ঘোড়ার মাংস
মুন্সীগঞ্জে ঘোড়ার মাংস বিক্রি চক্রের হোতা আটক
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঘোড়া জবাই করে বিক্রি চক্রের হোতা রাজিবকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া চক্রটির প্রধান সহযোগী তিতাসকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গজারিয়া আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. রাজিব শিকদার (৩৪) উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আনারপুরা গ্রামের বাসিন্দা।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে আনারপুরা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে জবাই করা ১২টি এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করে পুলিশ।
চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বুধবারের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন; চক্রের হোতা ও সদস্যদের ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবারের ওই অভিযানের আগেই অভিযুক্ত রাজিব ও তিতাসসহ কয়েকজন সটকে পড়েন। তাদের বেশিরভাগই এলাকা ছেড়ে চলে গেলেও রাজিব এলাকাতেই আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে আনারপুরা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে অবশ্য বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির আরও ৪ সদস্যকে আটক করেছিল পুলিশ। তারা হলেন: মাদারীপুর জেলার কালকিনির রুবেল (৩৯), নওগাঁর সৌরভ (২১), গাজীপুরের টঙ্গীর সোহেল গাজী (২১) ও ইয়াসিন আরাফাত (২১)।
শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, অপরাধীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সেখানে মোট ১০টি ঘোড়া ছিল, যার মধ্যে ৯টি জবাই করা হয়েছিল এবং একটি অসুস্থ ঘোড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, এই চক্রটি রাজিব ও তিতাসের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। রাজিব আটক হয়েছেন। এখন তিতাসকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এ নিয়ে এই ঘটনায় রাজিবসহ এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন আটক হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫ দিন আগে