শিক্ষা
শাবিতে নতুন ৭ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নতুন ৭ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরীর সই করা এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নতুন ৭ সহকারী প্রক্টর হলেন— ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুজ্জামান, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহদ ওমর ফারুক, আর্কিটেকচার বিভাগের প্রভাষক ফারহা মুন, ইলেকট্রিকেল অ্যান্ড ইলেক্টনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আফসানা বেগম, বায়োক্যামিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের প্রভাষক যুবাইর ইবনে দ্বীন, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক মো. সাদেকিন ইসলাম ও রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ ইমরান হোসাইন।
তারা বিধি অনুযায়ী, দায়িত্বভাতা ও অন্যান্য সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। এই আদেশ যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
২৪২ দিন আগে
১০ জুলাই প্রকাশিত হতে পারে এসএসসির ফল
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ জুলাই প্রকাশ করা হতে পারে। এ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার ইউএনবিকে বলেন, ‘এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফল প্রকাশে ১০ জুলাই সময় চেয়ে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি, মন্ত্রণালয় থেকে এখন পর্যন্ত জবাব আসেনি।’
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে অংশ নিয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।
আরও পড়ুন: এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্র চত্বরে প্রবেশ শুরুর নির্দেশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের
২৪২ দিন আগে
জুলাই শহীদ রুদ্রর নামে শাবিপ্রবির লেকের নামকরণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী শহীদ রুদ্র সেনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকের নামকরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, লেকটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ, এস্টেট কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসনাত, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
রুদ্র সেন ছিলেন শাবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ছাত্র জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের ধাওয়ায় খাদে পড়ে শহীদ হয়েছিলেন।
২৪৫ দিন আগে
সিকৃবিতে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই ৩৬ গেইট’র উদ্বোধন
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) ফটকটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ.টি.এম মাহবুব-ই-ইলাহী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, হল প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রার, দপ্তর প্রধানসহ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাই ৩৬ গেইটটি শুধু একটি গেইট নয়, এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের এক নিরব সাক্ষী। তরুণদের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণা যেন তারা ভুলে না যায়, কীভাবে অধিকার রক্ষায় মানুষ তাদের জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদদের স্মরণ ও তাদের আত্মত্যাগকে চিরস্থায়ীভাবে গেঁথে রাখার জন্য সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হয়েছে এই গেইট উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি আত্মত্যাগ ও একটি স্বপ্নের প্রতীক যে স্বপ্নে ছিল একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ।’
২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে। নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা। ৩৬ জুলাই কেবল অতীতের একটি দিন নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্য এক অনুপ্রেরণা, যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ন্যায়বিচারের জয়কে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
সিকৃবির প্রধান প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন জানান সিকৃবির ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের প্রচেষ্টায় ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্থাপনাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
২৪৫ দিন আগে
‘জুলাই শহীদ স্মৃতি বৃত্তি’ চালু করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতি বছর ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি বৃত্তি’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মাসব্যাপী কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর হাতে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি বৃত্তির’ চেক তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চেক হস্তান্তর করেন তিনি।
এই বৃত্তির অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিভিন্ন কলেজ ও ইনস্টিটিউটের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে। এ বছর ৭২৫টি প্রতিষ্ঠানের দুই হাজার ৪০ শিক্ষার্থী এই বৃত্তিলাভ করবেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার হাত থেকে বৃত্তি গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের শিক্ষার্থী হাবীবা আক্তার, তেজগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী এস এম আবু তালেব এবং ঢাকা কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী খন্দকার মাহমুদুল হাসান।
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার বলেন, ‘এক বছর আগে, বাংলাদেশের তরুণেরা দেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। সেই ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে আমরা, সমগ্র জাতি, অধিকারবঞ্চিত প্রজা থেকে নতুন করে অধিকারভোগী নাগরিকে পরিণত হতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রকে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক, জনবিচ্ছিন্ন ও দমনমূলক প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবর্তন করে জনগণের মঙ্গলের জন্য তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত এক সংবেদনশীল ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের গুরু দায়িত্ব বর্তমান সরকারের কাঁধে এসে পড়েছে।’
চেক প্রদান অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানউল্লাহ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ড. লুৎফর রহমান এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম উপস্থিত ছিলেন।
২৪৮ দিন আগে
৪৪তম বিসিএসে শূন্য পদে ১৬৯০ জনকে সুপারিশ
৪৪তম বিসিএসে ১ হাজার ৭১০টি শূন্য পদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১ হাজার ৬৯০ জনকে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে মনোনীত করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
সোমবার (৩০ জুন) রাতে পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী না পাওয়ায় কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের ২০টি পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা সম্ভব হয়নি। মনোনয়ন-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইট ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
পিএসসি জানিয়েছে, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সব প্রার্থীকে ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। যাদের মনোনয়ন হয়নি, তাদের নন-ক্যাডার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সরকারের অধিযাচন পাওয়া সাপেক্ষে মেধাক্রম ও বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সুপারিশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ দিতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষাও চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪৮তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৩ হাজার চিকিৎসক
এই পাঁচ বিসিএস নিয়ে পিএসসির রোডম্যাপে ৩০ জুন ফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত দিন রাতে এই ফল প্রকাশিত হয়েছে।
২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার সব ধাপ পেরিয়ে ফল প্রকাশ করতে পৌনে চার বছর লেগে গেল।
২০২৪ সালের এপ্রিলে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে প্রথম দফায় এবং সরকার পতনের পর ২৫ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় তা স্থগিত করা হয়।
পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ‘ন্যায্যতা বজায় রাখতে’ প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগের কমিশনের নেওয়া পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই পরীক্ষা শেষে গতরাতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছে।
২৪৮ দিন আগে
এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্র চত্বরে প্রবেশ শুরুর নির্দেশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের
চলমান এইসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় যানযট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্র চত্বরে প্রবেশ করানোর নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা।
শনিবার (২৮ জুন) এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
এতে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তবে, পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করানো সংক্রান্ত আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পড়ুন: এইসএসসি পরীক্ষা: বরিশালে এক শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি
২৫১ দিন আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ৭১৭ শিক্ষকের ১১৩ জন ছুটিতে: উপাচার্য
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চলতি অর্থবছরে ৭১৭ জন কর্মরত শিক্ষকের মধ্যে ১১৩ জন শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
শনিবার (২৮ জুন) বিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ৪২তম বার্ষিক অধিবেশন পূর্ববর্তী শুভেচ্ছা ভাষণে এই তথ্য জানান উপাচার্য।
এসময় জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, 'বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ৭১৭ জন, কর্মকর্তা ৩৮০ জন, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ৯৭০ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ৫০৬ জন কর্মরত আছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ১০২ জন শিক্ষক ছুটিতে এবং ১১ জন শিক্ষক লিয়েন ছুটিতে রয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বে আছেন ৫২ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে সর্বমোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৬৯০ জন।'
তিনি আরও বলেন, 'বিগত শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ৬৭ জন শিক্ষার্থী স্নাতক (সম্মান), ১ হাজার ১৮২ জন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ৩ জন এমফিল এবং ৪৭ জন গবেষক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।'
পড়ুন: জাবিতে আবাসিক হল থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
তিনি বলেন, 'আমি অর্জিত ডিগ্রিধারীদের এই সিনেটের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং আশা করছি তারা কর্মক্ষেত্রে মেধা, দক্ষতা এবং প্রজ্ঞায় অর্জিত ডিগ্রির মান সমুন্নত রাখবেন।'
শনিবার (২৮ জুন) বিকাল ৩টায় সিনেটের নিয়মিত অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় ১ ঘণ্টা পিছিয়ে বিকাল ৪টা থেকে তা শুরু হয়। তবে জাবির ৪২তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশন শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আওয়ামী লীগপন্থী তিন শিক্ষক সিনেট কক্ষ ত্যাগ করেন।
সিনেট কক্ষ ত্যাগ করা তিন সিনেটর হলেন- মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক নিগার সুলতানা, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিক-উর-রহমান এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. যুগল কৃষ্ণ দাস।
২৫১ দিন আগে
ফের পেছাল জাকসু নির্বাচন, নতুন তারিখ ঘোষণা
ফের পিছিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো পেছাল নির্বাচনের তারিখ। সেইসঙ্গে ১১ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের সম্ভাব্য নতুন তারিখ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টার জাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত পরিবেশ পরিষদের মিটিং শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এসব জানান।
এ সময় শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাকসু নির্বাচন ও বিচারকার্য সম্পন্ন করার নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা করেন উপাচার্য।
নতুন রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে জুলাই হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের সাময়িক বহিষ্কৃতদের চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত করা হবে, একই দিনে জাকসুর তফসিল ঘোষিত হবে। এ ছাড়া, ৩১ আগস্ট হামলায় মদদদাতা শিক্ষকদের চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত হবে এবং আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান উপাচার্য।
আরও পড়ুন: জাকসুর তফসিল: নিরাপত্তা জোরদারে জাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
এদিকে, নতুন করে তারিখ ঘোষণায় অকার্যকর হয়েছে আগের নির্বাচন কমিশন। এখন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বার বার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হামলাকারীদের বিচার আর জাকসু নির্বাচন মুখোমুখি করার চেষ্টা করেছে। এর আগেও একই ইস্যুতে কয়েক দফা জাকসু নির্বাচন পেছানো হয়েছে, আবারও পেছাল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেষবারের মতো গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এই প্রশাসনের উপর আমরা আস্থা রাখতে চাই। আমরা মনে করি, এই প্রশাসন বিগত স্বৈরাচারী সরকারের মদদপুষ্ট প্রশাসনের মতো শিক্ষার্থীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে না।’
এর আগে গত ২১ মে এবং ৩১ জুলাই জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো তারিখ পরিবর্তন করা হলো।
বার বার উদ্দেশ্যমূলকভাবে জাকসু নির্বাচন পেছানোর জন্য প্রশাসনকে দায়ী করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও বিচার কাজ শেষ না করার জন্যও প্রশাসনকে দায়ী করেন তারা।
২৫২ দিন আগে
র্যাগিং: বাকৃবির ৩ নারী শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কার
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) তাপসী রাবেয়া হলে র্যাগিংয়ের অভিযোগে তিন নারী শিক্ষার্থীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অর্ডিন্যান্স ফর স্টুডেন্ট ডিসিপ্লিনের’ ৭ নম্বর ধারা অনুসারে অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ২৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, র্যাগিংয়ের অভিযোগে কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী মারিয়া সুলতানা মীমকে ১২ মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া, একই অনুষদের শিক্ষার্থী জোবায়দা জান্নাত সোহা ও আশিকা রুশদাকে ৬ মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান শেলী বলেন, ‘প্রশাসনের অর্ডারটি হাতে পেয়েছি। অভিযুক্তদের কাছে দ্রুতই এটি পৌঁছে দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার অন্যায় সহ্য করা হবে না। র্যাগিং করা একটি স্পষ্ট অন্যায়। প্রমাণসহ সবকিছু আমি ভিসি স্যারের কাছে তুলে ধরেছি। স্যার অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করেননি।’
২৫২ দিন আগে