সিলেট
সিলেটে সৎ বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ
সিলেট মহানগরীতে এবার সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহানগরীর বালুচর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আটক ওই ব্যক্তি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে ওই ব্যক্তি তার নিজের সৎ মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। এই বিষয়ে এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে বৈঠক করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জানালে তিনি তা অস্বীকার করেন। গতকাল (মঙ্গলবার) মেয়েকে ফের নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করলে তখন এলাকার লোকজন মিলে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তখন স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। তাকে শাহপরাণ (রহ.) থানায় আটক রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়ে ও তার অভিযুক্ত সৎ বাবা দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে, গত বুধবার (২০ মে) সিলেটের জৈন্তাপুরে নিজের ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুর বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
৮ দিন আগে
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সিলেটের জাফলং-রাতারগুল
ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটক বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে।
জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাইসহ জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যটক কম থাকায় ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়েন। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে এখন তারা নতুন করে আশাবাদী।
পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কয়েক কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরি করবে।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ঝরনা ও নদীগুলো নতুন রূপ ধারণ করায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কিছুটা ঝুঁকিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জাফলং পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. হোসেন মিয়া বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ব্যাপক সমাগম হবে বলে তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
জাফলং পর্যটন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি বাবলু বখত জানান, ঈদের সময় প্রায় সব হোটেল আগেই বুকিং হয়ে যায় এবং পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বল্প খরচে থাকা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও রোভার স্কাউট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
৮ দিন আগে
হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
ঢাকা সিলেট মহাসড়কে হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাহেব বাড়ি গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বাগবের গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে আবুল বাশার (৩৫) ও রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে আশিক আহমেদ (২৫)।
জানা যায়, দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে সিলেট ঘুরতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে উল্লিখিত স্থানে পৌঁছালে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি নিহতদের পরিবার এবং পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৯ দিন আগে
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মারা যাওয়া শিশুটির নাম আব্দুল্লাহ আল জায়ান। ৫ মাস ৭ দিন বয়সী শিশুটি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার ওসমানীনগরের বাসিন্দা। শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬৪ জন রোগী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি, তবে একই সময়ে ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫৬ শিশুর মধ্যে ৪ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকীরা হাম উপসর্গে মারা যায়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৪ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২১ জন (যার ২ জন রুবেলায় আক্রান্ত), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৮৫ জন এবং সিলেট জেলায় ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
৯ দিন আগে
হবিগঞ্জে শিশুকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, প্রধান অভিযুক্তকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে মুখে গামছা বেঁধে নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্তকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) রাতে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর বাজারে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটক ব্যক্তি ওই উপজেলার বড়চর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে বড়চর গ্রামের ওই শিশু বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাওয়ার পথে আটক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান এবং পাশবিক নির্যাতন চালান। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
পরদিন ভুক্তভোগী শিশুটিকে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা ওই ব্যক্তিকে গতকাল রাতে পাশের বাহুবল উপজেলার দিগম্বর বাজারে দেখতে পেয়ে ধরে ফেলেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পরে তাকে বড়চর বাজারে নিয়ে আসার পর জনতা তাকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া প্রধান অভিযুক্তকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৯ দিন আগে
হবিগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৪ মে) বিকালে বড়চর সরকারী প্রাইমারী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৯ বছর বয়সী ওই শিশুটি গ্রামের দোকানে যাওয়ার পথে একই গ্রামের আফরোজ মিয়া (৩৫) তার সঙ্গী ওই শিশুকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জন স্থানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকার শুনে ধর্ষণকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ওই ছাত্রীর বাবা ওইদিন বাড়িতে না থাকায় আজ (সোমবার) দুপুরে ভুক্তভোগীকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে আশঙ্কাকাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, তার মেয়েটি খাবার কেনার জন্য স্থানীয় একটি দোকানে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে নির্জনস্থানে মেয়েটিকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার সহকর্মী অজ্ঞাত আরেকজন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ধর্ষকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।
১০ দিন আগে
সিলেটে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হেতিমগঞ্জ পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঝুমকি দেব (২৯) ওই গ্রামের চঞ্চল দাসের স্ত্রী।
গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় নিজ শয়নকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুমকির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঝুমকির শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন। তবে তার বাবার বাড়ির স্বজনদের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১০ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ জনে।
সোবার (২৫ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মৃত ৪ শিশুর মধ্যে একজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে (বয়স ১৪ মাস), একজনের বাড়ি সিলেট সদরে (বয়স ৮ মাস) ও অপরজনের বাড়ি মৌলভীবাজার সদরে (বয়স ৪ মাস)।তাদের মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং দুজন শহিদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (সোমবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৫৮ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৭০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে ৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
১০ দিন আগে
সিলেটে নিহত শিশু ফাহিমার বাসায় গেলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাদের বাসায় গিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় তিনি নিহত ফাহিমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
নিহত ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। রাইসুল হক স্থানীয় বাজারের একটি দোকানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী ফাহিমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। অপরাধ বিভিন্ন জায়গায় ঘটলেও এটি একটি জঘন্যতম অপরাধ। এমন দুগ্ধপোষ্য বাচ্চার ওপর এই ধরনের নৃশংস নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়েও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাসেম এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান। পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় মন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফাহিমা গত ৬ মে দুপুরে নিখোঁজ হয়। ঘটনার দিন পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশু ফাহিমাকে পাশবিক নির্যাতন করে জাকির নামের এক যুবক। এরপর ফাহিমাকে হত্যা করে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ব্যাগে রাখেন তিনি। পরে সেই ওড়নাসহ শিশুটির মরদেহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। ওই ডোবা থেকে ৮ মে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে কাজ শুরু করে। একপর্যায়ে গত ১১ মে জাকিরকে জালালাবাদ থানা পুলিশ আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে জাকির ফাহিমাকে হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন।
১০ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে।
রবিবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জে। সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৩ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৯৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে একজনের হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে ।
১১ দিন আগে