শিক্ষা
জামিন পেলেন জবির সাবেক শিক্ষক আনোয়ারা বেগম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় তকে কারাগারে পাঠায় আদালত।
সোমবার (২ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে অধ্যাপক আনোয়ারা বেগমের জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী। শুনানি শেষে সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি, দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলবে: জবি শিক্ষকনেতা
জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অধ্যাপক আনোয়ারা বেগমের বয়স ৭০ বছর। তিনি ৩৫ বছর যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। অবসরপ্রাপ্ত এই অধ্যাপক একজন নারী। তিনি অসুস্থ। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, তিনি জামিন পাওয়ার হকদার।
রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বক্তব্য রাখা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় অধ্যাপক আনোয়ারার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে আনোয়ারা বেগমের পক্ষে জামিন শুনানি করেন তাঁর আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার দায়ের করা হত্যাচেষ্টার মামলায় গত বুধবার আনোয়ারা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে ওই মামলা হয় রাজধানীর সূত্রাপুর থানায়।
সূত্রাপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে বলা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই রায়সাহেব বাজারের কাছে স্টার হোটেলের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আন্দোলনকারী ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের উদ্দেশ্য করে গুলি চালানো হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ ঘটনা ঘটান। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার চোখে গুলি লাগে। বাঁ চোখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। এ ঘটনায় সুজন মোল্লা বাদী হয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সূত্রাপুর থানায় এই মামলা করেন।
২৭৭ দিন আগে
বাকৃবি: মুরগির আইবিএইচ রোগের ভাইরাসের দুটি সেরোটাইপ শনাক্ত
দেশে প্রথমবারের মতো ব্রয়লার মুরগির দেহে ইনক্লুশন বডি হেপাটাইটিস (আইবিএইচ) রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী ফাউল অ্যাডেনোভাইরাসের দুটি সেরোটাইপ (৮বি এবং ১১) শনাক্ত করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য ড. মো. আলিমুল ইসলাম এবং তার গবেষক দল।
অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, ইনক্লুশন বডি হেপাটাইটিস (আইবিএইচ) নতুন একটি উদীয়মান রোগ, যা ফাউল অ্যাডেনোভাইরাসের আক্রমণের কারণে হয়। ভাইরাসটির ১১টি সেরোটাইপ রয়েছে এবং ৫টি জেনোটাইপ রয়েছে। সেরোটাইপ ৮বি এবং ১১ সবচেয়ে মারাত্মক।
‘আমরা এই দুটি সেরোটাইপ শনাক্ত করেছি। তবে রোগটি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত করে বাণিজ্যিক ব্রয়লারকে এবং লেয়ারেও আক্রমণ করতে পারে। পরবর্তীতে আমরা আইবিএইচ-এর বিরুদ্ধে একটি পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন তৈরি করি এবং মুরগিতে এর ফিল্ড ট্রায়াল করি,’ যোগ করেন তিনি।
পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনটির বাণিজ্যিকীকরণের জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন দাবি করে ওই অধ্যাপক জানান, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা ভ্যাকসিনটির দুটি ট্রায়াল করেছি এবং তিন নম্বর ট্রায়াল করার পর ভ্যাকসিনের পেপারটি আন্তর্জাতিক জার্নালে উপস্থাপন করবো। তবে ভ্যাকসিনটি নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার পর আমরা ভ্যাকসিনটির বাণিজ্যিকীকরণের দিকে যেতে পারবো এবং বাণিজ্যিকভাবে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে খামারিরা লাভবান হবে।
গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে সম্পর্কে ড. আলিমুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, ২০১৮ সালের দিকে বাংলাদেশে হঠাৎ করে কমবয়সী (৩-৬ সপ্তাহ বয়সী) ব্রয়লার মুরগির ব্যাপক মৃত্যু হয়, খামারিরা এতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
‘পরবর্তীতে বড় বড় বাণিজ্যিক ব্রয়লারের খামারিরা মুরগি নিয়ে বিভিন্ন ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা (হিস্টোপ্যাথোলজি ও মলিকুলার ডিটেকশন) করে দেখেন এটি বার্ড ফ্লু নয়, আবার রানীক্ষেতও নয়- এটি নতুন একটি ভাইরাস। তারা এটির শুধু আইডেন্টিফিকেশন করতে পেরেছেন কিন্তু আইসোলেশন করতে পারেননি। ব্রয়লারের মাংস সাধারণ মানুষের আমিষের একটি প্রধান উৎস, এটি বিবেচনা করেই রোগটির সমস্যার সমাধানে এই গবেষণাটি করা হয়েছে।’
ভাইরাসটির সংক্রমণের ধরন নিয়ে অধ্যাপক বলেন, ভাইরাসটি ভার্টিক্যাল (ডিমের মাধ্যমে) ও হরিজন্টাল (খামারের এক মুরগি থেকে অন্য মুরগিতে) দুভাবেই ছড়াতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সী মুরগির ক্ষেত্রে বিশেষ করে ১৪ দিন বয়সী ব্রয়লার মুরগিতে রোগটি বেশি হয়ে থাকে। ১৫ দিন বয়স থেকে এদের খাবার খাওয়া, চলাচল ও বৃদ্ধি কমে যায় এবং ২১ দিনের মধ্যেই পুরোপুরি লক্ষণ দেখা যায়। অবসন্নতা, দুর্বলতা, ডায়রিয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিয়ে ৩-৪ সপ্তাহ বয়সের মধ্যেই মুরগিগুলো মারা যেতে থাকে।
রোগাক্রান্ত মৃত মুরগিগুলোর পোস্টমর্টেম করা হয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক আলিমুল ইসলাম বলেন, গিজার্ডের ভেতরের স্তরটা নরম হয়ে গেছে এবং টান দিলে সহজেই খসে পড়ছে, লিভার ও কিডনিতে ফোকাল নডুলার গ্রোথ এবং হার্টে হাইড্রোপেরিকার্ডিয়াম দেখা যায়। এ ভাইরাসের আক্রমণের ফলে মুরগি বড় হওয়ার আগে মারা যায় ফলে বাজারে বিক্রি করতে না পারায় খামারিরা ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: ১৪ বছর পর নিয়োগ পেলেন বাকৃবির ৫ শিক্ষক
গবেষণার পদ্ধতি সম্পর্কে ওই গবেষক জানান, কনভেনশনাল পিসিআর, আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে আমরা ভাইরাসটি নির্ণয় ও এভিয়ান এমব্রায়োতে ভাইরাসটির আইসোলেশন করেছি এবং আংশিক জিনোম সিকোয়েন্স অ্যানালাইসিস করেছি। তবে হোল জিনোম সিকোয়েন্স অ্যানালাইসিসের কাজ চলমান আছে। পরবর্তীতে মুরগিতে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের দুটি শট দিয়ে, এরপর ফিল্ড ভাইরাসের চ্যালেঞ্জ দিয়ে দেখি রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনটি সর্বোচ্চ কার্যকর। যে মুরগিগুলোকে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছি, সেগুলো আমরা এক বছর যাবৎ আমাদের কাছে রেখেছি এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছি। দেখা গেছে, নতুন করে মুরগিগুলো আইবিএইচে আক্রান্ত হয়নি।
মুরগির এই রোগটির বিরুদ্ধে খামারিরা কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেন এ বিষয়ে অধ্যাপক জানান, অনেক সময় দেখা যায় খামারিরা অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা দিয়ে কিছু মুরগি রক্ষা করছে। কিন্তু সেই মুরগির মধ্যেও আইবিএইচের জীবাণু লুকায়িত অবস্থায় থাকতে পারে। পরবর্তীতে এটি ডিমের মাধ্যমে বাচ্চাতে ছড়ায় এবং বাচ্চা জন্মের ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে মারা যায়। খামারিদের উচিত হবে ওই সকল হ্যাচারি থেকে বাচ্চা নেওয়া, যাদের প্যারেন্ট এবং গ্র্যান্ড প্যারেন্ট স্টকে আইবিএইচের ভ্যাকসিন দেওয়া আছে তাতে মায়ের অ্যান্টিবডি দ্বারা সুরক্ষিত থাকায় অন্তত ২১ দিন অর্থাৎ মুরগি বিক্রির আগ পর্যন্ত এই রোগ হবে না।
রোগটি মানবদেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে কিনা এ বিষয়ে ওই অধ্যাপক জানান, রোগটি জুনোটিক নয় অর্থাৎ মানুষে ছড়াবে না। তবে সতর্কতার জন্য মুরগির কলিজা এবং হৃদপিন্ড ফেলে দিতে হবে এবং মাংস খাওয়া যাবে। এ রোগে আক্রান্ত মুরগির ডিম ভেজে কিংবা সেদ্ধ করে খেলে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ রান্নার তাপে ওই ভাইরাসটি বেঁচে থাকে না। অর্থাৎ ডিমও খাওয়া যাবে।
গবেষণাটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অধ্যাপক বলেন, ভ্যাকসিনটি পুরোপুরিভাবে তৈরি হওয়ার পর সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন হবে, যাতে ভ্যাকসিনটি আমরা সহজে স্থানীয়ভাবে তৈরি করতে পারি। ভ্যাকসিনটি যদি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে তৈরি করা যায় তাহলে খামারিরা এতে বেশি লাভবান হবেন। পাশাপাশি চাকরির খাত বাড়বে এবং অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে।
২৭৭ দিন আগে
জবি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাধিক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রতারকদের হাতে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই তথ্য ব্যবহার করে ‘মেধা বৃত্তি’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিকাশ, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী। প্রতারকরা নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীর নাম, বিভাগ ও বর্ষ জেনে প্রথমে মেধা বৃত্তি অনুমোদনের কথা জানায়। পরে একটি ওটিপি কোড মোবাইলে পাঠানোর কথা বলে সেটি জানানোর অনুরোধ করে। শিক্ষার্থীরা ওটিপি সরবরাহ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে টাকা তুলে নেয় প্রতারক চক্রটি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর দুই ধরনের বৃত্তি দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। এরমধ্যে মেধা বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের নগদ টাকা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের বেতন মওকুফ করা হয়।
সাম্প্রতিক প্রতারণার ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী বলেন, ‘এক অপরিচিত নাম্বার থেকে কল দিয়ে আমার নাম, বিভাগ ও বর্ষ জানায়। তারা বলে আমি মেধা বৃত্তি পেয়েছি এবং টাকা পাঠানের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর চায়। অসচেতনতাবশত আমি নম্বর দিয়ে দেই। পরে দেখি আমার কার্ড থেকে ছয় হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী আজিজুল হাকিম আকাশ বলেন, একইভাবে এক অপরিচিত নম্বর থেকে কল দিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত করে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর চাওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘তারা জানায় আমার ইসলামি ব্যাংকে করা বৃত্তির আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। সন্দেহ হওয়ায় আমি কোনো তথ্য দিইনি। পরে একজন শিক্ষার্থীর ফেসবুক পোস্টে দেখি, একই কৌশলে তার চার হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে চক্রটি।’
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনলাইন ফর্ম, বৃত্তির আবেদন অথবা অভ্যন্তরীণ ডেটাবেইস থেকে এসব তথ্য চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও তথ্য ফাঁসের উৎস সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: জবি ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের প্রোফাইল হালনাগাদের দাবিতে স্মারকলিপি
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দীন বলেন ইউএনবির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই, তাই এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। খোঁজ নিয়ে আপনাকে জানাবো।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কিছু কুচক্রী মহল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করছে। শিক্ষার্থীদের এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা কোনো অনলাইন মাধ্যম থেকে তথ্য চুরি হয়েছে কি না, সেটি প্রশাসন তদন্ত করে দেখবেন বলেও শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন তিনি।
২৭৭ দিন আগে
জবি ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের প্রোফাইল হালনাগাদের দাবিতে স্মারকলিপি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল তথ্য হালনাগাদের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) হিউম্যান রাইটস সোসাইটি।
রবিবার (১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের কাছে স্মারকলিপি দেন তারা।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অধিকাংশ শিক্ষকের প্রোফাইলে প্রয়োজনীয় তথ্য—শিক্ষাগত যোগ্যতা, গবেষণা, প্রকাশনা ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত তথ্য অনুপস্থিত। অনেক শিক্ষক ছবিও যোগ করেননি।
তারা আরও বলেন, ‘এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা, একাডেমিক দায়বদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। টাইমস হায়ার এডুকেশন, কিউএস র্যাংকিং, ওয়েবোমেট্রিক্সসহ বিভিন্ন সংস্থা ওয়েবসাইটের তথ্যকে গুরুত্ব দেয়। শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষকদের তথ্যের অভাবে প্রতিষ্ঠান মানদণ্ডে পিছিয়ে পড়ছে।’
স্মারকলিপিতে চার দাবি উত্থাপন করা হয়—বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষককে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রোফাইল পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া, আইসিটি সেলের মাধ্যমে কারিগরি সহায়তা ইউনিট গঠন করে তথ্য আপলোডে সহায়তা করা, বিভাগভিত্তিক মনিটরিং কমিটি গঠন করে তথ্য হালনাগাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রোফাইল হালনাগাদ না করলে প্রশাসনিক পদক্ষেপের সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োগ।
স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় হিউম্যান রাইটস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ মাসুদ, কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ—আব্দুল্লাহ আল ফারুক, কাজি আহাদ ও উম্মে হাবিবা উপস্থিত ছিলেন।
২৭৮ দিন আগে
সাম্য হত্যায় বড় ষড়যন্ত্র থাকলেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে না: ঢাবি ছাত্রদল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ডে পেছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে দাবি করেছে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। তারা বলছে, অথচ তদন্ত করে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না।
শনিবার (৩১ মে) ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়। ‘ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং সাম্প্রতিক রাজনীতি’ শিরোনামে এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
এ সময়ে সাম্য হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, প্রশাসনের অবহেলা ও পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে এই হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।
ঢাবি শাখা ছাত্রদল সভাপতি গণেশচন্দ্র রায় সাহসের অভিযোগ, ‘গত ১৩ মে দিবাগত রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশমুখে সাম্যকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি সত্ত্বেও তারা যথাযথ পদক্ষেপ না নিয়ে বরং হত্যাকারীদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করে—এমন অভিযোগও উঠে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে।’
সংগঠনটির ভাষ্যমতে, ঘটনার দীর্ঘ সময় পর তদন্তে গতি আসে এবং ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্য ছিল ‘অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর’। সাম্যের নিহত ট্রেজার গান-সংক্রান্ত তুচ্ছ বিরোধের জের ধরে হয়েছে বলে জানানো হলেও চিকিৎসকদের মতে, পরিকল্পিতভাবে তার উরুর গুরুত্বপূর্ণ ধমনি কেটে ফেলা হয়, যা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ছাত্রদল অভিযোগ করে, ‘এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে, অথচ তদন্তে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও তারা প্রশ্ন তোলেন।’
‘ক্যাম্পাস ও হলগুলোতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দাপট, মাদক সিন্ডিকেটের বিস্তার এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যেও প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ছাত্রদল বলেছে, ‘শিক্ষার্থীদের আবেগ-অনুভূতির প্রতি উপাচার্যের অপেশাদার আচরণ আরও অসন্তোষ তৈরি করেছে।’আরও পড়ুন: সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি ডিএমপির
পাশাপাশি সাম্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিকমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও উত্থাপন করেছে তারা। ছাত্রদলের দাবি, সাম্য হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়াকে ঢাকতে মনোযোগ সরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সংগঠনটি মনে করে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে স্বাধীন ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, প্রশাসনের ব্যর্থতায় তা এখনও অধরাই থেকে গেছে। তাই উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ এবং নতুন প্রশাসনের অধীনে নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে ছাত্রদল।
ছাত্রদল জানায়, শহীদ সাম্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এবং নিরাপত্তার দাবিতে তাদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে।
২৭৯ দিন আগে
অসুস্থ ছাত্রদল সভাপতি, পদ হারানোর খবরটি ভিত্তিহীন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব জ্বরে আক্রান্ত ও তার পদ হারানোর গুঞ্জনটি ভিত্তিহীন।
শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের এক পোষ্টে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
তিনি জানান, ‘টানা অনেকদিন বৃষ্টিতে ভিজে দলীয় কর্মসূচি পালন করায় ছাত্রদল সভাপতি রাকিব ঠাণ্ডা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই আজ কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।’
‘ছাত্রদলের সভাপতির শারীরিক অসুস্থতার সময়ে নানাধরণের ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলো সবই উদ্দেশ্যমূলক এবং বিভ্রান্তিকর প্রপাগাণ্ডা,’ বলেন নাছির।
আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন বানচালে পাঁয়তারার অভিযোগ, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
এধরনের গুজব পরিহার করুতে সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।
সকাল থেকে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালের খবর ও সামাজিকমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিব পদ হারিয়েছেন। তিনি ২০০৬-০৭ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী।
২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি ও নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
২৮০ দিন আগে
শাবিপ্রবির হলে ঢুকে শিক্ষার্থীকে ‘হামলার চেষ্টা’, ছাত্রদলকর্মী বহিষ্কার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের কক্ষে ঢুকে হামলা চেষ্টার অভিযোগে শেখ ফাকাব্বির সিন নামে এক ছাত্রদলকর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোখলেসুর রহমান বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফাকাব্বির সিন শাবিপ্রবির সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারের সমর্থক হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে থাকেন ফাকাব্বির।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিভাগে তালা
প্রক্টর মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাকাব্বিরের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ১৭ মে সিন্ডিকেটের ২৩৬তম সভায় তাকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরাণ হলের ৪৩৬ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের গলায় ছুরি ধরার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলকর্মী ফাকাব্বিরের বিরুদ্ধে। পরে অভিযোগের তদন্ত করার লক্ষ্যে ৯ জানুয়ারি ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক মো. এছাক মিয়াকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ।
২৮১ দিন আগে
জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনে সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে।
বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. আনওয়ারুস সালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সংশোধিত প্রকল্পের সরকারি আদেশ (জিও) আজ ২৮ মে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অর্জনের জন্য জবি পরিবারের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষা, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, যাদের সহযোগিতায় প্রকল্পটি অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের আরডিপিপি অনুমোদন পেয়েছে। এটি জবির জন্য একটি বিরাট অর্জন ও অগ্রগতি।’
‘শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের নিরবিচ্ছিন্ন সমর্থন এই সফলতার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা চেষ্টা করেছি, সফল হয়েছি—এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে,’ বলেন তিনি।
২৮২ দিন আগে
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সদস্যের ওপর হামলা, জবিতে মানববন্ধন
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে জবি ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। মিছিলটি ভাষ্কর্য চত্বর থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে আবার সেখানে এসে মানববন্ধনের মাধ্যমে শেষ হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘মেহেদীর উপর হামলা কেন? প্রশাসনের জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘গুন্ডালীগের কালো হাত গুঁড়িয়ে দাও’ —এমন নানা স্লোগানে তারা হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান।আরও পড়ুন: সচিবালয়ে আজ কোনো দর্শনার্থী ঢুকতে পারবেন না
মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন বলেন, ‘রাতে মেহেদীর ছেঁড়া শার্ট ও আহত অবস্থায় তাকে দেখে আমি হতভম্ব হয়েছিলাম। সে শান্ত স্বভাবের ছেলে এবং জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। তার ওপর হামলা ন্যক্কারজনক। আমরা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানাই।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, হাসিনার শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, কিন্তু এখনো ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থা বিরাজ করছে ‘
জবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মাঈন আল মুবাশ্বির বলেন, ‘মেহেদী হাসান সরকারের একটি অংশ। সরকার যদি নিজস্ব লোকদেরই নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
এর আগে গত ২৪ মে চাঁদপুর জেলার দক্ষিণ মতলব থানার মেহেদির নিজ এলাকায় মেহেদী হাসানের উপর হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা।এরপর তাঁকে চাঁদপুর স্থানীয় একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শাহজাহান নামে এক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
২৮৩ দিন আগে
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে ২১ দিন বন্ধ থাকছে শাবিপ্রবি
পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে ২১ দিন বন্ধ থাকছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
রবিবার (২৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত শাবিপ্রবির সব ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে ১৩ ও ১৪ জুন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ছুটি দুই দিন বেড়ে মোট ২১ দিন হবে।
অন্যদিকে ১ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ২৫ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস খোলা থাকবে।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিভাগে তালা
২৮৫ দিন আগে