অনুসন্ধান ফলাফল - অপহরণ
মোট - 194
বাবার হাতেই অপহরণের শিকার ৮ বছরের শিশু, উদ্ধার করল পুলিশ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় এক ব্যক্তি তারই সন্তানকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করেছেন। তবে পুলিশি অভিযানে সিয়াম (৮) নামের ওই শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিয়ামের বাবা তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে তাকে অপহরণ করেন। পরে তাকে একটি নির্জন বাগানে বেঁধে গলায় ধারালো হাসুয়া ধরে তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ না দিলে শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ গুম করারও হুমকি দেন তারা।
ঘটনার খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের টিম মাঠে নামে। অভিযানের একপর্যায়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর থানার পাকা দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীর বাবা মো. আজিজুল (২৮) এবং তার সহযোগী মো. আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া সিয়ামকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
অভিযানকালে ভুক্তভোগীর জীবন রক্ষার্থে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া ১০ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে ৭ হাজার টাকা এবং অপহরণে ব্যবহৃত একটি ধারালো হাসুয়া জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শিশুটির মা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিয়ামকে অপহরণ করেন তার বাবা। শিশুটিকে জিম্মি করে গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে ছবি তুলে তার মায়ের মুঠোফোনে ছবি পাঠান তারা। ওই নারীর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এ নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মামলা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে শিশুটিক উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তারা সর্বদা কঠোর অবস্থানে নিয়েছেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
১৬ দিন আগে
অর্থ আত্মসাৎ করতে ‘নিজেকে অপহরণের’ নাটক, বিকাশকর্মী গ্রেপ্তার
এজেন্টদের সরবরাহের উদ্দেশ্যে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর তা আত্মসাতের ফন্দি আসে বিকাশের এক বিক্রয় প্রতিনিধির। এরপর গা ঢাকা দিয়ে অপহরণের নাটক সাজান তিনি। সেইসঙ্গে ফোন করে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছেন ওই ব্যক্তি। তার সঙ্গে থাকা আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরে। এরপর গতকাল (মঙ্গলবার) তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিকেলেই দুজনকে আদালতের মাধ্যমে হাজতে পাঠিয়েছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— চাঁদপুর সদরের উত্তর ইচুলি এলাকার মো. রাব্বি (২২) এবং একই এলাকার ফরহাদ হোসেন (২১)। এই নাটকের মূল নাট্যকার রাব্বি বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, মেসার্স দিবা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিবেশক ও বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধি রাব্বি গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকা ব্যাংকের চাঁদপুর শাখা থেকে অফিসের সুপারভাইজারের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা তোলেন। এরপর টাকাগুলো সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিকাশ এজেন্টদের কাছে বিতরণের কথা ছিল তার। কিন্তু টাকাগুলো আত্মসাতের ধান্দায় পরিকল্পনা আঁটেন তিনি। সে মোতাবেক তিনি নিখোঁজ হন।
পরে মূল ঘটনা ধামাচাপা দিতে তিনি অফিসে ফোন করে জানান যে তাকে অপহরণ করা হয়েছে। বিষয়টি জেনে ওই দিনই চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রাব্বির ব্যবস্থাপক মনির হোসেন তালুকদার। পুলিশ তদন্তে নেমে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাব্বিকে আটক করে থানা পুলিশ।
এরপর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অপহরণ ও হামলার ঘটনা সাজানো বলে স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ (বুধবার) তার বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালাম গাজীর নেতৃত্বাধীন দলটি ওই টাকা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত রাব্বির সহযোগী মো. ফরহাদ হোসেনকেও (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ওসি ফয়েজ আহমেদ ইউএনবিকে বলেন, গ্রেপ্তাররা বিকাশের পরিবেশকের দায়িত্বে থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় ব্যবস্থাপকের পক্ষ থেকে থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি জানান, উদ্ধার করা টাকা জব্দ করা হয়েছে এবং মামলাটির বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
৫১ দিন আগে
খুলনায় অপহৃত স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেপ্তার
সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার কায়স্তরাইল এলাকা থেকে অপহৃত এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব। এ সময় অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে র্যাবের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করেছে বলে জানান র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া উইং) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
গ্রেপ্তার সোহাগ মিয়া (২৯) সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার ছনখাইর এলাকার বাসিন্দা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পর সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মেয়েটির পরিবার জানতে পারে, অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন যুবক তাকে খুলনা শহরের খানজাহান আলী থানাধীন ফুলবাড়ি গেইট বাসস্ট্যান্ড থেকে জোর করে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে খুলনার খানজাহান আলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে র্যাবের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্র্রী খুলনার খানজাহান আলী থানাধীন একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
৭৯ দিন আগে
অপহরণের ৩০ ঘণ্টার মধ্যে সিলেটে স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
সিলেটের মোগলাবাজার থানা এলাকা থেকে অপহরণ করা নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মোগলাবাজার থানা পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার ভানুগাছ রোড থেকে ওই কিশোরীকে (১৫) উদ্ধার করে। অভিযান চলাকালে অপহরণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মৌলভীবাজার সদর থানার কাশিনাথ রোড এলাকার আল আমিন হাসান (১৮) এবং একই থানার কাচরিবাজার এলাকার মাহি আহমেদ নয়ন (১৮)।
পুলিশ জানায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটি দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তার বাবা মোগলাবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজালাল শুভ অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, নিখোঁজের পরপরই পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে এবং সফলভাবে তাকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
৮৬ দিন আগে
অপহরণের পর বিবস্ত্র করে মুক্তিপণ আদায়, সিলেটে গ্রেপ্তার ২
সিলেটে এক ব্যক্তিকে অপহরণ পরবর্তীতে বিবস্ত্র করে শারীরিক নির্যাতন এবং ভিডিও ধারণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব-৯।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে র্যাবের একটি দল সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ভার্থখলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন— ওই এলাকার বাসিন্দা আহমদ হোসেন মাহিন (৩০) এবং শরীয়তপুর জেলার নাড়িয়া থানার হালইসার এলাকার বাসিন্দা সুহেল আহমদ (২৪)। আর ভুক্তভোগী সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সোনারখেওড় এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৩০ নভেম্বর দুপুরে ভুক্তভোগী সিলেট আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে বাসে চড়ে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। অপহরণকারীরা দক্ষিণ সুরমা থানার কদমতলী ওভার ব্রিজের পূর্ব পাশে রাস্তার ওপর চলন্ত বাসের গতিরোধ করে একটি মাইক্রোবাসে করে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। মাইক্রোবাসে তুলে তারা তার দুই চোখ কাপড় দিয়ে এবং দুই হাত পেছনের দিকে বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করেন। পরে নির্যাতনের ভিডিও তার পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগীর স্বজনরা তাকে বাঁচানোর জন্য ৮ লাখ টাকার মধ্যে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা ও ৩ লাখ টাকা অপহরণকারী চক্রকে পাঠান। এরপর গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের তালতলা এলাকায় ভুক্তভোগীকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
১০৭ দিন আগে
সুন্দরবন থেকে ৭ জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
মুক্তিপণের দাবিতে ডন বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীর হাঁসখালী, চেলাকাটা, হেতালবুনি খাল থেকে জেলেদের অপহরণ করা হয় বলে জানিয়েছেন ফিরে আসা জেলেরা।
অপহৃত জেলেরা হলেন— সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৫০), ইব্রাহিম হোসেন (৪৫), আনারুল ইসলাম (২২), নাজমুল হক (৩৪), শামিম হোসেন (৩৬), আনোয়ার হোসেন (৩২) ও হরিনগর জেলেপাড়ার মুজিবুল হোসেন (৩৫)।
ফিরে আসা দুই জেলে ফজের আলী ও সবুজ মিয়া জানান, সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে পাশ নিয়ে কাঁকড়া ধরার জন্য তারা সুন্দরবনে যান। বনে কাঁকড়া শিকারের জন্য রবিবার তারা মালঞ্চ নদীর বিভিন্ন খালে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনটি নৌকায় ১০ জন বন্দুকধারী তাদের ঘিরে ধরে। এ সময় তারা প্রতি নৌকা থেকে একজন করে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিকাশ নম্বর দিয়ে সেটিতে মুক্তিপণের মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
তারা আরও জানান, ঋণ করে তারা বনে গিয়েছিলেন। এখন চালান তো উঠবেই না, উল্টো মুক্তিপণ দিয়ে সহকর্মীদের ছাড়াতে হবে। এমন দুরবস্থার মধ্যে পড়ার চেয়ে মৃত্যুও ভালো ছিল বলে আক্ষেপ করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক বলেন, বনবিভাগের স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা নিচে রয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি আপনারা কোস্টগার্ডকে একটু অবহিত করেন।
কোস্টগার্ড কৈখালী বিসিজি স্টেশন সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বিষয়টি তারা শুনেছেন। অপহরণের শিকার জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। সবকিছু নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১১৭ দিন আগে
সাভারে ১০ মাস বয়সী অপহৃত শিশু আদাবর থেকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেপ্তার
সাভারে হেমায়েতপুর এলাকা থেকে ১০ বয়সী শিশু ইব্রাহিম অপহরণের পর রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকালে র্যাব-৪ এর মেজর জালিশ মাহমুদ খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অপহরণকারী আব্দুল মতিনকে (৪১) গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরে ভাড়া বাসায় শিশু ইব্রাহিমের বাবা-মা’র অনুপস্থিতে অভিযুক্ত অপহরণকারী আব্দুল মতিন শিশুটিকে বাসা হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অপহরণকারী শিশুটিকে ফেরৎ দিবে মর্মে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাবার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণের টাকা না দিলে অপহৃত শিশুটিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
পড়ুন: বান্দরবানে অপহরণের দুই দিন পর শিশুকে উদ্ধার
ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং এ বিষয়ে সাভার মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পরপরই র্যাব-৪ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণের ১৫ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর আদাবর থানার শেখের টেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু ইব্রাহিমকে উদ্ধার এবং অপহরণকারী আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তার করে।
পরে শিশুটিকে আজ সকালে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করলে পুলিশ শিশুটিকে পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়।
২১৭ দিন আগে
বান্দরবানে অপহরণের দুই দিন পর শিশুকে উদ্ধার
অপহরণের দুই দিন পর পুলিশি অভিযানে বান্দরবানে ৭ বছরের এক শিশু উদ্ধার হয়েছে।
গত বুধবার (৩০ জুলাই) মধ্যরাতে বাড়ির দরজা ভেঙে ওই শিশুকে মায়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাউছার জানান, জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন বাইশারী ইউনিয়নের রাঙ্গাঝিরি এলাকায় সৌদি প্রবাসি সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শাহেদা বেগম তার ১১ বছর বয়সী কন্যা সন্তান এবং ৭ বছর বয়সী ছেলে সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন। গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন অপহরণকারী তার বাড়িতে গিয়ে ঢেউটিনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর শাহেদা বেগমের ছেলেকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরেরদিন অপহরণকারীরা মা শাহেদা বেগমের মোবাইলে ফোন করে ছেলেটিকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় আসামি ধরতে গিয়ে র্যাবের ৭ সদস্য আহত, অপহরণকারী গ্রেপ্তার
পুলিশ সুপার জানান, অপহরণের সংবাদ পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা এবং কাগজীখোলা পুলিশ ফাঁড়ির একাধিক আভিযানিক দল ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। তারা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় অপহরণকারী দলের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। সেই সঙ্গে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়।
অপহরণকারী চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। অপহরণের ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
২৪৫ দিন আগে
গাইবান্ধায় আসামি ধরতে গিয়ে র্যাবের ৭ সদস্য আহত, অপহরণকারী গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অপহরণ মামলার আসামি ধরতে গিয়ে অপহরণকারীর সহযোগীদের হামলায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাত সদস্য আহত হয়েছেন। পরে, ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরপর, অপহ্নত কিশোরীকে উদ্ধার ও অপহরণকারী লিয়ন বাবু (২২) সহ তিন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে (১৮ জুলাই) জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানিগঞ্জ ইউনিয়নের কুড়ি পাইকা গ্রামের শাহীন মিয়ার স্কুল পড়ুয়া ১৩ বছরের মেয়ে শারিয়া মোস্তারিনকে অপহরণের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়। খবর পেয়ে অপহ্নত কিশোরীকে উদ্ধার করতে র্যাব সদস্যরা চাঁদপুর গ্রামে নান্নু মিয়ার বাড়িতে অভিযান শুরু করে।
এসময়, অপহরনকারী লিয়ন বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এমতাবস্থায় অপহরনকারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা করে অপহরনকারী বাবুকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে র্যাব-১৩ ক্যাম্পের ৭ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মো.নওশের আলম। এক পর্যায়ে র্যাব ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় র্যাব অপহৃত স্কুলছাত্রী শারিয়া মোস্তারিনকে উদ্ধার ও অপহরণকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
আহত র্যাব সদস্যদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামি ও সহযোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পর আজ তাদের আদালতে হাজির করা হয়।
২৫৯ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় অপহৃত সেই ব্যবসায়ীকে বাড়ির সামনে ফেলে গেল অপহরণকারীরা
কুষ্টিয়ায় অপহরণের একদিন পর ব্যবসায়ী মো. জাহা বক্সকে (৩৮) অচেতন অবস্থায় বাড়ির সামনে ফেলে রেখে গেছে অপহরণকারীরা।
সোমবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে চোখ ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাকে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অপহরণের পর তাকে মারধর করা হয়েছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
জাহা বক্স কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানাধীন আব্দালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামের মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে। তিনি বাড়ির পাশে ‘প্রান্ত স্টোর’ নামে একটি পাইকারি মুদি দোকান চালাতেন।
আরও পড়ুন: মুক্তিপণ না পেয়ে অপহৃত যুবককে হত্যা
এর আগে রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ টাকাসহ তাকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। অপহরণকারীরা একটি চিঠির মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। চিঠিতে পাঁচ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট ঠিকানায় টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলী হায়দার স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চরমপন্থি সংগঠন জাসদ গণবাহিনীর আঞ্চলিক নেতা হিসেবে পরিচিত আলী রেজা সিদ্দিক কালুর ভাই।
আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাহা বক্সের ছেলে প্রান্ত জানান, ‘রাত ১২টার দিকে আমাদের বাড়ির বারান্দায় কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনি। বাইরে বেরিয়ে দেখি বাবা অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। তার মুখ ও চোখ বাঁধা ছিল।’
‘পরে জানতে পারি দুইজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে তাকে নামিয়ে দিয়ে চলে গেছে। বাবাকে মারধর করা হয়েছে, মাথায় দাগও রয়েছে। তিনি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।’
অপহরণের রাতে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছিল তা জানাতে গিয়ে প্রান্ত বলেন, ‘একজন ব্যক্তি স্যালাইন নেওয়ার কথা বলে বাবাকে ডেকে নিয়ে যায়। বাবা তাকে পরিচিত কেউ ভেবেছিলেন, কিন্তু বাইরে গিয়ে দেখেন তিনি অপরিচিত। প্রথমে একজন থাকলেও পরে আরও একজনকে দেখা যায়। দোকান খোলার পরপরই পেছন থেকে বাবার মুখ, চোখ ও হাত বেঁধে তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। ক্যাশ বাক্সের নিচে রাখা টাকাও তারা নিয়ে গেছে। রাতেই পুলিশ বাড়িতে এসে কথা বলে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। বাবা জীবিত ফিরে এসেছেন, এটাই যথেষ্ট।’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘জাহা বক্সকে উদ্ধারে পুলিশ, ডিবি ও অন্যান্য বাহিনী সক্রিয় ছিল। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বর্তমানে পুলিশের তত্ত্বাবধায়নে আছেন। সুস্থ হলে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
আটক ইউপি চেয়ারম্যান সম্পর্কে ওসি জানান, ‘তার বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। তাকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’
২৯১ দিন আগে