বিএনপি
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ইউএনবিকে বলেছিলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানকে ঢাকা-১৭ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
১৫৯ দিন আগে
ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের ভোটার হচ্ছেন রাশেদ খান
ভোটার তালিকায় স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজেকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের স্থায়ী ভোটার করার আবেদন করেছেন রাশেদ খান। এর আগে তিনি ঝিনাইদহ সদর পৌরসভার ভোটার ছিলেন।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব বরাবর ‘ভোটার স্থানান্তরের’ আবেদন করেন রাশেদ খান।
সূত্র জানিয়েছে, রাশেদ খান ঝিনাইদহ সদর পৌরসভার ভোটার ছিলেন। পৌরসভার মুরারিদহ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরই মধ্যে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এসব বিবেচনায় রাশেদ খান কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ার আবেদন করেছেন। কালীগঞ্জ পৌরসভা থেকে এ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রও নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে আজ দুপুরে রাশেদ খান বলেন, আমি ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জ পৌরসভার ভোটার হওয়ার আবেদন করেছি। ঝিনাইদহ সদর পৌরসভার ভোটার আমি। নির্বাচন কমিশনে আমার ভোটার স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনটি নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘কালীগঞ্জে যেহেতু নির্বাচন করব, আমি সেই এলাকারই ভোটার হব। আমি কালীগঞ্জবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন ও উন্নত কালীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই।
১৬০ দিন আগে
তারেক-জাইমার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত রবিবার
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনরে (ডিএনসিসি) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই ওয়ার্ডে ভোটার হতে আবেদন করেছেন তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। তাদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোটার নিবন্ধন আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক, ভোটার হতে সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার করার এখতিয়ার কমিশনের আছে। তাদের (তারেক ও জাইমা) আবেদন আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এর আগে, আজ দুপুর ১টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে উপস্থিত হন তারেক রহমান। সেখানে প্রথমে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ প্রদান করে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন তিনি। এসময় তার মেয়ে জাইমা রহমানও ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।
১৬০ দিন আগে
ছোট ভাই কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে গিয়ে কোকোর কবর জিয়ারত করেন তিনি।
আরাফাত রহমান কোকো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে যান তারেক রহমান। এরপর ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে পৌঁছান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে গণসংবর্ধনার আয়োজন করে বিএনপি। সেখানে লাখ লাখ মানুষ ও দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যান।
এরপর গতকাল (শুক্রবার) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
১৬০ দিন আগে
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান: ডিজি
ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করার ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি, তিনি অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে অনুসন্ধান করে দেখবে, সেটি কারও সঙ্গে মিলছে কি না। না মিললে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটি আমাদের হাতে নেই।
মহাপরিচালক বলেন, তিনি আমাদের কাছ থেকে এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড যে কোনোটি নিতে পারবেন। আবার তার মোবাইলে এসএমএস যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আজ দুপুরেই তার নিবন্ধন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন।
১৬০ দিন আগে
হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তিনি গুলশানের বাসা থেকে বের হন। এরপর সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে পৌঁছান।
এদিকে, নেতার আগমনের খবরে শাহবাগ মোড় ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।
অনেকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা প্রদর্শন করে নানা স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। শাহবাগ থানার সামনে নিরাপত্তা বেস্টনি দিয়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমানের নির্বাচন কমিশন (ইসি) অফিসে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি নাগরিক হিসেবে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
এরপর তিনি ধানমণ্ডিতে তার শ্বশুরবাড়িতে যাবেন। ধানমণ্ডি থেকে অসুস্থ মাকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
তবে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে (জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান) জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আহত না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
গত বৃহস্পতিবার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে বিএনপি গণসংবর্ধনার আয়োজন করে। সেখানে লাখ লাখ মানুষ ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সমবেত হন।
১৬০ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সূর্যাস্তের আগে তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে না পারায় শহিদদের বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্মৃতিসৌধ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা সূর্যাস্তের আগেই শেষ হওয়ায় বিকাল ৫টা ৬ মিনিটে তারেক রহমানের পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
১৬০ দিন আগে
বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন অশ্রুসিক্ত তারেক রহমান
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর দোয়া ও মোনাজাত করেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বাবার কবর জিয়ারত করেন তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, মহাসচিবসহ দলীয় নেতাদের নিয়ে তারেক রহমান শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে এককভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।
পূর্ব নির্ধারিত এই কর্মসূচি শেষে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি।
এর আগে, দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে লাল-সবুজ রঙে সাজানো বাসে করে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে বাবার কবর জিয়ারতের উদ্দেশে জিয়া উদ্যানের দিকে যাত্রা শুরু করেন তারেক রহমান। গতকাল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থল, এভারকেয়ার হাসপাতাল ও পরে গুলশানের বাসভবনে যাওয়ার সময়ও তিনি একই বাস ব্যবহার করেন।
সকাল থেকেই ঢাকার শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়েছেন। কারও হাতে দলীয় পতাকা, কেউ ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।
১৬০ দিন আগে
পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে জিয়া উদ্যানের পথে তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার একদিন পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের দিকে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে লাল-সবুজ রঙে সাজানো বাসে করে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে যাত্রা শুরু করেন তারেক রহমান। গতকাল (বৃহস্পতিবার) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনাস্থল, এভারকেয়ার হাসপাতাল ও পরে গুলশানের বাসভবনে যাওয়ার সময়ও তিনি একই বাস ব্যবহার করেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
প্রায় ১৯ বছর পর এই প্রথম তারেক রহমান তার পিতার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যাচ্ছেন। সর্বশেষ তিনি ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন।
তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যান ও সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
আগামীকাল তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে যাবেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে শরিফ ওসমান হাদির কবরে যাবেন। তারপর তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান-নিটোরে যাবেন। সেখানে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
গতকাল দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান দেশে ফেরেন। তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানও ছিলেন।
গতকাল সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি সিলেটে অবতরণ করে। সেখানে ঘণ্টাখানেক যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়। এরপর সেটি ঢাকার উদ্দেশে বেলা ১১টা ৪ মিনিটে বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে গণসংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।
১৬১ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’: তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পরে দেশে ফিরে ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য আমার একটি পরিকল্পনা আছে। যদি সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, এই দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মঞ্চে উঠে ‘প্রিয় বাংলাদেশ’ বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সালাম দিয়ে দেশে ফিরে আসতে পারায় সৃষ্টিকর্তার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ৭৫-এর ৭ নভেম্বর আবার সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৯০-এর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণ, খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।
‘আমরা তার পর দেখেছি, ২০২৪ সালে। ’৭১ সালে এদেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতাসহ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত, শ্রেণিপেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
১৬২ দিন আগে