শিক্ষা
চাপ দিয়ে ভিসিকে অপসারণ করলে শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ: কুয়েট শিক্ষক সমিতি
দোষী প্রমাণিত না হলে চাপ প্রয়োগ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভিসির অপসারণ মেনে নেবে না কুয়েট শিক্ষক সমিতি। তারা বলেছেন, চাপ প্রয়োগ করে ভিসিকে অপসারণ করলে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ রাখবে কুয়েট শিক্ষক সমিতি।
কুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষক সমিতির নেতারা।
এ সময় তারা বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের যথোপযুক্ত শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে না শিক্ষকরা।
এছাড়া সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা না বলায় হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষকরা।
এ সময় কথা বলেন— শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. আশরাফুল গণি ভূঁইয়া বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এতে আমরা ব্যথিত হয়েছি। অল্প কয়েকজন মিছিল করলে সাংবাদিকরা সংবাদ করেছে যে, কুয়েট উত্তাল, অথচ কুয়েটে শিক্ষার্থী ৫ হাজারেরও বেশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে, যা দুঃখজনক। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে মারধর করেছে, গায়ে ধুতু দিয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্চিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে কটুক্তি করা হয়েছে। তিনি এসবের বিচারও দাবি করেন।’
আরও পড়ুন: খুলে দেওয়া হলো কুয়েটের আবাসিক হল
মহান জুলাই আন্দোলনের পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মব কালচারের মাধ্যমে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মানিত উপাচার্য অপসারণ হতে পারে না। এই ধরনের কালচার শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করবে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও একই রকম মব কালচারের আশঙ্কা তৈরি হবে বলে শিক্ষক সমিতির বার্তায় জানানো হয়।
এছাড়া মব কালচারের ওপর ভিত্তি করে সরকারকে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার অনুরোধ করেন তারা। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি তা মেনে নেবে না এবং শিক্ষক সমাজ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবে বলে জানান তারা।
৪০৭ দিন আগে
খুলে দেওয়া হলো কুয়েটের আবাসিক হল
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল থেকে হলগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। আজ (বুধবার) দুপুরে সিন্ডিকেটের ১০২তম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঞার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরি সভার সিদ্ধান্তে মোতাবেক আগামী ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার একাডেমিক কার্যক্রম চালু করা এবং ২ মে আবাসিক হলগুলো খোলার বিষয়ে বলা হয়।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো ২ মে এর পরিবর্তে আজ বিকালে খোলা হবে।
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসি মাসুদের পদত্যাগ দাবিতে জাবিতেও অনশন
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল হল খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ এবং ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ২ মে হল খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।
দুই রাত খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়ে ১৫ এপ্রিল ছয়টি ছাত্র হলের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন।
বর্তমানে কুয়েটের সব হলেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন।
৪০৭ দিন আগে
কুয়েট ভিসির পদত্যাগ দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচে এ অবস্থান কর্মসূচি করেন তারা।
এসময় তারা ‘এক দুই তিন চার, ভিসি মাসুদের পদত্যাগ’; ‘আমার ভাই অনশনে, ইনটেরিম কি করে’; ‘দফা এক, দাবি এক, কুয়েট ভিসির পদত্যাগ’; ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘কুয়েটের সংগ্রাম, চলছে চলবে’; ‘এক দফা এক দাবি, মাসুদ তুই কবে যাবি’ এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে কুয়েট ভিসির পদত্যাগ প্রসঙ্গে শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীভ বলেন, ‘কুয়েটে চলমান ভিসির পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা সংহতি জানাচ্ছি। ৪২ ঘণ্টা ধরে অনশনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। কিন্তু এই ইনটেরিম সরকার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে কোনোরকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।’
অনশনের সূত্রপাত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বহিরাগতদের হামলার শিকার হয়ে বিচার দাবি করেন তারা। তবে উল্টো হামলার ঘটনা তদন্ত করা বা দোষীদের বদলে শিক্ষার্থীদের বহিস্কার করা হয়। এরপর শিক্ষার্থীদের নামে মামলাও করা হয়।’
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসি মাসুদের পদত্যাগ দাবিতে জাবিতেও অনশন
উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ১০১তম (জরুরি) সিন্ডিকেট সভায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
পাশাপাশি আগামী ২ মে আবাসিক হলগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার এবং ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হন। পরদিন প্রশাসনিক ভবনসহ সব একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
৪০৭ দিন আগে
কুয়েট ভিসি মাসুদের পদত্যাগ দাবিতে জাবিতেও অনশন
কুয়েট শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবং অবিলম্বে কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মাসুদের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার ব্যানারে আমরণ অনশনে বসেছেন এক নারীসহ মোট আট শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মহুয়া মঞ্চে এই আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
আরও পড়ুন: পারভেজ হত্যার প্রতিবাদে জাবি ছাত্রদলের মানববন্ধন
অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন, আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, জিয়া উদ্দিন আয়ান, নাজমুল ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস আনজুম, কাজী মেহেরাব তূর্য, নাহিদ হাসিন ইমন ও সাজ্জাদ হোসেন।
অনতিবিলম্বে কুয়েটের ভিসিকে পদত্যাগের আহবান জানিয়ে অনশনকারীরা বলেন, আজ দুপুর তিনটার মধ্যে কুয়েটের উপাচার্যকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় স্থান পরিবর্তন করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।
এসময় অনশনরত শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাবি শাখার আহবায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যৌক্তিক দাবিতে গত ৪৮ ঘণ্টা থেকে অনশন করে কুয়েটে আমার ভাইয়েরা মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। তবুও নির্লজ্জ ভিসির পদত্যাগের কোন ইচ্ছা নাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজকে একজন উপদেষ্টা পাঠালেও এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা করতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসন কার কাছে জিম্মি হয়ে এই ভিসিকে এখনো চেয়ারে বসিয়ে রাখার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে আমরা তা জানতে চাই। দুপুর তিনটার মধ্যে কুয়েটের ভিসি পদত্যাগ না করলে স্থান পরিবর্তন করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন তিনি।
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসির পদত্যাগ দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
এছাড়া গনতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন আয়ান বলেন, আমরা কুয়েটের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে এখানে অনশনে বসেছি। কুয়েটের ভিসি মাসুদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই অনশন চালিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, আজকে তিনটার মধ্যেই দাবি আদায় না হলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবো সেইসাথে সারাদেশ ব্লকেড কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।
৪০৭ দিন আগে
কুয়েটের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য মুহাম্মাদ মাছুদের পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাবি, বুয়েট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে সমবেত হন। পরে দিবাগত রাত সোয়া বারোটার দিকে তারা শাহবাগ ত্যাগ করেন।
শাহবাগের অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীরা কুয়েটের উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে নানা স্লোগান দেন। এ সময় কুয়েট ক্যাম্পাসে অনশনরত শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ সৈকত ভার্চুয়ালি শাহবাগের আন্দোলনে যুক্ত হন। তাদের আন্দোলনে সংহতি জানানোর জন্য সৈকত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে গতকাল টিএসসিতে এক কর্মসূচি থেকে মঙ্গলবার রাত ১০টার মধ্যে কুয়েটের উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে কুয়েট উপাচার্যকে না সরানো হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ‘কুয়েট বাঁচাতে শাহবাগ ব্লকেড’–এর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। উপাচার্য পদত্যাগ না করায় পরে শাহবাগ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসির পদত্যাগ দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
এ সময় ঢাবি ছাত্র মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘কুয়েটের শিক্ষার্থীরা যেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, আমরা সেখানে ক্লাসে যেতে পারিনা। কুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বুধবার (২৩ এপ্রিল) সারাদেশে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছি। সব ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে বিকেল ৩টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ‘আলোচনার সব রাস্তা এখন বন্ধ। কেবল একটি রাস্তা খোলা, সেটি হলো কুয়েটের ভিসির পদত্যাগ।’
এদিকে, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কুয়েটের চার শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিক্ষকরা একাধিকবার শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও সাড়া দেননি তারা।
এদিকে একই দাবিতে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশনে বসেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কয়েকজন নেতা।
৪০৮ দিন আগে
কুয়েট ভিসির পদত্যাগ দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
কুয়েট শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ও কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকাল ৪টা দিকে জাবির শহিদ মিনার চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বাগছাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব জাবি শিক্ষার্থী জিয়াউদ্দিন আয়ানের সঞ্চালনায় সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা ভিসির পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লবে সামনের সারিতে ভূমিকা পালনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় একটি দলের সন্ত্রাসীরা। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে উল্টো বিপ্লবীদেরই বহিষ্কার করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে কুয়েট প্রশাসন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেইসঙ্গে ভিসিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদত্যাগ করে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার আহ্বায়ক ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ নেতা আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি কুয়েটের শিক্ষার্থীদের ওপর কীভাবে অন্যায়-অবিচার করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে অনশনে বসেছেন। তাদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি এবং কুয়েটের ভিসির পদত্যাগ দাবি করছি।’
ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগ দাবি করে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক জাবি শিক্ষার্থী তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম বলেন, ‘এ দেশের হাজারো ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জুলাই আন্দোলনকে সফল করেছে। তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করছেন, অথচ কুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায়ের কোনো প্রতিকার করছেন না। আপনারা ক্ষমতায় থাকার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন।’
‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, আপনারা যদি নির্দিষ্ট কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করতে চান, তাহলে পদত্যাগ করুন। দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের চেয়ারে বসানো হয়নি। কুয়েট ভিসির পদত্যাগ নিশ্চিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।’
৪০৮ দিন আগে
যারা শত্রু চিনবে না, তাদের স্বাধীন থাকার অধিকার নেই: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
যারা শত্রু চিনবে না, তাদের স্বাধীন থাকার কোনো অধিকার থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, ‘২৪-এর তরুণদের একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে শত্রুকে ভালোভাবে চেনা, ভালো করে চেনানো ও এই প্রচেষ্টা জারি রাখা।’
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাস্টিস ফর জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা কর্তৃক আয়োজিত ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি সম্পর্কে যখন কথা আসবে, তখন রাষ্ট্র পূণর্গঠনের কথাও আমাদের বলতে হবে। রাষ্ট্র পূণর্গঠনের যে কাজ চলছে, তা চলতে হবে। আমরা শুধু ২৪- এর বিচার চাই না, পূর্বের চলমান মামলাগুলোরও বিচার করতে হবে।’
আলোচনা সভায় সভাপতি ছিলেন জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বিগত সরকার প্রতিটি স্তরে বিচারহীনতার সংস্কৃতি কায়েম করেছিল। বিগত সময়ে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল কোর্টকে নগ্ন দলীয়করণ করা হয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষকেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইতে হয়েছে। অথচ এটা চাওয়ার কথা ছিল কোর্টের কাছে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে আমরা দেখেছি, যে কয়জন বিচারপতি ফ্যাসিবাদের সময় বিবেকের তাড়নায় কাজ করার চেষ্টা করেছেন, তাদের রাতের আঁধারে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।’
হাসান মাহাদীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জাস্টিস ফর জুলাই জবি শাখার সাবেক আহ্বায়ক সজিবুর রহমান।
৪০৮ দিন আগে
কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা
৬ দফা দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে সোমবার (২১ এপ্রিল) ৬ দফা দাবির বাস্তবায়ন নিয়ে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক ও রেল অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন সারাদেশের কারিগরি শিক্ষার্থীরা। এতে জনদূর্ভোগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
এরপর সোমবার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আন্দোলনের একদল প্রতিনিধি। এ সময় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ৬ দফা দাবিতে বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মহাসমাবেশ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্র প্রতিনিধিদের ০৬ দফা দাবীর মধ্যে যৌক্তিক দাবীগুলো পূরণের লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ (টিএমইডি) আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় আন্দোলনরত ছাত্রদের সকল কর্মসূচী প্রত্যাহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব।
ইতোমধ্যে যৌক্তিক দাবীগুলো পূরণের লক্ষ্যে এ বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, আইইবি, আইডিইবি এবং ছাত্র প্রতিনিধিসহ ০৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী দাবীগুলো পূরণে এ কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করবে। সেসব সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে এসব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার এবং শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ঘোষণা দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আন্দোলনরত ছাত্রদের কর্মসূচী প্রত্যাহারের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা দূর হয়ে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব।
৪০৮ দিন আগে
গণিত পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় কেন্দ্র ভাঙচুর পরীক্ষার্থীদের
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এসএসসির গণিত বিষয় পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় পরীক্ষা শেষে পরীক্ষা কেন্দ্রের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ করেছে পরীক্ষার্থীরা।
সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ভাঙচুর ও বলাখাল-রামপুর সড়ক অবরোধের এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আজ (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কঠোর নজরদারি থাকায় অভিযোগ এনে পরীক্ষা শেষে উপজেলার রামপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এরপর পরীক্ষার্থীরা বলাখাল-রামপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে এবং রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটক ভাঙচুর শুরু করে।
এ সময় কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটসহ সরকারি কর্মকর্তারা সারাক্ষণ পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিল এবং এদিন পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত গার্ড দেওয়া হয়।’
‘এতে মানসিক চাপে পড়ে পরীক্ষার্থীরা। যার ফলে তাদের গণিত পরীক্ষা খারাপ হয়।’
রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহের হোসেন বলেন, ‘তারা বিদ্যালয়ের বেশ কিছু চেয়ার-টেবিল ও গ্লাসসহ (আয়না) অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি, পরবর্তীতে লিখিতভাবে অবহিত করেছি।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর, বাতিল অনুষ্ঠান
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র হাজীগঞ্জ-৬ এর কেন্দ্র সচিব ও রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন সরকার ইউএনবিকে বলেন, ‘রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মৈশাইদ, বোরখাল উচ্চ বিদ্যালয় ও আল-বান্না মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে পরীক্ষা দিচ্ছে। আজকে (সোমবার) নিয়মিত ও অনিয়মিতসহ ২৫৪ জন শিক্ষার্থী গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।’
৪০৯ দিন আগে
সাভারে এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের দায়ে কেন্দ্র সচিবসহ ৭ শিক্ষক বহিষ্কার
সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনায় কেন্দ্র সচিবসহ সাত শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) গণিত বিষয়ের পরীক্ষার সময় পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা বিধি লঙ্ঘন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়।
জানা যায়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে নির্দেশনা অমান্য করে সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক এনাম আহম্মেদ এবং আনিছ মোমোরিয়াল স্কুলের সহকারী শিক্ষক তমাল হোসেন অ্যান্ড্রোয়েড মোবাইল ফোনসহ পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তাদের হাতেনাতে ধরা হলে সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার করা হয়।
এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও পাঁচ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
তারা হলেন, বেবগুনবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আল মাহমুদ, গোপালবাড়ী নবীন প্রগতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষক কামরুন্নাহার রুমি, বাড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন, ভাকুর্তা ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক নুপুর মল্লিক এবং রাশিদা বেগম।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি এবং পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
আরও পড়ুন: সাময়িক বহিস্কার হলেন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মেহেদি
বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজরে এনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয়। পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা ভঙ্গ করায় তাদের বহিষ্কারের পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সরকার বলেন, ‘পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব। বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে কোনো শিক্ষক বা স্টাফ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনার জেরে কেন্দ্র সচিব এস.এম. রফিকুজ্জামানকেও বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সরকার।
৪০৯ দিন আগে