আইনশৃঙ্খলা
বেনাপোলে ২০১ কেজি ভায়াগ্রা পাউডার জব্দ
বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চারটি বস্তায় ২০১ দশমিক ৫ কেজি ভায়াগ্রা পাউডারের একটি চালান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (১৭ মে) দুপুরে বেনাপোল বাজারের এসএ পরিবহনের সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে ভায়াগ্রার এ চালানটি জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত ভায়াগ্রা পাউডারের আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, চোরাকারবারিরা ভ্যানযোগে ভায়াগ্রা পাউডারের বড় একটি চালান নিয়ে এসএ পরিবহনের সামনে পাকা রাস্তার ওপর আসে। এ সময় বিজিবির টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে চারটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা। পরে ভায়াগ্রা পাউডারের বস্তাগুলো জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের ৮ দিনের মাথায় স্বামীকে খুন, স্ত্রী আটক
তবে ভায়াগ্রার চালানটি পাচারের উদ্দেশে এসএ পরিবহনের সামনে আনেন চোরাকারবারিরা।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান রোধে সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা ও টহল জোরদার করা হয়েছে।’
৩৮৩ দিন আগে
ঢাবির সাম্য হত্যাকাণ্ড: ৬ দিনের রিমান্ডে তিনজন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় তিন জনের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (১৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজা রিমান্ডের আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- মো. তামিম হাওলাদার, পলাশ সরদার এবং সম্রাট মল্লিক।
বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও, আসামিদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির দিন শনিবার ধার্য করেছিলেন।
আজ শুনানির জন্য তাদের আদালতে হাজির করা হয়। তবে তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানি করেননি। পরে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
গত ১৩ মে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শাহরিয়ার আলম সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে একদল দুর্বৃত্ত।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাত ১২টার দিকে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাম্যকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের ২২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।
গত ১৪ মে সকালে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর এই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ১৫ মে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তাদের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
৩৮৩ দিন আগে
সেচ পাম্পের মোটর চুরির অভিযোগে তরুণকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় সেচ পাম্পের মোটর চুরির অভিযোগে শাহিন শেখ ওরফে রুপল শেখ (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৭ মে) বিকালে বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, গতকাল (শুক্রবার) চুরির অভিযোগে সালিশের নামে ডেকে এনে তাকে মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ রাতেই হাসপাতালে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে আজ (শনিবার) সকালে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রুপল শেখ রাজাপুর মধ্যপাড়া গ্রামের জিন্নাহ শেখের ছেলে।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গতরাতেই চারজনকে আটক করে। পরে আজ ভোরে নিহতের মামা কালাম মোল্লা বাদী হয়ে এজাহারভুক্ত দশজন এবং অজ্ঞাত আরও আটজনকে আসামি করে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা করেন। পরে আটক চারজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: গাছের ডাল কাটায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে
গ্রেপ্তাররা হলেন— জহির উদ্দিন বিশ্বাস (৬৫), মৈজুদ্দিন বিশ্বাস (৫৫), ফরহাদ বিশ্বাস (৪৫) ও মুন্নু মোল্লা (৫০)। তারা সবাই ওই গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে শামসুদ্দিন ওরফে শাম বিশ্বাসের বাড়ি থেকে একটি সেচ পাম্পের মোটর চুরি হয়। এতে শাহিনকে সন্দেহ করে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে সালিশের কথা বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে আটক রেখে জহির উদ্দিন বিশ্বাস ও শামসুদ্দিন বিশ্বাসের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।
৩৮৩ দিন আগে
আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড
মাগুরায় বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ৮ বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে অন্য তিন আসামি খালাস পেয়েছেন।
শনিবার (১৭ মে) সকালে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং সাতটি আলামত জব্দ করা হয়েছে বলে রায় প্রদানকালে জানানো হয়।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন— শিশুটির বোনের স্বামী, তার ভাই ও তাদের মা।
আরও পড়ুন: শিশু আছিয়ার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আরও ৩ সাক্ষ্যগ্রহণ
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১ মার্চ মাগুরা সদরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় ভুক্তভোগী শিশু আছিয়া। ৬ মার্চ বোনের শ্বশুর হিটু শেখ ওই শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যার চেষ্টা করে। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ৮ মার্চ নিহত শিশুটির মা বাদী হয়ে ৪ জনের নামে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দেয়।
এরপর গত ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৭ এপ্রিল মামলাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয় এবং ২০ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। গত ১৫ মার্চ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায়ের আদালতে শিশুটির বোনের শ্বশুর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
৩৮৪ দিন আগে
রাজধানীর যেসব স্থানে নিষিদ্ধ হলো সভা-সমাবেশ
রাজধানীর কয়েকটি স্থানে সকল প্রকার সভা-সমাবেশে নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-১ ও আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২ এর প্রবেশ গেট, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ভবনের সামনে সকল প্রকার সভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে অহেতুক সড়ক অবরোধ না করতে ডিএমপির অনুরোধ
৩৮৫ দিন আগে
নালিতাবাড়ী সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ৮, আধার কার্ড জব্দ
তিনদিনের ব্যবধানে শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় আটজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে ভারতীয় পরিচয়পত্র (আধার কার্ড) জব্দ করা হয়েছে।
গত রবিবার (১১ মে) ও গত বুধবার (১৩ মে) নালিতাবাড়ী উপজেলার সমশ্চুরা ও বুরুংগা সীমান্ত থেকে পৃথকভাবে তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আটকরা হলেন—নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সিংড়াপাড়ার তৈবুর আলীর ছেলে জিয়ারুল রহমান (৪৮), তার ছেলে আফ্রিদি (২০), উজ্জল মিয়ার ছেলে আব্দুল সরদার (২০), আজাহার উদ্দিনের ছেলে বস্তিয়ার আলম (২৩), আব্দুল লতিফ উদ্দিন সরদারের ছেলে মুকুল সরদার (৩০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদরের কোদালকাটি এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আয়াতুল্লাহ (৪৫), চর আলাতলী এলাকার কালুর ছেলে দুলাল উদ্দিন (৩১) ও আব্দুল বাছিরের ছেলে শাহাবুল (২১)।
পুলিশ জানায়, গত ১১ মে সকালে নালিতাবাড়ী উপজেলার সমশ্চুড়া এলাকা দিয়ে অবৈধ পথে ভারত থেকে নাটোরের সিংড়া উপজেলার সিংড়াপাড়া গ্রামের ওই পাঁচ বাংলাদেশি মধুটিলা ইকোপার্ক এলাকায় আসেন। এ সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: বিএসএফের পুশ-ইন, সিলেট সীমান্তে নারী-শিশুসহ আটক ১৬
পরে খবর পেয়ে হলদিগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করে নালিতাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভারতীয় পরিচয়পত্র (আধার কার্ড) জব্দ করা হয়।
অপরদিকে, গত ১৩ মে রাতে বুরুঙ্গা পোড়াবাড়ি এলাকা দিয়ে অবৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করে আরও তিন বাংলাদেশি। এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে পুলিশে দেয়। পাক-ভারত উত্তেজনার পর ভারতের পরিস্থিতি বিবেচনায় পৃথক সীমান্তপথে দেশে ফিরে আসে এরা।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘আটকদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
৩৮৫ দিন আগে
মেয়র হিসেবে ইশরাককে শপথ না পড়াতে হাইকোর্টে রিট
বিএনপির বিদেশবিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে প্রতারণামুলক রায় দেওয়ায় ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে রিটে।
বুধবার (১৪ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা মো. মামুনুর রশিদ।
রিট আবেদনে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, আইন সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, যুগ্ম জেলা জজ মো. নুরুল ইসলাম ও মো. ইশরাক হোসেনকে বিবাদী করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা
আবেদনকারীর আইনজীবী কাজী আকবর আলী বলেন, ‘আগামী রবিবার বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি হবে। আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন রিটের পক্ষে শুনানি করবেন বলে তিনি জানান।
জানা যায়, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচন হয়। বিএনপির ইশরাক হোসেনকে পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র হন। গত ২৭ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০২০ সালের নির্বাচনে ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি পেয়ে গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় সাংবিধানিক সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: মেয়র পদের গেজেট সম্পর্কে জানতে সিইসির সঙ্গে দেখা করলেন ইশরাক
এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়াতে লিগ্যাল নোটিশ
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করতে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠান রিটকারী মামুনুর রশিদসহ ঢাকার দুই বাসিন্দা। নোটিশে মো. ইশরাক হোসেনের নামে গেজেট প্রকাশ এবং তাকে শপথ পড়ানো থেকে বিরত থাকতেও বলা হয়।
তাদের আইনজীবী মনিরুজ্জামান সেদিন বলেন, যথাযথা প্রক্রিয়া না মেনে দ্রুত এই রায়টি দেওয়া হয়েছে। আবার খবরে দেখলাম আইন উপদেষ্টা বলছিলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়ে তার জন্য অপেক্ষা না করে এই গেজেট নোটিশ জারি করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল এমন কোনো আদেশ দিতে পারেন না যে আদেশের কোনো কার্যকারিতা নাই।
এদিকে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে বসানোর দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে গুলিস্তানে নগরভবনের সামনে ‘ঢাকাবাসী’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
৩৮৬ দিন আগে
'লও ঠেলা' কিশোর গ্যাংয়ের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে 'লও ঠেলা' নামের একটি কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় ৯ সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মঙ্গলবার (১৩ মে) দিবাগত রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুর থানার রায়ের বাজারের মেকাপ খান রোডে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
গ্রেফপ্তাররা হলেন— মো. জোবায়ের ওরফে যুবরাজ (২২), মো. হাসান (১৯), মো. রায়হান (২৭), মো. ওয়াসিম (২৫), মো. আনোয়ার হোসেন রাজু (৩২), মো. নুরুল আমিন (১৮), মো. কামাল হোসেন (২২), মো. শাহিন (২৮) ও মো. মেহেদী হাসান (২৫)।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি চাপাতি ও চারটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার মেকআপ খান রোডে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: কিশোর গ্যাংয়ের মহড়ার ভিডিও ভাইরাল, আটক ৪
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর থানা এলাকাসহ আশেপাশের এলাকায় ছিনতাইসহ ত্রাস সৃষ্টি করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল গ্রেপ্তার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।
গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
৩৮৬ দিন আগে
হেল্পলাইন চালু হচ্ছে দেশের সব আদালতে
সুষ্ঠু বিচার সেবা নিশ্চিত ও অনিয়ম দূর করতে দেশের সব আদালতে হেল্পলাইন সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ মে) সুপ্রিমকোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, নাগরিকের বিচার পাওয়ার অধিকার ও বিচার সংক্রান্ত অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিতে দেশের ৬৪টি জেলা ও ৮টি মহানগরীতে সুপ্রিমকোর্টের আদলে হেল্পলাইন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
সব নিম্ন আদালত, ট্রাইব্যুনালে নাগরিকের বিচারিক সেবা পাওয়ার বাধা ও অনিয়ম দূর করতে তিনি এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। বিভিন্ন ট্রাইব্যুনাল ও বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালকে ধাপে ধাপে হেল্পলাইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
এতে বলা হয়, জেলা পর্যায়ে হেল্পলাইন সেবা ফলপ্রসূ করতে প্রতি জেলায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হবে।
আরও পড়ুন: জুলাই অভ্যুত্থান: জাতিসংঘের রিপোর্টকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সংরক্ষণে রুল
হেল্পলাইনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন একজন বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা। হেল্পলাইনের মাধ্যমে দেওয়া সেবার প্রতিবেদন মাসের সাত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টে পাঠাবেন তিনি।
গেল ২৬ সেপ্টেম্বর সুপ্রিমকোর্টে হেল্প লাইন সেবা চালু করা হয়। শুরুতে একটি হেল্পলাইন নম্বর (০১৩১৬১৫৪২১৬) চালু করা হয়েছিল। কিন্তু বিচারপ্রার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর আরেকটি হেল্পলাইন নম্বর (০১৭৯৫৩৭৩৬৮০) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এসব নম্বরে সরাসরি ফোনকল অথবা হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) মাধ্যমেও যোগাযোগ করা যাবে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই সেবা পাওয়া যাবে।এছাড়া [email protected] ইমেইল ঠিকানা ও সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে (https://www.Supremecourt.gov.bd) ঢুকে অভিযোগ (Online Complain Register) কিংবা পরামর্শ দেওয়া যাবে।
৩৮৬ দিন আগে
জুলাই অভ্যুত্থান: জাতিসংঘের রিপোর্টকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে সংরক্ষণে রুল
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদনকে ঐতিহাসিক দলিল ও এভিডেন্স হিসেবে সংরক্ষণ, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নলেজে রাখা ও রিসার্চের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার (১৪ মে) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী তানভীর আহমেদ।
গণহত্যাকারী ও স্বৈরশাসককে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে গত বছরের ১৩ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। তখন আদালত কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাধারণ জনগণের হত্যাকারীদের যথাযথ বিচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন।
এর মধ্যে জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশ পায়, সেই প্রতিবেদন যুক্ত করে আবেদন করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় এগোতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার: প্রধান উপদেষ্টা
আদেশের পর আইনজীবী তানভীর আহমেদ জানান, দোষীদের বিচার নিয়ে আগস্টে রিট করি। তখন রুল ইস্যু করেন। সে অনুযায়ী সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। ট্রাইব্যুনালকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আইন সংশোধন করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন টিম কাজ করছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। রিপোর্টে ১৪০০ মানুষকে খুন করার কথা বলা হয়েছে। তখনকার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, কীভাবে সহিংসতা চালানো হয়েছে, বিচার ব্যবস্থা কেমন ছিল—অর্থাৎ একটি যথাযথ পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট।
তিনি বলেন, আমাদের দৃষ্টিতে তিনটি উদ্দেশ্যে এটিকে সংরক্ষণ করা উচিত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জানার জন্য—কী ঘটনা ঘটেছিল। এভিডেন্স হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য। যদিও ইতোমধ্যে ট্রাইব্যুনাল এটাকে নিয়েছে বলে জেনেছি। ভবিষতে রিসার্চের উদ্দেশ্যে অন্য দেশে ব্যবহার করা। এ জন্য কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে হাইকোর্টে রিপোর্টসহ আবেদন দাখিল করেছি। আদালত রুল জারি করেছেন।
৩৮৬ দিন আগে