ক্রিকেট
বিশ্বকাপের আগে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে: বাংলাদেশ অধিনায়ক
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে টাইগাররা। কিন্তু আসন্ন বিশ্বকাপে পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পাওয়া শান্তর উদ্বেগ এই সিরিজ জয়ের আনন্দকে ছাপিয়ে গিয়েছে।
শান্ত স্বীকার করেন, বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা তাদের টপ অর্ডার ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতা।
সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে মিরপুরের মাঠে বাংলাদেশের শীর্ষ চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনজন মিলে মাত্র ১০ রান করেছেন, যার মধ্যে মাত্র একজনের রান দুই অংকের ঘরে।
বিশ্বকাপ নিয়ে দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে টপ-অর্ডার নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা স্বীকার করে শান্ত বলেন, 'আমরা যদি টপ অর্ডারে আরও ভালো করতে পারি, তাহলে সেটা দলের জন্য দারুণ হবে।’
আরও পড়ুন: পঞ্চম টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজের সমাপ্তি টানল জিম্বাবুয়ে
তিনি আরও বলেন, ‘গতিশীলতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজের ফলাফল নিয়ে ভাবার পরিবর্তে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিকে আমাদের মনোনিবেশ করা দরকার। শীর্ষে থেকে ভালো শুরু নিশ্চিত করতে পারলে দল হিসেবে আমরা এক ধাপ এগিয়ে থাকব।’
সোমবার বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। দলে যুক্ত করা হতে পারে তাই লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারের ভালো পারফরম্যান্সের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
তিন নম্বরে শান্ত অথবা তৌহিদ হৃদয়কে রেখে এই তিনজনের যেকোনো দুইজনকে ওপেনিংয়ের জন্য ভাবা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: লো স্কোরিং ম্যাচে কষ্টের জয় বাংলাদেশের
তবে লিটনের সাম্প্রতিক ফর্ম, অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে সিরিজে কিছুটা ভালো খেললেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তানজিদের লড়াই বেশ ভাবাচ্ছে। সদ্য হাঁটুর চোট থেকে সেরে ওঠা সৌম্য জিম্বাবুয়ে সিরিজে ৪০ রানের ইনিংস খেললেও এখনও নিজের সেরা ফর্ম ফিরে পাননি। সম্ভাব্য তিন নম্বর ব্যাটসম্যান শান্তও তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দিয়ে আত্মবিশ্বাস জাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বাংলাদেশের টপ অর্ডার এমনই বেহাল, বিশ্বকাপের দলটির পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলছে। এই সমস্যাগুলো সমাধান করার সময়ও খুব কম। এই বৈশ্বিক মঞ্চে লড়াই করে টিকে থাকতে ব্যাটসম্যানদের ফর্ম ফিরে পাওয়া ও দলের শক্ত ভিত্তি করা এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয়।
আরও পড়ুন: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ এগিয়ে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যাটিং নিয়ে অসন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি
৭৫৩ দিন আগে
পঞ্চম টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজের সমাপ্তি টানল জিম্বাবুয়ে
তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে সামান্য ব্যাবধানে জয়ের পর পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটিও জিতে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষ ম্যাচে বড় জয় পেয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়িয়েছে সফরকারীরা।
আগের দুই ম্যাচের কষ্টসাধ্য জয় টাইগারদের দুর্বলতার যে ইঙ্গিত দিয়েছিল, আজকের বড় পরাজয়ে তা স্পষ্ট হয়েছে। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এটিই বাংলাদেশের শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ছিল।
৪-১ ব্যবধানে জয় পেলেও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পরিবর্তে বিশ্বকাপের আগে টাইগারদের সামনে বেশ কয়েকটি চিন্তার উদ্রেক করল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হওয়া এই সিরিজ।
আরও পড়ুন: লো স্কোরিং ম্যাচে কষ্টের জয় বাংলাদেশের
বিশ্বকাপের সময়সূচির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পঞ্চম ম্যাচটি সকালে আয়োজন করে বিসিবি। এটি ছিল টাইগারদের ঘরের মাটিতে সকালে শুরু হওয়া প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তবে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে ভালো ওপেনিং জুটি দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।
১৫ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং ধসের শঙ্কায় পড়ে টাইগাররা। এ সময় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ৬৯ রানের জুটি বিপদ বাঁচিয়ে দলকে দেড় শতাধিক স্কোরের দিকে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখে।
মাহমুদুল্লার ইনিংস-সর্বোচ্চ ৪৪ বলে ৫৪ রান এবং শান্তর ২৮ বলে ৩৬ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৫৭ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে জাকের আলীর ২৪ ও সাকিবের ২১ রানের ইনিংসগুলোও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্লেসিজ মুজারাবানি ও ব্রায়ান বেনেট ২টি করে উইকেট নেন।
আরও পড়ুন: চতুর্থ টি-টোয়েন্টি: ১০১ থেকে ১৪৩ রানে ১০ উইকেট হারালো টাইগাররা
গত দুই ম্যাচ অল্পের জন্য হাতছাড়া হলেও শেষ ম্যাচে দৃঢ়তা দেখায় জিম্বাবুয়ে। ২৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার অপরাজিত ৭২ ও বেনেটের ৭০ রানে ভর করে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় জিম্বাবুয়ে।
এদিন ব্যাট হাতে বাংলাদেশি বোলারদের তেমন কোনো সুযোগই দেয়নি জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। এর মধ্যে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে তুলোধুনা করে তারা। ৪ ওভারে একাই ৫৫ রান দেন সাইফুদ্দিন। তবে এ দিন সাকিব ছিলেন যথেষ্ট কৃপণ। নিজের ৪ ওভারের স্পেলে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ৯ রান খরচ করে ১টি উইকেট নেন তিনি।
৭৫৩ দিন আগে
লো স্কোরিং ম্যাচে কষ্টের জয় বাংলাদেশের
বিপর্যস্ত ব্যাটিংয়ের পর দুর্বল বোলিংয়ে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে সব উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে বাংলাদেশ।
এই লো স্কোরিং ম্যাচে তানজিদ হাসান তামিমের হাফসেঞ্চুরি ও মুস্তাফিজুর রহমানের তিন উইকেটই বড় ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুন: চতুর্থ টি-টোয়েন্টি: ১০১ থেকে ১৪৩ রানে ১০ উইকেট হারালো টাইগাররা
ওপেনার তামিম (৫২) ও সৌম্য সরকার (৪১) ১০১ রানের জুটির পর ১৪৩ রানের মধ্যে ১০ উইকেট হারায় টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ের হয়ে লুক জংউই ৩ উইকেট নিয়েছেন।
মাত্র ৪২ রানে সবকটি উইকেট হারানোর ব্যাটিং লাইন আপে দুই ওপেনারের পর বাকি ব্যাটারদের মধ্যে দুই অঙ্কে পৌঁছাতে সক্ষম হন কেবল তৌহিদ হৃদয় (১২)।
রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়েও জুটি গড়তে ব্যর্থ হয়। সিকান্দার রাজা ও জোনাথন ক্যাম্পবেল লড়তে শুরু করলেও তাসকিনের পেস ও সাকিবের স্পিনে হার মানেন।
ক্যাম্পবেল সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন। আর রায়ান বার্ল ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ১৯ রান করে যোগ করেন।
আরও পড়ুন: চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে দলে ফিরলেন সাকিব-সৌম্য-মুস্তাফিজ
শেষ ওভারে এসে ম্যাচে ক্লাইমেক্সের দেখা মেলে যখন বল আর রান প্রায় কাছাকাছি। উইকেটও শেষের দিকে। সাকিবের ঠান্ডা মাথার বোলিংয়ে শেষ ওভারে ২ বল বাকি থাকতে সব উইকেট হারিয়ে খেলার ইতি টানে জিম্বাবুয়ে। কষ্টেসৃষ্টে জয় মেলে বাংলাদেশের।
১২ মে সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের যেখানে একদল চাইবে হোয়াইটওয়াশ করতে আর অন্যদল চাইবে তা এড়িয়ে সম্মান রক্ষার জয় পেতে।
আরও পড়ুন: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ এগিয়ে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যাটিং নিয়ে অসন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি
৭৫৫ দিন আগে
চতুর্থ টি-টোয়েন্টি: ১০১ থেকে ১৪৩ রানে ১০ উইকেট হারালো টাইগাররা
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করলেও প্রথম উইকেট পড়তেই মাত্র ৪২ রানের মধ্যে সব উইকেট হারিয়ে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে গেল বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং লাইনআপ।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয় দেখলো বিশ্ব।
দুই ওপেনার সৌম্য সরকার (৪১) ও তানজিদ হাসান তামিম (৫২) ১০১ রানের জুটি গড়েন। তারপর মিসটাইমিংয়ে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম।
এর পরপরই একের পর এক বাজে শট খেলে ও ডিসমিসালের শিকার হয়ে মিডল ও লোয়ার অর্ডার চুরমার হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে দলে ফিরলেন সাকিব-সৌম্য-মুস্তাফিজ
দুই ওপেনারের পর কেবল তৌহিদ হৃদয় দুই অঙ্কের ঘরে পা রাখেন। মাত্র ১২ রান করে লুক জংউইয়ের বলে নতি স্বীকার করেন তিনি।
এই ধসেপড়া বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের বেহাল অবস্থা তুলে ধরে।
নয় মাস পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে সাকিব আল হাসান ১ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। দলের কাণ্ডারি হয়ে লড়াইয়ের ইচ্ছা দেখা যায়নি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিংয়েও।
শান্তর ক্লিন বোল্ড আর সাকিবের ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে বোল্ড আউট যেন অভিজ্ঞ এই খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও সংযমের অভাবের প্রমাণ দিলো।
শুরুটা বড় রানের টার্গেট দেওয়ার মতো হলেও হতাশায় মোড়ানো ব্যাটিংয়ে ১০ উইকেটে মাত্র ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
আরও পড়ুন: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ এগিয়ে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যাটিং নিয়ে অসন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি
৭৫৫ দিন আগে
চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে দলে ফিরলেন সাকিব-সৌম্য-মুস্তাফিজ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।
ঢাকার মাঠে শুক্রবারের এই ম্যাচে দলে এসেছে তিন পরিবর্তন। একাদশে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার ও মুস্তাফিজুর রহমান।
অন্যদিকে বিশ্রামে পাঠানো হয়েছে লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে।
নয় মাসেরও বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দেখা যাবে সাকিবকে।
আরও পড়ুন: শেষ ২ ম্যাচে ফিরলেন সাকিব-মুস্তাফিজ-সৌম্য
এদিকে বাজে ফর্ম নিয়ে লড়তে থাকা ডানহাতি ব্যাটার লিটন দাস অবশেষে বাদ পড়েছেন লাইনআপ থেকে। আগের ম্যাচে তার আউটটি ছিল বেশ প্রশ্নবোধক। পরপর তিনবার স্কুপ শট খেলার চেষ্টা শেষে লিটনের বোল্ড আউট হওয়া দেখে ক্রিকেটবোদ্ধাদের ভ্রু কুঁচকে গিয়েছিল।
তার জায়গায় ফিরছেন দীর্ঘদিন হাঁটুর চোটে ভোগা সৌম্য সরকার।
তবে চট্টগ্রামে প্রথম তিন ম্যাচ জিতে এরই মধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা।
আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করবে।
শুক্রবার ম্যাচ শুরুর আগে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানের স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ আসীম জাওয়াদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বিসিবি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলট নিহত
৭৫৫ দিন আগে
শেষ ২ ম্যাচে ফিরলেন সাকিব-মুস্তাফিজ-সৌম্য
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম তিনটিতে জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শেষ দুই ম্যাচে তাই ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।
শেষ দুই টি-টোয়েন্টির জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে টাইগারদের টিম ম্যানেজমেন্ট। নতুন ঘোষিত দলে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার এবং মোস্তাফিজুর রহমান।
বুধবার এক বিবৃতিতে টাইগারদের স্কোয়াডে এই পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে বিসিবি।
শেষ দুই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে শরিফুল ইসলামকে। তবে বাজে পারফর্ম করলেও আরও সুযোগ পাচ্ছেন লিটন দাস।
এদিকে প্রথম তিন ম্যাচে খেলার সুযোগ না পেলেও স্কোয়াড থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে আফিফ হোসেন ও পারভেজ হোসেনকে।
এর আগে আইপিএল থেকে ফেরা মোস্তাফিজকে বিশ্রাম, ডিপিএল খেলতে প্রথম তিন ম্যাচে সাকিবকে ছুটি এবং চোটের পুনর্বাসনের কারণে দলে ছিলেন না সৌম্য।
আগামী ১০ ও ১২ মে মিরপুর শের-ই বাংলায় চতুর্থ ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে।
৭৫৭ দিন আগে
তৌহিদের হাফ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬৫
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তৌহিদ হৃদয়ের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৬৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দুই ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম যথাক্রমে ১২ ও ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মুজারাবানির বলে পরপর তিনবার স্কুপ শট খেলার চেষ্টা চালিয়ে বোল্ড হলেন লিটন। লিটনের এভাবে উইকেট বিলিয়ে আসা তার ব্যাটিং অ্যাপ্রোচকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও মাত্র ৬ রান করে সিকান্দার রাজার বোলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন।
টপ অর্ডারের এমন ধসের পর তৌহিদ হৃদয় ও জাকের আলীর দারুণ জুটি ইনিংসের সমতা ফেরায়।
৩৮ বলে ৫৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন তৌহিদ হৃদয়। ৩৪ বলে ৪৪ রান করে জাকের আলীও মুজারাবানির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আগের দুই ম্যাচেও জয় পাওয়া বাংলাদেশ আজকের ম্যাচে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চাইবে।
অন্যদিকে সিরিজে লড়াইয়ে টিকে থাকতে জিম্বাবুয়েরও জয়ের চেষ্টা থাকলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান তুলতে পেরেছে দলটি। জয়ের জন্য ২৬ বলে ৫৬ রান করতে হবে তাদের।
৭৫৮ দিন আগে
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েও অসন্তুষ্ট নন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক
দুটি চমক রেখে গত বুধবার (১ মে) আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ঘোষিত স্কোয়াডে নেই স্টিভেন স্মিথ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের উদীয়মান বিধ্বংসী ব্যাটার জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক।
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে স্মিথের না থাকাটা মেনে নিলেও ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের বাদ পড়াটা মানতে পারছেন না ক্রিকেট ভক্তদের অনেকে। এ নিয়ে গত কয়েকদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।
চলবে না কেন? আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ এখনও মাথায় না উঠলেও ইতোমধ্যে ঘরোয়া এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দানবীয় আবির্ভাব হয়েছে ফ্রেজার-মাকগার্কের।
গত অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টুর্নামেন্ট মার্শ কাপে ২৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। একদিনের ম্যাচের স্বীকৃত ক্রিকেটে এটিই দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। এরপর বিগ ব্যাশে ১৫৮.৬৪ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ২৫৭ রান। চলমান আইপিএলেও তাণ্ডব চালাচ্ছেন তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে মাঠে নেমে ২ ম্যাচে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি পার করেছেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, যার একটিতে করেন ২৭ বলে ৮৪ রান। আসরে এখনও পর্যন্ত ৬ ইনিংসে তিন ফিফটিতে ২৫৯ রানের সংগ্রাহক এই তরুণ। আইপিএলে তার স্ট্রাইক রেটের গড় ২৩৩.৩৩।
আরও পড়ুন: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দলে শামার জোসেফ
এত তাড়াতাড়ি ক্রিকেটে এতসব পরিসংখ্যান তৈরির পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যাটিং ঝড় দেখতে মুখিয়ে ছিলেন ভক্তরা। অথচ দলেই তাকে না রাখায় মন ভেঙেছে অনেকের।
তবে এসবের মাঝেও নির্ভার রয়েছেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলে হুট করেই যে জায়গা আদায় করা কঠিন, সেটা ভালোভাবেই বোঝেন তিনি।
এ বিষয়ে ‘উইলো টক’ পডকাস্ট-এ তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না যে, আমি এমন অবস্থান তৈরি করেছি যার জন্য আমাকে (অন্য কারো জায়গায়) দলে নেওয়া হবে।
‘দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট আইপিএল বা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের চেয়ে একদম আলাদা।’
অস্ট্রেলিয়ার তারকায় ঠাসা ব্যাটিং লাইন আপের মধ্যে ফাঁকা জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি নিজেও। তার কথায়, ‘এটাও বুঝতে হবে যে দলে জায়গা বের করা সজহ নয়। ওপেনার হিসেবে সেখানে আছেন ডেভিড ওয়ার্নার। তিন সংস্করণেই তিনি আমাদের সর্বকালের সেরা ওপেনার। আছেন ট্র্যাভিস হেডও; আইপিএলে তিনি জ্বলে উঠেছেন। শুধু আইপিএল কেন, গত দেড় বছর ধরে তিনি কী করে চলেছেন, তা সবাই দেখেছে।
‘এরপর ধরুন মিচেল মার্শ। তিনি আমাদের অধিনায়ক। আবার ব্যাটিংয়েও সমানভাবে আলো ছড়িয়ে চলেছেন।’
তিনি বলেন, ‘পাঁচ ছয় নম্বরেও নিজেকে রাখতে পারছি না আমি। কারণ, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিনদের মতো খেলোয়াড়রা এই পজিশনে মোটামুটি থিতু হয়ে গেছেন।
‘আমি বিষয়টি এভাবে দেখছি। স্কোয়াড ঠিকই আছে। দলে জায়গা পেতে আমার হাতে সময়ও তো রয়েছে অনেক।’
আরও পড়ুন: আইপিএল থেকে মুস্তাফিজের শেখার কিছু নেই: বিসিবি’র জালাল ইউনুস
তবে যে কোনোভাবে বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থাকতে পারলে যে মন্দ হতো না, সেটিও অকপটে স্বীকার করলেন এই তরুণ।
তার ভাষ্য, ‘আমাকে যদি কোনোভাবে ট্রাভেলিং (রিজার্ভ) প্লেয়ার হিসেবেও দলের সঙ্গে রাখা হয়, তাহলে ব্যাপারটি আমার জন্য এক দারুণ সুযোগ হবে। অনেক কিছু শেখা হবে আমার।’
তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে একেবারেই হতাশ নন তিনি। বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একেবারেই ভাবাচ্ছে না। কারণ আমি সেটি এখনও অর্জন করেছি- তা আমার একেবারেই মনে হচ্ছে না।’
৭৫৮ দিন আগে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ এগিয়ে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যাটিং নিয়ে অসন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ের পরও জাতীয় দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান।
জয় নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, 'জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমরা দুটি ম্যাচ জিতেছি এটা সত্যি, কিন্তু ব্যাটিং আমার ভালো লাগেনি।’
তুলনামূলকভাবে দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও প্রতিযোগিতামূলক লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যাটিং লাইনআপের সংগ্রাম করতে হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিসিবি সভাপতি বলেন, 'টি-টোয়েন্টি ও আইপিএল নিয়ে আমাদের অ্যাপ্রোচের মধ্যে তফাত রয়েছে। এমনকি ২৫০-২৬০ রানও জয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, আবার ১৪০-১৪৫ রানের লক্ষ্যে পৌঁছাতেও কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: অভিষেকে তানজিদের ফিফটি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ
বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন নাজমুল হাসান। এ সময় মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের প্রত্যাবর্তন এবং মেহেদী হাসান ও তাসকিন আহমেদের অবদানের প্রশংসা করেন। এছাড়াও আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন তিনি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নাজমুল হাসান বলেন, সিরিজটি বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে খেলা হচ্ছে না। ‘আইসিসি ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম’- এর অংশ ছিল এটি।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় দিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: ২০২৪ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
৭৫৯ দিন আগে
২০২৪ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
আগামী ৩ থেকে ২০ অক্টোবর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর এক আসর নিয়ে আসছে ১০টি দেশের নারী দলের ২৩টি ম্যাচের এই টুর্নামেন্টটি।
১৮ দিনের এই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ২০২৩ সালের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকা।
স্বাগতিক বাংলাদেশ উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে কোয়ালিফায়ার-২ এর বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে।
দ্বিতীয় দিন ৪ অক্টোবর সিলেটে কোয়ালিফায়ার ১-এর বিপক্ষে এই বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
৬ অক্টোবর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ।
ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের আসর বসতে যাচ্ছে।
২০ অক্টোবর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পর্দা নামবে এই আয়োজনের।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, 'নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
এ সময় বাংলাদেশে নারী ক্রিকেটকে বদলে দিতে এবং বিশ্বব্যাপী নতুন প্রজন্মের ভক্তদের অনুপ্রাণিত করতে টুর্নামেন্টের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
এই আয়োজন করতে পেরে গর্ব প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'বাংলাদেশে আইসিসি বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনা সত্যিই রোমাঞ্চকর। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেশ ও দেশের বাইরে নারী ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়ার একটি গৌরবময় সুযোগ এনে দিয়েছে।’
বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা এবং ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর উভয়ই আসন্ন টুর্নামেন্টের জন্য তাদের উত্তেজনা এবং দৃঢ়তা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ভক্তদের কাছে সমর্থন চেয়েছেন তারা।
হরমনপ্রীত বলেন, 'এ বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আমি রোমাঞ্চিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে নারী বিশ্বকাপগুলো অবিশ্বাস্য। আমি নিশ্চিত প্রতিযোগিতামূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটের মতো বিশ্বকে আনন্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে এই আসর আলাদা হবে না।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসর আয়োজন করতে পারাটা বাংলাদেশের জন্য সম্মানের বলে জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার।
তিনি বলেন, 'নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণায় আমরা রোমাঞ্চিত। দেশের জন্য, এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ আসর আয়োজন করা সম্মানের, যেখানে আমাদের উৎসাহী ভক্তরা আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেটের সেরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।’
৭৬০ দিন আগে