প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞ হেলিকপ্টার থেকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
হেলিকপ্টার থেকে পটুয়াখালী জেলার মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যাওয়ার পথে হেলিকপ্টারটি যখন ধীর গতিতে মাটির অল্প উপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল, তখন ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত দুটি এলাকা প্রত্যক্ষ করেন তিনি।
ঢাকা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা যাত্রা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা হেলিকপ্টারটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ার খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস সরকারি কলেজে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ করার কথা রয়েছে। এরপর তিনি পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের শহীদ শেখ কামাল সেতু পরিদর্শন করবেন।
পরে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকাল ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
ঘূর্ণিঝড় রিমালে অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি, ৩৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং ১৯টি জেলার ৩৭ লাখের বেশি মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা
৬৪৫ দিন আগে
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশুদের স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অর্থ সরবরাহের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে এর পরিবর্তে দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব লাঘবে ব্যয় করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘জলবায়ুর প্রতিকূলতা থেকে মানবজাতিকে রক্ষার জন্য এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অস্ত্র উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতার জন্য অর্থ সরবরাহ করা যেতে পারে। আর এই অর্থ দরিদ্র শিশুদের খাবারের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ব্যবহার করা যাবে।’
বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
যেসব দেশ অস্ত্র উন্নয়ন ও অস্ত্র প্রতিযোগিতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে তাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তির কথা বলি। কিন্তু কেন আপনারা সংঘাতে জড়াচ্ছেন?’
শেখ হাসিনা বলেন, অস্ত্র প্রতিযোগিতার জন্য ব্যয় করা এই অর্থ যদি ক্ষুধার্ত মানুষের খাবার, শিক্ষা ও গরিবদের চিকিৎসার পেছনে ব্যয় করা হতো তাহলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতো। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতো এবং তারা উপযুক্ত উপায়ে জীবনযাপন করতে পারত।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা, মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘাত ও যুদ্ধ আজ বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত করছে।’
তিনি বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাত মানবজাতির জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সংঘাত ও যুদ্ধের কারণে তরুণরা প্রাণ হারাচ্ছে এবং নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অস্ত্র প্রতিযোগিতা যত বাড়তে থাকে, মানুষের জীবন ততই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।’
আরও পড়ুন: মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর সমাধান করতে চাই। বিশ্বের বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।’
অনুষ্ঠানে যুদ্ধাহত তিনজন শান্তিরক্ষীকে পদক দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী 'আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস জার্নাল-২০২৪' (খণ্ড-১০) উন্মোচন করেন।
বর্তমানে বিশ্বের ১৩টি দেশে ৪৯৩ জন নারীসহ ৬ হাজার ৯২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪ হাজার ৯৭০ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৩৫২ জন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৪০৬ জন এবং বাংলাদেশ পুলিশের ৩৬৪ জন সদস্য রয়েছেন।
এ পর্যন্ত ১৬৮ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৬৪৬ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, বর্ষা আসছে তাই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো শিগগিরই মেরামত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব: শরীয়তপুরে বিদ্যুৎহীন সাড়ে ৩ লাখ মানুষ
তিনি বলেন, পানিবাহিত রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিরাপদ পানি নিশ্চিত করারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আবদুস সালাম আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা।
একনেক সভায় মোট ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার।
তিনি আরও বলেন, ‘সভায় অনুমোদিত ১১টি প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা (শুধু সংশোধিত প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে)।’
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পটুয়াখালীতে মাছের ঘের, পুকুরসহ ৭৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
তিনি আরও জানান, এর মধ্যে ৬ হাজার ৫৪১ কোটি ৫২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে, ৭ হাজার ৮৭৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে এবং বাকি ৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে।
১১টি প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নতুন প্রকল্প এবং তিনটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘রিমালের’ আঘাতে সুন্দরবনে প্রাণ হারিয়েছে ২৬ হরিণ
৬৪৭ দিন আগে
পুনরায় সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় শেখ মুহম্মদ বেলালকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজের (সিএফসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় সাবেক রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলালকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি-প্রেস সেক্রেটারি কে এম সাখাওয়াত মুন জানান, সোমবার (২৭ মে) গণভবনে শেখ মুহম্মদ বেলাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তাকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দেশের রপ্তানি বাড়াতে পাট ও পাটজাত পণ্যসহ পণ্যের বাজার খুঁজে পেতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সিএফসি জাতিসংঘ অনুমোদিত আন্তর্জাতিক একটি আর্থিক সংস্থা। এটির ১০১টি সদস্য রাষ্ট্র এবং ৯টি প্রাতিষ্ঠানিক সদস্য রয়েছে।
দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দ্বিতীয় চার বছরের মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হন শেখ মুহম্মদ বেলাল। তার পুনর্নির্বাচিত হওয়া দারিদ্র্য বিমোচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টার ব্যাপক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রতিফলন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে বেলাল সিএফসিতে আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের পদমর্যাদা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম এই দায়িত্ব পান তিনি এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তার প্রথমবারের চার বছরের মেয়াদ শেষ করেন।
শেখ মুহম্মদ বেলাল সিএফসিতে দায়িত্ব পালনের আগে ২০১৪ সালের মার্চ থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসসহ ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্র এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৬৪৮ দিন আগে
মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হওয়ার পথে অংশীদার হতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লক্ষ্যে বাংলোদেশে তাদের ব্যবসার সুযোগ খোঁজার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার গণভবনে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
ইউএসবিবিসির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল, ওষুধ শিল্প, হালকা ও ভারী শিল্প, রাসায়নিক সার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সমুদ্র সম্পদ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।’
আরও পড়ুন: তারেককে ফিরিয়ে এনে আদালতের সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী
ভবিষ্যতে ইউএসবিবিসির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সরবরাহ ও একটি সহজ সাপ্লাই চেইন তৈরির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হয়ে উঠবে যুক্তরাষ্ট্র।’
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে ইউএসবিবিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শুধু আঞ্চলিকভাবে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নই এখন আমাদের লক্ষ্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক অংশীদারদেরও আমরা এর সঙ্গে যুক্ত করতে চাই।’
গত ১৫ বছরে সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে পদ্মা সেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকায় একটি আধুনিক মানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পের অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসবের পাশাপাশি আইনি ও আর্থিক অবকাঠামোগুলোরও উন্নয়ন করা হচ্ছে। এগুলো আমাদের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়িয়েছে।’
এর পাশাপাশি ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাইটেক পার্কের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে এসবের কয়েকটি চালু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিশেষ করে আইটি খাতে ১০ লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং আইটি পেশাদার রয়েছে আমাদের। তাই প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ সঠিক গন্তব্য। এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে আমরা তরুণ, দক্ষ ও সম্ভাবনাময় কর্মশক্তির একটি বিশাল উৎসও বটে।’
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের বাংলাদেশ সবচেয়ে উদার নীতি অনুসরণ করে উল্লেখ তিনি বলেন, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও উন্নত করতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
২০২৬ সালে ‘স্বল্পোন্নত’ দেশ থেকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশে বাংলাদেশের আসন্ন উত্তরণের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটি ‘স্মার্ট জাতি’ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছি। তাই বৈশ্বিক সহযোগিতা ও আমাদের রপ্তানির আরও বাড়াতে আপনাদের সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”
এ ছাড়াও সুশাসন, আইনের শাসন, স্থিতিশীলতা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, নারীর ক্ষমতায়ন ও আইসিটি খাতের অগ্রগতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: 'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নিবিড় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পরিণত হয়েছে বলে স্বীকার করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘দুই দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুবিধা ও সমৃদ্ধি অর্জন করাই আমাদের লক্ষ্য। ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিই এর প্রমাণ।’
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বৃহত্তম গন্তব্য, বিদেশি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় উৎস এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৬৪৮ দিন আগে
তারেককে ফিরিয়ে এনে আদালতের সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী
আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরকার ফিরিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানকে ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'তারেক রহমান যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা তাকে ফিরিয়ে আনব এবং আদালতের সাজা কার্যকর করব।’
রবিবার (২৬ মে) সরকারি বাসভবন গণভবনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
তিনি তারেক জিয়াকে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি, গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং দুর্নীতির জন্য কুখ্যাত ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সে যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা তাকে ফিরিয়ে আনব। সাজাপ্রাপ্ত এই পলাতক আসামিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা তাকে এনে সাজা কার্যকর করব।’
শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ জঙ্গি ও অগ্নিসংযোগকারীদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
২০১৩, ২০১৪ ও ২০২৩ সালে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, 'তার শাস্তি কার্যকর করতে পারলে এদেশের জনগণ জঙ্গিবাদ ও আগুন সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদেশে পলাতক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দণ্ডিত খুনিদের ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে তাদের দণ্ড কার্যকর করা অপরিহার্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৬৪৯ দিন আগে
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের দেশকে গড়ে তুলতে চাই, এখানে ধর্ম বা জাতপাতের কিছু নেই। আমরা জনগণের জন্য কাজ করি, সব মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করি।’
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে ধর্মীয় নেতা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গৌতম বুদ্ধের জন্ম, সিদ্ধিলাভ ও মহানির্বাণ লাভ—এই তিন স্মৃতিবিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বিশ্বের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে বুদ্ধপূর্ণিমা নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: 'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
এ সময় অগ্রগতি ও ঐক্যের প্রতি তার সরকারের অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশে সব সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। আমি বিশ্বাস করি, সৌহার্দ্যপূর্ণ চেতনা নিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা বিশ্বের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেকে আবার বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিতে পারছে না। আমাদের মানসিকতা, বাংলাদেশের মানুষ অনেক উদার। আমরা সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পছন্দ করি। এভাবেই আমরা এগোচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গৌতম বুদ্ধের ভাষায় ‘প্রত্যেক ধর্মের মূল নীতি হলো মানবকল্যাণ।’
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি পৃথক তহবিল রয়েছে যেখান থেকে অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিদের কেবল ধর্মীয় কর্মকাণ্ডই নয়, অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়নের জন্যও বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়।
দেশে মুসলমান ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় স্থাপনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আসলে জীবিকার জন্য আমাদের প্রায়োগিক শিক্ষা প্রয়োজন। সবাই শুরু থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। ধর্মীয় উপাসনার স্থানে বসে তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও অনুশীলন করতে পারে এবং ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তাগুলো শিখতে পারে। তার জন্য আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
নেপালের লুম্বিনী ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের সঙ্গে সরকারের চুক্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘তারা সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি বুদ্ধ মন্দির নির্মাণ করবে কারণ আমরা গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থানে বাংলাদেশের একটি প্রতীক রাখতে চাই।’
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর মধ্যে একটি লুম্বিনিতে। বুদ্ধের জন্মস্থান শান্তির আবাস এবং বিশ্বজুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং শান্তিপ্রেমীদের জন্য একটি চূড়ান্ত তীর্থস্থান।
বুদ্ধ ৬২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং শান্তি ও করুণার সার্বজনীন বার্তা প্রচার করেছিলেন। এটি বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, ধর্ম সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু, বেদান্ত শিলভদ্র ভিক্ষু এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া বক্তৃতা করেন।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ৪ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৬৫০ দিন আগে
'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার ঢাকাকে এমন একটি শহরে রূপান্তর করতে কাজ করছে যেখানে নাগরিকদের উন্নত জীবনমান নিশ্চিত হবে।
তিনি বলেন, 'এই এলাকার (পুরান ঢাকা) মানুষ উপকৃত হবে এবং সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
শনিবার পুরান ঢাকায় নতুন ১০ তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বাজার নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গত বছরের ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বঙ্গবাজার মার্কেটটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে প্রচেষ্টা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি সরণি (৮ লেনের সড়ক), হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান ও নজরুল সরোবর।
ঢাকার সঙ্গে অন্যান্য জেলার যোগাযোগ উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সড়ক অবকাঠামোর অভাবের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, 'আমরা সহজ আন্তঃজেলা যোগাযোগ সহজতর করতে ঢাকায় একটি রিং রোড নির্মাণ করতে চাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, 'সড়ক যোগাযোগ সহজ করার জন্য সরকার ইতোমধ্যে একটি মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং অন্যান্য অনেক সড়ক নির্মাণ করেছে, আরও কয়েকটি মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণাধীন রয়েছে।’
জনগণকে উন্নত সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে ঢাকাকে উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার নগরবাসীর কল্যাণে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করেছে। এর জায়গায় একটি জাদুঘর, একটি স্কুল ও একটি শিশু পার্ক নির্মিত হয়েছে। সেখানে একটি বিনোদন পার্ক নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।’
এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ক্যাম্পাস নির্মাণে সরকারের জমি বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নকশা প্রস্তুত করেছি এবং এ সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।’
সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে ঢাকার বাসিন্দাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। জলাবদ্ধতা ও মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর তথ্যচিত্র দেখানো হয়।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: ১০ তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
৬৫০ দিন আগে
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে প্রচেষ্টা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ হয়ে ভারতে অস্ত্র চোরাচালানের পথ বন্ধ করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ দিয়ে অস্ত্র চোরাচালানের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।’
আজ শনিবার (২৫ মে) বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানের ১০ তলা ভবনের নির্মাণ কাজসহ ৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।
বাকি ৩টি প্রকল্প হলো- বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি সরণি (৮ লেন সড়ক), হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান ও নজরুল সরোবর।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার উলফার মতো ভারতের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে চোরাচালান অস্ত্র সরবরাহের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ১০তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘ফলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যে শান্তি বিরাজ করছে, আওয়ামী লীগ সেটাই করেছে। আর এটাই সবচেয়ে বড় কাজ।’
ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা) ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে সক্রিয় একটি সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন। যারা আসাম সংঘাতের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আদিবাসী আসাম জনগণের জন্য একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলো হলো- মিজোরাম, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ ও নাগাল্যান্ড।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম ও এলজিআরডি সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
৬৫০ দিন আগে
১০ তলা বঙ্গবাজার পাইকারি বিপণিবিতানের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণিবিতানের ১০ তলা ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজার শপিং কমপ্লেক্সে ঈদের কয়েক সপ্তাহ আগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২ হাজার ৯৩১টি দোকান পুড়ে যায়। এর এক বছর পর শনিবার (২৫ মে) নতুন মার্কেট নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হলো।
১০ তলাবিশিষ্ট বিপণিবিতানে ১০৬ দশমিক ২৮ কাঠা জমির ওপর ৪টি ব্লক, ৫টি সাধারণ সিঁড়ি, ৬টি জরুরি সিঁড়ি এবং ৮০-১১০ বর্গফুটের ৩ হাজার ২১৩টি দোকান থাকবে।
প্রতিটি তলায় ২৫০ বর্গফুটের ফুডকোর্ট এবং আলাদা শৌচাগার থাকবে।
আরও পড়ুন: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে খুশি হতাম: প্রধানমন্ত্রী
ভবনে ৮টি লিফট থাকবে, যার ৪টি যাত্রীদের ও পণ্যের জন্য ৪টি ব্যবহার করা হবে। সহজে যাতায়াতের জন্য বাজারের চারপাশে ৭-১০ ফুট চওড়া রাস্তা থাকবে।
এছাড়া ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং ১৬৯টি গাড়ি ও ১০৯টি মোটরসাইকেলের জন্য পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের জায়গা থাকবে।
বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, মহানগর ও আদর্শ হকার্স মার্কেট থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের জন্য ২ হাজার ৯৬১টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ২৪৪টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিপণিবিতানের নির্মাণের কাজ শেষ হবে।
আরও পড়ুন: উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী
৬৫০ দিন আগে