ব্যবসা-বাণিজ্য
পুঁজিবাজার: টানা উত্থানে সপ্তাহ শেষ হলো ঢাকা-চট্টগ্রামে
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামে সূচকের বড় উত্থান হয়েছে, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ঢাকার বাজারে এই সপ্তাহে তিন দিনই লেনদেন হয়েছে ৬০০ কোটি টাকার ওপরে।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩২ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক—শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৬ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ১৪ পয়েন্ট করে।
ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৬৭৯ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৬৯০ কোটি টাকা।
ডিএসইতে সূচক এবং লেনদেনের পাশাপাশি দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৬টির, কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’—তিন ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিরই শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২১৪ কোম্পানির মধ্যে ১০১টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩৩ কোম্পানির ১৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আলহাজ টেক্সটাইল মিলস সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
৯.৯৯ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে রহিম টেক্সটাইল মিলস এবং ৬ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও, সার্বিক সূচক বেড়েছে ১১৮ পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৩০ কোম্পানির মধ্যে ১২৫টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪৮ কোটি টাকা।
৯ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আছে এপেক্স ফুডস এবং ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স।
২৩৯ দিন আগে
ঢাকার পুঁজিবাজারে বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন
চলতি বছরের সর্বোচ্চ ৬৯০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। পাশাপাশি বেড়েছে সূচক এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
বুধবার (৯ জুলাই) বছরের তৃতীয়বারের মতো ৬০০ কোটি টাকার লেনদেনের মাইলফলক ছুঁলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। একই সঙ্গে বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের ৫৩ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১০ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট করে।
ডিএসইতে সূচক এবং লেনদেনের পাশাপাশি দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৩, কমেছে ৭৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৬ কোম্পানির শেয়ারমূল্য।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— এই তিন ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে থাকা ২১৭ কোম্পানির মধ্যে ১৪৭ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৪৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩২ কোম্পানির ১৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংক সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
৯.৯৬ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে রহিম টেক্সটাইল মিলস এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি লিমিটেড।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও, সার্বিক সূচক বেড়েছে ১২৯ পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৩৩ কোম্পানির মধ্যে ১৫১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৪ কোম্পানির শেয়ারমূল্য।
সারাদিনে সিএসইতে ৪৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে নিউ লাইন ক্লোথিং।
২৪০ দিন আগে
স্বর্ণের দামে ৪২ বার পরিবর্তন, ভরিতে কমল ১৫৭৫ টাকা
দেশের বাজারে ভরিতে এক হাজার ৫৭৫ টাকা স্বর্ণের দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। চলতি বছর এ নিয়ে ৪২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বেড়েছে ২৭ বার, আর কমেছে ১৫ বার।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার (৭ জুলাই) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস, যা মঙ্গলবার (৮ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯২ টাকা।
আরও পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ, ১ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
২৪২ দিন আগে
পুঁজিবাজারে প্রথম ঘণ্টায় সূচকের উত্থান, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়েছে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
দিনের শুরুতেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১৮৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১২৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
প্রথম ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে ১৩০ কোটি টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট।
প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেয়া ৭৯ কোম্পানির মধ্যে ৪৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২০ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দিনের শুরুতে চট্টগ্রামে লেনদেন ছাড়িয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
২৪৬ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রামে সূচকের পতন, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সূচকের পতন হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির, কমেছে লেনদেন।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ অবস্থান করছে নেতিবাচকের ঘরে।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৪০০ কোম্পানির মধ্যে ১৩০ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২০৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরির ২১৯ কোম্পানির মধ্যে ৭২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: দুই শেয়ারবাজারেই দরপতন, ডিএসইর সূচকে কমেছে ৩৫ পয়েন্ট
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোম্পানির ২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। লাভেলো সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৪৬৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪৯৪ কোটি টাকা।
৯.৭৫ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক এবং ৭.৫৮ শতাংশ দাম কমে তলানিতে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন হয়েছে, সার্বিক সূচক কমেছে ৪১ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২২৯ কোম্পানির মধ্যে ৮৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১০৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ৩৫ কোটি টাকা।
৯.৯৭ শতাংশ দাম বেড়ে ঢাকার মতো সিএসইতেও শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক এবং ৯ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
২৪৯ দিন আগে
সূচকের পতনে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে দেশের দুই শেয়ারবাজার—ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। দিনের শুরুতেই আজ বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমেছে। শরিয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ৫ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৯ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে চতুর্থ দিনে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
এ সময় ডিএসইতে ৭৭টি কোম্পানির দর বেড়েছে, বিপরীতে দর কমেছে ২৪৪টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৫টি কোম্পানির শেয়ারদর। প্রথম ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে ১৬০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক ৩৮ পয়েন্ট কমেছে।
সিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া ১২৪টি কোম্পানির মধ্যে ৪০টির দর বেড়েছে, ৬৪টির কমেছে এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দিনের শুরুতে সেখানে মোট লেনদেন ছাড়িয়েছে ১৩ কোটি টাকা।
২৪৯ দিন আগে
পুঁজিবাজারে চতুর্থ দিনে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
পুঁজিবাজারে চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামের বাজারে সবকটি সূচকের উত্থান হয়েছে, বেড়েছে লেনদেন এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৭ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৮ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে ২০২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১২ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৮২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরির ২১৬ কোম্পানির মধ্যে ১৩২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪১ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২৭ কোম্পানির ৩৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। লাভেলো সর্বোচ্চ ২১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৩২৭ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩১৩ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং ৫.৪০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে ফার্স্ট ফাইন্যান্স।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার: সপ্তাহজুড়ে চলল সূচক, লেনদেন ও শেয়ারের মূল্যপতন
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৩ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১৯৩ কোম্পানির মধ্যে ৭৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ৯ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রনিক্স।
২৬১ দিন আগে
দীর্ঘ ছুটির পর লেনদেনে ফিরেই পুঁজিবাজারে দরপতন
ঈদের ১০ দিনের লম্বা ছুটি শেষে রবিবার লেনদেনে ফিরেছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসের লেনদেন শুরু হয়েছে দরপতনের মধ্য দিয়ে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমেছে, পাশাপাশি বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দামও কমে গেছে।
লেনদেনের শুরুতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেখা যায় নিম্নমুখী প্রবণতা। প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২৬ পয়েন্ট। পাশাপাশি শরিয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস এবং ব্লু-চিপ বা বাছাইকৃত কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ উভয়ই কমেছে ৮ পয়েন্ট করে।
লেনদেন শুরুর পরই ঢাকার বাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে মোট ২১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, মাত্র ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঈদের আগে উত্থান দিয়ে শেষ হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন
এই সময়ের মধ্যে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩০ কোটি টাকা।
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ঈদের পর লেনদেন শুরু হয়েছে পতনের মধ্য দিয়ে। লেনদেনের শুরুতেই সিএসইর সার্বিক সূচক কমেছে ৪৪ পয়েন্ট।
প্রথম ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বাজারে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, ৭টি বেড়েছে এবং ২টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এই সময় সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
২৬৪ দিন আগে
চামড়া শিল্পে ১৫ বছরে ব্যাপক নৈরাজ্য হয়েছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
দেশের চামড়া শিল্পে বিগত ১৫ বছরে সৃষ্ট ব্যাপক নৈরাজ্য ও সিন্ডিকেট নির্মূলে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, ‘দেশের চামড়া শিল্পে বিগত ১৫ বছরে ব্যাপক নৈরাজ্য হয়েছে। এর ফলে শিল্পটির চরম অধঃপতন হয়েছে। এ খাতে যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, তা নির্মূলে সরকার কাজ করছে।’
সোমবার (৯ জুন) দুপুরে যশোরের রাজারহাটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার হাটে কোরবানির চামড়ার সুস্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, 'আমরা চামড়া শিল্পে সবার আগে এতিমখানা ও মাদরাসার স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছি। পাশাপাশি দেশের চামড়া শিল্পের সার্বিক স্বার্থ ও ভবিষ্যৎ চিন্তা করেই কার্যক্রম পরিচালনা করছি।'
তিনি বলেন, 'গত ১৫ বছরে চামড়া শিল্পের যে অধঃপতন ঘটেছে, তা পুনরুদ্ধার এবং অবৈধ সিন্ডিকেট ভাঙতে আমরা সারা দেশে কাজ করছি। আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কন্ট্রোল টিমও সক্রিয় রয়েছে।'
চামড়ার সঠিক মূল্য নিশ্চিত ও মূল্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার সারাদেশে লবণ বিতরণ করেছে উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, চামড়ার দাম বাড়াতে সংরক্ষণের জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার মন লবণ বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ চামড়ার মূল্য নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। অনেক মাদরাসা লবণ ছাড়াই চামড়া সংগ্রহ করেছে। অথচ সরকার লবণ ছাড়া চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে না। অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তা নষ্ট করেছেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাননি।
উপদেষ্টা বলেন, ট্যানারি মালিকদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকার ঈদের আগেই ২২০ কোটি টাকার প্রণোদনা ছাড় করেছে। বাজার ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের চাহিদা তৈরি হবে বলে আশা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চামড়া শিল্পের নৈরাজ্য নিয়ে এখনও সরকারের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। অথচ সরকার চামড়া রক্ষায় যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। সবার সহযোগিতা পেলে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারব।
এসময় যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহার ইসলাম এবং পুলিশ সুপার রওনক জাহান উপস্থিত ছিলেন।
২৭০ দিন আগে
ফেনীতে পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা, নদীতে ফেলে দেওয়ায় গ্রেপ্তার ১
কম দামে কোরবানির পশুর চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। ঈদের পরে দিন রাত অপেক্ষা করেও চামড়া বিক্রি করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। ফলে চামড়ায় পচন ধরে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় তা ফেলেই চলে যান অনেকে। কিছু ব্যবসায়ী এলাকাবাসীর চাপে দুর্গন্ধ বের হওয়া চামড়াগুলো পিকআপ করে মুহুরী নদীতে ফেলেছেন বলে জানা গেছে। আবার অনেকে ক্রেতা পেলেও ক্রয় মূল্যের থেকে কম দাম বলায় বিক্রি করতে পারেননি।
সোমবার (৯ জুন) দুপুর পর্যন্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এদিকে ফেনীর পরশুরামে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় সিলোনিয়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন শুক্কুর আলী নামের এক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় তাকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৮ জুন) রাতে পরশুরামের চিথলিয়া ইউনিয়নের মালিপাথর থেকে ভ্রাম্যামাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের নির্দেশে তাকে আটক করা হয়।
আটক শুক্কুর আলী মালিপাথর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে। এর আগে বিকালে চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, শুক্কুর নামের স্থানীয় মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী কোরবানির ঈদের দিন গ্রামে ঘুরে ঘুরে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বেশ কিছু কোরবানির পশুর চামড়া কেনেন। এরপর চামড়া বিক্রির জন্য পিকআপভ্যানে পরশুরাম বাজারে নিয়ে যান। কিন্তু কেউ চামড়া কেনার আগ্রহ না দেখালে রাগে-ক্ষোভে চামড়াগুলো নদীতে ফেলে দেন।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, পশুর চামড়া নদীতে ফেলে পরিবেশ দূষণের দায়ে অভিযুক্তকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে ফেনী সদরসহ ৫টি উপজেলার বিভিন্ন বাজারের রাস্তায় পচা চামড়া পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এতে করে পচা চামড়ার দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রশাসন থেকে অবিক্রিত চামড়ার জন্য বিনা মূল্যে লবন বিতরণ করার ঘোষণা করে। অবিক্রিত চামড়ায় লবণ দিয়ে বিক্রির কথা বলা হয়ে থাকলেও ব্যবসায়ীরা তা করেননি। ফলে ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে পচন ধরে পুরো এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, গত শনিবার রাত থেকে জেলার বিভিন্ন বাজারের কয়েক হাজার চামড়া ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা বিক্রির জন্য অপেক্ষা করে।
কিন্তু কোনো বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে সোমবার দুপুরে চামড়া ফেলে পালিয়ে যায় তারা। চামড়া পচনের ফলে রাস্তার আশেপাশে দুর্গন্ধ ও চামড়ার পানি বের হওয়ায় পথচারী ও যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবল চাকমা জানান, সরকার চামড়া বিক্রির দাম প্রকাশ করেছে। চামড়া ব্যবসায়ীদের কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে, কারণ আগামী কয়েক দিন ঢাকায় চামড়া প্রবেশ করতে পারবে না।
ফেনীর জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, এক-দুইটা ব্যতিক্রম ছাড়া তালিকার সকল মাদরাসা, এতিমখানাকে চামড়া সংরক্ষণের জন্য লবণ দেওয়া হয়েছে ১২৩ টন বিনামূল্যে। চামড়া সংরক্ষণ করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। তবে, কেউ কেউ লবণ নিলেও চামড়া সংরক্ষণ করে নাই বলে আমরা জানতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন, চামড়া ধরে না রাখলে ভালো দাম পাওয়া যাবে না। বাজারে সাপ্লাই অত্যধিক হলে মৌসুমী ব্যবসায়ী কিংবা 'সিন্ডিকেট' সুযোগ নিতে পারে। ঢাকায় ঈদের ১০ দিন কোনো চামড়া ঢুকতে পারবে না।
২৭০ দিন আগে