চট্টগ্রাম
ট্রাকচাপায় ছেলে মর্গে, মৃত্যুশয্যায় বাবা
ফেনীতে সেহরি খেয়ে মসজিদে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাবা গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের দাগনভূঞায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ (মঙ্গলবার) ভোরে সেহরি খাওয়ার পর মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেটে ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মোল্লাবাড়ি গ্রামের নুর আলম (৫৫) ও তার ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৪)। এ সময় তারা চৌধুরী বাড়ির সামনে পৌঁছালে একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নুর মোহাম্মদ নিহত হন।
অপরদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় নুর আলমকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৩ দিন আগে
কক্সবাজারে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, ১৬ জন দগ্ধ
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে এন আলম নামের একটি এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন ও বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ নিশ্চিত করেছেন, ওই ফিলিং স্টেশনটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না এবং গ্যাস লিকেজ থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এন আলম নামক ওই ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় গ্যাসের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রাত সোয়া ১০টার দিকে বিকট শব্দে পাম্পের ১৪ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন দ্রুত পাম্পের চারপাশের স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৫ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
৮ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল কর্মীকে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজানে পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলি মিয়ার হাট এলাকায় আবদুল মজিদ প্রকাশ মুজিব ভান্ডারী (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় তিনি স্থানীয় বাজারের মুদি দোকানে বসে ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।
রাউজান থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত আবদুল মজিদ অলি মিয়ার হাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় সূত্র জানালেও দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) টিবলু কান্তি দে বলেন, তার চোখের ওপরে, বুকে ও কোমরে মোট তিনটি গুলি লাগে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার দিকে মজিদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর দুর্বৃত্তরা এসে বাজারের একটি মুদি দোকানে বসা অবস্থায় মজিদকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মজিদ মারা যান।
ওসি আরও জানান, নিহত মজিদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, গুলি করা দুর্বৃত্তরা ওই এলাকারই লোক। তাদের শনাক্ত ও আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।
৮ দিন আগে
পরকীয়া নিয়ে বিরোধের জেরে ফেনীতে তাঁতিদল নেতা খুন
ফেনীর সোনাগাজীতে পরকীয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে আইয়ুব নবী তারেক (২৬) নামে এক তাঁতিদল নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আইয়ুব নবী তারেক বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতিদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের পিতা কামাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, একই বাড়ির ওহিদুর রহমানের স্ত্রী নারু (নাহার) আগের একটি বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বলে তারেককে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওহিদুর রহমানের ছেলে নাহিদ, সাঈদ, নিলয় ও স্ত্রী নারু দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে তারেকের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই আমার ছেলে মারা যাওয়ার পরও ওহিদুর রহমান তাকে ডাকাত বলে আখ্যা দিয়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তারেক ও ওহিদুর রহমানের ছেলে নাহিদের স্ত্রীর মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্কের অভিযোগ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এলাকাবাসীর ধারণা, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।
একই বাড়ির আবদুল গফুর জানান, কিছুদিন আগে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হক চৌধুরীর কাছে নাহিদ অভিযোগ করেছিলেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বলেছিলেন নাহিদ।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, নিহত তারেকের বিরুদ্ধে একটি পরোয়ানা ছিল। তবে এটি কোন রাজনৈতিক হত্যা নয়। পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
৮ দিন আগে
বান্দরবানে বন্যহাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের
বান্দরবান জেলার লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্যচিং মং মার্মা (৬০) নামের এক আদিবাসী বৃদ্ধ কৃষক নিহত হয়েছেন।
উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি ত্রিশডেবা ডলুঝিরি পাড়ায় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ক্যচিং মং মার্মা বাচিং কারবারি পাড়ার বাসিন্দা বাচিং মার্মার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যচিং মং মার্মা নিজ ধানখেতে কীটনাশক ছিটাতে যান। পরে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেও ক্যচিং মং মার্মা বাড়িতে না ফিরলে স্বজনেরা খুঁজতে বের হন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে ক্যচিং মং মার্মাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ধানখেতে পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ক্যচিং মং মার্মাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে উচিংহ্লা মার্মা জানান, ধানখেতে কীটনাশক ছিটাতে গেলে আমার বাবা বন্যহাতির কবলে পড়েন। ওই হাতির পায়ের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, হাতির আক্রমণে ক্যচিং মং মার্মা নিহতের ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৪
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আশুরা আক্তার পাখি (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পাখির বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার রহিমানগর গ্রামে। তিনি ওই এলাকার আবুল বাশারের মেয়ে ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এছাড়া তার শ্বাসনালীতে দগ্ধজনিত ক্ষত হয়ে গিয়েছিল যা তার শারীরিক অবস্থাকে আরও জটিল করে তোলে।
এর আগে একই ঘটনায় নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন এবং দেবর সুমনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ পাখি আক্তারের মৃত্যু হলো।
এদিকে, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও ৫ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস লাইন থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন। ঘটনার পর দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
৯ দিন আগে
চাঁদপুরে বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাডুবি, আহত ৪
চাঁদপুরের মতলবে মেঘনা নদীর শাখা ধনাগোদা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধনাগোদা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। পরে অবস্থার অবনতি হলে আহত দম্পতি সৌরভ (২২) ও রাহেলা আক্তারকে (২০) চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা চাঁদপুর সদর উপজলার পূর্ব শ্রীরামদী এলাকার বাসিন্দা।
চাঁদপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রানা সাহা জানান, স্বামী-স্ত্রী দুজনের অবস্থাই এখন আশঙ্কমুক্ত। তবে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবার জানান, তারা নৌকা চড়ে মতলব উত্তর থেকে মতলব দক্ষিণে আসার পথে নৌকাটি খেয়াঘাট এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পানিতে ডুবে যায়। এ ঘটনায় নৌকার মাঝিসহ ৪ জন আহত হন। এ ঘটনায় সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
১০ দিন আগে
কুমিল্লায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ ৪
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও হুররাম (২)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মনোয়ারা বেগমের শরীরের ২ শতাংশ, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ, হুমায়রার শরীরের ৬৫ শতাংশ ও শিশু হুররামের শরীরের ৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে জিল হক ও হুমায়রার দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।
১০ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ৩
চট্টগ্রামে হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেজে বিস্ফোরণে দগ্ধ সামির আহমেদ সুমন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ জনে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সুমনের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং তার ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল।
এর আগে, নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন নামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছিল। দগ্ধ বাকি ৬ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান এ চিকিৎসক।
ডা. শাওন জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
১০ দিন আগে
চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্য আটক
চাঁদপুর জেলা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত শহরের হাসান আলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, লেকেরপাড়, স্টেডিয়াম রোড, মাদরাসা রোড, পৌর পার্ক, কবরস্থান রোড, প্রেসক্লাব রোডসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
এ সময় ওসি (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস নূর, এসআই বিল্লাল হোসেন, নাজমুল হোসেন, মোখলেছ, কালাম গাজী, নূরুল আলমসহ অন্য সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন।
আটকরা হলেন— ফয়সাল খান (১৪), জাহিদুল (১৬), রবিউল (১৬), আসিফ (২৩), রোকন (১৮), তানভির (১৭), লাবিব (১৭), মাহমুদ (১৮), শাকিব (১৭), শাফিউন (১৮), হামিম (১৯), রায়হান (১৭), ফাহিম (১৭), আল আমিন (১৭), আল সামির (১৫), ফাইয়াজ (১৫), তাওহিদ (১৫), আবরার (১৮), দ্বিন ইসলাম (১৮), সাফিন (১৯) ও মিহাম (১৮)।
ওসি মো. ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসানের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, আটকদের যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১১ দিন আগে