বৈদেশিক-সম্পর্ক
উপদেষ্টো আসিফের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত এলেনর স্যান্ডার্সের সাক্ষাৎ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সফররত যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রদূত এলেনর স্যান্ডার্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে উপদেষ্টার কার্যালয়ে তারা সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে, দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, পারস্পরিক সম্পর্ক, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও ব্যবসায়িক স্বার্থে দু’দেশের সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করবে তার সরকার।
সাক্ষাৎকালে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার, ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, কর্মসংস্থান, যুব ও ক্রীড়া, তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা ও নেতৃত্ব, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, লিঙ্গ সমতা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শ্রম অধিকারের মতো বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য সংযোগ ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রত্যাশা ভারতের
দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় উপদেষ্টা বলেন, 'বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে ফ্যাসিস্ট শাসকের চালানো প্রোপাগান্ডা জনসম্মুখে আসা উচিৎ।' এছাড়াও বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা এবং রাজনৈতিক স্বৈরতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বেকার যুবক, নারী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা আসিফ।
এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে যুক্তরাজ্য সরকার বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের কর্মসূচিকে সমর্থন করেছে। ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক অটুট রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এছাড়াও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে, মানবাধিকার এবং শ্রম অধিকার বিষয়ে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন যুক্তরাজ্যের এই কূটনীতিক।
এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বেগমপাড়ার সম্পত্তি উদ্ধারে কানাডার সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
৩৯৪ দিন আগে
বেগমপাড়ার সম্পত্তি উদ্ধারে কানাডার সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঢাকায় কানাডীয় হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের বৈঠকে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের জনগণের কাছ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া অর্থ দিয়ে বেগমপাড়ায় সম্পত্তি কেনা হয়েছে। সেই সম্পত্তি উদ্ধারে আপনাদের সহায়তা দরকার—এগুলো সবাই আমাদের জনগণের সম্পত্তি।
ইউনূস বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, সহযোগী ও অলিগার্করা হাজার হাজার কোটি ডলার বাংলাদেশ থেকে লুট করেছে। সেই অর্থের একটা অংশ কানাডায় পাচার করেছে এবং টরোন্টোর কুখ্যাত বেগমপাড়ায় সম্পদ কিনেছে।
আরও পড়ুন: একুশের টান প্রজন্মের ঊর্ধ্বে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান তারই জ্বলন্ত প্রমাণ: প্রধান উপদেষ্টা
পাচারকারীদের শনাক্ত, সম্পদ জব্দ ও উদ্ধারে কানাডার সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময়ে চুরি হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধারে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার প্রশংসা করেছেন কানাডীয় হাইকমিশনার, কানাডা সহায়তা করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
কানাডার হাইকমিশনার জানান, কানাডার সরকার চিহ্নিত ব্যক্তিদের পাচার করা অর্থ জব্দ এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি ‘প্রক্রিয়া’ চালু রেখেছে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত সংস্কার কর্মসূচিকে সহযোগিতা প্রদানে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।
রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচির প্রতি ইঙ্গিত করে অজিত সিং বলেন, আপনারা যে মহৎ কাজ করছেন, আমরা তা সমর্থন করি। এরইমধ্যে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। আমরা জানতে আগ্রহী, আরও কীভাবে আপনাদের সাহায্য করতে পারি।
কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করতে কানাডার একজন মন্ত্রী শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলেও জানান তিনি।
অধ্যাপক ইউনূস নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ঢাকা আরও বেশি কানাডীয় বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছে।
কানাডার হাইকমিশনারকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আমরা আপনাদের দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে চাই এবং আমরা চাই কানাডীয় কোম্পানিগুলো তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করুক।
আরও পড়ুন: অনলাইনে মামলা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে বহু বাংলাদেশি কানাডায় বসবাস ও পড়াশোনা করছে। তাই ঢাকায় কানাডার একটি ভিসা অফিস স্থাপন করা প্রয়োজন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
৩৯৫ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য সংযোগ ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রত্যাশা ভারতের
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য সংযোগ এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা দুই দেশের মানুষ ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) একটি ইন্টারেক্টিভ সেশনে ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সরবরাহ / ভ্যালু চেইনকে এগিয়ে নেওয়ারও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে সহযোগিতাকে তাদের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং পারস্পরিক সুবিধার প্রমাণ হিসাবে চিহ্নিত করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত টেক্স-২০২৫ এ বাংলাদেশের একটি বড় প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ টেক্সটাইল খাতের সরবরাহ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন বিভাগে নতুন সরবরাহ পদ্ধতির সংযোগ এবং বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক স্থাপনের নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করবে।
আগামী ১৪ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের নয়া দিল্লিতে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও স্বার্থে এগিয়ে যাবে: প্রণয় ভার্মা
৩৯৬ দিন আগে
তরুণদের সম্পৃক্ততা জোরদারে বাংলাদেশ সফরে ডাচ রাষ্ট্রদূত
তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করার উপায় অনুসন্ধানে বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছেন নেদারল্যান্ডসের যুব, শিক্ষা ও কর্ম বিষয়ক রাষ্ট্রদূত জুরিয়ান মিডেলহফ।
নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত বলেন, 'তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে নেদারল্যান্ডস কীভাবে অবদান রাখছে তা তুলে ধরার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ সফর করতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত।’
সোশ্যাল বিজনেস ইয়ুথ সামিটে মিডেলহফ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আলোচনায় তিনি নেদারল্যান্ডসের 'ইয়ুথ অ্যাট হার্ট' কৌশল এবং বাংলাদেশে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় গৃহীত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: 'পাওয়ার অব পেইন অ্যান্ড প্যাথোস ২': নেদারল্যান্ডস দূতাবাসে প্রীতি আলীর একক প্রদর্শনী চলছে
মিডেলহফ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অর্থবহ তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুড়ে দেখার সময় তিনি ছাত্রদের সঙ্গেও কথা বলেন। দেয়ালের গ্রাফিতির আকর্ষণীয় গল্পগুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টাও করেন তিনি। গ্রাফিতিগুলো গত জুলাইয়ের ছাত্র বিক্ষোভের স্মৃতিগুলোকে তুলে ধরে।
তিনি দৃক গ্যালারির 'এ জার্নি থ্রু জুলাই' শীর্ষক প্রদর্শনীও পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য তাদের প্রত্যাশা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।
ডাচ রাষ্ট্রদূত অংশীজনদের আয়োজনে একটি নৈশভোজেও অংশ নেন। তরুণদের যথাযথ চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জগুলো দূর করা, শিক্ষা এবং শ্রম বাজারের মধ্যে বৈষম্য দূর করা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং নীতি নির্ধারণে যুবকদের জড়িত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
দূতাবাস জানিয়েছে, তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঢাকাস্থ ডাচ দূতাবাস যুব উন্নয়নের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ কারণে নেদারল্যান্ডসের তরুণদের জন্য বিশেষ দূত এবং তাদের উন্নয়ন নীতিতে 'ইয়ুথ অ্যাট হার্ট' কৌশল রয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানালেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী
৩৯৬ দিন আগে
বাংলাদেশের বন্দর নিরাপত্তা নিরীক্ষায় অংশ নিল মার্কিন কোস্ট গার্ড
বাংলাদেশের বন্দরগুলোর নিরাপত্তায় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সঙ্গে নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড ইন্টারন্যাশনাল পোর্ট সিকিউরিটি (আইপিএস) প্রোগ্রামের প্রতিনিধিরা। গত ২০ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির মেরুদণ্ড। সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রতিষ্ঠা করতে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন এবং এর সদস্য দেশগুলো ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি (আইএসপিএস) কোড তৈরি করেছে, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য একমাত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি।
যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ডের আইপিএস প্রোগ্রাম ২০০৩ সালে আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নকে শক্তিশালী করতে এবং সারা বিশ্বে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বন্দর নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সমুদ্র বাণিজ্যের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে আইপিএস প্রোগ্রামের প্রতিনিধিরা প্রতি তিন বছরে একবার অংশীদার দেশগুলো সফরের অনুরোধ করেন, যেখানে তারা বন্দর নিরাপত্তার তত্ত্বাবধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দেশের বন্দরগুলোতে আইএসপিএস কোডের বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রতিনিধি দলের প্রধান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ন্যাগি বলেন, ‘এই দেশভিত্তিক নিরীক্ষা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড বাংলাদেশ নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেছে, যা বন্দর নিরাপত্তা তথ্যের দ্বিপাক্ষিক আদান-প্রদান এবং সবচেয়ে ভালো অনুশীলনগুলো ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। আমাদের নিজ নিজ দেশে বন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং বাংলাদেশের আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নের বিষয়ে আরও জানতে সরকারের মধ্যে এই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগের জন্য আমরা নৌপরিবহন বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই। এই নিরীক্ষা থেকে অর্জিত জ্ঞান দেশব্যাপী বন্দরগুলোতে তাদের বন্দর নিরাপত্তা প্রোগ্রামের উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে, ফলে বৈশ্বিক সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা উন্নত হবে। আমরা বিশ্বাস করি যে, এই বন্দর নিরাপত্তা বিনিময়গুলো পারস্পরিকভাবে আমাদের ব্যাপকভাবে লাভবান করবে।’
যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা উন্নত করার জন্য বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য পারস্পরিক বন্দর নিরাপত্তা প্রোগ্রাম প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অংশীদারত্ব বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৩৯৯ দিন আগে
১৭-২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক
ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধির জয়সওয়াল বলেন, ‘২০২৫ সালের ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে ডিজি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনায় সীমান্ত সম্পর্কিত সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, পারস্পরিকভাবে সম্মত সব সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিকে সম্মান জানানো হবে। এগুলো দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কাঠামোগত সম্পৃক্ততার ভিত্তি এবং সীমান্তে পারস্পরিকভাবে উপকারী নিরাপত্তা ও বাণিজ্য অবকাঠামো তৈরিতে সহায়তা করে।’
৩৯৯ দিন আগে
ঢাকায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বৈঠক
বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) মার্কিন দূতাবাস থেকে এমন তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নিয়মিত কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর পরিকল্পনা ও অবস্থান সম্পর্কে আরও বোঝাপড়া ও ধারণা পেতে এসব বৈঠক করা হয়েছে।
এর আগে, গেল ২০ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্যারিস চুক্তি প্রত্যাহার, জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল যুক্তরাষ্ট্র
রাষ্ট্রদূত তখন বলেন, ‘আমরা জাতি হিসেবে আপনার সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন দিতে প্রস্তুত রয়েছি।’
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রম, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের ওপর রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠনের প্রচেষ্টা এবং আগামী সাধারণ নির্বাচনের পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।
জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনি আশা করছেন রাজনৈতিক দলগুলো ফেব্রুয়ারির শুরুতে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাবে।
৪০১ দিন আগে
বাংলাদেশে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সংস্কারে সমর্থন ইইউ'র
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্ভাব্য সমন্বিত অংশীদার ও সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার নতুন পথ খোঁজার অপেক্ষায় রয়েছে।
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লেখা এক চিঠিতে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এ বার্তা দেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ইইউ একটি সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। যেটি হবে 'শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক নীতি, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একই সঙ্গে যা- স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের' দিকে পরিচালিত করবে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট টেকসই উন্নয়ন, সবুজ উত্তরণ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং আর্থিক ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনের অগ্রগতির প্রতি ড. ইউনূসের প্রতিশ্রুতিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।
ইইউ এরই মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে এই বিষয়গুলোতে জড়িত রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ভন ডের লেইন বলেছেন, ‘আমরা খাতসংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করতে এবং চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অতিরিক্ত সহায়তা বিবেচনা করতে আগ্রহী।’
তিনি বলেন, গ্লোবাল গেটওয়ে ফর ইইউ'র আওতায় রেলওয়ে, পানিসম্পদ, জলবায়ু অভিযোজন, স্বাস্থ্য, ডিজিটাল ও জ্বালানিসহ নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক ও কানেক্টিভিটিতে ইইউ’র বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ফন ডের লিয়েন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে তারা ড. ইউনূস প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
তিনি বলেন, ‘আমরা এই খাতগুলোতে নীতি উন্নয়ন এবং কার্যকর প্রশাসনকে সমর্থন করার জন্য লক্ষ্যযুক্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা একীভূত করে এবং যেখানে প্রাসঙ্গিক সেখানে ইইউ অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই কাজের প্রভাবকে সর্বাধিক করতে চাই।’
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ইইউ-বাংলাদেশ সহযোগিতার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পূর্ণ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
ইইউ নিয়মিত সমন্বয় সভা আয়োজন করতে প্রস্তুত। যাতে ইইউ কর্মসূচিগুলোর সময়োপযোগী করা যায়, তাদের সহায়তার পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা এবং তাদের অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলোকে শক্তিশালী করতে এবং অংশীদারত্বকে জোরদার করতে নতুন অনুরোধগুলো মূল্যায়নের কৌশলগত সংলাপ নিশ্চিত করা যায়।
বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
৪০৩ দিন আগে
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, আসন্ন সংসদীয় উপমন্ত্রী পর্যায়ের সফর আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক সমর্থনের এই বার্তা বহন পৌঁছে দেবে।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সংস্কার প্রচেষ্টায় সমর্থন এবং 'কৌশলগত অংশীদারিত্বের' আওতায় বিস্তৃত ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
এই প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীরতর করা, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এজেন্ডাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন।
রাষ্ট্রদূত শিগগিরই ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজন এবং নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) আলোচনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, জাইকা প্রধানের এ বছরের মার্চে বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে।
তিনি উপকূলীয় এলাকায় টহলের জন্য বাংলাদেশকে পাঁচটি টহল জাহাজ সরবরাহের জাপানের সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশে বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণে যন্ত্রপাতি সরবরাহে সরকারের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতির বিষয়েও পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।
বাংলাদেশে প্রধান উন্নয়ন উদ্যোগে জাপানের অবদানের কথা স্বীকার করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার হওয়ার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সব সময়ই স্থিতিশীল এবং বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ সব সময় সুরক্ষিত থাকবে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন ও টেকসই সমাধানের জন্য জাপানের অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার ভিসা দ্রুত সময়ে চায় ঢাকা
তিনি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরিতসহ তাদের জন্য জাপানের মানবিক সহায়তারও প্রশংসা করেন।
রাখাইন রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জাতিসংঘের সহযোগিতায় দোহায় বাংলাদেশ আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক আসন্ন সম্মেলনে জাপানের সমর্থন কামনা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উভয় পক্ষ আন্তর্জাতিক ফোরামে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি নির্বাচনী বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জাপানের নতুন রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে সফল মেয়াদ কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, তার মেয়াদে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
৪০৩ দিন আগে
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার ভিসা দ্রুত সময়ে চায় ঢাকা
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়াকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করতে কানাডার কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সোমবার (২৭ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা তৌহিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে তা উল্লেখ করেন। তাদের (রোহিঙ্গা) নিজদেশে টেকসই নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কানাডার জোরালো সমর্থনসহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং ঢাকাস্থ কানাডার হাইকমিশনের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অজিত সিং বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তারা কৃষি সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, আর্থিক খাত এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: ইতালির ভিসা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে, আশা উপদেষ্টা তৌহিদের
হাইকমিশনার এসব উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন এবং তা সমাধানে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।
দুই শীর্ষ ব্যক্তি দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি সহায়তা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাইকমিশনারকে তার মেয়াদকালে বাংলাদেশ-কানাডা অংশীদারিত্ব জোরদারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
৪০৩ দিন আগে