ট্রাস্ট ফান্ড
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ লাখ টাকার দুটি ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা
শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও গবেষণা সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ লাখ টাকার দুটি ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে সোমবার (২০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে ২০ লাখ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়।
উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবির, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম তালুকদার, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শফিউল আলম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসতিয়াক এম. সৈয়দ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনশী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং দাতা সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ ও আফরোজা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এর মধ্যে ‘ড. মাজিদ স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ড’ প্রতিষ্ঠার জন্য ১০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এই ট্রাস্ট ফান্ডের আয় থেকে প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিএস (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী দুই শিক্ষার্থীকে এমএস শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় এককালীন ৪০ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ‘রোজি আনোয়ারা মাজিদ ট্রাস্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রতিষ্ঠার জন্য আরও ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এই তহবিলের আয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিএসসি (সম্মান) শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মেধাবী ও অসচ্ছল দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা হারে গবেষণা বৃত্তি দেওয়া হবে। এ হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোট ৩৬ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ায় দাতা সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে এগিয়ে আসছেন, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং অন্যান্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে।
উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রযাত্রায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অ্যালামনাইদের সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে গবেষণা অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিক যন্ত্রপাতির সংরক্ষণ ও গবেষণা তহবিল বৃদ্ধিতে তাদের সহযোগিতা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
১ দিন আগে