শিক্ষা
এইচএসসির প্রথম দিনই রংপুর বিভাগে অনুপস্থিত সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী
রংপুর বিভাগে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল এক হাজার ২৯১ জন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী।
তিনি জানান, এই বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৫ হাজার ৬১৭ জন। উপস্থিত ছিলেন ৯৪ হাজার ৩২৬ জন।
মীর সাজ্জাদ আলীর সই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুরে ৪১টি কেন্দ্রে ২২ হাজার ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২১ হাজার ৮২১ জন, আর অনুপস্থিত ২১৮ জন।
একই দিনে গাইবান্ধার ৩০টি কেন্দ্রে ১৩ হাজার ৬৫২ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৩ হাজার ৪৩১, অনুপস্থিত ২২১। নীলফামারীতে ২৪টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ৩৩১ জনের মধ্যে ১১, কুড়িগ্রামের ২৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৬২০ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৪৬৬ জন, লালমনিরহাটে ১৩টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫৪ জনের মধ্যে ৬ হাজার ১৫২ জন, দিনাজপুরের ৪৭টি কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৬৭ জনের মধ্যে ১৮ হাজার ৮২৪ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৯টি কেন্দ্রে ৮ হাজার ৯০ জনের মধ্যে ৭ হাজার ৯৬৭ জন এবং পঞ্চগড়ের ১২টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৫৬৪ জনের মধ্যে ৫ হাজার ৪৭৪ জন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সেই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার
তবে প্রথম পরীক্ষার দিন কোথাও কোনো বহিষ্কার অথবা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, সুষ্ঠুভাবে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে বোর্ডের পক্ষ থেকে কেন্দ্র কমিটির সঙ্গে সভা করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে ঝটিকা ভিজিলেন্স টিম রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে। এছাড়া শিক্ষাবোর্ডের বিশেষ ভিজিলেন্স টিমও কাজ করছে।
রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানান, বিভাগের ২১৩ টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার্থীরা এবার ভালোভাবেই পরীক্ষা দিতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
২৫২ দিন আগে
সেই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার
মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কারণে দেরি হওয়ায় এইচএসসির প্রথম দিন সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি আনিসা আহমেদ নামে এক পরীক্ষার্থী। ফলে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তিনি। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
শুক্রবার (২৭ জুন) শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের বরাত দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন)। অসুস্থ মাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেরি হওয়ায় প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাঙলা কলেজ কেন্দ্রের এক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা না দিতে পারার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
এ বিষয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সিআর আবরার বলেছেন, ‘মানবিক বিবেচনায় ওই শিক্ষার্থীর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত আইন ও বিধির আলোকে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেছেন, ‘তার এ দুঃসময়ে আমরাও সমব্যথী। এ পরীক্ষার্থীকে উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু মায়ের মেজর স্ট্রোকের কারণে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেড় ঘণ্টা দেরি হয় ওই ছাত্রীর। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ মেলেনি তার। পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটের বাইরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ফিরে যান তিনি।
এরপর গতকাল দুপুরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা না দিতে পারার ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাকে কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখা যায়।
সে সময় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও অন্য দায়িত্বরতরা জানান, নিয়মের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ জানান অনেকে। অনেকে সমালোচনাও করেন। অবশেষে সরকারে নজরে আসায় কপাল খুলছে তার।
২৫২ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে বেরোবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও অভিযোগ পত্র প্রত্যাখান করে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, যারা জড়িত নয় তদন্ত প্রতিবেদনে তাদেরও জড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রকৃত দুই তিনজন আসামিকে আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্তু আবু সাঈদ হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা সাবেক প্রক্টরকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। এবং এর পুনরায় তদন্ত দাবি করেন। একই সময় তারা আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচারের দাবিও করেন।
এ সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা তাদের (ট্রাইব্যুনাল) সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে বসতে চেয়েছি কিন্তু তারা আসেনি। তারা বলছে হামলা নাকি ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে হয়েছে। এটা মিথ্যাচার। বাংলাদেশের বিচারহীনতার বড় প্রমাণ আজ এই অফিযোগপত্র দেওয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন আহমেদ বলেন, আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযোগ পত্র প্রকাশের আগে তদন্ত কমিটির রংপুর এসে আবু সাঈদ হত্যার সাক্ষী ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে অভিযোগ পত্র প্রকাশ করার কথা ছিলো। কিন্তু তারা কারো সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করে মনগড়া তদন্ত করে অভিযোগপত্র প্রকাশ করেছে। যা এক ধরনের প্রহসন। তাই এই মিথ্যা প্রহসন ও মিথ্যা তদন্তকে বেরোবি শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রশাসনিক ভবনে সকল ডিপার্টমেন্টর শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।
যতক্ষণ পর্যন্ত আবু সাঈদ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে কোনো প্রহসন সহ্য করা হবে না। প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, এটাতো আইনের বিষয়ে তারা কি করছে এখনতো আমরা জানি না। সাবেক প্রক্টর শরিফুলের এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল কি ছিলো না তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করলে জানা যাবে। তারা কি তদন্ত রিপোর্ট দিবে তা তো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে দেবে না।
উল্লেখ্য, এ মামলায় চার আসামি কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশ।
২৫৩ দিন আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভিসি জানান, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫ লাখ ৬০ হাজার ৫৯৫ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে চার লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ২৮ ভাগ পরীক্ষার্থী পঞ্চাশের ওপর নম্বর পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ লাখ ৪০ হাজার আসন রয়েছে। এদের মধ্যে যারা স্নাতকে ভর্তি হতে পারবেন না, তারা পাস কোর্স, কারিগরি এবং অন্যান্য শাখায় ভর্তি হতে পারবেন।
উপাচার্য জানান, আগে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই অনার্সে ভর্তি করা হতো, যে কারণে অনেকেই বলত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়ে যায়। এখন থেকে আর কেউ বলতে পারবে না যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।
দশ বছর পর এই শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন বিভাগের ডিনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
২৫৩ দিন আগে
সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে: শিক্ষা উপদেষ্টা
সারা দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর ভাসানটেক সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি কেন্দ্র ঘুরে দেখলাম, সব পরীক্ষার্থী মাস্ক পরে এসেছে। সবাই নিরাপদ দূরত্বে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে।’
‘ডেঙ্গুর বিষয়েও আগে থেকেই আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়েছি। সব মিলিয়ে ডেঙ্গু-করোনা নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি ভালো। ফলে এ নিয়ে ভয়ের বা আশঙ্কার কিছু দেখছি না।’
প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কোনো শঙ্কা আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিবারই এ থ্রেট (ঝুঁকি) থাকে, এবারও আছে। আমরা এসএসসি পরীক্ষার মতো এবারও তৎপর আছি। আশা করি, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ অসাধু চক্র পাবে না। কেউ গুজব ছড়ালেও আমরা ব্যবস্থা নেব।’
বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া আছে; সব নিয়ম করা আছে। কোথাও পরীক্ষা নেওয়ার মতো পরিস্থিতি না থাকলে নিয়ম মেনে সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. আবরার বলেন, ‘প্রশ্নপত্র দেখার সুযোগ আমার হয়নি। তবে এটি নিশ্চিত যে কেউ বলবে প্রশ্নপত্র ভালো হয়েছে, আবার কেউ বলবে খারাপ হয়েছে। এটি তাদের বোঝাপড়া এবং প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে। আমরা যা নিশ্চিত করতে পারি, তা হচ্ছে প্রশ্নপত্রের মান ঠিকঠাক রাখা।’
তিনি আরও জানান, যথাসময়ে ফল প্রকাশ হবে। ফল প্রকাশে বিলম্ব যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্র জানায়, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারা দেশে এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী। দেশের ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সব বোর্ডের প্রথম দিনের পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়, যা শেষ হয়েছে দুপুর ১টায়।
২৫৩ দিন আগে
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী। দেশের ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম দিনের পরীক্ষা বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়।
প্রথম দিনে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৬০৫টি কেন্দ্রে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীন ৪৫৯টি কেন্দ্রে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীন ৭৩৩ কেন্দ্রে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তত্ত্বীয় এ পরীক্ষা শেষ হবে ১০ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১ আগস্ট থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সব বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এবার পরীক্ষার্থী কমেছে গতবারের চেয়ে ৮১ হাজারের বেশি।
নির্দেশনা
পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং এ সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এর পরে প্রবেশ করলে রেজিস্ট্রারে তাদের নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করে পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো কক্ষে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে, যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে, পরীক্ষার্থীদের ততটুকু সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস বা ফাঁস সংক্রান্ত গুজব এবং পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের কাছে নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ সময় সাইবার সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি, বাংলাদেশের হটলাইনে (নম্বর-০১৩২০০১০১৪৮) যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষাকেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিধি
দেশে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীসহ পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট সবার মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
এ ছাড়া ডেঙ্গু বিস্তার রোধে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে এবং আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের ভেতরে মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে।
প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের মেডিকেল টিমকে সক্রিয় রাখতে হবে। এ বিষয়ে সিভিল সার্জন অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে হবে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের জটলা নিরুৎসাহিত করার প্রচারণা চালাতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২৫৩ দিন আগে
জাবিতে আবাসিক হল থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম-বরকত হল থেকে ২৩ ইঞ্চি লম্বা কাঠের বাটযুক্ত একটি দেশীয় পাইপগান উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আশুলিয়া থানা থেকে পুলিশ কর্মকর্তারা এসে অস্ত্রটি জব্দ করে। এই ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
বুধবার (২৫ জুন) সকাল পৌনে ১০টায় হলের সিনিয়র পরিচ্ছন্নতাকর্মী শ্রী সুজন চন্দ্র বাবু টয়লেটের ফলস সিলিং পরিষ্কার করার সময় পাইপগানটি দেখতে পান এবং হল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।
জানা যায়, হলের এ-ব্লকের দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশে ২২৬ নম্বর কক্ষ সংলগ্ন টয়লেটের ফলস সিলিংয়ের ওপর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে হল প্রশাসন জানায়, শহীদ সালাম ও বরকত হলের এ-ব্লকের পশ্চিম দিকের ২২৬ নং কক্ষ সংলগ্ন টয়লেটের ফলস ছাদের ওপরে পাইপ গানটি ছিল। হলের পরিচ্ছন্নতা কর্মী সুজন বাবু সুইপিং কাজের জন্য রাখা লাঠির ব্রাশ ফলস ছাদ থেকে টেনে বের করতে গেলে তখন ব্রাশের সঙ্গে কাঠের বাটওয়ালা একটি পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্র বের হয়ে আসে। এরপর পরিচ্ছন্নতা কর্মী সুজন আগ্নেয়াস্ত্রটি হল অফিসে এনে জমা দেন।
হলের সিনিয়র পরিচ্ছন্নতাকর্মী শ্রী সুজন বাবু বলেন, 'দৈনন্দিন কাজের মতো আজও আমি আমার কর্তব্যরত সুইপিং কাজ শুরু করি। হলের এ-ব্লকের দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশে ওয়াশরুমে সুইপিং করার সময় ফলস সিলিংয়ের ওপর থেকে লাঠি-ঝাড়ু বের করতে গিয়ে সঙ্গে একটি কাঠের বাটযুক্ত পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্রও বের হয়ে আসে। আমি সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি হল অফিসকে অবহিত করি।'
খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পুলিশকে জানানো হলে সাড়ে ১২টা নাগাদ আশুলিয়া থানা পুলিশ এসে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার এসআই মাহমুদুল বলেন, 'উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি একটি দেশীয়ভাবে তৈরি পুরাতন পাইপগান। এটি কাঠের বাটযুক্ত এবং দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৩ ইঞ্চি।'
আরও পড়ুন: ভাটারায় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ সালাম-বরকত হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুল হালিম বলেন, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি এবং কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, অধিকতর তদন্তের জন্য সহকারী অধ্যাপক এস. এম. এ মওদুদ আহমেদকে সভাপতি করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হলের আবাসিক শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক ইসতিয়াক রায়হান ও সিয়াম আহমেদ। আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।
২৫৪ দিন আগে
৩২৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল যবিপ্রবি
বিভিন্ন বিভাগের ৩২৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৮৯ জনকে ‘অভ্যন্তরীণ বৃত্তি’ তহবিল থেকে বৃত্তি দিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। একই সঙ্গে বাকি ৩৬ শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় ধাপে বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকাল ৩টায় যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের অভ্যন্তরীণ বৃত্তির খাত থেকে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন বিভাগের ২৮৯ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আরও ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীপ্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে বছরে সর্বমোট ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
বৃত্তির জন্য মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য কোনো স্থান থেকে বৃত্তি পায় না, এমন শিক্ষার্থী বাছাই করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, ‘বৃত্তি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহীত করাই যবিপ্রবির মূল লক্ষ্য। লক্ষ্য ঠিক থাকলে সাফল্য আসবেই। নিজস্ব বুদ্ধিকে আগে প্রাধান্য দিতে হবে। ভালো বন্ধু নির্বাচন করতে হবে। ভালো বন্ধু ভালো অভিভাবক। এভাবে যবিপ্রবিকে একটি মানবিক ক্যাম্পাস হিসেবে গড়তে চাই।’
আরও পড়ুন: প্রাথমিকেও বৃত্তি চালু করতে যাচ্ছি: উপদেষ্টা
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।
অনুষ্ঠানে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেন, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. জাফিরুল ইসলাম, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ মো. কামাল হোসেন, উপ-রেজিস্ট্রার নিত্যনন্দ পালসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২৫৪ দিন আগে
পাঁচ দাবিতে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের আবাস সংকট দূর করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজের জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে এই বিক্ষোভ শুরু করেন।
এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে ভবনটিতে তালা ঝুঁলিয়ে দেন তারা। পরে বেলা ১১টার দিকে বিএম কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে নগরীর নতুন বাজার থেকে নথুল্লাবাদ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর সোয়া ১টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল।
আরও পড়ুন: ২৬ ইউআইইউ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
শিক্ষার্থীরা জানান, বিএম কলেজে ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। অথচ তাদের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসনের ব্যবস্থা নেই; যা রয়েছে তার অবস্থাও বেহাল। বৃষ্টি হলেই কলেজ ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তাই তারা জলাবদ্ধতা নিরসন করে রাস্তা ড্রেন সংস্কারের দাবি জানান।
এছাড়া শিক্ষার্থীরা মাঠ ভরাট, কলেজের অডিটোরিয়াম সংস্কার, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সংস্কার ও শিক্ষক সংকট দূর করে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগেরও দাবি তুলে ধরেন।
তারা আরও জানান, দাবি মানা না মানা পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।
২৫৪ দিন আগে
ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শাবিপ্রবির দুই ছাত্র আজীবন বহিষ্কার
ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাস পার্থ।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম।
তিনি জানান, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটিতে অনুমোদিত হয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী জরুরি সিন্ডিকেটে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পড়ুন: শাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ: দুই আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
উল্লেখ্য, ঈদের আগে (২ মে) সিলেটের রিকাবীবাজারে একটি কনসার্টে যাওয়ার পূর্বে অচেতন করে সহপাঠী কর্তৃক ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। অভিযোগে সহপাঠী ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাস পার্থকে দায়ী করা হয়। শুধু যৌন নির্যাতন নয়, তা ভিডিও ধারণ করে নিয়মিত অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে ব্লাকমেইল করছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ১৯ জুন রাতেই দুইজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ২০ জুন সিলেট কোতোয়ালি থানায় আটক ২ জন ও অজ্ঞাতসহ ৫ জনের বিরূদ্ধে মামলা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ২৩ জুন আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
২৫৫ দিন আগে