ক্রিকেট
বিসিবি থেকে পদত্যাগ করলেন সুজন
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিসিবিতে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
২০১৩ সালে নির্বাচনে গাজী আশরাফ হোসেনকে হারিয়ে বিসিবি পরিচালক হন সুজন। তারপর থেকে গত ১১ বছরে বিসিবির বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পর সরে দাঁড়ালেন তিনি।
সবশেষ বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ছিলেন ৫৩ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার। সঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের সহ-সভাপতির ভূমিকায়ও দেখা গেছে তাকে।
আরও পড়ুন: পাপনের পদত্যাগ, বিসিবির নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ
তার মেয়াদকালে ২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এছাড়া এ বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপও জিতেছে যুবাদের দলটি।
বোর্ড পরিচালক থাকাকালে আরও কিছু দায়িত্ব পালন করেছেন সুজন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ও ম্যানেজারের ভূমিকায় কাজ করেছেন তিনি।
পরিচালক হিসেবে বোর্ডের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ জাতীয় দলের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, বহুদিন ধরে বিসিবির একাধিক কমিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় তাকে নিয়ে নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে। একজন ব্যক্তি একসঙ্গে এতগুলো দায়িত্ব কীভাবে পালন করছেন, এ নিয়ে নানা সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: সংস্কার ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দিলেন নতুন বিসিবি সভাপতি
গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে বিসিবিতে পদত্যাগের মিছিল চলছে। তার আগে পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জালাল ইউনুস, আহমেদ সাজ্জাদুল আলম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও নাইমুর রহমান দুর্জয়।
৫৪১ দিন আগে
ভারত সফরে বাংলাদেশের কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না সৌরভ
প্রায় দুই যুগ আগে অভিষেক টেস্ট থেকে শুরু করে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের খাতা এখনও ফাঁকা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে ১৩ বারের দেখায় ১১ বারই হারের তেতো স্বাদ নিতে হয়েছে টাইগারদের; বাকি দুটি ম্যাচ বৃষ্টির সৌজন্যে হয়েছে ড্র। আসন্ন সিরিজেও স্পষ্টই এগিয়ে থাকবে ভারত।
তবে অতীত যাই হোক, সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট ক্রিকেট বাংলাদেশের ভালো পারফরম্যান্স ভারত সিরিজ থেকে প্রাপ্তির খাতায় কিছুটা হলেও দাগ কাটার আশা জাগিয়েছে।
পাকিস্তানের মাটিতে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজ জিতে ভারত সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর দলটি ভারতের বিপক্ষেও এবার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের কণ্ঠেও সম্প্রতি ঝরেছে এমন আশা। তবে ভারত সফরে বাংলাদেশের তেমন কোনো আশা দেখছেন না দেশটির সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা চারে উঠে এল বাংলাদেশ
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানে গিয়ে তাদের হারিয়ে আসা চাট্টিখানি কথা নয়। সেজন্য বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন। কিন্তু ভারতীয় দল সম্পূর্ণ আলাদা। ভারত দেশে এবং বিদেশে, দুই জায়গাতেই ভালো খেলছে। এছাড়া ভারতের ব্যাটিং ইউনিটও বেশ শক্তিশালী। সে কারণেই আমার মনে হয় না যে বাংলাদেশ এখানে জিততে পারবে।’
ভারতই সিরিজ জিতবে বলে মনে করেন বিসিসিআইয়ের সাবেক প্রধান। তবে বাংলাদেশ যে স্বাগতিকদের ছেড়ে কথা বলবে না, সে কথাও উল্লেখ করতে ভোলেননি তিনি।
‘কিন্তু ভারতের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলবে। কারণ, পাকিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে এই সিরিজটি খেলতে আসছে তারা।’
এসময় বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের হোয়াইটওয়াশ হওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন সৌরভ। তার কথায়, ‘আমি দেশটিতে প্রতিভার অভাব দেখতে পাচ্ছি। পাকিস্তানকে নিয়ে যখনই ভাবি, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, সঈদ আনোয়ার, মোহাম্মদ ইউসুফ, ইউননুস খানরা। কিন্তু তেমন প্রতিভা বর্তমান পাকিস্তান দলে নেই।’
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
সৌরভ বলেন, ‘প্রত্যেক প্রজন্মেই ভালো ক্রিকেটার থাকা দরকার। তবে ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও তারপর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওদের যে পারফরম্যান্স দেখলাম, তা থেকেই বোঝা যায় যে দেশটি থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসছে না।’
পাকিস্তানের খেলার জগতের মানুষদের এ অবস্থার দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক এ অধিনায়ক।
প্রসঙ্গত, দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারত সফর করবে বাংলাদেশ। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট ম্যাচ মাঠে গড়াবে। এরপর দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কানপুরে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে।
৫৪২ দিন আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন মঈন আলী
সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে ‘বিদায়’ বলে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বোলিং অলরাউন্ডার মঈন আলী। ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
এর ফলে চলতি বছর অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে থাকল। ম্যাচটিতে হেরে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়।
তরুণদের নিয়ে ইংলিশ ক্রিকেটে পালাবদল শুরু হয়ে গেছে। অভিজ্ঞ মঈনকে দলের পক্ষ থেকে তা বুঝিয়েও দেওয়া হয়েছে। তাই সময় বুঝে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জেতা এই অলরাউন্ডার।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বয়স ৩৭ হয়ে গেছে। যথেষ্ট ক্রিকেট খেলেছি। এখন পরবর্তী প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার সময় এসেছে।’
‘(আসন্ন) অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আমাকে দলে রাখা হয়নি। এ বিষয়ে আমাকে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই মনে হচ্ছে, এখনই (বিদায় বলে দেওয়ার) সঠিক সময়। আমি (দলের জন্য) আমার কাজ সেরেছি।’
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে মালান
২০১৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাদা বলে অভিষেক হয় মঈনের। এরপর ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি খেলেছেন ১৩৮টি ওয়ানডে ও ৯২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। পরের বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লর্ডসে ইংল্যান্ডের জার্সিতে টেস্টে অভিষিক্ত হন তিনি। দশ বছরের ক্যারিয়ারে ৬৮টি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছে তার।
ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৬ হাজার ৬৭৮ রান করেছেন মঈন, যার মধ্যে শতক আছে আটটি এবং অর্ধশতক ২৮টি। এছাড়া বল হাতে সব মিলিয়ে ৩৬৬ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন এই অলরাউন্ডার।
বিদায় বেলায় নিজের এমন ক্যারিয়ার নিয়ে গর্বিত মঈন। তিনি বলেন, ‘আপনি যখন ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথমবার খেলেন, তখন ঠিক জানেন না যে আরও কতগুলো ম্যাচ আপনি খেলার সুযোগ পাবেন। সেখানে আমি প্রায় তিনশ ম্যাচ খেলেছি।’
এখন সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবতাকেই মেনে নিচ্ছেন তিনি।
‘দেখুন, চাইলে আরও কিছুদিন (ইংল্যান্ডের হয়ে) খেলার চেষ্টা করতে পারতাম, কিন্তু আমি জানি যে বাস্তবে তা প্রায় অসম্ভব। অবসর নিচ্ছি যদিও, কিন্তু আমার মনে হয় এখনই (অবসর নেওয়ার) সময় আসেনি। আরও কিছুদিন আমি খেলতে পারি বলেই আমার মনে করি।’
‘তবে আমি বাস্তবতা বুঝি। দল এখন নতুন চক্রে প্রবেশ করছে। তাই নিজের কাছে সৎ থাকার চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে শিখর ধাওয়ানের বিদায়
নিয়তি মেনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াতে হলেও এখন তাই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মনোনিবেশ করতে চান তিনি। এরপর কোচিংয়ে ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার ইচ্ছা এই ক্রিকেটারের।
‘আরও কিছুদিন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলব, কারণ আমি এখনও খেলতে উপভোগ করি। তবে একটা পর্যায়ে গিয়ে যে কোচিং করাব, তা আমার আগে থেকেই ঠিক করে রাখা। আমি সেরাদের (কোচ) একজন হতে চাই। বাজের (ব্রেন্ডন ম্যাককালাম) কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’
শেষ বেলায় ক্রিকেটভক্তদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার ইচ্ছাও ঝরল তার কণ্ঠে।
‘আশা করি মুক্ত চেতনার মানুষ হিসেবে সবাই আমাকে মনে রাখবে। ক্যারিয়ারে কিছু ভালো শট খেলেছি, কিছু বাজে শটও খেলেছি; সর্বোপরি আশা করছি, সবাই আমার খেলা উপভোগ করেছে।’
৫৪৪ দিন আগে
জিম আফ্রো টি-টেনে জায়গা নিশ্চিত করলেন রিশাদ
বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন হারারে বোল্টসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে জিম আফ্রো টি-টেনে জায়গা নিশ্চিত করেছেন।
গত সপ্তাহে, বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) জন্য হোবার্ট হারিকেন্সও রিশাদকে দলে নিয়েছিল। সাকিব আল হাসানের পরে তিনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসাবে বিবিএল দলে যোগ দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: ইংলিশ ক্রিকেটের তিন সংস্করণেরই দায়িত্বে ম্যাককালাম
গত বছর জিম আফ্রো টি-টেনেও অংশ নিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও তাসকিন আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলেন রিশাদ।
অভিষেক বিশ্বকাপে ১৪ উইকেট নিয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ক্রিকেট কিংবদন্তিদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই লেগস্পিনার।
আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে গেলেন বাটলার
৫৪৬ দিন আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে গেলেন বাটলার
ডান পায়ের গোড়ালির ইনজুরি থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে না ওঠায় চলতি মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারবেন না ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) তার দলে না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। এদিন ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ড।
তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে না থাকলেও চলতি মাসের শেষের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য তাকে দলে রাখা হয়েছে।
গত জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেন বাটলার। পরের মাসে দ্য হান্ড্রেডের জন্য প্রস্তুতির সময় চোট পান তিনি। ফলে ওই টুর্নামেন্টে আর মাঠে নামা হয়নি তার। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও মিস করছেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
বাটলারের অনুপস্থিতিতে এই সিরিজে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন ফিলিপ (ফিল) সল্ট।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দলে রাখা হলেও বাটলারের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছেই। তিনি খেলতে না পারলে ওয়ানডেতে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করতে পারেন হ্যারি ব্রুক।
আরও পড়ুন: ইংলিশ ক্রিকেটের তিন সংস্করণেরই দায়িত্বে ম্যাককালাম
টি-টোয়েন্টি দলে বাটলারের পরিবর্তে ডাক পেয়েছেন টেস্টে অভিষেক হলেও সাদা বলে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা অলরাউন্ডার জেমি ওভারটন। এছাড়া টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পাওয়া জর্ডান কক্সকে কভার হিসেবে ওয়ানডে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জ্যাকব বেথেল ও পেসার জন টার্নার ডাক পেয়েছেন দুই সংস্করণেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওভাল টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্যারিয়ার শুরু করতে যাওয়া জশ হালও আছেন দুই সংস্করণের দলে।
আগামী ১১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং ১৯ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।
ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: ফিল সল্ট, জোফরা আর্চার, জ্যাকব বেথেল, ব্রাইডন কার্স, জর্ডান কক্স, স্যাম কারান, জশ হাল, উইল জ্যাকস, লিয়াম লিভিংস্টোন, সাকিব মাহমুদ, ড্যান মুসলি, জেমি ওভারটন, আদিল রশিদ, রিস টপলি ও জন টার্নার।
ইংল্যান্ড ওয়ানডে স্কোয়াড: জস বাটলার, জোফরা আর্চার, গাস অ্যাটকিনসন, জ্যাকব বেথেল, হ্যারি ব্রুক, ব্রাইডন কার্স, জর্ডান কক্স, বেন ডাকেট, জশ হাল, উইল জ্যাকস, ম্যাথু পটস, আদিল রশিদ, ফিল সল্ট, জেমি স্মিথ, রিস টপলি ও জন টার্নার।
৫৪৭ দিন আগে
ইংলিশ ক্রিকেটের তিন সংস্করণেরই দায়িত্বে ম্যাককালাম
টেস্টে সাফল্যের পর এবার ইংল্যান্ডের সীমিত সংস্করণের ক্রিকেটেরও প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত ম্যাককালামের চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে ইসিবি।
ইংল্যান্ডের সাদা বলের কোচ হিসেবে ম্যাথু মটের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ম্যাককালাম। আগামী বছরের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ানডে ও টে-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি।
২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং চলতি বছরের জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর সমালোচনার মুখে পড়েন মট। এরপর পদত্যাগ করেন এই কোচ।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সূচি চূড়ান্ত
মটের পদত্যাগের পর ইংল্যান্ডের অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয় মার্কাস ট্রেসকোথিককে। চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হতে চলা সিরিজ এবং অক্টোবর মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলটির দায়িত্ব পালন করবেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই ওপেনার। এরপর জানুয়ারিতে ভারত সফরের আগে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন মাককালাম।
২০২২ সালে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভয়ডরহীন ব্র্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ে এসেছেন ম্যাককালাম। তার এই আক্রমণাত্মক খেলার ধরন অবলম্বন করে সাফল্যও পেয়েছে ইংল্যান্ড। ৪২ বছর বয়সী সাবেক এই কিউই অধিনায়ক দলটির দায়িত্ব নেওয়ার আগের ১৭ টেস্টে মাত্র একবার জয়ের দেখা পায় ইংল্যান্ড। তবে তার তত্ত্বাবধায়নে ২৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ১৯টিতে জিতেছেন স্টোকস-রুটরা।
ক্রিকেটার থাকাকালে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণে তার ডাকনাম হয়ে গিয়েছিল ‘বাজ’। এবার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেই ব্র্যান্ড চালু করায় তার খেলার কৌশল ‘বাজবল’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
লাল বলের সাফল্যের ধারা তিনি এবার সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও বয়ে আনতে চান। নতুন দায়িত্ব পেয়ে তাই উচ্ছ্বসিত ম্যাককালাম।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘টেস্ট দলের সঙ্গে কাটানো সময় আমি দারুণ উপভোগ করেছি। এখন সাদা বলের দায়িত্ব পেয়ে আমি রোমাঞ্চিত।’
‘নতুন এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে আমি প্রস্তুত। অধিনায়ক জস ও দলের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করতে আমি উন্মুখ।’
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
আগামী সপ্তাহে ওভালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পর সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম পাবেন ম্যাককালাম। এরপর তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অক্টোবরের শুরুতে পাকিস্তান সফরে যাবে তার দল। এরপর নভেম্বরের শেষের দিকে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ড সফর করবে ইংল্যান্ড।
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম দুটিতেই জয় পেয়ে ইতোমধ্যে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এবার লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে শুক্রবার তৃতীয় টেস্টে মাঠে নামছেন ম্যাককালামের শিষ্যরা।
৫৪৮ দিন আগে
রাতে দেশে ফিরছে টাইগাররা, যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সাকিব
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশে ফিরছে বাংলাদেশ দল। তবে দলের সঙ্গে দেশে না ফিরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
ক্রিকেটারদের দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ক্রিকেটারদের একাংশ রাত ১১টায় দেশে পৌঁছাবে, অন্য অংশ আসবে রাত ২টার দিকে।
সাকিবের ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পরিবারের কাছে ফিরতে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন তিনি। তবে আসন্ন ভারত সিরিজে তাকে দলে রাখা হলে সেখান থেকেই ভারত সফরে যাবেন তিনি।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা চারে উঠে এল বাংলাদেশ
দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে চলতি মাসেই ভারত সফর করবে বাংলাদেশ। তাই দেশে ফিরলেও বেশি দিন বিশ্রাম পাচ্ছেন না ক্রিকেটাররা।
আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু হতে পারে।
প্রসঙ্গত, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাই টেস্ট দিয়ে ভারত সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কানপুরে হবে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটিটি। এরপর ৬, ৯ ও ১২ অক্টোবর যথাক্রমে গোয়ালিওর, দিল্লি ও হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
৫৪৮ দিন আগে
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সূচি চূড়ান্ত
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রের (২০২৩-২৫) ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে লর্ডসের নাম আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত করা হয়েছে দিনক্ষণও। প্রতিযোগিতার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি শুরু হবে ২০২৫ সালের ১১ জুন।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) ফাইনালের সূচি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
আগামী বছরের ১১ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিখ্যাত লর্ডস স্টেডিয়ামে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসরের ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রয়োজনে ১৬ জুন রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে।
আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সর্বশেষ স্ট্যান্ডিং অনুসারে, ৯ ম্যাচে ৬টি জয়, ১টি ড্র ও ২টি হারে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ভারত; ৬৮.৬২ শতাংশ হারে তাদের পয়েন্ট ৭৪। আর ২ ম্যাচে ৮টি জয়, ১টি ড্র ও ৩টি হারে দ্বিতীয় অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া; ৬২.৫০ শতাংশ হারে তাদের পয়েন্ট ৯০। ফাইনালে এই দুই দলের খেলার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
এছাড়া ৫০.০০ শতাংশ হারে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। আর ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করায় চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ৬ ম্যাটের তিনটিতে জয় ও তিনটিতে হেরে ৪৫.৮৩ শতাংশ হারে তাদের পয়েন্ট ৩৩।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা চারে উঠে এল বাংলাদেশ
টেবিলের পঞ্চম অবস্থানে থাকা ফাইনালের আয়োজক ইংল্যান্ডের নামের পাশে ১৫ ম্যাচে রয়েছে ৪৫ শতাংশ পয়েন্ট।
পরের চারটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা (৬ ম্যাচে ৩৮.৮৯ শতাংশ পয়েন্ট), শ্রীলঙ্কা (৬ ম্যাচে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট), পাকিস্তান (৭ ম্যাচে ১৯.০৫ শতাংশ পয়েন্ট) ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৯ ম্যাচে ১৮.৫২ শতাংশ পয়েন্ট)।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম চক্রের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। ২০২১ সালে সাউদ্যাম্পটনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে ৮ উইকেটে হারায় কিউইরা।
এরপর ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় চক্রের ফাইনালেও কপাল পোড়ে ভারতের। লন্ডনের ওভালে রোহিত শার্মার দলকে ২০৯ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া।
দুই বছর ধরে চলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের একেকটি চক্র। পয়েন্টের শতকরা হারে টেবিলের শীর্ষে থাকা দুই দল ফাইনালে অংশগ্রহণ করে থাকে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
৫৪৯ দিন আগে
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা চারে উঠে এল বাংলাদেশ
২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছে টাইগাররা।
পাকিস্তানে সফরে যাওয়ার আগে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ র্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্ট জিতে এক ধাপ উপরে ওঠে টাইগাররা, আর দ্বিতীয় টেস্ট জিতে এক লাফে চার নম্বর স্থানে উঠে এসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। আর এই জয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলেও অনেক রদবদল এসেছে।
আরও পড়ুন: দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যা বললেন মাশরাফি ও তামিম
আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সর্বশেষ স্ট্যান্ডিং অনুসারে, ৬ ম্যাটের তিনটিতে জয় ও তিনটিতে হেরে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে ৩৩ পয়েন্ট পেলেও টাইগারদের শতাংশ হার ৪৫.৮৩।
অন্যদিকে, হোয়াইট ওয়াশ হয়ে বাংলাদেশের আগের অবস্থান অষ্টম স্থানে নেমে গেছে পাকিস্তান। ৭ ম্যাচে ১৯.০৫ হারে তাদের পয়েন্ট ১৬।
এছাড়া, ৯ ম্যাচে ৬টি জয়, ১টি ড্র ও ২টি হারে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ভারত; ৬৮.৬২ শতাংশ হারে তাদের পয়েন্ট ৭৪। ২ ম্যাচে ৮টি জয়, ১টি ড্র ও ৩টি হারে দ্বিতীয় অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া; ৬২.৫০ শতাংশ হারে তাদের পয়েন্ট ৯০। আর ৫০.০০ শতাংশ হারে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড।
আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক জয়ের কৃতিত্ব একাই নিতে চান না লিটন
৫৪৯ দিন আগে
দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যা বললেন মাশরাফি ও তামিম
চতুর্থ দিন জয়ের সুবাস ছড়িয়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪২ রান তুলে দিন শেষ করার পর দেশের ক্রিকেটপ্রেমী প্রতিটি মানুষই পঞ্চম দিনে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের খোঁজখবর রাখছিলেন। লাইভ ক্রিকেট অ্যাপ, লাইভ স্ট্রিমিং কিংবা টেলিভিশনের সামনে, নিজ নিজ জায়গা থেকে জয়ের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছিলেন সবাই। এরপর ঐতিহাসিক জয়ের পর টাইগারদের উদ্দেশে শুভেচ্ছাবার্তায় ভেসে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
ক্রিকেটের এলিট সংস্করণে পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর নাজমুল হোসেন অ্যান্ড কোং-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক দুই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তামিম ইকবালও।
পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর নিজের ভ্যারিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন মাশরাফি। দলের বিজয় উৎসবের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়! অভিনন্দন বাংলাদেশ।’
আরও পড়ুন: সিরিজসেরার প্রাইজমানি আন্দোলনে নিহত রিকশাচালকের পরিবারকে উৎসর্গ করলেন মিরাজ
জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও ট্রফিসহ বাংলাদেশ দলের উদযাপনের ছবিটি পোস্ট করে ফেসবুকে শুভেচ্ছা বার্তা দেন।
ইংরেজি ভাষায় লেখা সেই বার্তার বাংলা এরকম, ‘এটা স্রেফ অসাধারণ… ৬ উইকেটে ২৬ রান থেকে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়! কী দারুণ ঘুরে দাঁড়ানো…’
‘(বাংলাদেশ) দলকে অনেক বড় অভিনন্দন… এটি অনেক দিন ধরে স্মরণ করা হবে।’
এর আগে, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ জিতলেও সিরিজ জেতা হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশের। টেস্টে তাদের সিরিজ জয়ের রেকর্ড ছিল শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক জয়ের কৃতিত্ব একাই নিতে চান না লিটন
তবে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ২-০ ব্যবধানে জিতলেও সেবার চুক্তি সংক্রান্ত ঝামেলায় শীর্ষ ক্রিকেটারদের কেউই টাইগারদের বিপক্ষে হওয়া ওই সিরিজে খেলেননি। মূলত ক্যারবীয়দের দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ।
তাই প্রথমবার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সারির কোনো পূর্ণ শক্তির দলের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে ইতিহাস সৃষ্টির পাশাপাশি ক্রিকেটের এলিট সংস্করণে নিজেদের বীরত্বগাঁথা আরও একটু বড় করল বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
৫৪৯ দিন আগে