শিক্ষা
ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী ৪৭১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট প্রার্থী রয়েছেন ৪৭১ জন। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ৫০৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জন স্বেচ্ছায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১০ জন প্রার্থী আপিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে চূড়ান্তভাবে ৪৭১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: সেনাবাহিনীর ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনসহ থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
পদভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যা-
সহ-সভাপতি (ভিপি) ৪৫ জন; সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ১৯ জন; সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ২৫ জন; মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ১৭ জন; কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক ১১ জন; আন্তর্জাতিক সম্পাদক ১৪ জন; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১৯ জন; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ১২ জন; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক ৯ জন; ক্রীড়া সম্পাদক ১৩ জন; ছাত্র পরিবহন সম্পাদক ১২ জন; সমাজসেবা সম্পাদক ১৭ জন; স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক ১৫ জন; মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ১১ জন; ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক ১৫ জন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ২১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৩৮তম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১৯২ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: সেনাবাহিনীর ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনসহ থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ সেপ্টেম্বর। এদিন ৮টি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রথম স্তরে বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসিসর সদস্য এবং প্রক্টোরিয়াল টিম থাকবে। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশপথে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে।
মঙ্গলবার(২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো উপস্থাপন করা হয়।
সভায় রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য নির্দেশনা দেন।
এসময় আরও জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোটগ্রহণের পর, ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত, ভোটকেন্দ্র সেনা সদস্যরা ঘেরাও করে রেখে নিরাপত্তা দেবে। ভোট গণনার সময়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়াও জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগের দিন (৮ সেপ্টেম্বর) এবং নির্বাচনের দিন (৯ সেপ্টেম্বর) মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে।
নির্বাচনের দিন, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্পূর্ণরূপে সিলগালা থাকবে। বৈধ শিক্ষার্থী, স্বীকৃত সাংবাদিক এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ছাড়া কাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
পড়ুন: ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রদর্শন বন্ধ থাকছে
নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে আবাসিক হলে বাইরের কাউকে থাকতে দেওয়া হবে না। নিয়মিত টহলের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। তবে, নারী শিক্ষার্থীদের হলে বাইরের কাউকে কখনও থাকতে দেওয়া হবে না।
ক্যাম্পাসের বাইরে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের জন্য ভোটদানের জন্য বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত বাস ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে। এই বাসগুলোর সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বরাত দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যেই টহল দল ও সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে সক্রিয় করা হয়েছে।
১৯২ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: মনোনয়ন প্রত্যাহার ২১ প্রার্থীর, কাল থেকে প্রচারণা শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ২১ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এই তথ্য জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোটদানে জটিলতা এড়াতে হল কার্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড, লাইব্রেরি কার্ড বা পে-ইন স্লিপ দিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো আচরণবিধির লঙ্ঘন হয়নি। এমনটি যেন ভবিষ্যতে না হয় তা নিশ্চিত করতে চিফ রিটার্নিং অফিসার ও তার টিম কাজ করছে। অসমতা বা বৈষম্য দেখা দিলে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব।’
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে লড়বে ৯ প্যানেল, প্রার্থিতায় নতুনত্ব
আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় সব ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীদের সঙ্গে সিনেট হলে মিটিং করে আচরণবিধি নিয়ে কথা হবে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ আগস্ট থেকে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা পর্যন্ত ব্যক্তি অথবা সংগঠনের পরিচয়ে হল কিংবা ক্যাম্পাসে প্রচারণা কার্যক্রম চালানো যাবে। তবে এ সময়ের মধ্যে সামাজিক, আর্থিক, সেবামূলক সহযোগিতা বা কার্যক্রম পরিচালনা, মজলিশ-মাহফিল আয়োজন কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা প্রাঙ্গণে প্রচার চালানো নিষিদ্ধ থাকবে। এসব কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং ‘নির্বাচন আচরণবিধিমালা’–এর ধারা-১৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৩৮তম ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
১৯৩ দিন আগে
আগে ফ্যাসিস্টদের বিচার পরে জকসু নির্বাচন: জবি ছাত্রদল
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, ফ্যাসিস্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিচার নিশ্চিতের পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদল। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
এ সময় মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, আমরা জকসু চাই কিন্তু এই ক্যাম্পাসে কোনো গণহত্যাকারী থাকতে পারবে না, কোনো ফ্যাসিস্টের বিচরণ থাকতে পারবে না। একইসঙ্গে ছাত্রদলের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে।
উপাচার্যকে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কুসুম কুসুম আন্দোলন দিয়ে গদি রক্ষার চেষ্টা করবেন না। আমরাও অবরুদ্ধ করতে পারি। আমরা ভিতর রেখে নয়, বাইরে রেখে তালা দেবো। সচিবালয়, ইউজিসিতে যদি কোনো ফাইল লাগে, তবেই তালা খোলা হবে। তার আগে নয়।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদে ৯৫ প্রার্থী, ৬০ নারীসহ মোট প্রার্থী ৪৬২
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, অন্যান্য ক্যাম্পাসে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বিচার করা হয়েছে। কিন্তু এ কাজে জগন্নাথ পিছিয়ে। তাদের বিচার না করে জকসু নির্বাচন দিলে ভোট দেবে ছাত্রলীগ, ভিপি হবে ছাত্রলীগ। আমরা অবশ্যই জকসু নির্বাচন চাই কিন্তু এই সন্ত্রাসী লীগের বিচারের পর। কাল তাদের বিচার করে, পরশুই জকসু নির্বাচন হোক, আমাদের আপত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী জকসু নির্বাচনের নামে শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি সম্পূরক বৃত্তিকে আড়াল করে ফেলেছে। তাদের এই উদ্দেশ্য সফল হবে না।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাফর আহম্মদ, সুমন সরদার, শাহরিয়ার হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, রুপান্তি রত্না, রাসেল হোসেন, সাখাওয়াতুল ইসলাম পরাগ, নাহিয়ান অনিক, রাশেদ আমিন, রবিউল ইসলাম বক্তব্য দেন। এছাড়া সংগঠনটির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৩ দিন আগে
দুই দাবিতে ভিসি ভবনে তালা, টানা ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ভিসি-ট্রেজারার-প্রক্টর
দুই দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা টানা ছয় ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তাদের।
রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে দুই দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চলমান ‘নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে অবরুদ্ধ রয়েছেন তারা।
এদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় দুই দফা দাবিতে ‘নো ওয়ার্ক কর্মসূচি’ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন রুটিন কাজে আসা ফাইল হাতে নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা) ভিসিসহ সকলে অবরুদ্ধ আছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নীতিমালা চূড়ান্তকরণ ও রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সম্পূরক বৃত্তির চূড়ান্ত ঘোষণা। এর আগে বেলা ১২টার দিকে তারা উপাচার্যের কক্ষের সামনে ‘ব্রেক দ্য সাইলেন্স’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করেন।
পড়ুন: জকসু নির্বাচনসহ দুই দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শিক্ষার্থীদের এসকল দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত। তাদের দাবি যৌক্তিক। জকসুর নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে এখনও হাতে পাইনি, তবে আশা করছি শিগগিরই হাতে পাব।’
তিনি বলেন, নীতিমালা পেলে মঙ্গলবার সিন্ডিকেট মিটিং করে পাস করব। এরপর বুধবার বা বৃহস্পতিবার ইউজিসিতে পাঠানো হবে। অধ্যাদেশ আসলেই রোডম্যাপ ঘোষণা করা সম্ভব হবে। জকসু অধ্যাদেশ হয়ে পাস হয়ে আসলেই আমরা নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করে দেবো।
১৯৪ দিন আগে
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রদর্শন বন্ধ থাকছে
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা সর্বসাধারণের জন্য প্রদর্শন বন্ধ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রদর্শন বন্ধ করা হয়েছে।
আজ ২৪ আগস্ট থেকে প্রদর্শন বন্ধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট হল ও দপ্তরগুলোর জন্যই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা উন্মুক্ত থাকবে।
রবিবার (২৪ আগস্ট) ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শন সীমিতকরণের দাবিতে রিট
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) ওয়েবসাইটে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শন সীমিতকরণের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়। একই সঙ্গে যেসব নারী শিক্ষার্থী তাদের ছবি প্রকাশ করতে চান না, তাদের ছবি প্রাইভেট (ব্যক্তিগত) করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।
রিটকারীরা হলেন– সাবিকুন্নাহার তামান্না, মো. জাকারিয়া, ফাতেমা, তাসনিম ঝুমা ও রেদোয়ান মন্ডল রিফাত। তাদের পক্ষে আইনজীবী রয়েছেন ফয়জুল্লাহ ফয়েজ। রিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।
১৯৪ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচনে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শন সীমিতকরণের দাবিতে রিট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) ওয়েবসাইটে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদর্শন সীমিতকরণের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব নারী শিক্ষার্থী তাদের ছবি প্রকাশ করতে চান না, তাদের ছবি প্রাইভেট (ব্যক্তিগত) করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রবিবার(২৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।
রিটকারীরা হলেন– সাবিকুন্নাহার তামান্না, মো. জাকারিয়া, ফাতেমা, তাসনিম ঝুমা ও রেদোয়ান মন্ডল রিফাত। তাদের পক্ষে আইনজীবী রয়েছেন ফয়জুল্লাহ ফয়েজ। রিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবী ফয়জুল্লাহ ফয়েজ জানিয়েছেন, ওয়েবসাইটে ভোটারদের সব তথ্যে পাবলিকলি অ্যাকসেস রয়েছে। সবাই ভোটারদের নাম, রোল, রেজিস্ট্রেশন, ছবিসহ যাবতীয় তথ্য দেখতে পারেন। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বলতে কিছুই থাকছে না। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য রিট করা হয়েছে। যেসব নারী শিক্ষার্থী তাদের ছবি দেখাতে চান না, তাদের ছবি যেন প্রাইভেট করা হয়-রিটে সেই দাবি জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে এ রিটের শুনানি হতে পারে।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: সাইবার নিরাপত্তা শঙ্কায় প্রার্থীরা, প্রধান লক্ষ্য নারী প্রার্থীরা
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটার তালিকায় প্রকাশিত নারী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ছবি অপসারণ চেয়ে ভিসি বরাবর চিঠি দেন শিক্ষার্থীরা। চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটার তালিকায় নারী শিক্ষার্থীদের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন। ছবি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য, যা শিক্ষার্থীর অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে মানসিক অস্বস্তি ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে ধর্মপ্রাণ নিকাবি শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত বিব্রতকর ও বিভ্রান্তিকর পদক্ষেপ।
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা এই সংবেদনশীল তথ্যগুলো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রশাসনের নজরে আসেনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এজন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অতএব, আমাদের বিনীত অনুরোধ–দ্রুততম সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের ছবি সম্বলিত ভোটার তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক। ভবিষ্যতে এ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে বিকল্প হিসেবে শিক্ষার্থী পরিষেবার মতো রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে তথ্য দেখার একটি নিরাপদ ব্যবস্থা চালু করা হোক। এ আবেদন করার পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় রিট দায়ের করা হয় বলে রিটকারীরা জানান।
১৯৪ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন: ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ নামে বাগছাস সমর্থিত প্যানেল ঘোষণা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ নামে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল সোয়া ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই প্যানেল ঘোষণা করা হয়। সাভারের জুলাই শহীদ নাফিসা হোসেন মারওয়ার মামা হযরত আলী এই প্যানেলটি ঘোষণা করেন।
গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সমর্থিত এই প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে সংগঠনটির জাবি শাখার আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ও সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং জাবি শাখার সদস্য সচিব আবু তৌহিদ মো. সিয়াম, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস-ছাত্র) পদে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান এবং (এজিএস-ছাত্রী) পদে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী মালিহা নামলাহকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
প্যানেলে অন্য পদগুলোর মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফারহানা বিনতে জিগার ফারিনা, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মার্জিউর রহমান চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাঈদ হোসেন, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা (বৈশাখী), সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (ছাত্র) রিং ইয়ং মুরং, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (ছাত্রী ) সাবিকুন্নাহার (পলি), আইটি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক নকিব আল মাহমুদ অর্ণব, সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন সম্পাদক আহসান লাবীব, সহ-সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন সম্পাদক (ছাত্র) কাজী মেহবার (তুর্য), সহ সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন (ছাত্রী) সম্পাদক পদে নাদিয়া রহমান অন্বেষা, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক নাসিম আল তারিক, পরিবহন ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. নাহিদ হাসান (ইমন) মনোনয়ন পেয়েছেন।
পড়ুন: জাকসু নির্বাচন: 'সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট' নামে ছাত্রশিবিরের প্যানেল ঘোষণা
এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে ৩ জন নারী মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন– পৃষতী খান, তানজিলা তাসনীম সেতু, আফিয়া ইবনাত সামিহা এবং মনোনয়ন পাওয়া ৩ জন পুরুষ হলেন- সাদাত ইবনে ইসলাম, ত্বাসীন আহমেদ, মোহাম্মদ আলী চিশতি। এখানে নাট্য সম্পাদক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদ দুইটি খালি রাখা হয়েছে।
প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সচেতন নেতা, আদিবাসী প্রতিনিধি এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সমন্বিত প্যানেল গঠন করতে।’
তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করিনি। আমাদের লক্ষ্য ছিল সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে এমন একটি প্যানেল তৈরি করা, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় দল, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটসাল দলের খেলোয়াড় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান কিরণের সমর্থনে নির্বাচনে আমাদের প্যানেল থেকে 'ক্রীড়া সম্পাদক' পদে আমরা কোনো প্রার্থী দিচ্ছি না এবং নাট্য সম্পাদক পদে পরবর্তীতে প্রার্থী মনোনীত করা হবে বলে জানান তিনি।
পড়ুন: জাকসু নির্বাচন: ভিপি-জিএস-এজিএস হিসাবে আলোচনায় যারা
১৯৬ দিন আগে
দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে হত্যার হুমকি, ইউটিএলের উদ্বেগ
সম্প্রতি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন এবং মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আসিফ মাহতাব উৎসকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে ইউটিএলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন বলেন, দেশের দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়; বরং শিক্ষা, সমাজ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক অধিকারের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করা রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।
এ ঘটনায় জড়িত সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে শুধু বহিষ্কার নয়, দ্রুততম সময়ে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায় ইউটিএল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অধ্যাপক সরোয়ার হোসেন একজন খ্যাতিমান গবেষক, লেখক ও সমাজসেবক। তিনি বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (বিআরএফ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং দীর্ঘদিন ধরে থ্যালাসেমিয়া, ডেঙ্গু ও শিশুদের স্থূলতা নিয়ে গবেষণা ও সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। অন্যদিকে, আসিফ মাহতাব উৎস একজন তরুণ শিক্ষক, গবেষক ও জনপ্রিয় বক্তা। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ১৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইউজিসি
একটি মহল তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে দাবি করে ইউটিএল নেতারা বলেন, এ ঘটনার পর দেশের ১৬২ জন ব্যক্তি প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির মতো গুরুতর অপরাধকে আড়াল করার চেষ্টা চালিয়েছেন, যা নিন্দনীয়। অপরাধীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি যাতে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তারা।
যৌথ বিবৃতিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ করারও দাবি জানানো হয়।
১৯৬ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদে ৯৫ প্রার্থী, ৬০ নারীসহ মোট প্রার্থী ৪৬২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদ সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৮ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) হিসেবে ২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবমিলিয়ে এই তিনটি পদপ্রার্থী ৯৫ জন। ডাকসু নির্বাচনে প্রাথমিক বৈধ প্রার্থী ৪৬২ জন, এর মধ্যে ৬০জন নারী প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডাকসুর চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দীন।
তিনি জানান, ডাকসু নির্বাচনে প্রাথমিক বৈধ প্রার্থী ৪৬২ জন। ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় স্থগিত ৪৭ জন। ৩ টি পদে নেই কোনো নারী প্রার্থী। যাদের প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছে তাদেরকে আগামী ২৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখের মধ্যে আপীল করতে হবে। উক্ত সময়ের পরে আপীল করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্র প্রার্থী ৪৩ জন, ছাত্রী ৫ জন; জিএএস পদে ছাত্র ১৮ জন, ছাত্রী ১ জন; এজিএস পদে ছাত্র ২৪ জন, ছাত্রী ৪ জন; মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক পদে ছাত্র ১৪, ছাত্রী ১; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ছাত্র ১০ জন, ছাত্রী ১ জন; ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক ছাত্র ৭ জন, ছাত্রী ২ জন; সমাজসেবা সম্পাদক পদে ছাত্র ১৩ জন, ছাত্রী নেই; মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক পদে ছাত্র ৮, ছাত্রী ৩ জন; স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ছাত্র ১২, ছাত্রী ৩।
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ছাত্র ৯ জন, এতে কোন ছাত্রী প্রার্থী নেই; ক্রীড়া সম্পাদক পদে ছাত্র ১২ জন , ছাত্রী ১ জন ; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাত্র ৭, ছাত্রী ৪; কমন রুম, রিডিং রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ছাত্র ২, ছাত্রী ৯; আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ছাত্র ১৫ জন, ছাত্রী নেই; সাহিত্য সম্পাদক ছাত্র ১৭, ছাত্রী ২; সদস্য পদে ছাত্র ১৯১ জন, ছাত্রী ২৪ জন, মোট ২১৫ জন।
সবমিলিয়ে ডাকসু নির্বাচনে বৈধ প্রাথমিক প্রার্থী হিসেবে ছাত্র মোট ৪০২ জন, ছাত্রী ৬০ জন।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন জানায়, হল সংসদে বৈধ প্রার্থী ১১০৮ জন, স্থগিত ১ জন।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: সাইবার নিরাপত্তা শঙ্কায় প্রার্থীরা, প্রধান লক্ষ্য নারী প্রার্থীরা
রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানান, ভোটার নাম্বার, নাম পরিচয়ে ত্রুটি, রেজিস্ট্রেশন নাম্বারে ভুল, বাবা মায়ের নামে ভুল/অসঙ্গতি, স্বাক্ষর ভুল ইত্যাদি কারণে প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছে। প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করলে যাচাই বাছাই করে দেখা হবে। ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সুযোগ থাকবে আপিল করার জন্য। ২৪ আগস্ট যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।
আজ থেকে আপ্যায়ন নিষেধ
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো প্রার্থী বা পক্ষ আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত স্বপ্রণোদিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক কোনো ধরনের সেবামূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন না, কোনো ধরনের উপঢৌকন বিলি-বণ্টন করতে পারবেন না, এমনকি আপ্যায়ন করানো, অর্থ সহযোগিতা করা কিংবা অনুরূপ কোনো কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন না। এ ধরনের কার্যক্রম সুস্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক জসীম উদ্দীন।
এ ছাড়া, আজ থেকে ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত কেউ হল কিংবা ক্যাম্পাসে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। ২৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখ থেকে প্রার্থীরা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে লড়বে ৯ প্যানেল, প্রার্থিতায় নতুনত্ব
উল্লেখিত সময়ের মধ্যে প্রচারণা চালালে এটি ডাকসু নির্বাচন ২০২৫-এর আচরণবিধি ভঙ্গ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
১৯৭ দিন আগে