জহির উদ্দিন স্বপন
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে হবে চূড়ান্ত প্রস্তাবনা: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার একটি হোটেলে ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন আয়োজিত ‘পিআইএমএইচআইই প্রকল্প: নীতিগত সংস্কার থেকে নিউজরুম চর্চা—শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সরকার প্রধানের সঙ্গে মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে পূর্বে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পর আবারও আলোচনা করা হবে, যাতে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করা যায়।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের অন্যান্য স্তম্ভকে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক বিষয় নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ।
তিনি আরও বলেন, সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন এ উদ্যোগে সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।
৫ দিন আগে
ইতালিতে বৈধ পথে আরও বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে আরও বেশি অভিবাসী গ্রহণের জন্য ইতালি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইতালির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
মন্ত্রী গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সম্প্রচার খাতে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন থেকে জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রেও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সমুদ্রপথে ইতালিতে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেন।
তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে ইতালিতে অভিবাসন বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে বৈধ অভিবাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।
৬ দিন আগে
সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেছেন, অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের রাজনীতির কারণে দেশে এমন এক সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেখানে ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।
বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সৌজন্যে আয়োজিত ‘ইসলামিক প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একসময় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পরিচয়, টুপি, দাড়ি কিংবা নামাজ আদায়ের মতো ধর্মীয় অনুশীলনকেও কিছু মহল সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করেছিল যা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির সংস্কৃতির পরিপন্থী।
তিনি বলেন, যারা ভোটারবিহীনভাবে গণবিচ্ছিন্নভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভিন্ন কারণে বিভেদ তৈরি করত।
তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভোটারবিহীন ও গণবিচ্ছিন্ন শাসনব্যবস্থা জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছিল। ধর্মীয় বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা ছিল তার অন্যতম অংশ।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে নানা ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। ইসলামসহ সকল ধর্মই অন্যের বিশ্বাসকে সম্মান করার শিক্ষা দেয়। তাই সমাজে বিভাজন ও সংঘাত সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই।
ইসলামিক প্রতিযোগিতার আয়োজন মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, যুক্তিবোধ ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তথ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ভারসাম্যপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণ ও অর্থনৈতিক সংকট বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে সময় ও সামাজিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আগামী দুই বছর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখা গেলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। তাই সকল নাগরিককে বিভেদ ও অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় সংসদে গঠনমূলক বিতর্ককে গণতন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংসদের বিতর্ক ও মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই রাজপথে সংঘাত বা বিশৃঙ্খলার কারণ না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চাকারীদের সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে আলেম-উলেমা ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব আল্লামা মুফতি আব্দুল মালেক, হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমীসহ আলেম-উলেমা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
১২ দিন আগে
প্রযুক্তিভিত্তিক সমষ্টিগত জ্ঞানচর্চাই হবে ভবিষ্যৎ সভ্যতার কৌশলগত শক্তি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক জ্ঞান ও সৃজনশীল চিন্তার সমষ্টিগত চর্চাই হবে ভবিষ্যৎ সভ্যতার জন্য কৌশলগত শক্তি। দেশের সৃজনশীল মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে একত্রিত করে জাতীয় উন্নয়নের সম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
রবিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীতে টেলিকম, ডাটা ও সাইবার সিকিউরিটি বিল, ২০২৬ বিষয়ে বাংলাদেশ আইসিটি স্টেকহোল্ডারস অ্যাসোসিয়েশন (বিসা) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী উপস্থিত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের এই সমবেত হওয়া শুধু উপস্থিতি নয়; আপনারা আপনাদের সৃজনশীল চিন্তাকেও এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন। এ ধরনের সৃজনশীল চিন্তার সমষ্টিগত চর্চা জাতির জন্য একটি সম্পদে পরিণত হবে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিসা এমন একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে যেখানে দেশের প্রযুক্তি খাতের অংশীজনরা সম্মিলিতভাবে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও চিন্তাশক্তি বিনিয়োগ করতে পারবেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে এখন সেমিকন্ডাক্টর, রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়াল এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত উপাদানে পরিণত হয়েছে। আগে বৈশ্বিক সংঘাতের প্রধান কারণ ছিল জ্বালানি সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ; এখন রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়াল ও প্রযুক্তিগত কাঁচামালের প্রাপ্যতাও আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সংঘাতের বড় কারণ হয়ে উঠছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশ ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে; তাই প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সভ্যতার চাহিদা অনুযায়ী সমসাময়িক নীতি প্রণয়নে বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান ও পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সম্মিলিত জ্ঞান ও গবেষণা সরকারকে সময়োপযোগী, বাস্তবসম্মত ও আধুনিক নীতি নির্ধারণে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
৩০ দিন আগে
গণমাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহায়তা কামনা তথ্যমন্ত্রীর
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমে নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেছেন। এক্ষেত্রে সংস্থাটির জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রীর নিজস্ব অফিসকক্ষে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সঙ্গে সরকারের যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
সাক্ষাৎকালে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি বাংলাদেশে সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম বিশেষত গণমাধ্যমের উন্নয়ন, গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট নীতিমালা এবং ভুলতথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে ইউনেস্কোর উদ্যোগ সম্পর্কে মন্ত্রীকে জানান।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ইউনেস্কো অপপ্রচারের বিস্তার রোধে ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদারে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও পরিচালিত হচ্ছে।
এই সাক্ষাতে তথ্যমন্ত্রী গণমাধ্যমে অপতথ্যের বিস্তার রোধ ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ের ওপর প্রশিক্ষণের গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। ইউনেস্কোর প্রতিনিধিও এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তাকে।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
৩৩ দিন আগে
প্রবাসীদের মেধা ও শ্রমে শক্তিশালী হচ্ছে দেশের অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের জন্য অমূল্য সম্পদ উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তাদের জ্ঞান, মেধা, প্রজ্ঞা ও পরিশ্রম দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের টেমসাইড কাউন্সিলের সিভিক মেয়র কাউন্সিলর শিবলি আলমের সঙ্গে সাক্ষাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ড গণতন্ত্রের সূতিকাগার। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলর শিবলি আলম বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশি নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
৩৬ দিন আগে
ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া অনুমাননির্ভর সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী
ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া অনুমাননির্ভর কোনো সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেছেন, ‘এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউবসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানাবিধ সংবাদ ও তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে। এজন্য সঠিক তথ্য তুলে ধরতে ফ্যাক্ট চেকিং করে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে। অনুমাননির্ভর কোনো সংবাদ প্রকাশ কোনোভাবেই ঠিক হবে না।’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাবনা প্রেসক্লাব দেশের মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। তাদের ভাতৃপ্রতিম সম্পর্ক সারা দেশের জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে।’ তিনি জানান, সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে প্রতিটি জেলায় একটি করে প্রেসক্লাব রাখার বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা সরকার গ্রহণ করে এবং সেসব বিষয়ে কাজ করছে।’
পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শিবজিত নাগ ও এ বি এম ফজলুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, খালেদ হোসেন পরাগ, এস এম আলাউদ্দিন, উৎপল মির্জা, রাজিউর রহমান রুমী ও ড. নরেশ মধু প্রমুখ।
পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে আটদিনব্যাপী ‘পাবনা বইমেলা’র উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফ্যাসিবাদের আমলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে।’
পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক খালেদ হোসেন পরাগের সভাপতিত্বে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, বইমেলা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমানসহ অন্যান্যরা।
৫১ দিন আগে
শক্তিশালী গণমাধ্যম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
শক্তিশালী গণমাধ্যম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশ,ন সামিট ২০২৬-এ এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদেত ইলমাজ এবং কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান।
‘নতুন বৈশ্বিক কাঠামো: একটি যোগাযোগের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী তুরস্ক সরকারকে সময়োপযোগী এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী ক্ষমতার পরিবর্তন এবং অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, কৌশলগত যোগাযোগ এখন শাসন ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় উপাদান হয়ে উঠেছে এবং রাষ্ট্রগুলোকে ক্রমেই তাদের যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, অপতথ্য মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বিশেষ করে একটি স্বাধীন ও পেশাদার গণমাধ্যম।
তিনি বলেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত করা, জবাবদিহি নিশ্চিত এবং জনআস্থা বজায় রাখতে একটি শক্তিশালী চতুর্থ স্তম্ভ অপরিহার্য।
জহির উদ্দিন স্বপন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে এমন আইন পর্যালোচনা করা এবং একটি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলাসহ বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রম আলোচনায় তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, তথ্যের বিশৃঙ্খলার সমাধান একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতির মধ্যেই নিহিত যেখানে অতি নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ন্ত্রণহীনতা—উভয়কেই পরিহার করতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী কৌশলগত যোগাযোগের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা, গণতান্ত্রিক সহনশীলতা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা—এ তিনটি মূলনীতি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল ও দ্রুত ডিজিটালাইজড দেশে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে তথ্যকে কৌশলগতভাবে বিকৃত ও ব্যবহার করা হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রাপ্তি এবং অবাধ তথ্য প্রবাহের মধ্যে একটা কার্যকর সমন্বয় দরকার। একটা নতুন লাগসই ফ্রেমওয়ার্ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে। বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্য দেশের কাছ থেকে এই বিষয়গুলি জানতে চায়, আবার একইসঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে আমরা গ্লোবাল নলেজকে সমৃদ্ধ করতে আগ্রহী। এই যৌথ জ্ঞান বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ মানবিক বিষয়গুলোতে তুরস্কের সমর্থনের প্রশংসা করেন তথ্যমন্ত্রী।
জহির উদ্দিন স্বপন বক্তব্যের শেষে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক যোগাযোগ কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কণ্ঠস্বর যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।
প্যানেল আলোচনায় আরও অংশ নেন উত্তর সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিন এরতুগ্রুলোগ্লু, সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী হামজা আলমুস্তাফা এবং কাজাখস্তানের সংস্কৃতি ও তথ্যবিষয়ক উপমন্ত্রী কানাত ঝুমাবায়েভিচ ইস্কাকভ।
৫৯ দিন আগে
গণমাধ্যম নিয়ে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে গণমাধ্যম নিয়ে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে চান বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে সরকারের এক মাসপূর্তি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
গণমাধ্যমকর্মীদের হুট করে চাকুরিচ্যুতি রোধে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন বা কোনো কিছু করে যাবেন কিনা—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন যে, গণমাধ্যম জগতের চেহারা এবং কাঠামোটায় কত বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে সারা পৃথিবীতে। আপনারা দেখেছেন যে, প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসের চাইতেও একজন ইউটিউবারের প্রভাব প্রতিপত্তি এবং পরিধি অনেক বেশি বেড়ে গেছে। এটা সবটাই কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি এবং এখনকার যে কমিউনিকেশন সায়েন্স, তার যে রূপান্তরিত পরিস্থিতি, সেটার কারণেই।
‘অনলাইন পত্রিকা, আইপি টিভি—এ ধরনের প্লাটফর্মগুলো তৈরি হয়েছে। ফলে আগের মতো কিন্তু আমরা বা সরকার চাইলেই পুরনো নিয়ন্ত্রণের আইন কাঠামো... তার আওতার মধ্যে কিন্তু এগুলো পড়ে না। আবার এগুলো কিন্তু আমাদের সভ্যতার অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। ফলে পুরো ব্যাপারটাই একটা স্ট্র্যাটেজিক ডিসকাশন (কৌশলগত আলোচনা)।’
তিনি বলেন, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে কথা বলা যায়—অমুকটা কীভাবে, তমুকটা কীভাবে; কিন্তু আমরা এ রকম কোনো পিসমিল (আংশিক) কথাবার্তা না বলে গণমাধ্যম-সংক্রান্ত একটা বিষয়ে আপনাদের মতো স্টেক হোল্ডারদের (অংশীজনদের) সঙ্গে নিয়েই একটা স্ট্র্যাটেজিক মুভ (পরিকল্পিত পদক্ষেপ) নিতে চাই। এজন্য আমি কোনো বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত মন্তব্য করতে চাচ্ছি না আপাতত।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানেকে তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাখবেন কি রাখবেন না, এটার তো তার একটা এখতিয়ার এবং ক্ষমতা আছে। আবার তথ্য মন্ত্রণালয় যে কোনো ধরনের গণমাধ্যমকর্মীদের এক ধরনের নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার একটা নৈতিক দায়িত্ব আছে। কিন্তু, এই নৈতিক দায়িত্ব পালন করার জন্য কোনো উদ্যোক্তার প্রতি কী পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করা যাবে, তার কিন্তু কোনো আইন নেই। ফলে সবটাই কিন্তু আমাদের একটা কৌশলগত আলোচনার মধ্যে আনতে হবে। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই এই বিষয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এক মাসের মধ্যে সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড চালু, কৃষকদের ঋণ মওকুফ, ইমাম-মোয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানি প্রদান, মহিলা বাস চালু, খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছে। কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
৬১ দিন আগে
গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে আমাদের কাজ: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে আমাদের কাজ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বগুড়ায় স্থানীয় একটি কনভেনশন সেন্টারে রাজশাহী বিভাগের সাতটি জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে আর্থিক অনুদান ও সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণে কতটা কাজ করবে তা নিশ্চিত করে গণমাধ্যম। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো করুণার বিষয় নয়, বরং তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। আধুনিক সভ্যতায় গণমাধ্যম অনিবার্য অনুষঙ্গ। গণমাধ্যম ছাড়া সভ্যতার চর্চা করা যায় না।
রাষ্ট্র ও সমাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যে সমাজে জবাবদিহিতা থাকে না সেখানে শেখ হাসিনার মতো পতিত, ঘৃণিত ও লাঞ্ছিত রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা জবাবদিহিতার সংস্কৃতি তৈরি করতে চাই।
এ সময় সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান, কৃষিঋণ মওকুফসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৭৩ দিন আগে