ঢাকা
১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনে প্রস্তুত শোলাকিয়া
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের দিন সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই জামাত।
শতবর্ষের ধারাবাহিকতায় এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত। এতে দেশ-বিদেশ থেকে আগত লাখো মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
জামাতকে কেন্দ্র করে মাঠের দাগ কাটা, মেহরাব নির্মাণ, দেয়ালে চুনকাম, ওজুখানা স্থাপন এবং সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকরা জানান, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির নামাজ আদায় ও দোয়া কবুলের বিশেষ গুরুত্বের কারণে শোলাকিয়ায় নামাজ পড়তে মুসল্লিদের আগ্রহ থাকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবারও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাঠ ও আশপাশে বসানো হয়েছে ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরা। ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুলিশ ও র্যাব সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। মোতায়েন থাকবে প্রায় এক হাজার ১০০ পুলিশ সদস্য, র্যাবের ছয়টি টিম, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, পাঁচ প্লাটুন আনসার ও চার প্লাটুন সেনাবাহিনী। এছাড়া থাকবে ড্রোন নজরদারি, মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে এবং একাধিক চেকপোস্ট। মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশের আগে পুলিশের চারটি নিরাপত্তা স্তর অতিক্রম করতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিক্যাল টিম এবং কুইক রেসপন্স ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করেছে।
ঐতিহ্য অনুযায়ী, ঈদ জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে সংকেত দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি গুলি ছুড়ে মুসল্লিদের সতর্ক করা হবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারও মুসল্লিদের শুধুমাত্র জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে হবে।
৭৮ দিন আগে
গাজীপুরের দুইটি মহাসড়কে নেই দীর্ঘ যানজট, তবে রয়েছে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ
ঈদযাত্রায় আজ বুধবার ভোর থেকেই গাজীপুরের ঢাকা- টাঙ্গাইল ও ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়ক হয়ে উত্তরবঙ্গ ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের যানবাহনের চাপ রয়েছে। যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
দুইটি মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে বিপুল সংখ্যক ঘরমুখো মানুষ থাকায় সেখানে কিছুটা ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করলেও এবার দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি ছাড়াই সবাই যাচ্ছেন তাদের গন্তব্যে। তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের।
ভোর থেকে উত্তরবঙ্গ ও উত্তরাঞ্চলগামী ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে ওই দুইটি মহাসড়কে। চন্দ্রা ত্রিমোর ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে সকালে। তবে নবীনগর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সড়কে অন্যান্য বছরের মতো যানজট দেখা যায়নি। চন্দ্রা ত্রিমোর এলাকায় গণপরিবহনে যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করেই মূলত এ দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গাজীপুর মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশ মহাসড়কের অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়ন করেছে। মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় মহানগর পুলিশের প্রায় ১ হাজার এবং জেলা পুলিশের ৮৫৯ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরাও কাজ করছেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন, ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে হাইওয়ে ও শিল্প পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। শ্রমিকেরা যেন ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরতে পারেন, সে জন্যই ধাপে ধাপে কল-কারখানা বিশেষ করে পোশাক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা ও অবৈধ পার্কিং বন্ধে এবং নিষিদ্ধ যানবাহন চলাচল বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৭৮ দিন আগে
রাজবাড়ীতে ভিজিএফের চাল ও জাল কার্ডসহ আটক ২, কারাদণ্ড
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির (ভিজিএফ) বরাদ্দকৃত ত্রাণের চাল অবৈধভাবে ক্রয়, মজুদ ও সংরক্ষণের অভিযোগে দুই দালালকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। তাদের হেফাজত থেকে দুই বস্তা ত্রাণের চাল এবং স্বাক্ষরবিহীন ৬৯টি ভিজিএফ কার্ড জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে অভিযানের নেতৃত্ব দেন কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল আলীম, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভিন, তদারকি কর্মকর্তা ইউএনওর কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফরোজ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কালুখালী উপজেলার তোফাদিয়া গ্রামের মো. সাজ্জাদ হোসেন (৪২) এবং উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামের চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস (৬৭)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ তালিকাভুক্ত উপকারভোগীদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। চালে ওজনে কম দেওয়া এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে উপকারভোগীদের কাছ থেকে কিছু দালাল স্বল্পমূল্যে চাল ক্রয় ও সংক্ষরণের অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে দুপুর ১২টার দিকে কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন অভিযান চালান।
এ সময় সাজ্জাদ হোসেন ও চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস নামক দুই দালালকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। তাদের হেফাজতে থাকা পরিষদের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে ৫৬টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে প্রায় ৫৬০ কেজি চাল জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে স্বাক্ষরিত ৭টি এবং স্বাক্ষরবিহীন আরও ৬৯টি জাল ভিজিএফ কার্ড এবং চাল ভর্তি ৫০ কেজির দুটি বস্তা জব্দ করে প্রশাসন।
পরবর্তীতে আটকরা অপরাধ স্বীকার করায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬-এর (৬) ধারায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ত্রাণের চাল অবৈধভাবে ক্রয়, সংরক্ষণ, মজুদ ও ব্যবসার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অপরাধে (৩) ধারা অনুযায়ী তারা দোষী সাব্যস্ত হয়। এতে সাজ্জাদ হোসেনকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাসকে একই আইনে একই ধারায় ১৫ দিন কারাদণ্ড প্রদান ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এদিকে, অভিযানকালে সাজাপ্রাপ্ত সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রবিউল ইসলামের কাছ থেকে তিনি গতকাল (সোমবার) রাতে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে জব্দকৃত ভিজিএফ কার্ডগুলো ক্রয় করেন।
অভিযান শেষে বিকেল ৪টার দিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। কারণ স্বাক্ষরবিহীন কোনো কার্ড কারও কাছে দেওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া টাকা গ্রহণের কোনো প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এ নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়া ওজনে কম দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন তিনি।
৭৯ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫
কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) জেলার সদর ও কটিয়াদী উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ভৈরব–কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট উচ্চ বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়। এ সময় রাস্তার পাশে গরুকে ঘাস খাওয়ানোর সময় ইমন মিয়া (২৬) নামে এক যুবক ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই গরুসহ নিহত হন।
নিহত ইমন আচমিতা ইউনিয়নের চাড়িপাড়া এলাকার খালেক মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।
অন্যদিকে, দুপুর ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ শহরের নীলগঞ্জ মোড়ে একটি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার ঘটে। এতে দুই কিশোর গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক স্কুল ছাত্র ইরফানকে (১৬) মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া অবস্থার অবনতি হলে অপর কিশোর নৌশাদকে (২০) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তারও মৃত্যু হয়।
নিহত ইরফান শহরের হারুয়া এলাকার ফোরকান মিয়ার ছেলে। কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে।
এ ছাড়াও দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত এলাকায় কিশোরগঞ্জ–ভৈরব আঞ্চলিক সড়কে একটি বাসের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী অজ্ঞাতনামা এক নারী নিহত হন।
একই দিন বিকেলে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়। তবে নিহত নারী ও শিশুটির পরিচয় জানা যায়নি।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া এবং কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খুরশেদ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৭৯ দিন আগে
রাজবাড়ীতে তেল পাম্পে ট্রাকের চাপায় পৃথক দুই ট্রাকের চালক ও সহকারী নিহত
রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ের একটি পাম্পে তেল নিতে আসা এক ট্রাকের চাপায় অপর ড্রাম ট্রাকের চালক এবং আরেক ট্রাকের সহকারী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় সপ্তবর্ণা ফিলিং স্টেশন নামক তেল পাম্পে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ব্রাকপাড়ার ইদ্রিস পাটোয়ারীর ছেলে ডাম ট্রাকচালক সোবাহান পাটোয়ারী (৪৫) ও অপর আরেক ট্রাকের সহকারী স্বপন মিয়া (২২) ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার গ্রামের সরল মিয়ার ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ড্রাম ট্রাকের চালক সোবাহান পাটোয়ারী তেল নেওয়ার জন্য সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওই তেল পাম্পে আসেন। এ সময় ট্রাক থেকে নেমে ডিজেল সরবরাহকারী ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে তিনি দাঁড়ান।
অন্যদিকে, ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী অপর একটি ট্রাকের সহকারী স্বপন মিয়াও ট্রাক সিরিয়ালে রেখে ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে দাঁড়ান। একই সময় মেশিন থেকে তেল নিচ্ছিল একটি মাহেন্দ্র গাড়ি। মাহেন্দ্র গাড়িটির তেল নেওয়া শেষ হওয়ায় ওই সময় পাম্পে তেল নিতে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা অপর আরেকটি ট্রাকের চালক গাড়ি চালু করা মাত্র নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মাহেন্দ্র গাড়িটিকে ধাক্কা দেন। এ সময় গাড়িটি ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে থাকা সোবাহান পাটোয়ারী ও স্বপন মিয়াকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন সোবহান পাটোয়ারী ও স্বপন মিয়া। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ আজ (সোমবার) সকালে বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর ওই ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার মধ্যরাতে ফরিদপুর থেকে ট্রাকচালক সোবহানের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি খানখানাপুর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপর ট্রাকের সহকারী স্বপনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ধামরাই নিয়ে গেছে তার পরিবার। দাফনের কাজ শেষে নিহতের পরিবারকে আসতে বলা হয়েছে। তারা আসার পর পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
৮০ দিন আগে
গাজীপুরে বস্তিতে বিশেষ অভিযান, আটক ৫৪
গাজীপুরের টঙ্গীর মাজার বস্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে মোট ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফয়েল পেপার, দেয়াশলাইট, ইয়াবা, একটি চাপাতি, দুইটি চাকু ও নেশা করার সরঞ্জামাদির পাশাপাশি বেশ কিছু ভোটার আইডি কার্ডও উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযানে পুলিশকে সহযোগিতা করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (তদন্ত)।
অভিযান সম্পর্কে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
৮০ দিন আগে
নরসিংদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল প্রতিবেশীর ছাদে
নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের এক দিন পর প্রতিবেশীর ছাদে মিলেছে ৬ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ।
রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের চরমরজাল এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ (রবিবার) সকালে চরমরজাল গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার একতলা বাড়ির ছাদে আব্দুর রহমান নামের এক শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ওই বাড়ির লোকজন। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা পুলিশকে জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত আব্দুর রহমান ওই এলাকার প্রবাসী শুকুর আলী ও সুমি আক্তারের ছেলে ছিল।
পরিবারের দাবি, গতকাল (শনিবার) কোনো একসময় বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এ ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় রায়পুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের পর থেকে পরিবার ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে আজ সকালে ইদ্রিস মিয়ার বাড়ির ছাদে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। শিশুটির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্নও নেই। আমরা ক্রাইম সিন টিমকে খবর দিয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
এ ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
৮১ দিন আগে
রাজধানীর হোটেলে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, দগ্ধ ৪
রাজধানীর খিলক্ষেতে রিজেন্সি হোটেলের নিচ তলায় এসির কাজ করার সময় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের নিয়ে যাওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন— মো. মনসুর আলী (৩২), মো. আব্দুল মতিন (৬৭), মোহাম্মদ মাহি (১৭) ও মো. আব্দুল জলিল (৬৭)।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সহকর্মী মো. ইমরান জানান, সকালের দিকে খিলক্ষেতের রিজেন্সি হোটেলের নিচ তলায় এসির কাজ করার সময় শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের ঘটনায় ৪ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে। আহতরা সবাই ওই হোটেলের কর্মচারী বলে জানান তিনি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, খিলক্ষেতের একটি হোটেল থেকে দগ্ধ ৪ জন আমাদের এখানে এসেছেন। তাদের মধ্যে মনসুরের শরীরের ২১ শতাংশ, মো. আব্দুল মতিনের শরীরের ৫ শতাংশ, মো. মাহিরের শরীরের ৫ শতাংশ ও মো. আব্দুল জলিলের শরীরের ৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং অপর তিনজন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
৮২ দিন আগে
চাঁদপুরে তারাবির পড়তে গিয়ে নিখোঁজ রুবেলের মরদেহ মিলল বাঁশঝাড়ে
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নুরানী মাদরাসায় পড়ুয়া আট বছর বয়সী শিশু রুবেল নিখোঁজ হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে মিলেছে তার রক্তাক্ত মৃতদেহ। এ সময় শিশুটির গলায় আঘাতের চিহ্ন ও নাকে মুখে রক্ত বের হচ্ছিল।
বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শোশাইরচর গ্রামের মাইজের বাড়ির পাশের বাশঁঝাড়ে মরদেহটি পড়ে ছিল।
নিহত মো. রুবেল হোসেন মাইজের বাড়ির দিনমজুর আব্দুল কাদেরের ছোট ছেলে। সে সানকিসাইর মাদরাসার নুরানি বিভাগের ছাত্র ছিল।
তার মৃত্যু কখন হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তার খেলার সাথীরা জানায়, তারাবির নামাজের সময় রুবেলকে দেখা যায়নি, তখনই থেকেই নিখোঁজ ছিল সে।
পরিবারের স্বজনরা জানান, বুধবার ইফতারের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রুবেল ঘর থেকে বের হয়ে যায় তারাবির নামাজ পড়তে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। রাত ১০টার দিকে স্বজনরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে এলাকাজুড়ে মাইকিং করেন।
পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি বাঁশঝাড়ে টর্চলাইটের আলো ফেললে রুবেলের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পায় পাশের বাড়ির কালু নামের এক ব্যক্তি। এ সময় তার নাক ও মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা নিশ্চিত হন যে শিশুটি মারা গেছে।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) এমদাদুল হক ও উপপরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির গলায় ফাঁসের দাগ এবং নাক-মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এদিকে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। তবে কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানান থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দীন।
নিহত রুবেলের বাবা আব্দুল কাদের ও মা পরান বেগম আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমাদের কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। আমাদের নিষ্পাপ সন্তানকে কেন এমন নির্মমভাবে হত্যা করল। সে কী অপরাধ করেছিল?’
স্থানীয় বাসিন্দারা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে হত্যা করে থাকলে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
৮৪ দিন আগে
ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন
ফরিদপুরে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী রুবাইয়া বেগমকে (২৫) হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে স্বামী আহাদ শেখকে (৩৩) যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়ন কাজী বল্লভদী গ্রামের বাসিন্দা। হত্যাকাণ্ডের শিকার রুবাইয়া একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে রুবাইয়া ও আহাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়। বিয়ের তিন বছর পর আহাদ সৌদি আরব যাওয়ার জন্য বউয়ের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। চাহিদা অনুযায়ী তিন লাখের মধ্যে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামীর দাবি অনুযায়ী আরও দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় ২০১৮ সালের ১ আগস্ট আহাদ তার স্ত্রীকে প্রথমে মারধর এবং পরে মুখে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা রোমেছা বেগম (৫৪) বাদী হয়ে আহাদ শেখ ও তার মা এবং তিন ভাইসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করেন ফরিদপুর জেলা সিআইডি কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আমিনুজ্জামান। তিনি তদন্ত করে রুবাইয়াকে হত্যার দায়ে আহাদ শেখ ও তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ (৩৮) ও মাহিম শেখকে (৩৪) অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ২৩ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী বলেন, আহাদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আহাদের দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ ও মাহিম শেখের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে আদালত বেকুসুর খালাস দেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক এবং সুস্থ সমাজে যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধি কাম্য নয়। আজকের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।
৮৪ দিন আগে