হামের উপসর্গ
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩০৩
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৩টি শিশু।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৭৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৫১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯২। এই সময়ে ১ হাজার ৩০৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ৬১১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৪১৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪০ হাজার ১৭৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৩৬ হাজার ৫৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৩২ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ২৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ১০২ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
ডা. গোলাম মাওলা জানান, গত ৫ মে গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত জটিলতায় শিশুটি মারা যায়।
তিনি আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৩১৭টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৮৩টি শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৩২টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
১ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে।
বুধবার (১৩ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো— সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ২ বছর ৩ মাস বয়সী হাফিজা আক্তার, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ১ বছর ৪ মাস বয়সী রাইসা জান্নাত এবং ছাতকের ৮ মাস বয়সী আরিয়া জান্নাত। এদের মধ্যে দুজন এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপরজন ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় জানিয়েছে, গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৮টা থেকে আজ (বুধবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সিলেট বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২১৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি আছে ১১০ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫০ জন। এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালেও হামে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে।
কেবল গত ২৪ ঘণ্টায় শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ২৬ জন রোগী।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৭ জনে।
হাম রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এমএ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গত ১১ মে থেকে ৩২ শয্যার বিশিষ্ট ‘হাম আইসোলেশন ইউনিট’ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে ৫ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। সবমিলিয়ে বর্তমানে সিলেটে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২টিতে।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর মুনীর রাশেদ বলেন, ‘হামের প্রকোপ বাড়তে থাকায় হাসপাতালে রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। এজন্য শিশু ওয়ার্ডে বিশেষ হাম আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে এবং আইসিইউ সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে।’
এদিকে, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ২৭টি শিশু।
২ দিন আগে
হাম: আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৬১৫
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১৫টি শিশু।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৬৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৩২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৮৯। এই সময়ে ১ হাজার ১৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৫৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ৫৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ১৫০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৮ হাজার ৫৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৩৩ হাজার ৮৪২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৩৫
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫টি শিশু।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৯১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩৫২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৬। এই সময়ে ৭৬৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৬৫৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৩ হাজার ৬৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫২৪
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫২৪টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৭৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৭টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩৩৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৮৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৩৮। এই সময়ে ১ হাজার ২৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ৪৯৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ২০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩১ হাজার ৯১২ রোগী, যাদের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৮ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৬৫৪
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১ হাজার ৬৫৪টি শিশু।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও দুটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৬৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩২৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৮১। এই সময়ে ১ হাজার ৫৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৪ হাজার ২৬০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩০ হাজার ৮৮৫ রোগী, যাদের মধ্যে ২৭ হাজার ২২৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৯ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৪৫
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৪৫টি শিশু।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৬৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩১৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৬। এই সময়ে ৯৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২১৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজার ৯৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৯ হাজার ৮৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ২৬ হাজার ৩৬৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১০ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৫৬টি শিশু।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৫৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩১১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩০২। এই সময়ে ১ হাজার ২৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৪৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৮ হাজার ৮৪২ রোগী, যাদের মধ্যে ২৫ হাজার ১৫১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১১ দিন আগে
ইতোমধ্যে ৮১ শতাংশ শিশু হামের টিকা পেয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে হামের টিকা নেওয়ার উপযোগী ৮১ শতাংশের বেশি শিশুর টিকাদান ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। শিগগিরই শতভাগ টিকাদান সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রবিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, হামের ক্ষেত্রে আমরা ৮১ শতাংশ টিকা কভার করেছি। বাকিটাও খুব শিগগিরই কভার করে ফেলব। দ্রুত আমরা শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে কাজ করছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে হাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মৃত্যুহারও কমেছে। পর্যাপ্ত টিকা আছে এবং সারা দেশে টিকার সরবরাহও ঠিক আছে।’
এদিকে, দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৬১টি শিশু।
রবিবার (৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৪৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ২৯৪টি শিশু মারা গেছে।
১২ দিন আগে