আইনশৃঙ্খলা
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইকারী চক্র ‘পানি রুবেল গ্যাংয়ের’ পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র ‘পানি রুবেল গ্যাংয়ের’ পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
রবিবার (১৩ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের জহুরি মহল্লা ও বাবর রোড এলাকায় সিটিটিসির একটি দল অভিযান চালিয়ে এ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. লায়েছ (২৫), শাহিন ওরফে অটো শাহীন (২০), মো. শুভ (১৯), আবদুল আলিম (২৮) ও মিলন হোসেন (২৮)।
আরও পড়ুন: রাজধানীর গাবতলীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোস্তাক গ্রেপ্তার
সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালিয়েছে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের একটি চৌকস টিম।
তারা আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাস্তায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষকে চাপাতিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাই করার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তাররা।
চাপাতিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাস্তায় চলাচলকারী নিরীহ জনসাধারণকে জিম্মি করে নিয়মিত ছিনতাই করতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তাররা। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন।
২৩৫ দিন আগে
রাজধানীর গাবতলীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোস্তাক গ্রেপ্তার
রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ২৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোস্তাক আহম্মেদকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
রবিবার (১৩ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি দল গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান।
আরও পড়ুন: রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার
তিনি জানান, মোস্তাক দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় এক বছর কারাদণ্ড ও ২৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানার রায় দিয়েছিলেন আদালত।
ডিসি তালেবুর রহমান আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী মোস্তাককে দারুস সালাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৩৫ দিন আগে
মিটফোর্ডে হাসপাতালের বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না আনসারদের: ডিজি
রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী মো. সোহাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আনসার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা দায় ছিল না বলে জানিয়েছেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
রবিবার (১৩ জুলাই) খিলগাঁও সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঘটনার দিন আনসার সদস্যরা হাসপাতালের নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছিলেন। রোস্টারের বাইরে গেটের বাইরে স্বপ্রণোদিতভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ ছিল না।
মহাপরিচালক বলেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ড বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটে সংঘটিত হয়। ওই সময় রোস্টারের বাইরে গেটে আনসার সদস্যদের কোনো দায়িত্ব ছিল না এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও গেটের বাইরে আনসার সদস্যদের যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। তাই আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ ভিত্তিহীন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে শত শত লোক উপস্থিত ছিলেন, কেউ আনসার ক্যাম্পে বা প্লাটুন কমান্ডারকে খবর দেননি। পরে কমান্ডার ঘটনাস্থলে এসে দেখেন ভুক্তভোগী গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন এবং দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
মহাপরিচালক আরও বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আনসার সদস্যদের দায়িত্ব নির্ধারণের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ীই আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে থাকে। আর সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আনসার সদস্যদের রোস্টার অনুযায়ী ডিউটি না থাকায় ঘটনার সময় তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় স্বপ্রণোদিতভাবে গেটের বাইরে যাওয়ার সুযোগও ছিল না। তাই দায়িত্বে অবহেলা দাবি ভিত্তিহীন।’
মহাপরিচালক এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার দুঃখজনক ও হতাশাজনক।
২৩৬ দিন আগে
যশোরে ১১টি স্বর্ণের বারসহ আটক ৩
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ধলগাঁ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ১ কেজি ৩১৫ গ্রাম ওজনের ১১টি স্বর্ণের বারসহ তিনজন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই তিনজনকে আটক করে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি পাওয়ার ব্যাংক জব্দ করে বিজিবি।
আটকরা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চর চারকলা গ্রামের মৃত জিলু মিয়ার ছেলে আতা এলাহী জীবন (৩৫), গাজীপুর জেলার পূর্ব বাগবাড়ি গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৪৬) এবং বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার রানিরহাট গ্রামের সুচিত্র লাল মণ্ডলের ছেলে শ্রী রামপ্রসাদ মণ্ডল (২৮)।
বিজিবি জানায়, আটককৃতদের প্যান্টের পকেট ও মানিব্যাগে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় স্বর্ণের বারগুলো পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, দুইজন যশোর-চৌগাছা হয়ে এবং একজন যশোর-নাভারণ হয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে স্বর্ণগুলো বহন করছিল। ঢাকার তাতীবাজার এলাকার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে স্বর্ণগুলো সংগ্রহ করে একজন যশোর-নাভারণ হয়ে সাতক্ষীরা এবং দুইজন যশোর হয়ে চৌগাছা যাচ্ছিল।
বিজিবি আরও জানায়, জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৯২ লাখ ২৭ হাজার ৯৩০ টাকা। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাদের বাঘারপাড়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ধরনের অভিযান সবসময় অব্যাহত থাকবে।
২৩৬ দিন আগে
নাটোরে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ১৭ ছাত্রদল-যুবদল নেতাকর্মী কারাগারে
নাটোরের লালপুরে থানা থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রায়হান কবীর সুইটসহ ছাত্রদল ও যুবদলের ১৭ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে এজাহারভুক্ত ২৩ আসামি জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিনের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে বিচারক ৬ জনের জামিন মঞ্জুর করলেও ১৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ৮ এপ্রিল লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক রুবেল উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে, ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীরা থানায় ঢুকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তরা উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তীকালীন জামিন নেয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) রুহুল আমিন তালুকদার টগর জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আসামিরা নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিল। সেখান থেকে ১৭ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রায়হান কবীর সুইট, যুগ্ন আহবায়ক কামরুল ইসলাম সোহাগ, গোপালপুর পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক সেলিম রেজা ভুবনসহ উপজেলা যুবদলের সদস্য সাকিবুল আলম,মাইনুল ইসলাম বিপ্লব, মিল্টন, সুমন, মেহেদী,সজিব,মালেক, সোহাগ, তানভীর, আরিফ, চঞ্চল, লিটু, রাকিব ও বাপ্পি।
২৩৬ দিন আগে
মিটফোর্ড হত্যায় দুই আসামির চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর
রাজধানীর পুরান ঢাকায় সোহাগ নামের এক ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে আঘাত করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার আলমগীর ও মনিরের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
এর মধ্যে আলমগীর মামলার ৪ নম্বর ও মনির ৫ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। রবিবার (১৩ জুলাই) আসামিদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির উদ্দিন।
শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তাদের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে এ মামলায় গত ১০ জুলাই মাহমুদুল হাসান মহিনের পাঁচদিন ও ১২ জুলাই টিটন গাজীর পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
আরও পড়ুন: মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড: এক আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর, আরেকজনের দায় স্বীকার
গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।
২৩৬ দিন আগে
কাল থেকে আবারও হাইকোর্ট এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা
আগামী সোমবার (১৪ জুলাই) থেকে আবারও প্রধান বিচারপতির বাসভবনসহ হাইকোর্ট এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর আগে, গত ১৪ জুন থেকে এই এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
রবিবার (১৩ জুলাই) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ২৯ ধারায় আগামী সোমবার (১৪ জুলাই) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১ ও ২ এর প্রবেশ গেট, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ভবনের সম্মুখে সকল প্রকার সভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।
আরও পড়ুন: জরুরি অবস্থা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর সইয়ের বদলে লাগবে মন্ত্রিসভার অনুমোদন: আলী রীয়াজ
এতে, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৪ জুন হাইকোর্ট এলাকায় এবং ২৬ মে সচিবালয় ও যমুনা-সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
২৩৬ দিন আগে
জরুরি অবস্থা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর সইয়ের বদলে লাগবে মন্ত্রিসভার অনুমোদন: আলী রীয়াজ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের আজকের আলোচনায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা সংক্রান্ত সংবিধানের বিদ্যমান ১৪১(ক) অনুচ্ছেদে কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় সংযোজনের প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়েছে।
তিনি জানান, সংশোধনের সময় ‘অভ্যন্তরীণ গোলযোগের’ পরিবর্তে ‘রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রতি হুমকি, মহামারী বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ’—এই শব্দগুলো প্রতিস্থাপনের ওপর সব দল একমত হয়েছে। জরুরি অবস্থা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
রবিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের ১২তম দিনের আলোচনায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আলী রীয়াজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এছাড়া জরুরি অবস্থা সম্পর্কিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা, অথবা তার অনুপস্থিতিতে বিরোধীদলীয় উপনেতাকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও ঐকমত্য গঠিত হয়েছে বলে জানান ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি।
অধ্যাপক রীয়াজ আরও জানান, জরুরি অবস্থাকালে সংবিধানের ৪৭(ক) অনুচ্ছেদের বিধান সাপেক্ষে কোনো নাগরিকের জীবনের অধিকার এবং বিচার ও দণ্ডসংক্রান্ত মৌলিক অধিকারসমূহ (সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত) খর্ব করা যাবে না।
পড়ুন: একসময় জঙ্গিবাদ নাটক ছিল: ডিআইজি রেজাউল করিম
তিনি উল্লেখ করেন, গত ৭ জুলাইয়ের আলোচনায় সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ সংশোধন এবং জরুরি অবস্থা যেন রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহৃত না হয়—এই বিষয়টিতে সব রাজনৈতিক দল ও জোট একমত হয়েছিল।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে কিছু সুস্পষ্ট বিষয় যুক্ত করার প্রস্তাবেও ঐকমত্য পোষণ করেছে।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তবে, কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই বিষয়টি উল্লেখ করে জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করলে, রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম দুই বিচারপতির মধ্যে যেকোনো একজনকে নিয়োগ দিতে পারবেন—এমন বিধান সংযোজনের সুযোগ থাকবে।
তবে শর্ত থাকে, অসদাচরণ বা অযোগ্যতার অভিযোগে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের আওতায় কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকলে তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
আজকের আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
২৩৬ দিন আগে
হত্যাচেষ্টা মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের জামিন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার রাজধানীর ভাটারা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকাই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৩ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্টেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান দশ হাজার টাকা মুচলেকায় এই জামিন আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২ জুন হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান অপু বিশ্বাস। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, তিনি গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিননামা দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছর ১৯ জুলাই আন্দোলেনের সময় এনামুল হক নামের এক ব্যক্তিকে ভাটারা থানার সামনে গুলি করা হয়। এতে, এনামুল পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
এ ঘটনায় চলতি বছরের মার্চ মাসে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জনকে আসামি করে ভুক্তভোগী এনামুল নিজেই বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ভাটারা থানায় গত ২৯ এপ্রিল এজাহার হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।
আরও পড়ুন: সোহাগ হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট
এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঢাকাই সিনেমার নায়িকা নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, নিপুণ আক্তার, আশনা হাবিব ভাবনা, নায়ক জায়েদ খানসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীকে আসামী করা হয়।
ছাত্র- বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এ সব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আসামি করা হয়। মামলায় তাদের আওয়ামী লীগের ‘অর্থের জোগানদাতা’ বলা হয়েছে।এর পরিপ্রেক্ষিতে, গত ১৮ মে নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে, ২০ মে আদালত নুসরাত ফারিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।
২৩৬ দিন আগে
সোহাগ হত্যা: বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বাদী হয়ে এ রিট দায়ের করেছেন।
রিটে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামীকাল সোমবার (১৪ জুলাই) এ রিটটি শুনানির জন্য উঠবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী ইউনুছ আলী।
গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় সোহাগকে। এ ঘটনায় জড়িত যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পাঁচ নেতা–কর্মীকে সংগঠন থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া, অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আলোচিত এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাছাড়া, ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তাররা হলেন— টিটন গাজী, মাহমুদুল হাসান মহিন, তারেক রহমান রবিন, আলমগীর ও মনির ওরফে ছোট মনির।
এরপর সর্বশেষ আজ ভোরে নেত্রকোনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সজিব ও রাজিব নামে দুই ভাইকে।
আরও পড়ুন: পুরান ঢাকায় সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত দাবি ফখরুলের
২৩৬ দিন আগে