কারাদণ্ড
চাঁদপুরে জালভোট দেওয়ায় ৫ জনের কারাদণ্ড
চাঁদপুরের কচুয়া, শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার কারণে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং একজনের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। কারাদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে পিতা-পুত্রও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় ভোট চলাকালীন পৃথক পৃথক স্থানে এসব ব্যাক্তিদের কারাদণ্ড প্রদান করেন দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-(১) কচুয়া আসনের তেগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যালট পেপার চাওয়ায় মো. ছফিউল্লাহর ছেলে মো. হেলালকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান কারাদণ্ড।
একই ঘটনায় ওই কেন্দ্রের একজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে কচুয়া থানায় সোপর্দ করে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেন বিচারক।
অন্যদিকে, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের শাহরাস্তিতে জাল ভোট প্রদান-চেষ্টার অভিযোগে পিতা-পুত্রসহ ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দুপুরে উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৃথক ঘটনায় এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার বড়তুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় বড়তুলা গ্রামের ইয়াকুব আলীর পুত্র মো. সাইফুল ইসলাম (৫৯) ও তার পুত্র মো. সাফায়েত হোসেনকে (২৭) আটক করেন ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. নাসরিন বানু সাফায়েত হোসেনকে ১ মাস ও তার বাবা সাইফুল ইসলামকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এছাড়া খেড়িহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে ওই গ্রামের আবু সৈয়দের পুত্র মো. সজিবকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা।
অপরদিকে, দুপুরে একই আসনের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসে মো. নাহিদ (২৫) নামে এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ হিমাদ্রী খীসা।
২ দিন আগে
পঞ্চগড়ে নমুনা ব্যালটসহ যুবশক্তির আহ্বায়ক আটক
পঞ্চগড়-১ আসনের আটোয়ারি উপজেলায় নমুনা ব্যালট পেপারসহ উপজেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক সুকুমার দাস বাবুকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আটোয়ারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোট চলাকালে কেন্দ্রের ফটকে অবস্থানকালে বাবুর কাছে নমুনা ব্যালট পেপার পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নজরে আনা হলে তারা তাকে আটক করেন। পরে ঘটনাস্থলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রানা পারভেজ সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
পঞ্চগড় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি কেন্দ্রে জাল ব্যালট পেপার রাখার অপরাধে একজনকে তাৎক্ষণিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে জাল ভোট দিতে গিয়ে ধরা যুবকের ২ বছরের কারাদণ্ড
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের হোসেনপুর উপজেলায় এক যুবককে জাল ভোটের চেষ্টায় ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার জিনারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ওই কেন্দ্রে দুপুরের আগে জাল ভোট দিতে যান ইমরান হোসাইন (২১)। এ সময় জনগণ তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। এরপর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. কাউসার আলম ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ইমরানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে
ভোটকেন্দ্রে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের দায়ে প্রবাসীকে ৫ দিনের কারাদণ্ড
হবিগঞ্জ-১ আসনের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও ব্যালট পেপার ছেঁড়ার অভিযোগে গোলাম রসুল রাসেল নামের এক ইংল্যান্ডপ্রবাসীকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ধানের শীষের সমর্থক এবং তার পিতা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আজ বেলা ১১টার দিকে গোলাম রসুল ওই কেন্দ্রে গিয়ে হৈচৈ শুরু করেন। তাকে শান্ত করার চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলেন।
পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রুহুল আমিন।
২ দিন আগে
হংকংয়ের মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে গণতন্ত্রপন্থী ব্যক্তিত্ব ও অ্যাপল ডেইলি সংবাদপত্রের মালিক জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তার পরিবার এই সাজাকে ‘হৃদয়বিদারক নিষ্ঠুরতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তারা মেয়ে বলেছেন, ‘জেলে তার মৃত্যু হলে তিনি “শহিদ” হবেন।’ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এই সাজাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সাংবাদিকতার ওপর বড় আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সমালোচকদের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, এই সাজা হলো বহু বছর ধরে চলে আসা লড়াইয়ের চূড়ান্ত পরিণতি, যার মাধ্যমে হংকং একটি স্বাধীন শহর থেকে এমন একটি শহরে পরিণত হয়েছে, যেখানে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি-নিয়ন্ত্রিত সরকার ভিন্নমত পোষণকারীদের কঠোরভাবে দমন করছে।
ডিসেম্বরে লাইয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং বিদেশি বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব অভিযোগে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। লাইয়ের এই ২০ বছরের কারাদণ্ড হংকংয়ের ইতিহাসে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক অপরাধের সবচেয়ে বড় সাজা।
লাইয়ের সাজার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাইওয়ান এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষের মানবাধিকার সংগঠনগুলো। রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডারস নামের সাংবাদিকদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন বলেছে, ‘হংকংয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আজ পর্দা নেমে এসেছে। আদালতের এ সিদ্ধান্ত হংকংয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ পতন এবং সাংবাদিকতার প্রতি চরম অবমাননার সামিল।’
লাইয়ের এই দীর্ঘ সাজাকে ‘সত্যিকার অর্থে মৃত্যুদণ্ড’ বলে আখ্যা দিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, ‘এই মাত্রার সাজা নিষ্ঠুর ও অন্যায্য। লাইয়ের ওপর বছরের পর বছর ধরে চলা নির্যাতন চীন সরকারের স্বাধীন সাংবাদিকতাকে চূর্ণ করার এবং কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করে এমন যে কাউকে চুপ করিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই মামলাটিকে ‘আইন দ্বারা শাসিত শহর’ থেকে ‘ভয় দ্বারা শাসিত শহরে’ রূপান্তরের আরেকটি ভয়াবহ মাইলফলক বলে অভিহিত করেছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এবং ব্রিটিশ সরকার লাইয়ের মামলাকে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত বলে বর্ণনা করে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
তবে লাইকে সরকারবিরোধী উসকানিদাতা এবং বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বর্ণনা করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তাদের মতে, লাই একজন ব্রিটিশ নাগরিক যিনি শিশু শরণার্থী হিসেবে চীন থেকে পালিয়ে আসার পর থেকে হংকংয়ে বসবাস করছেন।
লাই হংকংয়ের বিলুপ্ত সংবাদপত্র অ্যাপল ডেইলির প্রতিষ্ঠাতা। এটি একটি জনপ্রিয় হংকংভিত্তিক সংবাদপত্র ছিল। ২০১০-এর দশকে হংকংজুড়ে ছড়িয়ে পড়া গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকে সমর্থন করে জনপ্রিয়তা পায় সংবাদপত্রটি।
২০২০ সালের জুনে একটি কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই আন্দোলন দমন করেছিল সরকার। সে সময় বেশিরভাগ ভিন্নমত পোষণকারীদের এই আইনের আওতায় ‘অপরাধী’ ঘোষণা করা হয়। লাইকে সে বছরের আগস্টে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে অ্যাপল ডেইলি বন্ধ করে দেয় দেশটির চীন সরকার।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জানুয়ারিতে বেইজিংয়ে চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি লাইয়ের বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছিলেন যে তিনি লাইয়ের মুক্তি নিশ্চিত করবেন।
কারাগারে থাকা মিডিয়া উদ্যোক্তা জিমি লাইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন বন্দি থাকার কারণে লাইয়ের ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং তার দাঁতও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাবন্দি এবং অধিকাংশ সময় নির্জন সেলে কাটিয়েছেন।
তবে হংকং কর্তৃপক্ষ বলছে, লাই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন এবং অন্য বন্দিদের থেকে আলাদা থাকার আবেদন তিনিই করেছিলেন। সোমবার সাজা ঘোষণার পর জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ প্রধান স্টিভ লি বলেন, রায় যথাযথ হয়েছে। সেইসঙ্গে লাইয়ের শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে করা অভিযোগকে তিনি অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেন।
এই ঐতিহাসিক জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় লাইয়ের সঙ্গে আরও আটজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুজন ছিলেন অধিকার কর্মী এবং বাকি ছয়জন লাইয়ের মালিকানাধীন মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সাবেক নির্বাহী। মামলায় সংশ্লিষ্ট সবাই দোষী সাব্যস্ত হন।
৫ দিন আগে
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি মামলায় হাসিনার ১০ বছরের জেল
রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুটি পৃথক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে ৪ বছর এবং শেখ রেহানার সন্তান রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে পৃথকভাবে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে। অনাদায়ে প্রত্যেককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ-৪ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
মামলার অন্য আসামিদের ৫ বছর করে কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই রায়ে মামলার বাকি আসামিদেরও অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুদকের করা এই দুই মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে পৃথকভাবে ১০ কাঠা করে দুটি সরকারি প্লট বরাদ্দ দেন।
১৩ দিন আগে
অবৈধভাবে সচিবালয়ে প্রবেশ, ৩ জনের জেল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। এজন্য সচিবালয়ে প্রবেশ ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে অবৈধভাবে সচিবালয় প্রবেশের কারণে ইতোমধ্যে তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ সচিবালয় প্রবেশ নীতিমালা–২০২৫’ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি সচিবালয়ে অননুমোদিতভাবে প্রবেশের দায়ে দুইজনকে আটক করে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম।
আটকরা হলেন— মো. আলিফ শরীফ ও মো. আশিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সই জাল করে তারা সচিবালয়ে প্রবেশ করেছিলেন যা সরকারি নির্দেশনার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, মো. আলিফ শরীফ দীর্ঘদিন ধরে সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য অবৈধ পাস তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এর আগে একাধিক ব্যক্তিকে এ ধরনের পাস তৈরিতে সহায়তা করেছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মো. আলিফ শরীফকে ১ মাস এবং মো. আশিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ঘটনার সূত্র ধরে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত মো. দিদারুল আলমকে চিহ্নিত করা হয়। তাকেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সচিবালয়ে অননুমোদিত যানবাহন প্রবেশের বিষয়টিও কঠোরভাবে নজরদারিতে রয়েছে। স্টিকারবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ স্টিকারযুক্ত গাড়ির প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মনিটরিং ও অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চলবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১৮ দিন আগে
হাওর ও জলাভূমি দখল-দূষণে ২ বছরের জেল, অধ্যাদেশ জারি
দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে জারি করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬।’
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জলাভূমি দখল, ভরাট এবং পরিবেশের ক্ষতিসাধনকারীদের জন্য জেল ও মোটা অঙ্কের জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
অধিদপ্তরের নতুন ক্ষমতা ও মহাপরিকল্পনা
নতুন এই আইনের আওতায় হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরকে সুনির্দিষ্ট কার্যাবলী বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের তালিকার ভিত্তিতে সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে হাওর ও জলাভূমির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। ‘মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়ন করবে, যা জলাভূমির সুরক্ষা ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে এখন থেকে হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সরকার চাইলে বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজনে যেকোনো হাওর বা জলাভূমিকে ‘সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
অপরাধ ও দণ্ড
নতুন এই অধ্যাদেশে হাওর ও জলাভূমি রক্ষায় অপরাধের ধরনভেদে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ করে, যারা অবৈধভাবে হাওর ও কান্দার জমি দখল, ভরাট, অননুমোদিত খনন কিংবা জলাভূমির পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করবেন, তাদের জন্য অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই সাজা কার্যকর হবে যদি কেউ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মাটি, বালু, পাথর বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করেন।
মৎস্য ও জলজ প্রাণী রক্ষায়ও সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেছে। নিষিদ্ধ জাল, বিষটোপ বা বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরা এবং হাওর এলাকার পরিযায়ী পাখি শিকার বা জলাবন ধ্বংস করলে অপরাধীকে ২ বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
এছাড়া, যদি মাছের প্রজনন বিঘ্নিত হয় এমনভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করা হয়, তবে তার জন্য ১ বছরের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
পরিবেশ দূষণ রোধে এই আইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করেন যার ফলে হাওরের পানি ও মাটি দূষিত হয়, তবে তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হবে।
এ ছাড়াও, অধিদপ্তরের জারি করা কোনো বিশেষ সুরক্ষা আদেশ বা নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে এবং সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষিত জায়গায় বিধিনিষেধ অমান্য করলেও দোষী ব্যক্তিকে ২ বছরের জেল ও ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড ভোগ করতে হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কারণে জলাভূমির প্রতিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়, তবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেই ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবেন। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিতে পারবেন, যা পালন করা বাধ্যতামূলক।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর ও জলাশয়গুলোর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং অবৈধ দখলদারদের দৌরাত্ম্য কমবে।
৩১ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: ২ জনের কারাদণ্ড
ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসকের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন তাদের আটক করা হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আসাদ আলী (২৫) এবং দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার নুর আলম (৩৫)।
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ কেন্দ্রে নুর আলম অন্য এক পরীক্ষার্থীর হয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। অপরদিকে আসাদ আলীকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় আটক করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশাদুল হক। তিনি বলেন, নুর আলমকে ১৫ দিনের এবং আসাদ আলীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরপর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অধীন রাজস্ব প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদের এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে চার হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের প্রশ্নপত্র ছিল।
৫০ দিন আগে
প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার ৫, রেহানার ৭, টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং শেখ রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এ মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ৫ বছর কারাদণ্ড, শেখ রেহানার ৭ বছর কারাদণ্ড এবং টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক।
এ ছাড়াও মামলার অন্য ১৪ আসামির প্রত্যেককে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি করেছিল গত ১৩ জানুয়ারি। গত ২৫ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। সেদিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য আজকের এই দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউক-এর সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। এদের মধ্যে আসামি খুরশীদ আলম কারাগারে আটক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শেখ রেহানার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।
গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে এই মামলায় ৩২ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারি মাসে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নং রাস্তার ৬টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
৭৬ দিন আগে