ঈদুল আজহা উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এতে মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যানজট না থাকায় স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা।
মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা পুলিশের প্রায় ৭০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দিন-রাত পুলিশের তৎপরতায় চালক ও যাত্রীদের মধ্যেও সন্তোষ দেখা গেছে।
আজ সকাল থেকে যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে উত্তরবঙ্গমুখী মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে ঘরমুখো মানুষ বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে তেমন কোনো যানজট দেখা যায়নি।
চালক ও যাত্রীরা জানান, যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, বিভিন্ন উড়াল সেতু এবং হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের ফলে এবার ঈদযাত্রায় স্বস্তি ফিরেছে। যানজট না থাকায় নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে বাড়ি ফেরা যাচ্ছে।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম এবং হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
তারা জানান, যমুনা সেতু গোলচত্বরসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বিভিন্ন রুটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, মহাসড়কে জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছে। হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় একটি নির্দেশনা মঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে, যেখান থেকে মাইকযোগে চালকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (সাইট অফিসার) সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন।