শিক্ষা
শাবিপ্রবির ভর্তিযুদ্ধ আজ, আসনপ্রতি লড়বে ৫১ শিক্ষার্থী
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ শুক্রবার। এবার শাবিপ্রবির প্রতিটি আসনের বিপরীতে ৫১ জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ‘বি’ ইউনিট এবং একই দিন বিকাল ৩টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে এবারই প্রথমবারের মতো দেশের পাঁচটি বিভাগীয় কেন্দ্রের বিভিন্ন উপকেন্দ্রে দুই ধাপে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) শাবিপ্রবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে ভর্তি-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরেন ড. রফিকুল।
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষা দিতে এসে পরীক্ষার্থীরা কোনো ধরনের জটিলতায় পড়লে ভর্তি কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।
তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য গত ৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করার নির্ধারিত সময়ে ১ হাজার ৬৭১ আসনের বিপরীতে মোট ৮৬ হাজার ৩৮০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এতে প্রতি আসনের বিপরীতে ৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
এর মধ্যে এ-১ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখা) ৯৫৫ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫৭ হাজার ২৭৩টি; এ-২ ইউনিটের (বিজ্ঞান ও স্থাপত্য) ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১ হাজার ২৫০টি।
অন্যদিকে, ‘বি’ ইউনিটে (বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য) ৫৮১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২৯ হাজার ১০৭ জন্য পরীক্ষার্থী। এছাড়া অতিরিক্ত ১০৫টি কোটা আসন রয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত আসন ২৮টি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী/জাতিসত্ত্বা/হরিজন-দলিত সম্প্রদায়ের ভর্তিচ্ছুদের জন্য ২৮টি আসন, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১৪টি, পোষ্য কোটা হিসেবে ২০টি, চা শ্রমিকদের জন্য ৫টি এবং বিকেএসপি (খেলোয়াড়) কোটায় ১০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: পাঁচ বিভাগীয় শহরে শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার
এবারের ভর্তি পরীক্ষা শাবিপ্রবি কেন্দ্রের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে এ-১ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষায় শাবিপ্রবি কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৭০ জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ৩৪ হাজার ৩৬৯ জন, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ৬ হাজার ১২ জন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ৩ হাজার ৭৮০ জন ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ৫ হাজার ৬২৭ জনসহ সর্বমোট ২৯ হাজার ১১৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। এছাড়া এ-২ (স্থাপত্য) ইউনিটে শাবিপ্রবি কেন্দ্রে অংশ নেবেন আরও ১ হাজার ২৪২ জন।
অন্যদিকে, ‘বি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষায় শাবিপ্রবি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৯৮৩ জন, ঢাবিতে ১২ হাজার ৬৩৬ জন, বেরোবিতে ৫ হাজার ৫৬ জন, যবিপ্রবিতে ৩ হাজার ১৪ জন ও সিভাসুতে ১ হাজর ৪২৭ জনসহ মোট ৫৬ হাজার ৫৮ জন আবদেনকারী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য ৮০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষা। আর ২০ নম্বর এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফল ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় চারটি অপশন থাকবে বলে জানান তিনি।
৩৭১ দিন আগে
পাঁচ বিভাগীয় শহরে শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো দেশের পাঁচটি বিভাগীয় শহরে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও যশোর) এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় ‘বি’ ইউনিট (বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য) এবং বিকাল ৩টায় ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশ নেবেন মোট ৮৬ হাজার ৪১৬ জন পরীক্ষার্থী।
ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার দেশের পাঁচটি বিভাগীয় শহরের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে এ-১ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষায় শাবিপ্রবি কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৭০ জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ৩৪ হাজার ৩৬৯ জন, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ৬ হাজার ১২ জন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ৩ হাজার ৭৮০ জন ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ৫ হাজার ৬২৭ জনসহ সর্বমোট ২৯ হাজার ১১৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। এছাড়া এ-২ (স্থাপত্য) ইউনিটে শাবিপ্রবি কেন্দ্রে অংশ নেবেন আরও ১ হাজার ২৪২ জন।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবি ভর্তি পরীক্ষা: প্রতি আসনের বিপরীতে ৫১ প্রার্থী
অন্যদিকে, ‘বি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষায় শাবিপ্রবি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৯৮৩ জন, ঢাবিতে ১২ হাজার ৬৩৬ জন, বেরোবিতে ৫ হাজার ৫৬ জন, যবিপ্রবিতে ৩ হাজার ১৪ জন ও সিভাসুতে ১ হাজর ৪২৭ জনসহ মোট ৫৬ হাজার ৫৮ জন আবদেনকারী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ইতোমধ্যে পরীক্ষা-সংক্রান্ত সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা চিন্তা করে এবার বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’
৩৭২ দিন আগে
কুয়েটের আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো আবাসিক হল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আগামীকাল (বুধবার) সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ৯৯তম (জরুরি) সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ জারি করা করে প্রশাসন।
আরও পড়ুন: কুয়েটের ভিসির বাসভবনে তালা, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিচুর রহমান ভূঁঞা স্বাক্ষিরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়েটের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদলের ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেয় স্থানীয় বহিরাগতরাও। এ নিয়ে কুয়েটের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রম ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়।
এরপর শুক্রবার রাতে কুয়েট প্রশাসনের ৯৮তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ভিসির বাসভবনের ফটকে তালাও ঝুলিয়ে দেন তারা।
৩৭৪ দিন আগে
নওগাঁয় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ মিছিল
স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে নওগাঁয় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে নওগাঁ মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ চত্বর থেকে মিছিলটি বের করে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। শহরের মুক্তি মোড় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় আন্দোলনকারীরা বলেন, এমবিবিএস অথবা বিডিএস ছাড়া কেউ চিকিৎসক পরিচয় দিতে পারবেন না। সম্প্রতি এ নিয়ে উচ্চ আদালতে করা রিট দ্রুত খারিজ করতে হবে। মানহীন বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো বন্ধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: পাঁচ দফা দাবিতে খুমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিগুলো ওটিসি লিস্টের বাহিরে কোনো প্রকার ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন না। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয় করারও দাবি জানান তারা। সব মিলিয়ে মোট ৫টি দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।
দাবি আদায়ে আজ (সোমবার) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।
৩৭৫ দিন আগে
পাঁচ দাবিতে মমেক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অন্যথায় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’
পাঁচ দফা দাবি নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মেডিকেল কলেজ চত্ত্বরে মমেক ও কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভে অংশ নেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল হাসপাতাল ক্যাম্পাসসহ চরপাড়া এলাকায় সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে মেডিকেল কলেজ গেইটে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া কেউ ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে না—বিএমডিসির এই আইনের বিরুদ্ধে করা রিট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে ও বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন শুধু এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারীদের দিতে হবে। ২০১০ সালে হাসিনা সরকার ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া শুরু করেছে, তাদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
তারা জানান, ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। অবিলম্বে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবি না মানলে আগামীকাল (সোমবার) ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করা হবে।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যখাতের অব্যবস্থাপনা ও অনিশ্চয়তা দূর হবে, তেমনই রোগী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।
আরও পড়ুন: পাঁচ দফা দাবিতে খুমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি হলো—
১. এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া কেউ ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে না—বিএমডিসির এই আইনের বিরুদ্ধে করা রিট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে ও বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন শুধু এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারীদের দিতে হবে। এছাড়া, ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. উন্নত বিশ্বের চিকিৎসাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওটিসি ড্রাগ লিস্ট আপডেট করতে হবে। এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া অন্য কেউ ওটিসি ড্রাগ লিস্টের বাইরে ড্রাগ প্রেসকিবেল করতে পারবে না। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিগুলো ওটিসি লিস্টের বাইরে কোনো ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না।
৩. স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের সংকট নিরসনে—
ক. দ্রুত ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে সকল শূন্যপদ পূরণ করতে হবে। আলাদা স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করে আগের মতো সপ্তম গ্রেডে নিয়োগ দিতে হবে।
খ. প্রতি রবছর ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যখাতের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
গ. ডাক্তারদের বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ বছর করতে হবে।
৪. সকল মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ও মানহীন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিতে হবে। সেই সঙ্গে ইতোমধ্যে এসএসসি পাস করা (ম্যাটস) শিক্ষার্থীদের স্যাকমো পদবি রহিত করে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, পাঁচ দফা দাবিতে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চললেও কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। আমাদের দাবি পূরণের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তাদের এই উদাসীনতায় আমরা ক্ষুব্ধ। আমরা মনে করি, তারা আমাদের দাবিগুলোতে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমাদের যৌক্তিক পাঁচ দাবি মানা না পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরব না এবং দাবি শিগগিরই না মানলে কাল থেকে হাসপাতাল ও ক্যাম্পাস কমপ্লিট শাটডাউন করতে বাধ্য হব।
৩৭৬ দিন আগে
ধর্ষণ, ছিনতাই ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ
সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ধর্ষণ, ছিনতাই, খুন ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফের শহীদ মিনারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে ‘সারাদেশে ধর্ষণ চলে, ইন্টেরিম কি করে’; ‘জ্বালোরে জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘ধর্ষকদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘ছিনতাইকারীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’; ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’ এসব স্লোগান দিতে শোনা যায়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। দেশে আইনের শাসন শূন্যের কোটায় চলে এসেছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আমরা শিক্ষার্থীরা চরম আতঙ্কে দিন পার করছি।
এ সময় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় না আনলে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ক্ষমতা থেকে নামানোর হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা। ইতিহাস বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিবিড় ভূঁইয়া বলেন, ‘সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। রাস্তাঘাটে সবসময় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, আমাদের দেশের নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।’
আরও পড়ুন: কুয়েটে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
তিনি বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, দেশে যেভাবে আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হবে।’
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে আমরা দেখেছি ছাত্রলীগ কীভাবে দেশে হত্যা, খুন, ছিনতাই ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তারা আত্মগোপনে চলে গেলেও দেশে এসব অপকর্ম থেমে নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে বলতে চাই দেশে আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে। নইলে, এই জাহাঙ্গীরনগর থেকেই আমরা কঠর আন্দোলনের ঘোষণা দিতে বাধ্য হব।’
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সজীব তালুকদারের সঞ্চালনায় উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।
৩৭৬ দিন আগে
পাঁচ দফা দাবিতে খুমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
পাঁচ দফা দাবি নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে রোগীদের ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি চলছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) সভাপতি ডা. আরাফাত হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া শুরু করেছে, যা ছিল সম্পূর্ণ বেআইনি আত্মঘাতী। আমরা ইন্টার্ন চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যখাতের বিপ্লব সাধনের জন্য পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছি।’
এছাড়া আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের এই কর্মবিরতি চলবে বলেও জানান আইডিএ সভাপতি ডা. আরাফাত হোসেন।
আরও পড়ুন: ভেঙে পড়েছে খুমেকের চিকিৎসা সেবা, রোগীরা ভোগান্তিতে
পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো—
১. ‘এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া কেউ ডাক্তার লিখতে পারবে না’—বিএমডিসির এই আইনের বিরুদ্ধে করা রিট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে ও বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন শুধু এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারীদের দিতে হবে। ২০১০ সালে হাসিনা সরকার ম্যাটসদেরকে বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু করেছে, তাদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওটিসি ড্রাগ লিস্ট আপডেট করতে হবে। এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া অন্য কেউ ওটিসি ড্রাগ লিস্টের বাইরে ড্রাগ প্রেসকিবেল করতে পারবে না। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিগুলো ওটিসি লিস্টের বাইরে কোনো ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না।
৩. স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের সংকট নিরসনে—
ক. দ্রুত ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে সকল শূন্যপদ পূরণ করতে হবে। আলাদা স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করে পূর্বের মতো সপ্তম গ্রেডে নিয়োগ দিতে হবে।
খ. প্রতিবছর ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যখাতের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
গ. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য চিকিৎসকদের বয়সসীমা ৩৪ বছর করতে হবে।
৪. সকল মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ও মানহীন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিতে হবে। এরইমধ্যে এসএসসি পাশ করা (ম্যাটস) শিক্ষার্থীদের স্যাকমো পদবি রহিত করে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩৭৬ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ঢাকায় কুয়েট শিক্ষার্থী প্রতিনিধি দল
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ঢাকার উদ্দেশে খুলনা ছেড়েছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৮০ জন শিক্ষার্থীর একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় তার সঙ্গে দেখা করার কথা থাকায় শিক্ষার্থীদের বহনকারী দুটি বাস সকাল ৮টায় ক্যাম্পাস ত্যাগ করে।
ক্যাম্পাস ছাড়ার আগে মাথায় ও চোখে লাল কাপড় পরা শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদ চৌধুরী ও উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলামের পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরতে তারা ঢাকায় যাচ্ছেন।
তারা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বৈঠক শেষে নিরাপদ স্থানে যাবেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্যাম্পাসে ফিরবেন না। তবে তাদের কার্যক্রম অনলাইনে চলবে।
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
হামলায় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল পরস্পরকে দায়ী করেছে।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে কুয়েট কর্তৃপক্ষ পূর্বের ন্যায় ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।
কিন্তু ৬ দফা দাবি আদায়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
৩৭৬ দিন আগে
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হার্থ সামিট বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত
দেশব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সেবা ও ওয়েলবিংকে মূল ধারায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ‘হার্থ সামিট বাংলাদেশের’ (ঢাকা পর্ব) আয়োজন করেছে ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রান্সভিত্তিক ওয়েলবিং-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান দ্য ওয়েলবিং প্রজেক্টের গ্লোবাল কোলাবোরেশনে ‘ভালো থাকি, প্রস্ফুটিত হই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে’ এই স্লোগানে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট, হিরোজ ফর অল এবং টিচ ফর বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন বয়সের মানুষকে ওয়েলবিং (ভালো থাকা), সহনশীলতা ও ব্যক্তিগত সমৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে উদ্বুদ্ধ করতে সম্মেলনে ৪০০-র বেশি তরুণ, শিক্ষক, অভিভাবক, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ওয়েলনেস পেশাজীবী এই সম্মেলনে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: বুলবুল হাসানের বায়োফিকশন অন্তহীন বিতর্কযাত্রার প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
এ উদ্যোগের মাধ্যমে ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন পরোক্ষভাবে ৫ হাজারের বেশি তরুণ, শিক্ষক, অভিভাবক ও সোশ্যাল চেঞ্জমেকারদের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সম্মেলনে অনুপ্রেরণামূলক আলোচনা, অংশগ্রহণমূলক কর্মশালা ও ভিন্নধর্মী শিল্প অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো থাকা নিয়ে গভীর উপলব্ধির সুযোগ পেয়েছেন।
বিভিন্ন প্রজন্মকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সামগ্রিকভাবে ভালো থাকার লক্ষ্যে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘ঢাকায় অনুষ্ঠিত হার্থ সামিট বাংলাদেশে অংশ নিতে পেরে আমি আনন্দিত, যা ভালো থাকার উদ্যোগকে প্রাধান্য দেয়।’
তিনি বলেন, ‘আধুনিক জীবনের প্রভাব, বিশেষত তরুণ ও শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ওয়েলবিং নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। শিক্ষা থেকে পেশাগত জীবনে প্রবেশের মুহূর্তে তারা নানা মানসিক ও আবেগগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।’
মানসিক স্বাস্থ্য ও ওয়েলবিং চর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন ও ব্র্যাক আইইডির প্রসংসা করেন তিনি।
সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে কানাডা হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিস।
আরও পড়ুন: সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পরিবেশের সুরক্ষা করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
তিনি বলেন, ‘কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভসের সহায়তায় কানাডা হাইকমিশন, ব্র্যাক আইইডি ও হার্থ সামিট বাংলাদেশ একসঙ্গে এমন নিরাপদ জায়গা তৈরি করছে যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের মানসিক চাপ তুলে ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা পেতে পারে।’
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক আইইডির মেন্টাল হেলথ টিমের প্রধান, সহকারী অধ্যাপক ড. তাবাসসুম আমিনা বলেন, ‘ব্রাক আইইডি হার্থ সামিট বাংলাদেশ ঢাকা পর্বের সহ-আয়োজক হিসেবে এই মূল্যবান আয়োজনের অংশীদার হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।’
তিনি জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য হল সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ করা এবং বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে মানসিক সুস্থতার চর্চাকে অগ্রাধিকার দিতে উদ্বুদ্ধ করা।’
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন ফর ওয়েলবিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মনিরা রহমান বলেন, ‘হার্থ সামিট বাংলাদেশ আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যেখানে আমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের বন্ধনকে শক্তিশালী করে মানসিক স্বাস্থ্য, সহনশীলতা ও ব্যক্তিগত সমৃদ্ধিকে উদ্বুদ্ধ করছি।’
‘ভালো থাকি, প্রস্ফুটিত হই, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে’ শীর্ষক উদ্বোধনী প্লেনারি আলোচনা পর্বে, মানসিক স্বাস্থ্য ও ওয়েলবিং একাডেমিক ও বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হামিদা বেগম, অধ্যাপক কামাল চৌধুরী ও ড. তাবাসসুম আমিনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রশ্নোত্তর পর্বে তরুণ শিক্ষার্থীরা অতীত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু মানসিক আঘাতজনিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং এ ধরনের ট্রমাটিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে কীভাবে নিজেদের সহায়তা করতে পারেন, সে ব্যাপারে উপস্থিত প্যানেল আলোচকদের পরামর্শ নেন।
সম্মেলনে ওয়েলবিং-বিষয়ক কয়েকটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে একটি পরিচালনা করেন হিরোজ ফর অল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ড. রেহনুমা করিম।
৩৭৭ দিন আগে
একুশে পদকপ্রাপ্ত রিফাত নবীকে সম্মাননা দিল ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা
জনপ্রিয় বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার অভ্রের জন্য মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক প্রাপ্তিতে অভ্রের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রিফাত নবীকে সম্মাননা দিয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আশিক মোসাদ্দিক। অনুষ্ঠানে রিফাত নবীকে একটি ল্যাপটপ কম্পিউটার উপহার দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে রিফাত নবী বলেন, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি তার আগ্রহ বেড়েছে, যা তাকে অভ্র দলে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি নিজের আগ্রহের ক্ষেত্রে জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেন, যা ভবিষ্যতে মূল্যবান হতে পারে।
ড. ফরাসউদ্দিন রিফাতের অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, এটি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। তিনি দলকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে একুশে পদক গ্রহণে অভ্রর দল নেতা মেহেদী হাসানের নৈতিক সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন এবং সততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মাহিন ইসলাম ও প্রক্টর ড. আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রিফাত নবীর অভিভাবক ও আত্মীয়-স্বজন, কোষাধ্যক্ষ, শিক্ষক, অ্যালামনাই সদস্য, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩৭৮ দিন আগে