প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার(২ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে নতুন ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, ‘বন্যা (দেশে) আঘাত হানতে পারে। বন্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন: অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসের আলোকে আগামী দিনগুলোতে সম্ভবত আগস্ট মাসে সারা দেশে বন্যা দেখা দিতে পারে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্দেশনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে বৃষ্টিপাতের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এবং প্রধান নদীগুলোর উজানে পানি বৃদ্ধির কারণে আগস্টে বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বন্যার প্রভাব ও ধ্বংসযজ্ঞ থেকে দেশের জনগণকে রক্ষার লক্ষ্যে বন্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বেসামরিক প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রকল্পগুলো সম্পর্কে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব বলেন, একনেক ৫ হাজার ৪৫৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১১টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।
তিনি বলেন, মোট ব্যয়ের মধ্যে ৫ হাজার ২১৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে, ১৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে এবং বাকি ১০৫ কোটি ৯ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে।
সচিব বলেন, ১১টি প্রকল্পের মধ্যে সাতটি নতুন প্রকল্প এবং চারটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বচ্ছতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
৭০২ দিন আগে
স্বচ্ছতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নতুন অর্থবছরের জন্য ন্যায্যতার ভিত্তিতে অনুমোদিত বাজেট স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার(১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে বাজেট বাস্তবায়নে সবাই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মনোযোগী হয়।
মাহবুব হোসেন বলেন, ‘তিনি(প্রধানমন্ত্রী) সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছেন।’
রবিবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়।
এছাড়া পদ্মা সেতু অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স কোম্পানি (পিএলসি) গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
পদ্মা সেতু পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, কোম্পানি আইন অনুযায়ী এই কোম্পানি গঠন করা হচ্ছে।
বোর্ডের অর্গানোগ্রাম ঠিক করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেতু বিভাগ ও অর্থ বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সমন্বয়ে কোম্পানির ১৪ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকবে।
বর্তমানে কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং চীনের মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) সেতুর টোল সংগ্রহ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে। বিদেশি কোম্পানিগুলোকে পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুব হোসেন বলেন, দুটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রস্তাবিত কোম্পানি দায়িত্ব নেবে।
এছাড়া মাদারীপুরের শিবচরে ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি অ্যাক্ট, ২০১৪ -এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইসিটি বিভাগ 'শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি' নামে এটি স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত আইনটি উত্থাপন করলেও মন্ত্রিসভার সদস্যদের অনুরোধ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তার নাম ব্যবহারের অনুমতি দেননি।
তিনি বলেন, ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য আইসিটি সম্পর্কিত গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা।
মন্ত্রিসভা কিছু পর্যবেক্ষণসহ রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭ খসড়াও অনুমোদন করেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
৭০৩ দিন আগে
বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সম্প্রদিায়টির সভাপতি কায়েদ জোহর উজ্জয়িনওয়ালা।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ও শান্তিতে বসবাস করবে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে।’
আরও পড়ুন: কোরিয়া বাংলাদেশের চমৎকার উন্নয়ন অংশীদার : প্রধানমন্ত্রী
তাদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন শেখ হাসিনা।
প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নিরাপত্তা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তারা মানবকল্যাণে শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরেন।
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
তারা হাতে তৈরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাদের কমিউনিটি নেতা শেখ তাহেরভাইয়ের একটি ছবি উপহার দেন।
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের অনুসারীরা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে এই সম্প্রদায়ের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। এরা মূলত চট্টগ্রাম ও পুরান ঢাকায় বসবাস করে। তাদের নেতা সাইয়্যেদুনা মুফাদ্দল সাইফুদ্দিন।
আরও পড়ুন: অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৭০৩ দিন আগে
অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী আয়োজিত বাজেটোত্তর নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (৩০ জুন) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান অর্থমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় সফর বাংলাদেশ-ভারতের মৈত্রীর গভীরতার প্রতিফলন: জয়শঙ্কর
অর্থমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন টেবিল ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- সংসদ উপনেতা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যরা।
এছাড়াও নৈশভোজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: হাসিনার ভারত সফর: বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে
৭০৪ দিন আগে
কোরিয়া বাংলাদেশের চমৎকার উন্নয়ন অংশীদার : প্রধানমন্ত্রী
দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কোরিয়া এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক ইয়ুন-এর চেয়ারম্যান ও সিইও হি সাং বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ ভবনে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
শেখ হাসিনা কোরিয়া সরকারের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কোরিয়া সরকারের সহযোগিতার পরিমাণ বিগত পাঁচ বছরে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের কালুরঘাট পয়েন্টে কর্ণফুলী নদীর ওপর যৌথ রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণে অর্থায়নের চুক্তি সইয়ের জন্য ইউনকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, 'এই সেতু নিশ্চয়ই চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাবে এবং দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য মাতারবাড়ি (সোনাদিয়া) গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য একটি প্রশস্ত করিডোর তৈরি করবে।’
তিনি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে সহজ শর্তে অর্থায়নের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার দু'বার কোরিয়া সফরের কথাও স্মরণ করেন।
২০১০ সালের সফরটি তিনি আন্তরিকভাবে স্মরণ করেন। তিনি সেসময় কোরিযা প্রজাতন্ত্রকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি 'বিশেষ বন্ধু' বলে অভিহিত করেছিলেন।
আরও পড়ুন: পরিবেশের স্বার্থে রাসেলস ভাইপার সাপ না মারার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সিইও হি সাং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ঢাকায় তার সফল সফরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি তার এই সফরকে সবচেয়ে ফলপ্রসূ হিসেবে বিবেচনা করেন কারণ তিনি বাংলাদেশের চলমান প্রধান উন্নয়ন যাত্রা প্রত্যক্ষ করেন।
কোরিয়ান এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সিইও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জিডিপি, চলমান উন্নয়ন পরিক্রমা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস মহামারিসহ চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।
তিনি দারিদ্র্য বিমোচন এবং ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে সম্পূর্ণরূপে উত্তরণে শেখ হাসিনার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
ইয়ুন বাংলাদেশে কোরিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে কারিকুলামে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদল ইডিসিএফ (ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড) এবং ইডিপিএফ (ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফান্ড)’র আওতায় ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
তারা বাংলাদেশে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা ও অর্থায়নের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ইয়ুন এই সহযোগিতার পারস্পরিক সুবিধার কথা তুলে ধরে বলেন, মানব মূলধন হিসেবে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুবক রয়েছে। অন্যদিকে কোরিয়ান প্রজাতন্ত্র তার ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যার কারণে ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশ এই চ্যালেঞ্জটি কাটিয়ে উঠতে একে অপরের পরিপূরক হতে পারে। যেটি সর্বোপরি উভয় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করে। এই সহযোগিতার সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে শ্রোতাদের মধ্যে ইতিবাচকতার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
ইয়ুন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ও জোরদারে তার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। যে প্রস্তাবটি শেখ হাসিনা উষ্ণভাবে গ্রহণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে তার সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করেন।
তিনি দু'দেশের জনগণের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব বলেন, উভয় পক্ষ পারস্পরিক সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বৈঠক শেষ করেন।
অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান, মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং ইআরডি সচিব মো.শাহরিয়ার কাদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ বাবদ ৩১৫ কোটি টাকার চেক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
৭০৭ দিন আগে
পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ বাবদ ৩১৫ কোটি টাকার চেক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
পদ্মা সেতু নির্মাণে নেওয়া ঋণ পরিশোধের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি বাবদ ৩১৫ কোটি টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) গণভবনে পদ্মা সেতুর জন্য ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩১৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯৬৩ টাকার চেক হস্তান্তর করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এসময় আরও ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান।
সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি নিয়ে সেতু বিভাগ প্রথম আট কিস্তি বাবদ অর্থ বিভাগকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে।
গত ৫ এপ্রিল পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় বাবদ অর্জিত রাজস্ব থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ শুরু করে সেতু বিভাগ।
২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে ২০২৪ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু থেকে টোল বাবদ ১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা আদায় হয়েছে।
নিজস্ব অর্থায়নে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়।
নির্মাণ তহবিলের প্রায় পুরোটাই অর্থ বিভাগ থেকে স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ পরিশোধের সময়সূচি অনুযায়ী ৩৫ বছরে ১৪০ কিস্তিতে (৪ কিস্তি) এ ঋণ পরিশোধ করা হবে।
২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা নদীর ওপর দেশের সর্ববৃহৎ ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
৭০৭ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে কারিকুলামে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধা বিকাশে কারিকুলামে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শুধু বই পড়াই যথেষ্ট নয়। আমাদের ছোটদের প্রতিভা বের করে আনতে হবে। তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে হবে যাতে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হতে পারে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা কারিকুলামে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানের মধ্যে নিয়ে এসেছি।’
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪ উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ' শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশের দীক্ষা'।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি সুষম, জনকল্যাণমুখী, সার্বজনীন ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।
আরও পড়ুন: জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে আমি মারা যাব: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করবে সরকার। আমরা প্রাথমিকভাবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন শুরু করেছি এবং এখন আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও এটি করার লক্ষ্য রয়েছে।
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।
এ বছর ১৮টি ক্যাটাগরিতে মোট ১২৬ জন অংশীজনকে 'প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩' প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ জন শিক্ষার্থী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ পদক গ্রহণ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বক্তৃতা করেন।
আরও পড়ুন: ভারতে দল-মত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে: প্রধানমন্ত্রী
৭০৭ দিন আগে
পরিবেশের স্বার্থে রাসেলস ভাইপার সাপ না মারার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো প্রাণী বা সাপ কখনো মানুষকে প্রথমে আঘাত করে না, যদি না সে আক্রান্ত হওয়ার ভয় পায়।
তিনি বলেন, 'কোনো প্রাণী বা সাপ কখনো অযথা কোনো মানুষকে আক্রমণ করে না। ভয় না পেলে বা আক্রান্ত হওয়ার ভয় না থাকলে তারা মানুষের কোনো ক্ষতি করে না।’
মঙ্গলবার (২৫ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ভারত সফর সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাইখ সিরাজ তার প্রশ্নে বলেন, রাসেলস ভাইপার দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষায় জীব-জন্তুর গুরুত্ব অপরিসীম। দেশে রাসেলস ভাইপার ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে জনগণকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শও দেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'ভয় পেলে মানুষকে ভয় পেতে হবে, পশু বা সাপকে নয়।’
বর্তমানে রাসেলস ভাইপার সাপটি আশঙ্কাজনকভাবে দেশে ছড়িয়ে পড়ায় এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গল্প ভাইরাল হচ্ছে। এমনকি এই সাপটিকে মেরে ফেলার জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছিলেন কিছু জনপ্রতিনিধি।
আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্পে সবচেয়ে লাভজনক প্রস্তাবটিই গ্রহণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
৭০৯ দিন আগে
তিস্তা প্রকল্পে সবচেয়ে লাভজনক প্রস্তাবটিই গ্রহণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের জন্য কোনটি সবচেয়ে লাভজনক হবে তা বিবেচনা করে তিস্তা মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের অর্থায়ন প্রস্তাব গ্রহণ করবে সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমরা তিস্তা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এতে অর্থায়নের জন্য চীন ও ভারত পৃথক প্রস্তাব দিয়েছে। অবশ্যই সেই প্রস্তাব গ্রহণ করতে হবে, যা আমাদের দেশের জনগণের জন্য আরও লাভজনক হবে।’
সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জুন) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: ভারতে দল-মত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন এরইমধ্যে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে এবং ভারতও একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করবে।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা সেটিই বেছে নেব যা আমাদের জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও লাভজনক।’
ভারত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'যেহেতু ভারতের সঙ্গে আমাদের তিস্তার পানির দাবি দীর্ঘদিনের, তাই ভারত আমাদের তিস্তা প্রকল্প করলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
ভারত তাদের টেকনিক্যাল টিম পাঠাবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় দল এবং বাংলাদেশ যৌথভাবে এটি মূল্যায়ন করবে।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে তার বিষয় নিয়ে বিতর্কের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
এর আগে গত ২১ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
লোকসভা নির্বাচনের মাধ্যমে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এই প্রথম কোনো সরকার প্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর হলো।
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং কাজী জাফরউল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান।
আরও পড়ুন: ভারত সফর সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
৭০৯ দিন আগে
ভারতে দল-মত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের দল-মত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) সম্প্রতি ভারত সফরের ফলাফল নিয়ে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ভারতে দল-মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে আমার একটা সুসম্পর্ক আছে।’
ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে ইউএনবির নাহার খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিশেষ করে সোনিয়া গান্ধী ও তাদের সন্তান এবং ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসকে তার বিষয় নিয়ে বিতর্কের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, ‘প্রণববাবু ও তার সন্তানদের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক বন্ধন রয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর পরিবার এবং আমাদের পরিবারের মধ্যে একটি পারিবারিক বন্ধনও রয়েছে, যা রাজনীতি ও সব কিছুর ঊর্ধ্বে।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুন নয়া দিল্লি যান প্রধানমন্ত্রী।
লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এই প্রথম কোনো সরকার প্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর অনুষ্ঠিত হলো।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং কাজী জাফরউল্লাহ মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন: ভারত সফর সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসু: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
৭০৯ দিন আগে