বৈদেশিক-সম্পর্ক
৫৬ বাংলাদেশি জেলেকে ছেড়ে দিল মিয়ানমার
কক্সবাজার টেকনাফ বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরার সময় ছয়টি ট্রলারসহ ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ)সকালে তাদের ছেড়ে দেন। এসময় জেলেদের কাছে থাকা মাছ ও জাল রেখে দেন মিয়ানমার নৌ বাহিনী।
ধরে নিয়ে নিয়ে যাওয়া ছয়টি ট্রলারের মালিকরা হলো- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ এলাকার মো. বশির আহমদ, মো. আমিন, নুরুল আমিন, আব্দুর রহিম, মো. শফিক। এদের মধ্যে মো. শফিকের মালিকাধীন দুটি ট্রলার রয়েছে।
এর আগে বুধবার (৫মার্চ) দুপুরে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের সময় অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে ধরে নিয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান।
তিনি জানান, মাছ শিকারে গিয়ে মিয়ানমার নৌবাহিনীর হাতে আটক হাওয়া জেলেদের ছেড়ে দিয়েছে। তারা ইতোমধ্যে টেকনাফের উদ্দেশ্য রওনা করেছে।
টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবদুল মান্নান বলেন, ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের ছেড়ে দিয়েছে। তবে তাদের কাছে থাকা মাছ ও জাল রেখে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪ দিন ধরে সমুদ্রে ভাসতে থাকা ১৩ জেলে উদ্ধার
৩৬৫ দিন আগে
ইউএসএআইডির ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প সংক্রান্ত অভিযোগ সত্য নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ইউএসএআইডির ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাংলাদেশের দুইজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে প্রদান করার অভিযোগটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প 'স্ট্রেংদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন— যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসন্ধান করেছে।
অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালকে (ডিআই) নির্বাচিত করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা আহবানের প্রেক্ষিতে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডি সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে। ২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। পরবর্তীতে প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর অর্থ আসে ধাপে ধাপে।
আরও পড়ুন: দালালের খপ্পরে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়াচ্ছেন বাংলাদেশিরা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
শুরুতে এসপিএল প্রকল্পটি ছিল ৫ বছর মেয়াদি এবং বাজেট ১৪ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনায় ছিল ইউএসএআইডি এবং অর্থায়নে ছিল ইউএসএআইডি ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডি (বর্তমানে এফসিডিও)। এই প্রকল্পে ডিএফআইডির অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার।
এসপিএল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল-রাজনৈতিক সহিংসতা হ্রাস করে শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি, দলগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার উন্নয়ন এবং প্রতিনিধিত্বমূলক নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহ দেওয়া। প্রকল্পের অধীনে ডিআই বাংলাদেশে জরিপ কার্যক্রমও পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, ইউএসএআইডির প্রকল্পের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করাটা বাধ্যতামূলক। এতে আর্থিক নিরীক্ষার প্রক্রিয়াটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার কয়েক বছর পরও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়।
অনুসন্ধান থেকে দেখা যায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে এসপিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। তাই এটি বাংলাদেশের দুইজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে প্রদান করার অভিযোগটি সত্য নয়। বস্তুত এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির (ডিওএজি-ডেভেলপমেন্ট অবজেক্টিভ অ্যাসিসট্যান্ট এগ্রিমেন্ট) মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কোনো কিছু করার ক্ষমতা থাকে না।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ দিল্লিকে মনে করিয়ে দেবে ঢাকা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৩৬৮ দিন আগে
জার্মানির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চান ড. ইউনূস, ডিসেম্বরে হতে পারে নির্বাচন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে জার্মানির সহায়তা কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সরকার চলতি বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন দিতে পারে।
তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশের জন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই। জাতীয় নির্বাচনকে সফল করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।’
ড. ইউনূস বলেন, ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে জার্মানির সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়তে চায় বাংলাদেশ।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জার্মান সরকারের কমিশনার জারাহ ব্রুনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি, সংহতি প্রকাশ
জার্মানির জনগণ ও জার্মানির অর্থনীতির প্রশংসা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভারী শিল্পসহ অনেক ক্ষেত্রে জার্মানি বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ‘জার্মানির সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু আমরা জার্মানির সঙ্গে একটি ভিন্ন সম্পর্ক, বিশেষ সম্পর্ক রাখতে চাই।’
সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণ সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশ সফররত জারাহ ব্রুন অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তার দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হবে।
জার্মানিতে সামাজিক ব্যবসা চালু করতে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আপনার কাজের প্রতি আমার অনেক আশা রয়েছে।’
তারা অধ্যপক ইউনূসের শুরু করা ‘থ্রি জিরো’ আন্দোলন, সামাজিক ব্যবসা, দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত পদক্ষেপ এবং কল্যাণ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায্য বিচার নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ: ড. ইউনূস
বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
৩৭২ দিন আগে
ডিএনসিসির খালগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন খাল খনন, পানি দূষণ রোধ এবং খালগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে ডিএনসিসির নগরভবনে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ডিএনসিসির আওতাধীন খালগুলোর উন্নয়ন এবং খালের পানি দূষণ রোধকল্পে খালের ময়লা অপসারণ (ফিক্যাল স্ল্যাজ ম্যানেজমেন্ট) ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে খালের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। বিশ্বব্যাংকের সহায়তা ঢাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে এবং খালের দূষণ রোধ করে পরিবেশবান্ধব শহর গড়তে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: বিজয় দিবসে ডিএনসিসির শিশুপার্কে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হার্শ গোয়েল, লিড ওয়াটার স্পেশালিস্ট ডেভিড ম্যালকম লর্ড, সিনিয়র ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশন স্পেশালিস্ট আরিফ আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দীন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহাবুব আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারুক হাসান মো. আল মাসুদ প্রমুখ।
৩৭৩ দিন আগে
ড. ইউনূসকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠি, সংহতি প্রকাশ
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়ার প্রতি জাতিসংঘের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন গুতেরেস।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ মহাসচিবের লেখা চিঠির একটি অনুলিপি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলে রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাবের পাশাপাশি রাখাইনে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগের সঙ্গে আমি একমত। রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে বাংলাদেশকে সমর্থনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত রাখবে জাতিসংঘ।’
রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরিসহ মিয়ানমারে সৃষ্ট সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংস্থা আসিয়ান এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে দেশটিতে অবস্থানরত জাতিসংঘের বিশেষ দূতের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন গুতেরেস।
তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল কীভাবে রাখাইনের জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে পারে, সে ব্যাপারে সহযোগিতা করতে আমি আমার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি। রাখাইনসহ পুরো মিয়ানমারের সংকটপূর্ণ এলাকায় মানবিক সহায়তা যেন নিরাপদ, দ্রুত, টেকসই ও নির্বিঘ্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ বদ্ধপরিকর। এ জন্য জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী এবং মিয়ানমারে অবস্থিত জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: ১৩ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
আসিয়ান সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব লিখেছেন, ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলন নতুন করে সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ভূমিকা রাখবে। এই প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ সমর্থনের জন্য (আসিয়ানের) সদস্য দেশগুলোর পরামর্শের পর সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার জন্য আমরা অপেক্ষায় রয়েছি।’
আগামী ১৩ মার্চ চার দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে তার এই সফরে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কার্যকর আলোচনা হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার-বিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান ড. ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেন।
৩৭৩ দিন আগে
বাংলাদেশে এমন একটি ফার্ম ২৯ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে, যেখানে মাত্র দুজন কর্মী: ট্রাম্প
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করতে একটি ফার্মকে ২৯ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে, যেখানে মাত্র দুজন কর্মী কাজ করেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। এদিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নররা বার্ষিক শীতকালীন সম্মেলনে যোগ দিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে সমবেত হয়েছিলেন।
স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন সরকারি দক্ষতা বিভাগের (ডিওজিই) সুপারিশে ইউএসএআইডির বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রকল্প বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘এমন একটি প্রতিষ্ঠানে গেছে সেই অর্থ গেছে, যেটির নাম কেউ কখনো শোনেনি আর সেখানে কাজ করেন মাত্র দুজন কর্মী।’
‘আপনি কী ভাবতে পারেন, আপনার একটি ছোট্ট ফার্ম আছে, আপনি এখানে ১০ হাজার ডলার পান, সেখানে ১০ হাজার ডলার পান, তারপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৯ মিলিয়ন ডলার পেলেন। সেই ফার্মে মাত্র দুজন কাজ করেন, মাত্র দুজন, আমি মনে করি, তারা খুবই সুখী, তারা খুবই ধনী,’ বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।আরও পড়ুন: শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
বিদ্রূপ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তাদের খুব শিগগিরই কোনো বিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে দেখা যাবে—মহাপ্রতারক (গ্রেট স্ক্যামারস) হিসেবে!’
প্রেসিডেন্ট হিসেনে দায়িত্ব নেওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় কমানো এবং কর্মী ছাঁটাইয়ের জন্য ইলন মাস্কের নেতৃত্বে নতুন দপ্তর ‘ডিওজিই’ চালু করেন ট্রাম্প। এই দপ্তরের সুপারিশে বাংলাদেশ ও ভারতের এ দুই প্রকল্পসহ মোট ১৭টি আন্তর্জাতিক সাহায্য কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।
ভারতের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘২১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতকে ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য। আমাদের কি হবে! আমিও তো চাই ভোটার উপস্থিতি বাড়ুক।’
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে নেপাল দুটি প্রকল্পের জন্য ৩৯ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে। এর মধ্যে জীববৈচিত্র্যের জন্য নেপাল পেয়েছে ১৯ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া সার্বিয়া, মলদোভাসহ আরও কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থ পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
৩৭৭ দিন আগে
ভিসা প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ ইতালি দূতাবাসের
ভিসা প্রক্রিয়া করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ঢাকাস্থ ইতালির দূতাবাস। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ইতালিতে প্রতারণামূলক কার্যক্রম বোঝার এবং শনাক্ত করতে দূতাবাস উভয় দেশের পুলিশ কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহায়তা দিয়ে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখছে।
সম্প্রতি এসব ক্ষেত্রে প্রতারণা সংক্রান্ত ঘটনায় ইতালির পুলিশ (গার্ডিয়া ডি ফিনানজা) একটি তদন্ত করেছে। এরপর দূতাবাসের দুই জন প্রাক্তন কর্মী সদস্যসহ অন্যান্য ইতালীয় এবং বাংলাদেশি নাগরিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গৃহবন্দী করা হয়েছে।
এটি দূতাবাস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলার উদ্যোগ। একই সঙ্গে এটি অভিবাসীদের নির্যাতন ও প্রতারণা থেকে রক্ষা করার জন্য দূতাবাস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিখুঁত তল্লাশি কার্যক্রমের আরও একটি প্রমাণ।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার খোলার চেষ্টা চলমান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ভিএফএস গ্লোবালের আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত কনস্যুলার এবং পরিষেবা ফি ব্যতীত কাউকে কিছু না দিতে এবং তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতাকারীদের এড়াতে ভিসা আবেদনকারীদের আবারও অনুরোধ করেছে দূতাবাস।
আবেদনকারীদের তাদের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত যেকোনো অসদাচরণের অভিজ্ঞতা কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
পরিশেষে, দূতাবাস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইতালি থেকে অতিরিক্ত কর্মী আনার কারণে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় কমেছে এবং সামনের মাসগুলোতে বিদ্যমান সমাস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে দূতাবাস আত্মবিশ্বাসী।
আরও পড়ুন: ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আরও কর্মী নিতে আমিরাতের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বান
৩৭৭ দিন আগে
মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া ৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন শুক্রবার
উন্নত জীবন ও ভালো কাজের আশায় সাগরপথে ইউরোপের পাড়ি জমিয়ে ভূমধ্যসাগর মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া পাঁচ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন।
আগামীকাল ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ভোর সাড়ে ৫টায় টার্কিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন তারা।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় নিজের দেশে ফিরছেন তারা।
ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম হেড শরিফুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞার মুখে অভিবাসীবাহী মার্কিন ফ্লাইট অবতরণে অনুমতি দিল কলোম্বিয়া
পাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন পাঁচ বাংলাদেশি। ভয়ংকর মানব পাচারচক্র তাদেরকে মাফিয়ার হাতে তুলে দিয়েছিল। তাদের পরিবারের কাছ থেকেও আদায় করা হয় মুক্তিপণ।
ভুক্তভোগী বাংলাদেশিরা হলেন- মুন্সিগঞ্জের মোস্তাকিন সরকার, শেরপুরের মোজাম্মেল হক ও মাদারীপুরের জিহাদ ফকির, রোমান হাওলাদার এবং ইয়াসিন হাওলাদার।
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও আলজেরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফিরছেন তারা।
এর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ব্র্যাক ও টিআইপি (ট্রাফিকিং পারসনস) হিরো নেটওয়ার্কের সহায়তায় একই ধরণের অপরাধের শিকার আরও আট বাংলাদেশি ফিরেছেন।
আরও পড়ুন: শতাধিক অবৈধ অভিবাসীকে ভারতে পৌঁছে দিল মার্কিন উড়োজাহাজ
৩৭৯ দিন আগে
বাংলাদেশ ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে’ উত্তরণে সফল হোক, চায় ইইউ
সফলতার সঙ্গে ‘স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে’ উত্তরণ এবং সমমনা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার।
তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ যেন এই উত্তরণে সফল হতে পারে, তা আমরা চাই। এটি বাস্তবায়নে কিছু বিষয়ের দ্রুত পরিবর্তন দরকার, আর এক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে আমরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য রয়েছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আমরা দক্ষতা, বিনিয়োগ ও ধারাবাহিকতার অংশীদার হিসেবে এখানে (বাংলাদেশে) আছি।’
‘আমরা বাংলাদেশ ২.০ এর উত্থান এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের পরও এ দেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব বজায় রাখতে চাই।’
‘বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্ক: ভবিষ্যতের পূর্বাভাস’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রদূত মিলার এসব কথা বলেন। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বে অব বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় কসমস গ্রুপের দাতব্য সংস্থা কসমস ফাউন্ডেশন এই সংলাপের আয়োজন করে।
প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ইইউ কেন অন্তর্বর্তী সরকারের সকল সংস্কার উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করতে চায়, তা ব্যাখ্যা করেন রাষ্ট্রদূত মিলার। বলেন, ‘এই সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আমাদের এটিও নিশ্চিত করতে হবে যে এখানে মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে, দেশের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে, আইনের শাসন সমুন্নত রয়েছে এবং সব (নাগরিক) অধিকার বৈষম্যহীমভাবে সবার জন্য প্রযোজ্য হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘মানবাধিকার সবার জন্য। এগুলো শুধু ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য নয়, বিশ্বের সবার জন্য; এক কথায় সর্বজনীন। সব ধরনের মানবাধিকার প্রাপ্তি যেমন এই দেশের সকল নাগরিকের অধিকার, তেমনই আমাদের (ইইউ) দেশগুলোর নাগরিকদেরও অধিকার।’
‘এই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা আনতেও এগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে; এক্ষেত্রে সকলের অধিকারই সমান। ফৌজদারি অপরাধের যৌক্তিক অভিযোগে আটক না হলে কাউকেই কারাগারে রাখা উচিৎ নয়।’
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কসমস ফাউন্ডেশন ও বে অব বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কূটনীতিক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।
এছাড়া বে অব বেঙ্গল ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ও কসমস ফাউন্ডেশনের সম্মানিত উপদেষ্টা ইমেরিটাস অ্যাম্বাসেডর (অব.) তারিক এ করিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. লাইলুফার ইয়াসমিন, কসমস গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশে আয়ারল্যান্ডের সম্মানিত কনসাল মাসুদ খান, কসমস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাহার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট কূটনীতিক ও শিক্ষাবিদরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ইইউয়ের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ মূল্য দেয় জানিয়ে এনায়েতুল্লাহ খান বলেন, ‘আসুন আমরা কৌশলগত সহযোগিতা, অংশীদারত্ব ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার একটি যুগের দিকে তাকাই। বাংলাদেশ ২.০ নামে একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এ সময় ইইউয়ের অব্যাহত সমর্থন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রচেষ্টার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।’
৩৮১ দিন আগে
সংস্কার পদক্ষেপ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়: চীনের রাষ্ট্রদূত
সংস্কার সংক্রান্ত যেকোনো পদক্ষেপ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর চীনা দূতাবাসে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সবসময়ই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, ঐক্য ও উন্নয়ন কামনা করে চীন।
বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে চীন। বাংলাদেশে চলমান সংস্কার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে না চাইলেও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
এ সময় তিনি ডিজিটাল অর্থনীতি, গ্রিন ইকনোমি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর মতো বিকাশমান ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সহায়তার কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানের প্রতি বাণিজ্য উপদেষ্টার আহ্বান
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশে আরও বেশি চীনা প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে তারা।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ ও চীন কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলেও জানান চীনের এই রাষ্ট্রদূত। কূটনৈতিক সম্পর্কের এই সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চীন আগ্রহী বলে জানান তিনি।
এ সময় চীন নিজেদের রোড এন্ড বেল্ট ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। ব্রিফিং চলাকালে বাংলাদেশকে দেওয়া চীনের ঋণের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন কখনোই ঋণের সাথে কোনো শর্ত জুড়ে দেয় না।’
চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। দুই কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ ও চীন পরস্পরকে সাহায্য করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৩৮১ দিন আগে