বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক
ইরানের জনগণের জন্য জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি ও মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে দেশটির রাষ্ট্রদূতের কাছে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ঢাকায় নিযুবাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির এম আশরাফ আলম ক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদির এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।
ঢাকাস্থ ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক) ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের আহত জনগণের চিকিৎসা সেবায় জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে ১ কোটি টাকা অনুদান দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই অনুদানের অর্থেই এই চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব ড. নজরুল ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় শান্তির পক্ষে এবং যেকোনো সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুত এই সংকটের সমাধান হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সহায়তা গ্রহণকালে ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশ সরকারের এই মানবিক উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দুঃসময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের এই সহমর্মিতা ও আন্তরিক সমর্থন অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির এম আশরাফ আলম জানান, রেড ক্রিসেন্ট বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নিপীড়িত মানুষের সেবায় কাজ করে থাকে। যুদ্ধকালীন এই সংকটে ইরানের জনগণের জন্য এই মানবিক সহায়তায় অংশগ্রহণ তাদের দায়িত্ব।
১২ দিন আগে
হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিজেদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে ইরান। পাশাপাশি আজারবাইজান হয়ে মাধ্যমে ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতেও সহায়তা করেছে দেশটি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ড বা বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক শ্রদ্ধার চেতনা বজায় রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ বিশেষভাবে প্রচার করার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দূতাবাস। এই সাক্ষাৎকারগুলো নির্দিষ্ট কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে।
দূতাবাস বলেছে, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’ তারা আরও উল্লেখ করেছে, এ ধরনের ভুল ও খণ্ডিত বক্তব্য উপস্থাপন দুঃখজনক এবং দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের নীতির পরিপন্থী।
দূতাবাস বলেছে, ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক উপভোগ করছে। সেই সঙ্গে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির প্রতি তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খতিবজাদেহর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে দূতাবাস।
তারা জানিয়েছে, দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যকার গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ উদ্যোগগুলো তারা আন্তরিকভাবে এগিয়ে নেবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করবে।
সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক অবস্থানের প্রশংসা করেছে ইরান। এ অঞ্চল এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য এই পথটি অপরিহার্য বলে মনে করে দেশটি।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ‘ইসলামি বিপ্লবের নেতা’ ও ‘মুসলিম উম্মাহর নেতা’ উল্লেখ করে তিনি নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো শোকবার্তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দূতাবাস। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে শোক প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়টিকে একটি উল্লেখযোগ্য ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকার ইরান দূতাবাসে রক্ষিত শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে ইরান।
বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সমর্থনের প্রশংসা করে ইরান বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকের অবৈধ আগ্রাসনের’ ফলে সৃষ্ট যুদ্ধে যে সব বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের জন্য তারা গভীর শোক প্রকাশ করছে। সেই সঙ্গে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন, তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে দেশটি।
১৪ দিন আগে
আটকা পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে: ইরানি রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী বলেছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালিতে অনেক জাহাজ অপেক্ষায় আছে, যার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু জাহাজও রয়েছে।
তিনি বলেছেন, ইরান বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে এবং দ্রুত এসব জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ আয়োজিত ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মরণ: মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধের বিচার ও জবাবদিহিতা দাবি’ শীর্ষক শোক সমাবেশ ও যুদ্ধাপরাধবিরোধী প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ইরান বাংলাদেশকে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে বিবেচনা করে। বাংলাদেশের সঙ্গে ইরানের কোনো শত্রুতা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশগুলোকেও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
তিনি বলেন, মর্যাদার ভিত্তিতে আলোচনা হলে ইরান অংশ নেবে, অন্যথায় কোনো আলোচনায় যাবে না—এই বার্তা যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত যুদ্ধবিরতির সময় পর্যন্ত ইরান হামলা থেকে বিরত থাকবে, তবে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে ইরানও প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হবে।
ইসলামাবাদে আলোচনার ফলাফল প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, এর আগেও আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপক্ষে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মহলে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতেই আলোচনায় অংশ নেয়।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে এবং ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে চায়।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন সফল হয়নি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, হামলার মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে জনগণ সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
ইরানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হামলার প্রতিবাদে কর্মসূচি আয়োজন করায় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব হামলায় হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও শিশুদের প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি বলেন, ইরান এসব হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং দেশটি যুদ্ধ চায় না, কারণ যুদ্ধ মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী নয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এসব হামলায় শিশুদের হত্যা করা বিশ্ব বিবেকের ওপর আঘাত এবং অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইরানের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মাদী, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নেত্রী মরিয়ম জামিলা তামান্না।
আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান, সদস্য সাইদুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ ও জিহাদী ইহসান, মো. আরিফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সানোয়ারা খাতুন, যুগ্ম আহ্বায়ক নিয়াজ আহমদ, ঢাকা আলীয়া মাদরাসা শাখার আহ্বায়ক রকিব মণ্ডল, সদস্য সচিব জিনাত হোসাইন ও যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান ফারসি, মাহফুজুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, আল আমীন শেখ এবং জালালুদ্দিন রুমি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ প্রমুখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি শিশুদের স্মরণে প্রতীকী কফিন, রক্তাক্ত স্কুলব্যাগ ও ছবি প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি যুদ্ধবিরোধী স্বাক্ষর কর্মসূচিও পালন করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বাক্ষর দিয়ে যুদ্ধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান।
২৩ দিন আগে