বিএনপি
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে আব্দুল আউয়াল মিন্টু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভুঞা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষণা করেছেন। মিন্টু হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি গত ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। নিজের নামে কোনো ঋণ নেই, তবে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে ২৯৪ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির বাজার মূল্য ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা, যার মধ্যে অকৃষি জমি ৭ কোটি ১৫ লাখ, আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবন ৪২ লাখ এবং বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট ৩০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, নগদ ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, ব্যাংকে ১ কোটি টাকা, শেয়ার ও বন্ডে ১৫১ কোটি টাকা।
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমার সম্পদ ৯৯ কোটি ২৪ লাখ, বড় ছেলে তাবিথ আউয়াল ৫৯ কোটি, মেজো ছেলে তাফসির ৪৯ কোটি, ছোট ছেলে তাজোয়ার ২৬ কোটি টাকা। দেশে তার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয় ১ কোটি ১২ লাখ, আয়কর ৩৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
মিন্টুর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলায় খালাস বা অব্যাহতি হয়েছে; তবে ধানমন্ডির সিএমএম আদালতে ২০০৭ সালে জামিনপ্রাপ্ত একটি মামলা স্থগিত রয়েছে। তিনি ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন, ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজি বাড়িকে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বর্তমানে গুলশানে বসবাস করছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর।
৬০ দিন আগে
সালেক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে নওগাঁর বিএনপি নেতা ডা. সালেক চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা দলীয় প্যাডে তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
ডা. সালেক চৌধুরী জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। নওগাঁ-১ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্যও হয়েছেন।
ইতোমধ্যে বহিষ্কারের একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে ডা. সালেক চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যেটার চিঠি আমরা পেয়েছি।
এ বিষয়ে ডা. সালেক চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনও জানি না। আর যদি বহিষ্কার করে থাকে সেটা নিয়মের মধ্যে হয়নি। কারণ আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বিবেচনা করার সময় ছিল। যদি আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করতাম, তাহলে একটা কথা ছিল। আর যদি সত্যি সত্যি দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে আমি নির্বাচন করব। কারণ আমার তো আর কোনো পথ নেই। কাজেই শেষ পর্যন্ত ভোটে লড়াই করব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, বহিষ্কারের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির নেতা সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মনোনয়ন না দিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে দলীয়ভাবে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। যার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সালেক চৌধুরী। গত রবিবার ছিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দিন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত ওই নেতার মনোনয়ন।
ডা. সালেক চৌধুরী নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-সাপাহার-পোরশা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৬ সালে ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৬০ দিন আগে
তারেক রহমানের একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং প্রেস সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর একান্ত সচিব হিসেবে এবং ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)-কে প্রেস সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।’
এর আগে এ বি এম আব্দুস সাত্তার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবং সালেহ শিবলী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রেসসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ২৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে একই বিমানে দেশে ফেরেন সালেহ শিবলী।
৬২ দিন আগে
শোকের সময় জাতির মাঝেই পরিবার খুঁজে নিলেন তারেক রহমান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে লাখ লাখ মানুষ শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জানানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তার বড় ছেলে তারেক রহমান। তার মার বিদায়ের এই চরম দুঃখের সময়ে জাতি যে বিপুল ভালোবাসা ও সংহতি প্রকাশ করেছে , তাতে তার মনে হয়েছে যে পুরো জাতিই তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জতির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ কথা বলেছেন।
তারেক রহমান বলেন, গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু, এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।
তারেক রহমান আরও বলেন, অগণিত নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। লক্ষ-লক্ষ মানুষ একসাথে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে; তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না; অনেক দিক থেকে তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।
এ সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি যারা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান, আমি গভীরভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতিও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।
তারেক রহমান বলেন, শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রাণপ্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে, পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, আমার মা সারাজীবন নিরলসভাবে মানুষের সেবা করেছেন। আজ তার সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার আমি গভীরভাবে অনুভব করছি। একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে আমার মার পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করবো সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে—সেই মানুষদের জন্য, যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।
তিনি তার মায়ের জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন আমার মার রূহকে শান্তি দান করেন। আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার উদাহরণ আমাদের সবাইকে দিয়ে গেছেন, সেখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য এবং দেশপ্রেম খুঁজে পাই।
৬৪ দিন আগে
স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় খালেদা জিয়া
স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে, তারই কবরের পাশে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়।
এ সময় তার বড় ছেড়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, আজ বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও প্লাজা-সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও।
জানাজায় তারেক রহমান, তার পরিবার ও স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্যমণ্ডলীসহ বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, এনসিপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং নানা শ্রেণিপেশার সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান হিসেবে বলছি, এখানে যারা উপস্থিত আছেন, আমার মা জীবীত থাকা অবস্থায় আপনাদের কারো কাছ থেকে যদি কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব।
তিনি বলেন, একইসঙ্গে উনার কোনো ব্যবহারে, কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দোয়া করবেন, আল্লাহ তাআলা যেন উনাকে বেহেশত দান করেন।
খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে আজ (বুধবার) সকাল থেকেই সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকা জনসমূদ্রে পরিণত হয়। রাজধানী ঢাকা, এর আশপাশের জেলা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মানুষ ঢাকায় এসে জড়ো হন। এ সময় অনেককেই কালো ব্যাজ ধারণ করতে দেখা যায়। অনেকে প্রিয় নেত্রীর শোকবার্তা-সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হন।
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং আশেপাশে এলাকাজুড়ে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।
পুরো কার্যক্রম ঘিরে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিজিবির ২৭ প্লাটুন সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে, সকাল ৯টার একটু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে তার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার স্বজন ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সেই সঙ্গে দেশে আজ থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।
৬৫ দিন আগে
খালেদার জানাজা অনুষ্ঠিত, অশ্রু ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানাল লাখো মানুষ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক বুক ভালোবাসায় অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানিয়েছেন লাখো মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও প্লাজা-সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও।
জানাজায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার পরিবার ও স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্যমণ্ডলীসহ বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, এনসিপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং নানা শ্রেণিপেশার সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
৬৫ দিন আগে
সংসদ ভবন এলাকায় খালেদা জিয়ার মরদেহ
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ ভিভিআইপি প্রটোকলে সংসদ ভবনে নেওয়া হয়েছে। তাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে ইতোমধ্যে এই এলাকায় জড়ো হয়েছেন লাখো মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছায় খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি।
আজ দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ পুরো এলাকাজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেবেন।
এর আগে, সকাল ৯টার একটু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে তার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার স্বজন ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এদিকে জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুরো এলাকাকে কয়েকটি নিরাপত্তা জোনে ভাগ করা হয়েছে।
জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সেই সঙ্গে দেশে আজ থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।
৬৫ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মরদেহ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজার জন্য তার মরদেহ তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিএনপি প্রধানের মরদেহ বহনকারী লাল-সবুজ পতাকায় মোড়ানো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িটি সকাল ১১টা ০২ মিনিটের দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে তারেক রহমানের বাসভবন ছেড়ে যায়।
এর আগে, মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবনে নেওয়া হয়েছিল। গাড়িটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে হাসপাতাল ত্যাগ করে এবং প্রায় ৯টা ১৬ মিনিটের দিকে গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে পৌঁছায়।
ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী এবং সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তারেক রহমানের বাসভবন এবং এর কাছাকাছি খালেদা জিয়ার নিজের বাড়ি ‘ফিরোজা’র চারপাশের রাস্তায় জড়ো হন। অনেকে নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আবার অনেককে দোয়া করতে দেখা যায়।
মরদেহ পৌঁছানোর পর গুলশান এলাকা এবং এর আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে এই এলাকায়।
পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং দলীয় নেতারা তারেকের গুলশানের বাসভবনে খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
জানাজার পর তাকে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে। ইতোমধ্যে জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে একটি কবর প্রস্তুত করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তীব্র শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন রাজধানীতে এসে ভিড় করছেন। জাতীয় সংসদ এলাকা, এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশান কার্যালয় এবং ফিরোজাতেও রাতভর ভিড় দেখা গেছে।
৬৫ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মৃত্যু: শোককে শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান ফখরুলের
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৃষ্ট শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে একটি অপ্রতিরোধ্য দল হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যে শোক তৈরি হয়েছে, আসুন, আমরা এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে একটি অপ্রতিরোধ্য দল হিসেবে গড়ে তুলি। বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত করি।’
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নেত্রী গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন।… আজকে সেই নেত্রীর ইন্তেকালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল। এই ক্ষতি পূরণ সহজে সম্ভব নয়।
‘এমন একটা সময়ে তিনি চলে গেলেন, যখন তাকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, যখন জাতি গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যাচ্ছে। এই শোক, এই বেদনা আমাদের পক্ষে ধারণ করা খুব কঠিন। তারপরও এই শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রীর দেখানো পথে আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই।’
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জুড়ে বুধবার দুপুর ২টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে শেরেবাংলা নগরে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জানাজা পড়াবেন আমাদের জাতীয় মসজিদের খতিব অর্থাৎ বায়তুল মোকাররমের খতিব। আর এই জানাজায় সঞ্চালনা করবেন আমাদের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম খান।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে এই জানাজায় অংশগ্রহণ করব।… আমি বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষের কাছে অনুরোধ জানাব, আপনারা সেই শৃঙ্খলা মেনে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে জানাজা পড়বেন।’
এরপর খালেদা জিয়াকে দাফনের কার্যক্রমে যাদের দায়িত্ব থাকবে, কেবল তারাই অংশ নেবেন বলে জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘অনুরোধ থাকবে আপনাদের কাছে যে আপনারা কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করে শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন না এবং ব্যাহত করবেন না এই পুরো কর্মসূচিকে।
‘আমরা বিশ্বাস করি, দেশনেত্রীর প্রতি আপনাদের যে সম্মান, যে শ্রদ্ধা, সেটাকে অটুট রাখার জন্য আপনারা সেই শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন এবং সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবেন এই জানাজা এবং দাফন কার্য সুচারুরূপে সমাধা করতে।’
এ সময় দলের পক্ষ থেকে সাত দিন শোক পালনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই সাত দিন আমরা কালো পতাকা ধারণ করব। কালো ব্যাজ ধারণ করব এবং কালো পতাকা উড়বে প্রতিটি কার্যালয়ে, আমাদের দলীয় কার্যালয়ে। এবং প্রত্যেক কার্যালয়ে দোয়া পড়া হবে, কোরআন তেলাওয়াত হবে।
‘এই বিষয়গুলো আপনারা সবাই পালন করবেন। আমরা আবারও সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
৬৬ দিন আগে
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে বিএনপি
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন ও পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা শুরু হয়েছে।
গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা শুরু হয়।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় গুলশানের বাসভবন থেকে তারেক রহমানের গাড়ি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তার আসার আগেই সভায় অংশ নিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এসে পৌঁছান।
বৈঠকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলের বিস্তারিত কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান।
এ ছাড়াও উপস্থিত হতে পথে রয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বৈঠক ঘিরে কার্যালয়ের সামনে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন।
৬৬ দিন আগে