শিক্ষা
সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও, আসামিদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে শাহবাগ থানা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে হত্যায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।শুক্রবার (১৬ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ‘বাংলাদেশের সাধারণ ছাত্রসমাজ’ ব্যানারে থানার সামনে অবস্থান নেন।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা অনুষদের সামনে জড়ো হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে, মিছিল নিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য হয়ে থানার দিকে এগিয়ে যান তারা।
এ সময় সাম্য হত্যার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি জানান ঢাবি শিক্ষার্থীরা।
পরে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে গঠিত আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল শাহবাগ থানায় প্রবেশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. অসীম দাসসহ ৪ জন শিক্ষার্থী এই দলে ছিলেন।
আরও পড়ুন: দুর্বৃত্তের হাতে ঢাবি শিক্ষার্থী খুন: ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মিছিলে বহিরাগত!
থানা ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইব্রাহিম মুন্সি বলেন, এটি একটি নির্দলীয় আন্দোলন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সাম্যর মৃত্যু নিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু আমাদের একমাত্র দাবি সাম্য হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা।’
তিনি আরও জানান, ‘ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’
আজ একটি মাত্র দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানান এ শিক্ষার্থী। তবে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার না করা হলে, আবারও থানা অবরোধের হুশিয়ারি দেন ইব্রাহিম।
মঙ্গলবার (১৩ মে) দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন।
৩৮৪ দিন আগে
উপদেষ্টা মাহফুজের ওপর ‘প্রতীকী বোতল’ নিক্ষেপ
তৃতীয় দিনের মতো জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থানস্থলে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর প্রতীকী বোতল নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৬ মে) বিকাল ৪টায় কাকরাইল মসজিদ মোড়ে শিক্ষার্থীরা এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সংলগ্ন রাস্তার উপর তিনটি প্লাস্টিকের ঝুড়িতে 'সান্ডা মাহফুজ' লেখা সাঁটিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। এরপর পালাক্রমে শতাধিক শিক্ষার্থী বোতল নিক্ষেপ শুরু করেন।
এই সময় আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন বলেন, তার মাথায় বোতল নিক্ষেপের ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। আমাদের শিক্ষকরা তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি পুরো বিষয়টিকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করছেন। উপদেষ্টা মাহফুজের উদ্ধতপূর্ণ আচরণকে আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থীদের গণঅনশন শুরু
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাওন বলেন, বোতল নিক্ষেপের মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওনি আমাদের সাথে কথা না বলে চলে গেছেন। সরকারের একজন ছাত্র প্রতিনিধি হয়েও আমাদর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। পুলিশ আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। ওনি এটার জন্য আমাদের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে পুলিশের প্রতি সহমর্মিতা দেখিয়েছেন। এর প্রতিবাদে আমরা আজকে সান্ডা মাহফুজের উপরে প্রতীকী বোতল নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করছি।
এর আগে গত বুধবার থেকে যমুনা অভিমুখে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। সবশেষ খবর অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সমাবেশ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০টি বাস চক্রাকারে শিক্ষার্থীদের আন্দোলস্থলে নিয়ে আসছেন।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। চলমান আন্দোলনের চার দফা দাবি হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন দেওয়া, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাশ ও দ্রুত বাস্তবায়ন, গত ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
৩৮৪ দিন আগে
জবি শিক্ষার্থীদের গণঅনশন শুরু
শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের দাবিতে যমুনা অভিমুখের কাকরাইল মসজিদ মোড়ে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৬ মে) বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে অনশন শুরু করেন তারা। অনশন কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেন শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র ও ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ ভূইঁয়া।
এর আগে বিকাল ৩টায় সমাবেশে জবি ঐক্যের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহতাব লিমন।
তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে আমাদের আর পেছনে ফেরার জায়গা নেই। আমরা বিকাল সাড়ে ৩টায় অনশন কর্মসূচি শুরু করব। বিজয় না নিয়ে আমরা ফিরছি না।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে ‘জবি ঐক্যের’ পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছউদ্দীন এ ঘোষণা দেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কাকরাইল মোড়েই অবস্থান করবেন শিক্ষার্থীরা।
অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, আমরা সরকারের নিকট আমাদের অধিকার আদায়ের দাবি জানিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বেধড়ক মেরেছে কিন্তু আমাদের অধিকারের বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেনি। এমনকি ৩৫ ঘণ্টা পার হলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি প্রশাসন। সরকার থেকে কোনো বার্তাও আসেনি।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থীদের সমাবেশ শুরু
তিনি আরও বলেছেন, দাবি আদায়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কাল জুম্মার পরে গণঅনশন শুরু করবে। এতে সকল সাবেক ও বর্তমান জবিয়ানদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিকদের উপর পুলিশের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কালো দিবস পালনের ঘোষণা দেন তিনি।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো- আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাঁটছাট না করেই অনুমোদন করতে হবে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে এবং শিক্ষকদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৩৮৪ দিন আগে
জবি শিক্ষার্থীদের সমাবেশ শুরু
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী জুমার নামাজ শেষে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাকরাইল মোড়ে সমাবেশ শুরু করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৬ মে) সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
তারা বলেন, এই ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী) সরকার আমাদের রক্তের সরকার। আমাদের আন্দোলনে রেখে আপনারা এসিতে বসে থাকবেন না। আপনারা জেগে উঠুন। আমাদের দাবিতে দাবিতে আপনাদের ঘুম ভেঙে যাবে।
আরও পড়ুন: আন্দোলন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে যে বার্তা দিলেন জবিসাস সেক্রেটারি
সমাবেশে (জবি) ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, আপনি ঘুম থেকে উঠুন, আর ঘুমাবেন না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তার যৌক্তিক দাবিতে আপনার দুয়ারে এসে দাঁড়িয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুনতে চায়, আপনি আমাদের জন্য কী বার্তা নিয়ে আসেন।’
এর আগে, গত বুধবার থেকে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করছেন জবি শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সমাবেশ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০টি বাস শিক্ষার্থীদের আন্দোলস্থলে নিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
চলমান আন্দোলনে তাদের দাবিগুলো হলো—
১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা।
২. জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন দেওয়া।
৩. দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাস ও দ্রুত বাস্তবায়ন।
৪. ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
৩৮৪ দিন আগে
শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেনি সরকার: হাদী
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ উসমান হাদী বলেছেন, `আমরা কথার জবাব কথা দিয়ে দিব। কোনোভাবেই কোনো হামলা দিয়ে নয়। আমরা দেখেছি, আমাদের পিতৃতুল্য শিক্ষকরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু তাদের ওপর যে পেটোয়া বাহিনী হামলা করলো, তার জন্য কি সরকার থেকে কোনো দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে? করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর কাকরাইলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি গণমাধ্যমের সামনে এসব কথা বলেন।
এ সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র বলেন, মনে রাখবেন, একপাক্ষিক মহানুভবতা ভালো কিছু বয়ে আনে না।
‘বর্তমানে দেশের সব ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ঝগড়াঝাটি লেগে আছে। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবির প্রশ্নে ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ সকল সংগঠন এক হয়েছে। তাদের বলবো—আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকেন,’ যোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: জবির চলমান আন্দোলনে যোগ দিলেন সাবেক শিক্ষার্থীরা
এদিকে চারদফা দাবিতে টানা ত্রিশ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো—আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাঁটছাট না করেই অনুমোদন করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে; শিক্ষকদের ওপর হামলাকারী পুলিশদের বিচারেী আওতায় নিতে হবে।
৩৮৫ দিন আগে
সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে জাবি ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্যের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রতিবাদ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা ঢাবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচারের দাবিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টরের পদত্যাগ ও দেশব্যাপী নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন তৈরির দাবি জানান।
আরও পড়ুন: জাবিতে ‘হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের’ পরিচয়ধারী এক ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
এসময় জাবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব অসীম আহমেদ অনীক বলেন, কিছুদিন আগে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ আনোয়ার অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে খুন হয়েছেন। গত পরশুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা নিজ ক্যাম্পাসে খুন হলেন। কিন্তু ইন্টেরিম সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে নির্লিপ্ত।
তিনি আরও বলেন, আমরা ন্যায়বিচার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত ক্যাম্পাস নিরাপদ হবে এবং শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের নিরাপদ বোধ করবে না ততক্ষণ আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।
জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, ইন্টেরিম সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারবে। কিন্তু, দুঃখের বিষয় কিছুদিন আগে ছাত্রদল নেতা পারভেজকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ও ঢাবির ছাত্রদল নেতা নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য তার নিজের ক্যাম্পাসে খুন হয়েছে। যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইন্টেরিম সরকারকে বলতে চাই, ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ঢাবির উপাচার্যের ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গত জুলাই-আগস্টে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে এবং তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
৩৮৫ দিন আগে
বাকৃবিতে ঈদুল আজহার ছুটি দুই সপ্তাহ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১৪ দিনের ছুটি পাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগামী ৩ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ওই ছুটি কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ৩ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও দাপ্তরিক স্বার্থে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অর্থাৎ আগামী ১৭ মে ও ২৪ মে তারিখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও অফিস খোলা থাকবে।
তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কাজ যথারীতি চলবে।
আরও পড়ুন: বাকৃবি প্রশাসনের নির্ধারিত ভাড়া মানছেন না রিকশাচালকরা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
৩৮৫ দিন আগে
জবির চলমান আন্দোলনে যোগ দিলেন সাবেক শিক্ষার্থীরা
চার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থীরা। দ্বিতীয় দিনে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তারা। এ ছাড়া, গতকাল উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দিকে বোতল ছুঁড়ে মারায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে সড়ক অবরোধ করে জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, জগন্নাথ কলেজ নাম থাকাকালীন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সাবেক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
জবির সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর থেকেই এটি বৈষম্য ও অবহেলার শিকার হয়ে আসছে। কখনো হল আবার কখনো ক্যাম্পাস নিয়ে আমাদের আন্দোলনে যেতে হয়। যেকোনো জাতীয় আন্দোলনে জবি সবার আগেই নিজেদের অবস্থান জানান দিয়ে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু সবসময়ই দেখা যায়, দিনশেষে আমরাই বঞ্চিত। বর্তমানদের যে তিন দাবি, তা অত্যন্ত যৌক্তিক।’
এ সময় সরকারের কাছে জবি শিক্ষার্থীদের দাবি অনতিবিলম্বে মেনে নেওয়ার দাবি জানান তারা। এ ছাড়াও, মানবেতর জীবনযাপন থেকে জবি শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আবেদন জানান সাবেকরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০ বছর ধরে বঞ্চিত হয়ে আসছে। আগে আন্দোলন করে কোনো লাভ হয়নি। তবে, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হোক।’
৩৮৫ দিন আগে
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জবি ক্যাম্পাস শাটডাউন ঘোষণা
শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না-হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা করেছেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইসউদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি। পূর্ববর্তী তিন দফাসহ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার চার দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি করছেন জবির শিক্ষার্থীরা।
অধ্যাপক ড. রইসউদ্দিন বলেন, ‘আমরা জবির দাবি আদায়ের জন্য এসেছি। আমাদের উপরে নির্বিচারে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অরাজকতা ও অন্যায়। আমরা কারো বিরুদ্ধে এখানে কথা বলতে আসিনি, কোন ষড়যন্ত্র করতে আসিনি। দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরব না। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন চলবে, কোনো ক্লাস-পরীক্ষা চলবে না। দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদেরকে এখান থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য যদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না। আমার চোখের সামনে আমার কোনো শিক্ষার্থীকে কেউ আঘাত করতে পারবে না।’
আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি, দাবি আদায় না-হলে আন্দোলন চলবে: জবি শিক্ষক নেতা
গতকাল(বুধবার) থেকে জবির শিক্ষার্থীরা কাকরাইলে অবস্থান করছেন। অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় অনেক শিক্ষার্থী ক্লান্ত হলেও আন্দোলন থেকে সরে যাননি। কেউ কেউ রাতভর রাস্তায় ঘুমিয়ে আজ সকালেও অবস্থান করছেন।
নতুন দাবিসহ চার দাবি হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাস ও বাস্তবায়ন, ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
এর আগে (বুধবার) বেলা ১১টার দিকে এই তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে লং মার্চে শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
লং মার্চটি গুলিস্থান, মৎস্য ভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে পৌঁছালে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সে সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গরম পানিও ছোড়া হয়।
পরে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হন। পরে তাদের অনেককে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গতকাল রাতে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সেখানে বিফ্রিং করতে যান। তবে তার ব্রিফিংয়ে অসন্তুষ্ট হন শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপদেষ্টা মাহফুজকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে বোতল ছুঁড়ে মারেন একজন শিক্ষার্থী। এ ঘটনার পরে বিফ্রিং বন্ধ করে চলে যান উপদেষ্টা।
এদিকে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কাকড়াইল মসজিদের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন জবির শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
৩৮৫ দিন আগে
ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি, দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলবে: জবি শিক্ষকনেতা
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছউদ্দীন। একইসঙ্গে জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া নিয়েও তথ্য উপদেষ্টার দুঃখপ্রকাশ করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই শিক্ষক নেতা বলেন, ‘আমাদের হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আমরা ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনরত জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. রইছউদ্দীন বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) আমাদের এখানে একজন উপদেষ্টা এসেছিলেন। তার সঙ্গে একটি ‘বোতল-কাণ্ড’ ঘটেছে। আমি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তার কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার বিষয়ে উপদেষ্টারও দুঃখপ্রকাশ করা উচিত ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘জবির দাবিগুলো যৌক্তিক, কিন্তু সরকার আদৌ আছে কি না বুঝতে পারছি না! দুদিন হয়ে গেল, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো রেসপন্স আসেনি। এ সরকার জুলাই আন্দোলনের ওপর দাঁড়ানো। এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থীও জুলাই বিপ্লবী। সুতরাং আমাদের হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আমরা ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
এদিকে, তিন দফা দাবি আদায়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কাকরাইল মোড় অবরোধ করছেন জবির শিক্ষার্থীরা।
জবির শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো— আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাঁটছাট না করেই অনুমোদন করা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা।
আরও পড়ুন: দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
আজ (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে দেখা যায়, মৎস্য ভবন থেকে কাকরাইলের দিকে যাওয়ার সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ফলে একমুখী সড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও কাকরাইল মসজিদের সামনে কাকরাইল মোড়ে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে দেখা গেছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের সড়কের মাঝপথে বসেও অবস্থান নিতে দেখা যায়।
এদিকে, আন্দোলন ঘিরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
৩৮৫ দিন আগে