বৈদেশিক-সম্পর্ক
বেলজিয়াম ও ইইউতে ভারতের রাষ্ট্রদূত হলেন প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার এই নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বেলজিয়ামে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রণয় ভার্মা খুব শিগগিরই তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনারের নাম এখনও ঘোষণা না হওয়ায় প্রণয় ভার্মা আরও এক বা দুই মাস এখানে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
এর আগে, ভিয়েতনামে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রণয় ভার্মা ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসেন।
১৯৯৪ সালে ভারতীয় পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেওয়া এই কূটনীতিক হংকং, সান ফ্রান্সিসকো, বেইজিং, কাঠমান্ডু এবং ওয়াশিংটনে বিভিন্ন কূটনৈতিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রণয় ভার্মা ২০১৭ সালের জুন থেকে নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি পরমাণু শক্তি বিভাগে বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক যুগ্ম সচিব হিসেবে ভারতের পরমাণু কূটনীতির বিষয়টি দেখভাল করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে প্রণয় ভার্মা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী।
ভারতীয় পররাষ্ট্র সেবায় যোগ দেওয়ার আগে তিনি ভারতের ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টাটা স্টিলে তার পেশাদার জীবন শুরু করেছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মিডলবারি ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে চীনা ভাষার ওপর তার মাস্টার্স ডিগ্রি রয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
খলিল-জয়শঙ্কর বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দিল্লি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নয়াদিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় এস জয়শঙ্কর বলেন, ‘আজ বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত।’
তিনি বলেন, আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। এছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলী নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে ‘শুভেচ্ছা সফর’ হিসেবে বর্ণিত এই সফরের মধ্য দিয়ে ‘পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের’ ভিত্তিতে সম্পর্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
যদিও ঢাকা এই সফরকে ‘শুভেচ্ছা সফর’ বলেই উল্লেখ করছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইউএনবিকে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ভালোভাবে বোঝা এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরতে নয়াদিল্লির সঙ্গে এই সফরে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বুধবার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পিযুষ গয়ালের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
২ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। একে ওই অঞ্চলের উত্তেজনা হ্রাসের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে ঢাকা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সমর্থন জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আশা করে যে সংঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এই যুদ্ধবিরতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে এই সুযোগটিকে গঠনমূলকভাবে কাজে লাগিয়ে পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হবে।
এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে যেসব পক্ষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও মধ্যস্থতা করেছে, তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব এবং বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতিতে সেটিই কাম্য।
২ দিন আগে
ভারতে শুভেচ্ছা সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আগামী ১০-১২ এপ্রিল মরিশাসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগর সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার উদ্দেশ্যে আজ মঙ্গলবার ঢাকা ত্যাগ করেন।
পথিমধ্যে নয়া দিল্লিতে যাত্রা বিরতিতে যাচ্ছেন তিনি। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়কমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তার।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, এসব বৈঠকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহকে ভবিষ্যতে আরও ফলপ্রসূ ও টেকসই পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রচনা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মাহবুবুল আলম।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করবে বাংলাদেশ। এছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদসহ অন্যান্য আসামিদের দ্রুত ফেরত চাইবে ঢাকা। মাসুদ বর্তমানে কলকাতায় গ্রেপ্তার রয়েছেন।
ভিসা সেবা পুরোপুরি চালুর বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করবে ঢাকা। চিকিৎসা পর্যটন থেকে ভারত উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে, সে বিষয়টিও সেখানে উল্লেখ করা হবে। এছাড়া সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সীমান্তে আর কোনো প্রাণহানি যেন না ঘটে, সে বিষয়েও জোর দেবে বাংলাদেশ।
উভয় পক্ষ জ্বালানি সহযোগিতা, অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন এবং বাণিজ্য বাধা সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই হবে ভারতে প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর। দিল্লিতে আগামী ৮ এপ্রিল দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এই আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেছিলেন। মোদি তার চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনযোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মরিশাস সম্মেলন ও ভারত সফরে যাবেন।
৩ দিন আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর: দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জোর দেবে ঢাকা
পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চলতি সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে হওয়া আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই শুভেচ্ছা সফরটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ঢাকা এই সফরকে শুভেচ্ছা সফর হিসেবে অভিহিত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি গভীরভাবে বুঝতে এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়কমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরীর সঙ্গেও ড. খলিলুর রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে।
প্রত্যর্পণ ও সীমান্ত ইস্যু
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করবে বাংলাদেশ। এছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদসহ অন্যান্য আসামিদের দ্রুত ফেরত চাইবে ঢাকা। মাসুদ বর্তমানে কলকাতায় গ্রেপ্তার রয়েছেন।
এ বিষয়ে একজন ঊর্ধ্বতন বলেন, এটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে, তবে আমরা আসামিদের যত দ্রুত সম্ভব ফেরত দেখতে চাই।
ভিসা সেবা পুরোপুরি চালুর বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করবে ঢাকা। চিকিৎসা পর্যটন থেকে ভারত উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে, সে বিষয়টিও সেখানে উল্লেখ করা হবে। এছাড়া সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সীমান্তে আর কোনো প্রাণহানি যেন না ঘটে, সে বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ।
উভয় পক্ষ জ্বালানি সহযোগিতা, অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন এবং বাণিজ্য বাধা সহজ করার পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আরও বহুবিধ সাদৃশ্যের গভীর বন্ধন রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ই আলোচনায় আসে।
সফরের সময়সূচি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখান থেকে তিনি মরিশাস যাবেন। নয়াদিল্লি সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তার সঙ্গে থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এটিই হবে ভারতে প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর। দিল্লিতে আগামী ৮ এপ্রিল দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
ভারতের আমন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্ক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এই আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেছিলেন। মোদি তার চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনযোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আজ (সোমবার) পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক লাভের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং দূরদর্শী পন্থায় একত্রে কাজ করার বিষয়ে ভারতের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতীয় দূত এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, আলোচনায় দুই দেশের জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে দ্বিপাক্ষিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের আলোচনায় জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রযুক্তিগত অংশীদারত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো স্থান পায়।
হাইকমিশনার বলেন, অর্থনৈতিক ও সংযোগমূলক সম্পর্ক শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতাকে ভৌগোলিক নৈকট্য থেকে নতুন সুযোগে রূপান্তর করা উচিত।
পানি বণ্টন
আলোচনায় তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টি বাংলাদেশ আবারও উত্থাপন করবে। এছাড়া ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছর ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এটি নবায়নের বিষয়টিও এবারের আলোচনায় স্থান পেতে পারে।
এর আগে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চুক্তিটি নবায়নের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তখন বিষয়টি এগিয়ে নেয়নি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতও এ ক্ষেত্রে ভারত সরকার বিবেচনায় নিচ্ছে।
ভিসা ও সংযোগ
নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে স্থগিত থাকা পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলবে বাংলাদেশ। বর্তমানে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে জনবল স্বল্পতা থাকায় সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে পরিবহন, জ্বালানি এবং ডিজিটাল সংযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশ কাজ করছে। সম্প্রতি ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ এবং ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথ প্রশিক্ষণ ও গভীর সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ঢাকা ও দিল্লি উভয় পক্ষই এখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন করে সাজাতে কাজ করছে যা দুই দেশের জন্যই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
৪ দিন আগে
ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী দিল্লি: প্রধানমন্ত্রীকে প্রণয় ভার্মা
পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক লাভের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং দূরদর্শী পন্থায় একত্রে কাজ করার বিষয়ে ভারতের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার এই আগ্রহের কথা জানান।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই, রাশিয়ার তেল কিনতে ছাড়পত্র দরকার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই; যেসব চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তবে রাশিয়ার তেল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশকে ছাড়পত্র (ওয়েভার) নিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই। যেসব চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, এই চুক্তির কারণে আমাদের আমেরিকার কাছ থেকে পারমিশন (অনুমতি) নিতে হচ্ছে। এটা একেবারে মিথ্যা কথা। রাশিয়ার তেল কেনার ব্যাপারে সব দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই নিষেধাজ্ঞার কারণে ওয়েভারের (ছাড়পত্র) প্রয়োজন হবে। এটার সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। যদিও আলোচনার কিছু বিষয় গোপনীয়তার কারণে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে বলে নিশ্চয়তা দিয়েছে।
দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবে সহায়তা করতে পারবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী উৎস থেকেই তেল কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে ভারত, মধ্যপ্রাচ্য বা যুক্তরাষ্ট্র সব বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে। এই চুক্তির কারণে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তেল আমদানির অনুমতি নিতে হচ্ছে, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
রাশিয়া থেকে তেল আমদানির প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার কারণে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ছাড় বা ওয়েভার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বাণিজ্যিক চুক্তির সম্পর্ক নেই।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি ছিল দুজনের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। এতে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সহায়তা নিয়েও কথা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাকে দুটি আলোকচিত্র এবং হোয়াইট হাউসের একটি প্রতিরূপ উপহার দেন। একটি ছবিতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারকে দেখা যায়, অন্যটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়রকে দেখা যায়।
বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বৈঠক খুবই ফলপ্রসূ ছিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণে অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
৫ দিন আগে
আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টেকে সংহতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে দেশটির নেতৃত্ব ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে পাঠানো এক চিঠিতে এ সংহতি জানান। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত চিঠিটি হস্তান্তর করেন।
চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে সাম্প্রতিক হামলায় প্রাণহানি, ক্ষয়ক্ষতি ও আহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে দেশটির সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের জন্য চিঠিতে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। একইসঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।
৮ দিন আগে
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭৫ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় আনা হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ফিরে আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১১৩ জন এবং বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ৬২ জন ছিলেন।
প্রত্যাবাসিতদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
৯ দিন আগে
৬ বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ পারাপারে অনুমতি দিয়েছে তেহরান
হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া ছয়টি বাংলাদেশি জাহাজকে পার হয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ।
বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাহাজগুলোর নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও ইরান যৌথভাবে কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আসলে পুরো অঞ্চলকে যুদ্ধের কবলে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলের পেতে রাখা ‘ফাঁদে’ পা দেয়নি। তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্ররোচনায় সেই ফাঁদে পা দিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ওই অঞ্চলের মুসলিমরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
জলিল রহিমি আরও উল্লেখ করেন, ইরান থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গত মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান একটি চিঠি লিখেছেন। দুই দেশের সম্পর্ককে ভ্রাতৃপ্রতিম উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান বাংলাদেশকে বন্ধু দেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং কঠিন সময়ে পারস্পরিক সমর্থন প্রত্যাশা করে।
জাতিসংঘের সনদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এক রাষ্ট্রের ওপর অন্য রাষ্ট্রের আগ্রাসন অবৈধ এবং ইরান এ ধরনের আগ্রাসনের শিকার। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং জাতিসংঘ ও ওআইসির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এই আগ্রাসন এবং নারী ও শিশু হত্যার তীব্র নিন্দা জানাবে বলে প্রত্যাশা করে তেহরান।
৯ দিন আগে