তাব।
প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোতে জনসেবা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইনকানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ-সংক্রান্ত বলেও জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রথম দিন রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।’
এবারের সম্মেলনের বিশেষ দিক তুলে ধরে অতিরিক্ত সচিব বলেন, এবারের সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছরের সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ছিল। সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের সঙ্গে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন রয়েছে।
এবারের ডিসি সম্মেলনে সর্বমোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন রয়েছে রয়েছে জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, কার্য-অধিবেশন ৩০টি। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান এবং রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা ২টি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গেও সভা রয়েছে।
এবারের ডিসি সম্মেলনে একটি কার্যালয় (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়), দুটি কমিশন (নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন) এবং ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব।
সরকারের নীতি নির্ধারক এবং জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে সামনাসামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন হয়।
কার্য-অধিবেশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব এবং আওতাধীন দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন।
গত বছরের ডিসি সম্মেলনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি মিলে মোট ৪০০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, সামগ্রিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৪৪ শতাংশ।
প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়
ডিসির সম্মেলনে প্রধান প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে— ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভন্যান্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।
৭ দিন আগে
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম
ঢাকার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
অন্যদিকে, ঢাকার ডিসি মো. রেজাউল করিমকে ঢাকার ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে
১১ জেলায় নতুন ডিসি
দেশের ১১টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৯ মার্চ) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জেলাগুলো হলো— রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, মাদারীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, মেহেরপুর, লালমনিরহাট ও বান্দরবান।
নতুন ডিসিরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী শহিদুল ইসলামকে রাজশাহী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লুৎফুন নাহারকে চুয়াডাঙ্গা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব হুরে জান্নাতকে খুলনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব মর্জিনা আক্তার মাদারীপুর, সরকারি প্রিন্টিং প্রেসের উপপরিচালক মো. আবু সাঈদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপসচিব আহমেদ জিয়াউর রহমানকে চাঁদপুর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব জি এম সরফরাজকে হবিগঞ্জ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ইসরাত জাহান কেয়াকে নরসিংদী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শিল্পী রানী রায় মেহেরপুর, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উপসচিব মুহ. রাশেদুল হক প্রধানকে লালমনিরহাট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক মো. সানিউল ফেরদৌসকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ জেলায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনকে এই আদেশের অনুলিপি প্রদান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পৃথক প্রজ্ঞাপনে ১১ জেলার ডিসিদের প্রত্যাহার করে পরবর্তী প্রজ্ঞাপনের জন্য তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
৪১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে রমজানে ভেজাল রোধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা জেলা প্রশাসকের
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং খাদ্যে ভেজাল রোধে করণীয় নির্ধারণে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ-খুদা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, আরডিসি শেখ মাহবুবে সোবহানী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভাপতির বক্তব্যে কুদরত-এ-খুদা বলেন, ‘পবিত্র রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। এ সময় খাদ্যে ভেজাল, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং ভেজালবিরোধী অভিযানে আইনানুগভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় বক্তারা রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বাজার তদারকি দল সক্রিয় করা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে সুষ্ঠু পরিবেশে রমজান পালনে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত ভূমিকার আহ্বান জানানো হয়।
সভা শেষে সিদ্ধান্ত হয়— রমজান মাসজুড়ে নিয়মিত বাজার তদারকি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং অভিযোগ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রমজান পালন করতে পারেন।
৮২ দিন আগে
রমজানে অতিরিক্ত মুনাফার প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা: চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক
পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও ধর্মীয় পরিবেশের পবিত্রতা বজায় রাখতে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অতিরিক্ত মুনাফা, পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা প্রশাসক।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী।
সভায় মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই দ্রব্যমূল্য বাড়ানো যাবে না। সারা বছর যে দাম ছিল, রমজানেও তা বহাল রাখতে হবে। রোজাকে পুঁজি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি জানান, একজন দোকানি ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। এর বেশি নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈদকে সামনে রেখে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোক্তাদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয়ভাবে একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার না করে সচেতনভাবে কেনাকাটা করতে হবে। অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুদের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।’
এছাড়া রমজানে মসজিদে মাইক ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, সেহরি ও ইফতারের সময় যেসব মসজিদে সাইরেন রয়েছে, তারা ১-২ মিনিট সাইরেন বাজাতে পারবেন। তবে সেহরির আগে দীর্ঘ সময় মাইক ব্যবহার করে বয়ান, গজল বা ওয়াজ করা যাবে না। অন্য ধর্মাবলম্বীদের কথা বিবেচনা করেও এ বিষয়ে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি। সভায় ইসলামী ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তারাবি নামাজ আদায়ের বিষয়েও দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, রমজান উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় দুটি এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ন্যায্যমূল্যের বিক্রয়কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ডিম, দুধ, মাংস, মুরগি ও ফলমূল ন্যায্যমূল্যে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুদুর রহমান সরকার, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, দীপক কুমার পাল, অহীদ্র কুমার মণ্ডল, জেসমিন আক্তার, শিল্পী মণ্ডল, মোহাম্মদ সুজাত কাজী, নরেশ চন্দ্র পাল, সেলিম রেজাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা।
৮২ দিন আগে
বর্তমান প্রশাসনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে চলমান আলোচনা ও প্রশ্নের মধ্যেই আশার বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ। বর্তমান প্রশাসনের অধীনেই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তফসিল ঘোষণার আগে নিয়োগ পাওয়া জেলা প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, আমি এখনও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদী। আমি মনে করি, এটি করা সম্ভব।
জেলা প্রশাসকদের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই একজন কর্মকর্তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গড়ে ওঠে। সবাই অভিজ্ঞ হয়ে আসে না। দায়িত্ব পালনের সময়ই অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। যদি তাদের মনোভাব সঠিক থাকে এবং তারা সঠিক পথে চলেন, তাহলে তারা শতভাগ সফল হতে পারবেন।
এ সময় মাঠ প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে বিচ্যুতি বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঢালাওভাবে কারও বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সামগ্রিকভাবে সরকার মনে করছে মাঠপর্যায়ের প্রশাসন নির্বাচনের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত ও সক্ষম। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে সেটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১২১ দিন আগে
হবিগঞ্জে শহিদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি, ক্ষুব্ধ এনসিপি নেতারা
হবিগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সমাবেশের অনুমতি দেননি জেলা প্রশাসক ড. মো. ফরিদুর রহমান। এ কারণে তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিযোগ করেছেন হবিগঞ্জের এনসিপি নেতারা।
বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে শহরের শ্মশানঘাটস্থ হবিগঞ্জ সদর উপজেলা এনসিপির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন শেষে এ অভিযোগ করেন পদযাত্রা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।
তিনি বলেন, নিমতলা শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে কয়েকদিন আগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়। তবে বুধবার বিকালে ডেকে নিয়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম হওয়ার কারণে শহিদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক।
আরও পড়ুন: এনসিপির নেতৃত্বে সরকার গঠনে দেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী
মোস্তাফা কামাল অভিযোগ করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হলেও বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আঁতাত করে চলছেন। তার আচরণে আমরা বিস্মিত হইনি।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বৃহস্পতিবারের (২৪ জুলাই) পদযাত্রা শহরের নিমতলা (শহিদ মিনার) থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় পৌরসভা মাঠ থেকে শুরু হয়ে টাউন হলে এসে শেষ হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— এনসিপি হবিগঞ্জ জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক, যুগ্ম সমন্বয়কারী মাহবুবর বারী চৌধুরী মুবিন, বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব এড. ফখরউদ্দিন জাকি, আব্দুল বাছিত তরফদার মিঠু, এ কে এম নাছিম ও মীর দুলাল।
২৯০ দিন আগে
নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ সাবেক ডিসিকে ওএসডি
২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করা বর্তমানে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ৩৩ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
এ কর্মকর্তাদের ওএসডি করে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন ৩৩ জন কর্মকর্তা বুধবার ওএসডি হলেন। একই কারণে ১২ জন কর্মকর্তা ইতোপূর্বে ওএসডি হয়েছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সাবিনা ইয়াসমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আতাউল গনি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (সংযুক্ত) আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, যুগ্ম-সচিব কাজী এমদাদুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত যুগ্ম-সচিব এস এম মোস্তফা কামালকে ওএসডি করা হয়েছে।
এছাড়া ওএসডি হয়েছেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব অঞ্জন চন্দ্র পাল, পরিকল্পনা বিভাগের যুগ্ম-প্রধান (সংযুক্ত) মোছা. সুলতানা পারভীন, একটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব (যুগ্ম-সচিব) মো. শহিদুল ইসলাম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. আলী আকবর।
এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. দাউদুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. মাজেদুর রহমান খান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এ জেড এম নুরুল হক, বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) এস এম আজিয়র রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সচিব (যুগ্ম-সচিব) মো. মাসুদ আলম সিদ্দিক এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব গোপাল চন্দ্র দাশকে ওএসডি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক (যুগ্মসচিব) কবীর মাহমুদ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মাহমুদুল আলম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালক (যুগ্মসচিব) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বরিশালের আঞ্চলিক পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আবুল ফজল মীর, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সদস্য-পরিচালক (যুগ্মসচিব) মঈন উল ইসলাম, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) মো. ওয়াহিদুজ্জামান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (সংযুক্ত) এ কে এম মামুনুর রশিদ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (সংযুক্ত) এস, এম, আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো)-এর সদস্য (যুগ্মসচিব) ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম ওএসডি হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ফেসবুকে পোস্টের জেরে লালমনিরহাটের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ওএসডি
একই সঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কাজী আবু তাহের, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. মিজানুর রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সদস্য (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব (সংযুক্ত) আনার কলি মাহবুব, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য (যুগ্মসচিব) সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) মাহমুদুল কবীর মুরাদকে ওএসডি করা হয়েছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর পর থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী এবং নানা অন্যায়-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওএসডি কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এখন আওয়ামী লীগের আমলের সুবিধাভোগী, জনবিরোধী কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রশাসনের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।
৪৪৪ দিন আগে
সীমান্তে আরও বেশি বিজিবি মোতায়েনের পরামর্শ ডিসিদের
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘সীমান্ত এলাকায় আরও বেশি হারে বিজিবি মোতায়েনের পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রশাসকেরা (ডিসি)। এছাড়া নৌপথের নিরাপত্তা বাড়াতেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের কার্য অধিবেশনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও কৃষির উন্নয়ন নিয়ে মূলত কথা হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা সীমান্ত এলাকায় আরও বেশি হারে বিজিবি মোতায়েন, নৌপথের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে নৌপুলিশ বৃদ্ধি করার কথা বলেছেন। তাছাড়া তারা গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা ও শিল্প পুলিশের জনবল বৃদ্ধির কথা বলেছেন। আমরা বিষয়সমূহ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি ও বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছি।’
‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক কিন্তু এটাকে আরও উন্নতির অবকাশ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে আরও উন্নতি ঘটে, সেজন্য সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করা হচ্ছে,’ বলেন জাহাঙ্গীর আলম।
আরও পড়ুন: যুবকদের সার্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ডিসিদের
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দুর্নীতি। এটিকে সমূলে বিনষ্ট করতে না পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হবে না। সব লেভেল থেকে দুর্নীতি কমাতে হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কার্য-অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বিপিএম-সহ স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানরা।
৪৪৫ দিন আগে
যুবকদের সর্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ডিসিদের
যুবসমাজের জন্য সর্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা (ডিসি), যাতে দেশের প্রতিরক্ষায় যুবসমাজ অংশগ্রহণ করতে পারেন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সংক্রান্ত অধিবেশনে তারা এ প্রস্তাব দেন।
অধিবেশন শেষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সিভিল মিলিটারি কোঅপারেশন কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা প্রশ্ন করেছিলেন। সিভিল প্রশাসনের অফিসাররা যে অরিয়েন্টেশন করেন, ডিভিশন পর্যায়ে এই অরিয়েন্টেশনগুলা করা সম্ভব কিনা? যাতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সামরিক বাহিনী বা সশস্ত্রবাহিনীর বোঝাপড়া আরো বৃদ্ধি কিভাবে করা যায়।’
‘আর একটা প্রশ্ন ছিল, আমাদের যুব সমাজের জন্য একটি ইউনিভার্সেল মিলিটারি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় কিনা। যেখানে যুবসমাজের যারা আছেন, তারা মিলিটারি ট্রেনিং পেতে পারেন এবং দেশের প্রতিরক্ষায় তারা অংশগ্রহণ করতে পারেন,’ আব্দুল হাফিজ।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘তারা নিজ নিজ কয়েকটি জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে চান সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। রিমোট জায়গায় বা চরাঞ্চলে যেখানে হয়তো বেশি পরিমাণ ফোর্স দরকার বা লজিস্টিক নিয়ে যেতে হবে এই ধরনের এলাকায় তারা অভিযান পরিচালনা করতে চান। সে সংক্রান্ত প্রশ্ন ছিল।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নেভির কাছে প্রশ্ন ছিল কিভাবে জাটকাবিরোধী অভিযানের বা আমাদের নদীতে যে সম্পদ আছে; সেই সম্পদ রক্ষায় তারা আরও কিভাবে ওতপ্রোতভাবে সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা করতে পারেন।’
আরও পড়ুন: আইনি প্রক্রিয়া মেনেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল ঘোষণা হয়েছিল: উপদেষ্টা
‘আমাদের সেনাবাহিনীর জন্য প্রশ্ন ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামে কুকিচিন ন্যাশনাল ফন্ট যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, তার কারণে কয়েকটি জেলায় পর্যটন শিল্প ব্যাহত হচ্ছে। এ পর্যটন শিল্প ব্যাহত হওয়ার কারণে সেখানকার ইয়াং জেনারেশন কাজ হারাচ্ছে, চাকরি হারাচ্ছে এবং তারা সন্ত্রাসের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। সেখান থেকে কিভাবে উত্তরণ করতে পারি সে সংক্রান্ত প্রশ্ন ছিল।’
আব্দুল হাফিজ বলেন, ‘দু-একটি জেলায় অস্ত্র এবং গোলাবারুদ নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো কিভাবে ধ্বংস করা যায়; সে বিষয়ে প্রশ্ন ছিল। এ ধরনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তারা উত্থাপন করেছিলেন।’
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘আমি উল্লেখ করেছি, স্বৈরাচার এবং তাদের দোসরা বিভিন্ন জায়গায় একত্রিত হচ্ছে এবং কর্মসূচি দিচ্ছে, তারা দেশকে একটা অরাজকতার দিকে নিয়ে যেতে পারে; সে ব্যাপারে তাদেরকে সজাগ থাকতে হবে।’
৪৪৫ দিন আগে