আইনশৃঙ্খলা
সালমানের লন্ডনের সম্পদ জব্দসহ ব্যাংক-কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের নামে লন্ডনে থাকা স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বিদেশি দুই ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এছাড়া দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এ আবেদন করেছিলেন।
আবেদনে বলা হয়, সালমান এফ রহমান ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ নিয়ে আত্মসাতসহ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে সালমান এফ রহমান, তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ অন্যান্যদের নামে ব্যাংক হিসাবসমূহের তথ্য পাওয়া যায়।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তারা এসব ব্যাংক হিসাবসমূহ হস্তান্তর/স্থানান্তর/রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। এতে সফল হলে, অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের, আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল, আদালতে বিচার শেষে সাজার অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় হতে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণসহ সকল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সালমান এফ রহমানের স্থাবর সম্পদ জব্দ ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
আরও পড়ুন: হত্যা মামলায় সালমান, আনিসুল, পলক ও মবিনের ৪ দিনের রিমান্ড
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সালমান এফ রহমান, তার পরিবারের সদস্য ও তার সহযোগীদের নামে থাকা ৩৭২টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত।
এসব হিসাবে সর্বমোট ৫৫ কোটি ৬ লাখ ৪৭ হাজার ১১৭ টাকা রয়েছে।
গত বছরের ১৩ আগস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে নৌপথে পালানোর সময় সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
৪৫১ দিন আগে
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
প্রায় ১১ বছর আগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১০ মার্চ) বেকসুর খালাসের রায় দিয়েছেন যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম।
২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তারেক রহমানবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে অবমাননাকর, ঘৃণ্য এবং অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।
২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
পাবলিক প্রসিকিউটর ও যশোর বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রথমে মামলাটি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে গেলেও পরে তা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়।
আরও পড়ুন: অগ্রগতির জন্য নারীর ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান তারেকের
তিনি ব্যাখ্যা করেন যে আইন অনুসারে, রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা কেবল তখনই দায়ের করা যেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের সময় রাষ্ট্রে কোনো সরকারি পদে থাকেন। যেহেতু শেখ মুজিবুর রহমান তখন সরকারি কোনো পদে ছিলেন না, সেহেতু মামলাটি অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
এর আগে মামলাটি খারিজ চেয়ে করা একটি আবেদন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে খারিজ হয়ে যায়। কিন্তু রিভিশন শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করে মামলাটি খারিজ করে দেন।
৪৫১ দিন আগে
আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, চা দোকানি গ্রেপ্তার
ফেনীর ফুলগাজীতে ৮ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নুরুল ইসলাম নামে এক চা দোকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম (৫৫) সদর উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের ফকির বাড়ির বাসিন্দা।
শিশুটির পরিবার সূত্রে জানান যায়, ৩ মার্চ ওই ছাত্রী মাদরাসায় যায়। সকাল সাড়ে ১০টায় ক্লাসের বিরতিতে টিফিন কিনতে পাশের চা দোকানে যায়। চা দোকানি নুরুল তাকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে দোকানের ভেতরে নিয়ে নিপীড়ন চালায়।
একপর্যায়ে নুরুল শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করলে শিশুটি চিৎকার করে। এ সময় নুরুল শিশুটিকে ছেড়ে দেয়। দুপুরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়।
আরও পড়ুন: ধর্ষণের শিকার চিকিৎসাধীন শিশুটি চোখের পাতা নেড়েছে: প্রেস উইং
সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানন ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওয়াহিদ পারভেজ।
সোমবার ফুলগাজী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘রবিবার আট বছর বয়সী ওই শিশুর মা থানায় মামলা করেন। রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
৪৫১ দিন আগে
বাড়ি দখল করা কথিত সেই নারী সমন্বয়ক ৪ দিনের রিমান্ডে
টাঙ্গাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামের বাড়ি দখলে নেওয়া কথিত সেই নারী সমন্বয়ক মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টিকে চারদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১০ মার্চ) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. গোলাম মাহবুব খান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মিষ্টির বাড়ি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের জশিহাটী গ্রামে। তিনি টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, ‘মিষ্টিকে আজ সোমবার আদালতে হাজি করা হলে বিচারক তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহম্মেদ বলেন, ‘বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে কসরা মামলায় রবিবার (৯ মার্চ) রাতে শহরের আকুর টাকুর পাড়া হাউজিং এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
আরও পড়ুন: মাগুরায় শিশু ধর্ষণ: মধ্যরাতে শুনানি, চার আসামি রিমান্ডে
এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বরেও জানান ওসি তানবীর।
এর আগে গত ৮ মার্চ সকালে পাগলদের আশ্রম হিসেবে ব্যবহারের জন্য টাঙ্গাইল শহরের ছোটকালীবাড়ি এলাকায় জোয়াহেরুল ইসলামের ৬ তলাবিশিষ্ট বাড়ি দখলে নেন সমন্বয়ক মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি। তিনি তালা ভেঙে ২০ জন পাগল নিয়ে ওই ভবনে প্রবেশ করেন। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে দখলমুক্ত হয় বাড়িটি। এ ঘটনায় রবিবার রাতে জোয়াহেরুল ইসলামের স্ত্রী রওশন আরা খান টাঙ্গাইল সদর থানায় মিষ্টিকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৮ থেকে ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় রওশন আরা খান উল্লেখ করেন, ৮ মার্চ সকালে বাসার গেটের ছয়টি তালা ভেঙে আসামিরা নগদ পাঁচ লাখ টাকা এবং ১০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।
আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি করে। ১৭ জন মানসিক ভারসাম্যহীনদের নিয়ে বাড়িতে উঠে বসবাস করতে থাকে। মিষ্টি ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে সাত দিনের মধ্যে বাড়িটি পুড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন।
৪৫১ দিন আগে
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার
শেরপুরে কিশোরীকে (১৫) সাব্বির হোসেন (২০) নামে এক তরুণ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (৯ মার্চ) নকলা উপজেলার কুর্শা এলাকার এফআরবি ইটভাটার নির্জন স্থানে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত তরুণ ধর্ষক সাব্বির হোসেনের বাড়ি খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায়। সে নকলার এফআরবি ইটভাটাতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। এছাড়া নকলার বাসিন্দা ওই কিশোরীও একই ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে রবিবার রাতে নকলা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষণের বিচার করতে হবে: আইন উপদেষ্টা
পুলিশ জানায়, সোমবার সাব্বিরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সাব্বিরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কিশোরীকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।’
৪৫১ দিন আগে
ভারতে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা, সাতক্ষীরায় আটক ১
সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে পাচারের চেষ্টাকালে ১৫টি স্বর্ণের বারসহ মো. সোহেল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে রবিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (১০ মার্চ) বিজিবির সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফুল হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের দায়িত্বাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেল উদ্দিনকে আটক করে।
সময় তার সঙ্গে থাকা ইজিবাইক ও দুটি মোবাইল ফোন তল্লাশি করে ইজিবাইকের স্টিয়ারিংয়ের সেটিংয়ের মধ্যে টেপ দিয়ে পেচিয়ে রাখা ১৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ২০০ টাকা।
আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার-টাকা লুট
আটক স্বর্ণ পাচারের জন্য ভারতে নেওয়া হচ্ছিল বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশর (বিজিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণ সাতক্ষীরা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান।
৪৫১ দিন আগে
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে হটলাইন চালু
দেশে নারীর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে হটলাইন চালু করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স হটলাইন। সোমবার (১০ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি আক্রমণাত্মক ভঙ্গি, কটূক্তি, ইভটিজিং, হেনস্থা, যৌন হয়রানি বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে এই হটলাইন সেবা চালু করা হয়েছে। দেশের যেকোনো স্থানে এরূপ ঘটনা ঘটলে এ হটলাইন নম্বরে অভিযোগ দেওয়া যাবে।
হটলাইন নম্বরসমূহ হলো: ০১৩২০০০২০০১, ০১৩২০০০২০০২, ০১৩২০০০২২২২। এগুলো দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।
আরও পড়ুন: ধর্ষণ-নির্যাতনের অভিযোগ জানাতে খোলা হচ্ছে ‘হটলাইন’: আইন উপদেষ্টা
এছাড়া, সাইবার অপরাধের শিকার নারীদেরকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা দিতে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ফেসবুক পেজ পূর্বের মতই চালু রয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।
৪৫১ দিন আগে
রামপুরায় গণহত্যা: ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গণহত্যার ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার দুপুর পৌনে ১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি (চিফ প্রসিকিউটর) তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, রামপুরায় গণহত্যার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে এদের নামপরিচয় এখনই প্রকাশ করছি না। এতে করে তারা সতর্ক হয়ে যেতে পারেন কিংবা পালিয়ে যেতে পারেন। যখন তাদের গ্রেপ্তার করা হবে তখনই সবাই দেখতে পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একই সঙ্গে উত্তরায় গণহত্যার ঘটনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ মোট ১০ আসামির তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ১২ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধান কৌঁসুলি।
আজ এই ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত এই আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক আদালতে সীমান্তে হত্যার বিচার চান সারজিস
আসামিরা হলেন— ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাহিনুর মিয়া, উত্তরা পশ্চিম থানার আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল, উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর আওয়ামী লীগের সভাপতি বশির উদ্দিন, মহানগর উত্তরের এক নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, ওসি মশিকুর রহমান, কনস্টেবল হোসেন আলী, এসি জাবেদ ইকবাল এবং ওমর আলী।
দুই কর্মকর্তাকে সেফ হোমে জিজ্ঞাসাবাদ
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় গণহত্যার বিষয়ে তদন্ত করতে পুলিশের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে আলাদাভাবে দুই দিন সেফ হোমে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে অনুযায়ী পুলিশের সাবেক এসি (ডিবি) জাবেদ ইকবালকে আগামী ১৮ মার্চ এবং ওসি মজিবুর রহমানকে ১৬ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদ করবে তদন্ত সংস্থা। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি (চিফ প্রসিকিউটর) তাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, উত্তরায় গণহত্যার বিস্তারিত জানতে দুজনের ব্যাপারে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছি। ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করেছেন। বিশেষ করে, এই দুই কর্মকর্তার নেতৃত্বে সেখানে (উত্তরায়) প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। যার অনুমতি আদালত দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ডিবির এসি ইকবালকে ১৮ মার্চ ও ওসি মুজিবুর রহমানকে ১৬ মার্চ সেফ হোমে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুমের আরও অভিযোগ দাখিল
গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক ১৬ মাস গুম করে নির্যাতন করার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে সাবেক রাষ্ট্রদুত অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মারুফ জামান। আজ তিনি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে এই অভিযোগ দাখিল করেন।
আরও পড়ুন: মাগুরায় শিশু ধর্ষকের বিচারের দাবিতে আদালত চত্বর ঘেরাও ছাত্র-জনতার
৪৫২ দিন আগে
সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ইনু কারাগারে
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়ার আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।
রবিবার (৯ মার্চ) কুষ্টিয়া সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার আদালতে তাকে হাজির করা হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করা হয় ও আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কুষ্টিয়া কারাগারে আনা হয় সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে। তাকে দেখতে আদালতে জাসদের শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। আদালতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তিনি মামলার এজাহারভুক্ত চার নম্বর আসামি। এখন পর্যন্ত এ মামলার মোট চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
আরও পড়ুন: সাবেক এমপি ফজলে করিমকে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল
এ তথ্য নিশ্চিত করে ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইমুম হাসান বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান হত্যাচেষ্টা মামলায় ইনুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ।’
কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খন্দকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাহমুদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আনা হয়েছিল ইনুকে। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কুষ্টিয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
এর আগে ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর মাহমুদুর রহমান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আলোচিত এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিনসহ ৪৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।
৪৫২ দিন আগে
৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষণের বিচার করতে হবে: আইন উপদেষ্টা
ধর্ষণ মামলার তদন্ত ১৫ দিনের মধ্যে শেষ করার পাশাপাশি বিচারকাজ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
রবিবার (৯ মার্চ) আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে কিছু পরিবর্তন আনার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তা চূড়ান্ত করা হবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ধর্ষকদের কোনো স্থান হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তিনি বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে ধর্ষণ মামলার তদন্তকাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তদন্তকাজ শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে হবে।
মাগুরায় ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সারা দেশে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে নানা মহল থেকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করা হয়েছে।
৪৫২ দিন আগে