লন্ডন
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা থেকে ৮৬ টন সোনা লন্ডনে সরিয়ে নিল নেদারল্যান্ডস
‘ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার’ কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় রাখা নিজেদের ৮৬ টন সোনা যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সরিয়ে নিয়েছে নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংকটের সময় দ্রুত সোনা ব্যবহার বা লেনদেন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্য নেদারল্যান্ডস ব্যাংক (ডিএনবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
ডিএনবির মতে, নিউইয়র্ক ও অটোয়ার তুলনায় লন্ডনে রাখা সোনা দ্রুত ও সহজে লেনদেন করা যায়। ফলে সংকটের সময় তা দ্রুত কাজে লাগানো সম্ভব।
এ বিষয়ে ডিএনবির প্রেসিডেন্ট ওলাফ স্লেইপেন বলেন, ‘এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা আমাদের সোনার মজুত ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়িয়েছি। আমরা আশা করি, আমাদের কখনোই এসব সোনা ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। তবে আমাদের প্রস্তুতি ও সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।’
ডিএনবি আরও জানায়, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার মজুত ছিল ৬১২ দশমিক ৪ টন। ওই সময় এর মূল্য ছিল ৭২ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ৮৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।
সোনা সরানোর আগে নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল নিউইয়র্কে। আর ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল কানাডার রাজধানী অটোয়ায়।
৮৬ টন সোনা সরিয়ে নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা—উভয় দেশেই নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার মজুতের পরিমাণ কমে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে।
অন্যদিকে লন্ডনে থাকা সোনার পরিমাণ ১৮ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। আর নেদারল্যান্ডসের নিজস্ব ভূখণ্ডে এখনও মোট সোনার ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ রয়েছে।
ডিএনবি বলছে, সোনা সরানোর ক্ষেত্রে শুধু শারীরিকভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি কিছু সোনা কেনাবেচাও করা হয়েছে।
ব্যাংকটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ২৭ টনের বেশি সোনা সরাসরি নেদারল্যান্ডসের জেইস্টে নেওয়া হয়। পরে একই পরিমাণ সোনা জেইস্ট থেকে লন্ডনে পাঠানো হয়। এতে সোনার বারগুলো গলিয়ে নতুন করে তৈরি করার প্রয়োজন হয়নি।
ডিএনবি বলেছে, ‘কেনাবেচা ও সরাসরি পরিবহনের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সোনা সরানোর ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।’
চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে ব্যাংকটি জানিয়েছে।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসভিত্তিক ন্যাশনাল গোল্ড কাউন্টারের প্রেসিডেন্ট লরেন্ট শোয়ার্টজ বলেন, এক দশক ধরে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সোনার মজুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে আসছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিও কিছু কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সোনা রাখার জন্য অন্য জায়গাকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, লন্ডনের সোনার বাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও তারল্যপূর্ণ বাজারগুলোর একটি। তাই সংকটের সময় সেখানে থাকা সোনা দ্রুত ব্যবহার করা সহজ।
শোয়ার্টজ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সহজে তাদের সোনা ঋণ দিতে পারে।’
সিটে জেস্টিওন প্রাইভেট ব্যাংকের বিশ্লেষক জন প্লাসার্ড বলেন, নেদারল্যান্ডসের এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো ‘কোনো সংকট দেখা দিলে সোনার আরও তাৎক্ষণিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।’
তিনি আরও বলেন, আপাতত এটি বেশ একক একটি পদক্ষেপ। তবে অন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও একইভাবে সোনা সরিয়ে নিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
চলতি বছরের শুরুতে নিউইয়র্কে থাকা জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনার মজুতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুন্দেসব্যাংক আপাতত নিউইয়র্ক থেকে তাদের সোনার মজুত সরিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানুয়ারিতে জার্মানির সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এআরডিকে বুন্দেসব্যাংক জানিয়েছিল, নিউইয়র্ক ফেড তাদের সোনা সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
২ দিন আগে
লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতকে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে সোমবার (২৫ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আব্দুল মুহিতের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর পদে তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে গ্রেড-১ পদমর্যাদায় তাকে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী লন্ডন
নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগ, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির লন্ডনে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী স্যার ক্রিস ব্রায়ান্টের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
চলতি মাসের শেষের দিকে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিতব্য ১৪তম ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ-বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারনেস রোজি উইন্টারটন লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনে ড. খলিলুর রহমান এবং হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তারা এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিনিধি দলটি দুটি পৃথক বৈঠক করেন।
২০২৭–২০৩৬ মেয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বিচারক পদের ব্রিটিশ প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক ডাপো আকান্দে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতা কামনা করেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এই অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৭৯ দিন আগে
লন্ডন পাঠানোর নামে সিলেটে প্রতারণা, যশোরে ‘দম্পতি’ গ্রেপ্তার
লন্ডন পাঠানোর নামে সিলেটের একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কথিত এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোরের কোতোয়ালী থানার সেক্টর ৭-এর ৬ নম্বর বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রতারণার শিকার তরুণ-তরুণীরা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মুকিত মিয়া।
গ্রেপ্তাররা হলেন ঢাকার কদমতলী থানার রায়েরবাগ মিরজানগর সি ব্লকের বাসিন্দা মো. নাজিম উদ্দিন আদিল (৩৫) ও তার কথিত স্ত্রী ফারজানা শারমীন সোমা (৩৭)।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) তাদের সিলেট নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা জানান, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের এলিগেন্ট মার্কেটের এস আই ইন্টারন্যাশনাল নামক একটি ট্রাভেলসের মালিক ওই দম্পতি। সম্প্রতি তাদের প্রচারে আকৃষ্ট হয়ে লন্ডন যাওয়ার জন্য আইইএলটিএস সম্পন্ন করা অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের গহনা, জায়গা-জমি বিক্রি করে তাদের টাকা দেন। ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করে দেওয়ার নামে তারা জনপ্রতি ১৫ লাখ টাকা থেকে শুরু করে ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।
এক তরুণী বলেন, অনেক কষ্ট করে, গহনা বিক্রি করে আমরা উনাদের টাকা দিয়েছি, কিন্তু পরে দেখি সবকিছু ভুয়া। আমরা এর ন্যায়বিচার এবং টাকা ফেরত চাই।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতারকরা বেশ কৌশলী ছিলেন। ভিসা হয়ে গেছে, এমন ছবি দেখিয়ে টাকা আদায় করেছেন তারা। পরে দেখা গেছে, ভিসা সঠিক নয়। এরপর অফিসে গেলে তা খোলা পাওয়া যায়নি। এমনকি তারা তাদের মোবাইলও বন্ধ করে দেন। হতাশায় জর্জরিত ভুক্তভোগীরা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যশোর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
২৭১ দিন আগে
খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হচ্ছেন যারা
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ারের সামনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার মেডিকেল টিমে দেশি-বিদেশি চিকিসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আলোকে, সবকিছু ঠিক থাকলে আজকে মধ্যরাতে অথবা আগামীকাল সকালের মধ্যে কাতার রয়্যাল অ্যাম্বুলেন্সে করে খালেদা জিয়াকে ইউকেতে (যুক্তরাজ্য) নিয়ে যাওয়া হবে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় আমরা লন্ডনে একটি নির্ধারিত হাসপাতাল ঠিক করেছি, সেখানে ইনশাআল্লাহ আমরা উনাকে নিয়ে যাব।
যুক্তরাজ্য গমনকালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং দেশের বাইরের দুজন চিকিৎসক থাকবেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিমানে যাত্রাপথে সৃষ্ট যেকোনো প্রতিকূলতার মধ্যে যাতে তাকে চিকিৎসা দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে মেডিকেল বোর্ডে সদস্য হিসেবে আরও চিকিৎসকরা তার সঙ্গে থাকবেন।
এদিকে, খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী কারা হবেন, তার তালিকার একটি কপি ইউএনবির হাতে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা ওই তালিকা থেকে জানা গেছে, চিকিৎসকসহ মোট ১৪ জনের একটি দল খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হবেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী। পাঁচজন চিকিৎসকের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, অধ্যাপক মো. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, অধ্যাপক নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মো. জাফর ইকবাল ও মোহাম্মদ আল মামুন।
এ ছাড়া বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) সদস্য হিসেবে থাকবে দুজন— হাসান শাহরিয়ার ইকবাল ও সৈয়দ সামিন মাহফুজ। আরও থাকবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী মো. আব্দুল হাই মল্লিক, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মো. মাসুদার রহমান এবং দুই গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম ও রুপা শিকদার।
খালেদা জিয়া যেন সুস্থ হয়ে দেশে ফিরতে পারেন, তার জন্য দেশ ও দেশের বাইরের সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ডা. জাহিদ।
২৭৫ দিন আগে
মধ্যরাতে বা কাল সকালে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ারের সামনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
ডা. জাহিদ বলেন, খালেদা জিয়ার মেডিকেল টিমে দেশি-বিদেশি চিকিসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আলোকে, সবকিছু ঠিক থাকলে আজকে মধ্যরাতে অথবা আগামীকাল সকালের মধ্যে কাতার রয়্যাল অ্যাম্বুলেন্সে করে খালেদা জিয়াকে ইউকেতে (যুক্তরাজ্য) নিয়ে যাওয়া হবে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় আমরা লন্ডনে একটি নির্ধারিত হাসপাতাল ঠিক করেছি, সেখানে ইনশাআল্লাহ আমরা উনাকে নিয়ে যাব।
২৭৫ দিন আগে
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে পরিবার: মাহদী আমিন
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যেন আজ পুরো বাংলাদেশের আবেগ, আকাঙ্খা ও অনুভূতির প্রকাশ। এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও, তার চিকিৎসা মূলত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।’
তিনি লিখেছেন, ‘অনেকেই হয়তো জানেন না, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেশ-বিদেশে সমন্বয়ের মূল দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জুবাইদা রহমান। আর সেখান থেকেই মমতাময়ী মায়ের চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের বিলম্ব বা সীমাবদ্ধতা না ঘটে, তার জন্য তারেক রহমান সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অটল দৃঢ়তা নিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি ও পরিচালনা করছেন।
‘তাছাড়া দেশনেত্রীকে দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ হাসপাতালে ছুটে গেলেও, সিসিইউর ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। ইনফেকশনের প্রবল ঝুঁকির কারণে সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই। দূর থেকেই মানুষ তার প্রতি ভালোবাসা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।’
তারেক রহমানের উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপোষহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে, তাকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার। এই বছরেই লন্ডনের যে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের অধীনে চার মাস থেকে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী। সেই লক্ষ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।’
আশা প্রকাশ করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ইনশাআল্লাহ দ্রুত উন্নতি হবে, তিনি আধুনিক চিকিৎসা শেষে সন্তান-স্বজনসহ মুক্ত মাতৃভূমির মানুষকে বরাবরের মতোই অনুপ্রাণিত করবেন, জাতির অভিভাবক হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন ও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করবেন। আজ দেশের মানুষের প্রত্যাশা, প্রার্থনা ও আবেগ এই দৃঢ় বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই।’
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, মায়ের অসুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২৮০ দিন আগে
লন্ডনে তারেক-ইউনূসের বৈঠক ১৩ জুন
লন্ডনে আগামী ১৩ জুন (শুক্রবার) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে লন্ডনে স্থানীয় সময় ১৩ জুন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একটি বৈঠকের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’
মির্জা আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তখন থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকে এ বৈঠকের চেষ্টা করা হয়েছে। সবশেষ সোমবার স্থানীয় কমিটির মিটিংয়ে এ বৈঠকের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস
ফখরুল জানান, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা যে হোটেলে উঠেছেন, সেখানেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এ বৈঠকের মাধ্যমে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের পথ উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তারেক-ইউনূস বৈঠককে টার্নিং পয়েন্ট আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমান সরকারও এই অভ্যুত্থানের ফসল। এ দুপক্ষের বৈঠক সফল হলে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান আসবে।’
নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নিয়ে বৈঠক হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘পূর্ব নির্ধারিত কোনো এজেন্ডা নেই। সামগ্রিক বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলাপ হবে।’
এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য এটি মোটেই ভালো সময় না। এ সময়ে নির্বাচন হলে প্রচারণা চালাতে হবে রোজার মধ্যে। তারমধ্যে তখন থাকবে গরম। দেখা যাবে ইফতার পার্টি করতে করতে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে, আর জনসমাগম করতে হচ্ছে রাতের বেলা।’
আরও পড়ুন: চারদিনের সফরে লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গে টেনে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিকল্প নেই। তত্ত্ববধায়ক সরকার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না।’
সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা। অনেকেই বলেন বিএনপি সংস্কার চায় না। ২০৩০ ভিশন বিএনপির সর্বপ্রথম সংস্কার প্রস্তাব। বিএনপিই সবার আগে সংস্কারের কথা বলেছে।’
সবাইকে দায়িত্বশীল হয়ে সাবধানে কথা বলতে এবং ভুল বোঝাবুঝির ঊর্ধ্বে উঠে মিলেমিশে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
৪৫২ দিন আগে
চারদিনের সফরে লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (১০ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেন। সফরকালে বাকিংহাম প্যালেসে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি রাজা চার্লসের হাত থেকে গ্রহণ করবেন ‘কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’।
এছাড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্যের নীতিগবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউস আয়োজিত এক সংলাপে অংশ নেবেন।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্র জানায়, তার এই সফরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাজ্যের সমর্থনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এর পাশাপাশি পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়টিতে প্রাধান্য দেবে বাংলাদেশ।
আগামী ১৪ জুন প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস
এছাড়া লন্ডনে আগামী ১৩ জুন (শুক্রবার) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে লন্ডনে স্থানীয় সময় ১৩ জুন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একটি বৈঠকের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’
মির্জা আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তখন থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকে এ বৈঠকের চেষ্টা করা হয়েছে। সবশেষ সোমবার স্থানীয় কমিটির মিটিংয়ে এ বৈঠকের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াত দেয়া হয়েছে।’
ফখরুল জানান, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা যে হোটেলে উঠেছেন সেখানেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের মাধ্যমে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের পথ উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তারেক-ইউনূস বৈঠককে টার্নিং পয়েন্ট আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমান সরকারও এই অভ্যুত্থানের ফসল। এ দুপক্ষের বৈঠক সফল হলে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান আসবে।’
নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নিয়ে বৈঠক হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘পূর্ব নির্ধারিত কোনো এজেন্ডা নেই। সামগ্রিক বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে আলাপ হবে।’
আরও পড়ুন: ইউনূস-মোদির ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য এটি মোটেই ভালো সময় না। এ সময়ে নির্বাচন হলে প্রচারণা চালাতে হবে রোজার মধ্যে। তারমধ্যে তখন থাকবে গরম। দেখা যাবে ইফতার পার্টি করতে করতে টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে, আর জনসমাগম করতে হচ্ছে রাতের বেলা।’
৪৫২ দিন আগে
লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন জোবাইদা রহমান
প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফেরার এক মাস পরেই আবার লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনক্নি তিনি।
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বিমানবোর্ড করার পরপরই জোবাইদা রহমান বেগম জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দোয়া প্রার্থনা করেন।
এর আগে গতকাল (বুধবার) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ‘মাহবুব ভবনে’ তার মা ইকবাল মান্দ বানুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিদায় নেন জোবাইদা রহমান। এরপর তিনি গুলশানে শাশুড়ি খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় যান।
গত ৬ মে লন্ডনে চার মাসের উন্নত চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সে সময় জোবাইদাও তার সঙ্গে দেশে ফেরেন। এরমধ্য দিয়ে তার ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের অবসান ঘটে।
আরও পড়ুন: দুদকের মামলায় জামিন পেলেন জোবাইদা রহমান
২০০৮ সাল থেকে তারেক রহমান, ডা. জোবাইদা ও তাদের মেয়ে জাইমা রহমান লন্ডনে বসবাস করছেন।
জোবাইদা এমবিবিএস পরীক্ষায় মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছিলেন এবং ১৯৯৫ সালে বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।
পরে ২০০৮ সালে তিনি শিক্ষাবকাশে লন্ডন গেলে শেখ হাসিনার সরকার তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে।
এরপর লন্ডনে বসবাসকালেও জোবাইদা রহমান ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মেডিসিনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
৪৫৭ দিন আগে